সেজেগুজে বিয়েতে যাওয়ার জেরে স্বামীর হাতে খুন হলেন স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

সেজেগুজে বিয়েতে যাওয়ার জেরে স্বামীর হাতে খুন হলেন স্ত্রী

মাদারীপুরের শিবচরের সেজেগুজে ভাসুরের মেয়ের বিয়েতে যাওয়ায় প্রতিবন্ধী স্বামীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল কুলসুম বিবি নামের এক গৃহবধূর। উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের চরবাচামারা রফিজউদ্দিন সরদারের কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। নিহত কুলসুম বিবি ঐ এলাকার আব্বাস হাওলাদার স্ত্রী।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার কুলসুমের স্বামী আব্বাস হাওলাদারের বড় ভাই ফজল হাওলাদারের মেয়ে সেলিনা আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে সেজেগুজে অংশগ্রহণ করেন কুলসুম। এ সময় এক প্রতিবেশী কুলসুমের বাকপ্রতিবন্ধী স্বামী আব্বাস হাওলাদারকে রসিকতা করে বলেন ‘তোমার বউতো অন্যের সঙ্গে চলে যাবে।’ এতে প্রতিবন্ধী স্বামী আব্বাস হাওলাদার তার ওপরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।


সেনাবাহিনী থেকে খালেদা জিয়াকে চিঠি

এবার ট্রাম্পের চোখ ৬ জানুয়ারির দিকে

কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুর

দুই ভাই জেলা প্রশাসক, এক বোন এএসপি


এই ঘটনায় পর দিন শনিবার সকালে কুলসুমকে বেধড়ক মারপিট করে তার স্বামী। এ সময় পুরো ঘটনা শুনে প্রতিবেশীরা স্বামী-স্ত্রী দুইজনেরকে মীমাংসা করে দেন।

প্রথমে প্রতিবেশীদের কথায় শান্ত হলেও এ ঘটনার জের ধরে রাতে আবারো আব্বাস তার স্ত্রী কুলসুমের হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে পাশবিক নির্যাতন করে। এক পর্যায় কুলসুম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এতে ও ক্ষান্ত হয়নি আব্বাস। স্ত্রী কুলসুমের মৃত্যু নিশ্চিতে গলায় ছুরিকাঘাত করেন তিনি। এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোক এগিয়ে এলে আব্বাস পালিয়ে যান। 

পরে কুলসুমকে উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় প্রথমে পাঁচ্চর রয়েল হাসপাতাল, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু ঢাকা নেয়ার আগে বৃহস্পতিবার ভোরে দুই সন্তানের জননী কুলসুমের মৃত্যু হয়।

অভিযুক্ত আব্বাসের দুই ভাই জয়নাল ও আয়নালকে আটক করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি এমদাদুল হক জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এবং নিহতে লাশ ময়নাতদন্তে  জন্য মাদারীপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিউজ টোয়েন্টিফোর বিডি / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পুলিশে রক্ষা পরকীয়ার থাবা থেকে একটি সংসার

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশে রক্ষা পরকীয়ার থাবা থেকে একটি সংসার

নতুন প্রেমিকার টানে স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে ফেলে নিখোঁজ হন স্বামী মো. ইমরান আকন। কিন্তু স্ত্রী ফেসবুকে পুলিশের সহায়তা চাইলে পুলিশ স্বামীকে খুঁজে বের করে। 

শুক্রবার এমটাই জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানা এসব জানান।

তিনি জানান, রাজধানীর লালবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও এক শিশু সন্তান রেখে নিখোঁজ হন স্বামী মো. ইমরান আকন। কাউকে কিছু না বলে নিখোঁজ হওয়ায় বাংলাদেশ পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং পরিচালিত ‘বাংলাদেশ পুলিশ অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ’ এর ইনবক্সে স্বামীর সন্ধান চেয়ে মেসেজ পাঠান তার স্ত্রী।  এর পর মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং তাৎক্ষনিকভাবে লালবাগ থানার ওসি কে নির্দেশ দেন ইমরানকে খুঁজে বের করতে। 


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


 

পরে পুলিশের পুলিশের সহায়তায় পরকীয়ায় আসক্ত স্বামীকে পরিবারে ফিরে পেয়েছেন এক নারী।  শুক্রবার বাংলাদেশ পুলিশের এআইজি (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) মো. সোহেল রানা এসব জানান।

পুলিশ জানায়, ৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং পরিচালিত ‘বাংলাদেশ পুলিশ অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ’-এর ইনবক্সে এক নারী মেসেজ পাঠান। মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স উইং এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক লালবাগ থানার ওসি এম আশরাফ উদ্দিনকে অবগত করে। নির্দেশনা দেওয়া হয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের। একই সঙ্গে ভদ্রমহিলাকে পরামর্শ দেয় থানায় যেতে। ওই নারীর দেওয়া সম্ভাব্য সব তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একাধিক স্থানে ওই ব্যক্তির অবস্থান দেখা যায়। 

২৫ ফেব্রুয়ারি স্বামী ইমরান আকনকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। 

পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ইমরান আকন অন্য এক মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিল। তাই তিনি নতুন প্রেমিকার টানে স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে ফেলে চলে যান। অবশেষে নারী ও তার স্বামীর ইচ্ছা ও সহযোগিতায় এবং কোতোয়ালি থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। ইমরান আকন বর্তমানে তার স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে রয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ছাগল কিনতে এসে হাত-পা ও মুখ বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক

ছাগল কিনতে এসে হাত-পা ও মুখ বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা

নওগাঁর বদলগাছিতে ছাগল কেনার নামে বাড়িতে এসে এক গৃহবধূকে (২০) হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।  

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

বদলগাছী থানা ও গৃহবধূর পরিবার সূত্রে জানা যায়, দুই মাস আগে চারজন লোক গৃহবধূর বাড়িতে ছাগল কিনতে আসে। তারা একটি ছাগল নিয়েও যায় এবং পরবর্তীতে আরও ছাগল নেওয়ার কথা বলে মোবাইল নম্বর দিয়ে যায়। গৃহবধূর শাশুড়ি ভুল করে ওই নম্বরে একদিন ফোন দেয়। তারপর থেকেই এ নম্বর থেকে গৃহবধূকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকে। গৃহবধূ বারবার নিষেধ করলেও তা অমান্য করে প্রতিনিয়ত ফোন দেয়।


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


গৃহবধূ স্বামীকে জানালে তার স্বামী ফোন দিয়ে তার স্ত্রীকে বিরক্ত করতে নিষেধ করে। এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোটরসাইকেল যোগে দুই ব্যক্তি ছাগল কিনতে কেশাইল গ্রামের ওই বাড়িতে আসে। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে দুই ব্যক্তি গৃহবধূকে জোরপূর্বক ঘরে টেনে নিয়ে দুই হাত ও মুখ বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে হাতের বাঁধন খুলে গেলে সে মুখের বাঁধন খুলে চিৎকার করলে দুই ব্যক্তি পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে থানা পুলিশ গৃহবধূকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

বদলগাছি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রায়হান হোসেন বলেন, ছাগল ক্রেতা সেজে বাড়িতে গিয়ে এক গৃহবধূকে মধ্যযুগীয় কায়দায় ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাত-পা বেঁধে যুবককে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরালে থানায় মামলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি

হাত-পা বেঁধে যুবককে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরালে থানায় মামলা

সন্ত্রাসী সোহেল খান

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে আশিক জোমাদ্দার (২৫) নামে এক যুবককে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়েছে। সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। 

চিংড়াখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সোহেল খান যুবককে হাত-পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেছে বলে জানা গেছে। হাত-পা বেঁধে নির্যাতনে গুরুতর আহত আশিক জোমাদ্দারকে মোরেলগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

বৃহস্পতিবার রাতে মোরেলগঞ্জ থানায় এই অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে বড় জামুয়া গ্রামের খলিল খানের ছেলে ইউপি সদস্যে সোহেল খানের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিম। অভিযানে কয়েকটি রামদা ও হকি ষ্টিক উদ্ধার কররা হয়। তবে, অভিযানের আগেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে ইউপি সদস্যে।


কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক মৃত্যুতে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সকাল ও দুপুরের সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ৬ প্রাণ

যা দেখে নাসিরকে ভালোবেসেছিলেন তামিমা


পুলিশ জানায়, বাগেরহাট জেলার পার্শ্ববর্তী পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার চরনী পর্ত্তাসী গ্রামের কবির আকনের ছেলে আবদুস সবুর আকনের একটি মোবাইল ফোন মঙ্গলবার চুরি করে নেয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী একাধিক মামলার আসামি চিংড়াখালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোহেল খানের ছোট ভাই রুবেল খান।

চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের জন্য বুধবার দুপুরে রুবেলের বড়ভাই এবং ইউপি সদস্য সোহেল খানের বসতবাড়ি যান মোবাইল মালিক আবদুস সবুরের বন্ধু চরনী পর্ত্তাসী গ্রামের আশিক জোমাদ্দার। বিষযটি সোহেল খানকে অবহিত করে মোবাইল ফোনটি উদ্ধারের দাবি করলে তা নিয়ে আাশিক ও সোহেল খানের মধ্যে কথা কাটাকাটির সৃষ্টি হয়। কথা কাটাকাটি ও বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ইউপি সদস্য সোহেল খানের নির্দেশে তার ক্যাডার বাহিনী আশিককে আটক করে তার হাত-পা বেধে ফেলে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে ফেলে রাখে। 

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত আশিককে উদ্ধার করে মোরেলগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে ওই সময়ে আশিক জোমাদ্দারকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের দৃশ্যটি কেউ একজন মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে বৃহস্পতিবার ‘চিংড়াখালী বাজার’ নামক একটি আইডি থেকে তা ফেসবুকে পোষ্ট দিলে মুর্হুতেই ভাইরাল হয়ে যায়। হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের দৃশ্যটি ফেসবুকে ভাইরাল হবার পর পুলিশ শাসনের টনক নড়ে।
 
মোরেলগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের দৃশ্যটি ফেসবুকে ভাইরাল হবার পর একাধিক মামলার আসামি সোহেল খান ও তার সহযোগীদের নামে মামলা দায়ের করেছি। পুলিশ সন্ত্রাসী ইউপি সদস্য সোহেলের বাড়ি অভিযান চালিয়ে কয়েকটি রামদা ও হকি ষ্টিক উদ্ধার করেছি। সোহেলতে আটকের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভাবিকে নিয়ে উধাও দেবর, ৩৬ বছর পর আটক

অনলাইন ডেস্ক

ভাবিকে নিয়ে উধাও দেবর, ৩৬ বছর পর আটক

ভাবিকে বিয়ে করে ৩৬ বছর পলাতক থাকার পর ফেনীর সোনাগাজীতে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে নাছির উদ্দিন (৬০) ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৫০)।

পুলিশ জানায়, ১৯৮৫ সালে নাছির উদ্দিন তার ভাই মাহবুবের রহমানের স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে বিয়ে করে পালিয়ে যান। তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। ওই বছর ২ জানুয়ারি মাহবুবের রহমান বাদী হয়ে ভাই নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে তৎকালীন সময়ে দণ্ডবিধি ৪৯৬/৩৭৯/৩৪ ধারা মোতাবেক প্রতারণামূলকভাবে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অপরাধে মামলা দায়ের করেন।


কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক মৃত্যুতে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় সকাল ও দুপুরের সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরল ৬ প্রাণ

যা দেখে নাসিরকে ভালোবেসেছিলেন তামিমা


তৎকালীন সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৯৮৫ সালের ৫ অক্টোবর নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগমের এক বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করেন। আদালত প্রতারণামূলকভাবে অন্যর স্ত্রীকে বিয়ে করার অপরাধে এই দণ্ড দেন।

বিয়ের পর থেকে নাছির উদ্দিন চট্রগ্রামে গিয়ে পেয়ারা বেগমকে নিয়ে নতুন সংসার গড়েন। চট্টগ্রামের বিভিন্নস্থানে বসবাসের পর সর্বশেষ চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন তারা।

সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম দুজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় আড়াই কেজি সোনা উদ্ধার

জামান আখতার, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় আড়াই কেজি সোনা উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে প্রায় আড়াই কেজি ওজনের ১১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। উদ্ধার করা সোনার আনুমানিক বাজার মূল্য এক কোটি ৫৩ লাখ ২৮ হাজার ৭৯২ টাকা। শুক্রবার বিকেলে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করে বিজিবি।

চুয়াডাঙ্গার ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ফুলবাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় দুই কেজি ৪১৬ গ্রাম ওজনের ১১টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার সোনা দর্শনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজিবি পরিচালক আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে সোনাগুলো ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছিলো। এ ব্যাপারে দর্শনা থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর