প্রবাসীর স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ সেই ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৭

সফিউদ্দিন জিন্নাহ্ , গাজীপুর:

প্রবাসীর স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ সেই ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৭

গাজীপুরের কাপাসিয়ার তরগাঁও এলাকায় প্রবাসীর স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংগঠিত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ৭ জনকে গ্রেপ্তারর করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গৃহবধূর মা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষণের ঘটনা মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে গৃহবধূর স্বজনদের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেছে ধর্ষণকারীরা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কাপাসিয়ার তরগাঁও পূর্ব পাড়া গ্রামের মো. মোস্তফা বেপারীর ছেলে রোমান বেপারী (২০), তরগাঁও এলাকার মো. মহসিন বেপারীর ছেলে মো. জুবায়ের বেপারী (২০), একই এলাকার মফিজ সরদারের ছেলে মো. মোরসালিন সরদার (২১), তরগাঁও এলাকার এহসান বেপারীর ছেলে মো. সাহাবুল হোসেন সাকিব (২২), তরগাঁও বোয়াল্লেরটেক এলাকার মৃত শফুর উদ্দিনের ছেলে মাসুম শেখ (২১), একই এলাকার শামসুল হক ভূঁইয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২০) ও  বাদল মোড়লের ছেলে মাহফুজুল। তবে এ ঘটনার মূল হোতা কাপাসিয়ার চরখামের গ্রামের আইন উদ্দিনের ছেলে সাখাওয়াত হোসেনকে (২৮) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ।
 
কাপাসিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আফজাল হোসেন জানান, কাতার প্রবাসীর স্ত্রী ও এক সন্তানের জননী নরসিংদীর মনোহরদীর বীরআহাম্মদপুর  এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করেন। ধর্ষণকারী সাখাওয়াত হোসেনের সাথে প্রায় সময় মোবাইল ফোনে তার কথা হতো। গত বুধবার ওই গৃহবধূ শশুর বাড়ি হতে বাবার বাড়ি কাপাসিয়ার তরগাঁও এলাকায় বেড়াতে আসেন। পরদিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সাখাওয়াত ওই গৃহবধূকে একটি মোবাইল ফোন দিবে বলিয়া বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাখাওয়াত তার দলবল নিয়ে কৌশলে গৃহবধূকে তরগাঁও নবীপুর নর্দারটেকে নিয়ে যায়। সেখানে সাখাওয়াতসহ ৪ জন তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। অন্যরা এ কাজে সহায়তা করে। 

পরে ধর্ষণকারীরা গৃহবধূকে আটকে রেখে তার মায়ের মোবাইল নাম্বারে ফোন করে জানায় আপনার মেয়েকে ফেরত নিতে হলে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় তাকে হত্যা করা হবে এবং মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়া হবে। এ খবর শোনার পর ভীত অবস্থায় গৃহবধূর মা মামলার কাপাসিয়া থানায় এসে ঘটনা জানায়। পরে পুলিশ উক্ত মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে গৃহবধূকে উদ্ধার করে। গৃহবধূর তথ্য অনুযায়ী একে এক করে ধর্ষণকারীদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় মূল হোতা পালিয়ে যায়।

গাজীপুর পুলিশের এএসপি (সার্কেল) ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মারাত্মক। ঘটনার সাথে জড়িত প্রায় সবাইকেই আমরা গ্রেপ্তার করেছি।


সেনাবাহিনী থেকে খালেদা জিয়াকে চিঠি

এবার ট্রাম্পের চোখ ৬ জানুয়ারির দিকে

কুষ্টিয়ায় বিপ্লবী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুর

দুই ভাই জেলা প্রশাসক, এক বোন এএসপি


নিউজ টোয়েন্টিফোর বিডি / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রেম করে বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় নিজ ঘরে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সুঘাট ইউনিয়নের ফুলজোড় গ্রামে শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই নারীর নাম মিতু খাতুন (২০)। মিতু টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার মিজানুর রহমানের মেয়ে।

জানা যায়, গত চার মাস আগে ফুলজোড় গ্রোমের হিটলারের ছেলে জুবায়ের খানের সঙ্গে মিতুর প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যেমে পরিবারকে না জানিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে। পরে  ছেলের পরিবার মেনে নিলেও মেয়ের পরিবার মেনে নেয় না। এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতবিরোধ ও পরিবারে অশান্তির সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার দুপুরের খাবার খেয়ে মিতু তার শয়ন কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়েন। পরবর্তীতে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর ঘুম থেকে জেগে না ওঠায় স্বামীর পরিবারের লোকজন তার নাম ধরে একাধিকবার ডাকাডাকি করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে গৃহবধূ মিতুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেন।

আরও পড়ুন:


দেশের তিন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান


মিতুর মা সোনিয়া আক্তার বাদী হয়ে শেরপুর থানায় ওই দিন রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তার দাবি, মিতুর স্বামী ও শ্বশুরের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে।

শেরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তাই মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়া গেলেই মৃত্যুর কারণ সঠিক করে বলা সম্ভব হবে। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণ

খুলনার ডুমুুরিয়ায় চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিয়োগ উঠছে। এ ঘটনায় আজ শনিবার সকালে শিশুটির পিতা ডুমুরিয়া থানায় মামলা করেছেন। 

এর আগে তার অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত একটার দিকে ডুমুরিয়ার ধামালিয়া বরুণা গ্রাম থেকে অভিযুক্ত রনি সরদার (১৪) নামের এক কিশোরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শনিবার দুপুরে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সে ওই গ্রামের খিজির সরদারের ছেলে।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা বাড়িতে রান্না করছিলেন। এ সময় প্রতিবেশি রনি সরদার চকলেট দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিজেদের বাড়ির পরিত্যক্ত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই পুলিশ রনি সরদারকে গ্রেফতার করে।

ডুমুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুই শ টাকার টেস্টে লাগে হাজার টাকার বেশি

ফখরুল ইসলাম

দুই শ টাকার টেস্টে লাগে হাজার টাকার বেশি

ডায়াবেটিসের এইচবিএ ওয়ান সি টেস্ট করতে খরচ মাত্র ২০০ টাকা। এ টেস্ট প্রাইভেট হাসপাতালে করাতে রোগীকে গুণতে হয় ৫ থেকে ৮ গুণ বেশি হারে, ১ হাজার থেকে ১৫শ’ টাকা। ৫ থেকে ২৮ গুণ পর্যন্ত বাড়তি ফি গুনতে হয় হেপাটাইটিস পরীক্ষায়ও। খরচ ১০০ টাকা হলেও সব ক্যাটাগরির টেস্ট মিলিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালের ফি ৫শ’ থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত। টেস্ট ফি নির্ধারণে কোনো নিয়মনীতি না থাকায়, পকেট কাটছে হাসপাতালগুলো। বিপরীতে অসহায় সাধারণ রোগীরা।

দেশে চিকিৎসাখাতের বাড়তি খরচ মানুষকে করে তুলছে আরো দরিদ্র। একজন রোগীকে সাধারণ থেকে কোনো জটিল রোগের চিকিৎসা করাতে পোহাতে হয় নানা টেস্টের ধকল। আর প্রাইভেট হাসপাতালে বাড়তি টেস্ট ফি’র বোঝায় দিশেহারা রোগীরা।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


টেস্ট করাতে সব হাসপাতালের রিএ্জেন্ট ও প্যাথলজিক্যাল মেশিন একই। দামের ভিন্নতাটা শুধু হাসপাতাল ভেদে। কিন্তু এতেও কি সহনীয় সেই ফি?

এইচবিএ ওয়ান সি ডায়াবেটিসের টেস্টটি করাতে রিএ্যাজেন্ট মিলিয়ে সর্বোচ্চ খরচ ২০০ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ফি ৩শ টাকা হলেও প্রাইভেট মেডিকেলগুলো নিচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা পরযন্ত। হেপাটাইটিস সহ চার ধরনের রোগের টেস্টের একটি কিটেই খরচ হয় মাত্র ১শ টাকা। অথচ সব টেস্ট মিলিয়ে রোগীদের থেকে প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে ৫শ থেকে ২৮শ টাকা পর্যন্ত। একটি এক্স রে করতে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা খরচ হলেও নিচ্ছে ৪শ থেকে ৫শ টাকা। ব্লাড গ্রুপিংয়ের খরচ ৩০ টাকা। প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে আড়াইশ থেকে ৫শ টাকা। 

আল্ট্রাসনোগ্রাফি(প্রেগনেন্সি) খরচ ১শ থেকে দেড়শ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ২২০ টাকা নিলেও প্রাইভেটে নিচ্ছে ১৩শ থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত। এমন বাড়তি ফির যাঁতাকলে থাকা রোগীরা হয়তো জানেনই না কোন টেস্টের আসল খরচ কতটা।

বলা হয়ে থাকে দেশে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর আয়ের ৮০ ভাগই আসে টেস্ট ফি থেকে। তাই অতি মুনাফাভোগী চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে মানুষকে বাঁচাতে টেস্ট ফি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

অন্যদিকে ১০ ভাগ গরিব রোগীকে সম্পূর্ণ ফ্রি চিকিৎসা দেওয়ার নীতিমালা থাকলেও তা মানছেন না বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেউ কেউ।

টেস্ট ফি সহনীয় করে হাসপাতালগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে আনার দাবি সাধারণ মানুষের।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিধবাকে ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা বলে, ফের সুযোগ না দিলে ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক

বিধবাকে ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা বলে, ফের সুযোগ না দিলে ক্ষতি

ছাত্রদল নেতার হাতে ধর্ষণের শিকার তিন সন্তানের জননী স্বামীর ভিটে ছেড়ে বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগ, বোরকা পরে ঘরে ঢুকে বিধবা নারীটিকে ধর্ষণ করে ওই নেতা।

শিপু নামে ওই নেতা সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক।

এদিকে ঘটনার ১৩ দিন পার হলেও অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা জুবায়ের আহমদ শিপুকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, উপজেলার আগতালুক গ্রামের মৃত শাহাব উদ্দিনের ছেলে জুবায়ের হাসান শিপু (২৭) গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে বোরকা পরে ওই নারীর ঘরের দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


ধর্ষণের পর যাওয়ার সময় বিধবার মোবাইল নম্বর নিয়ে যায় অভিযুক্ত জুবায়ের এবং হুমকি দিয়ে যায়, ঘটনাটি যাতে জানাজানি না হয়। পরদিন ফোন করে বলে তিনি আবারও আসবেন। সুযোগ না দিলে বড় ধরনের ক্ষতি করবে।

ঘটনার পরদিন ভিকটিম নারী কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।

সেখানে থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তিনি বর্তমানে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান কানাইঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কার্টুন দেখানোর কথা বলে সিরাজগঞ্জে শিশু ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

কার্টুন দেখানোর কথা বলে সিরাজগঞ্জে শিশু ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি

মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে সিরাজগঞ্জে তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার বিয়াড়াঘাট দক্ষিনপাড়ার আব্দুল মমিন তালুকদার নামে এক স্কুলছাত্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

পুলিশ খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিললাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার বিকেলে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে। ঘটনার পর থেকে ওই স্কুলছাত্র ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছে। 


 ফেঁসে যাচ্ছেন নাসিরের স্ত্রী তামিমা!

অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু- শনাক্তের সর্বশেষ তথ্য

মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা


সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, বিয়ারাঘাট দক্ষিনপাড়া গ্রামের আলম তালুকদারের ছেলে মমিন তালুকদার বাড়ির পার্শ্ববর্তী এক শিশুকে মোবাইল ফোনে কার্টন দেখার কথা বলে তার ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর মমিন তালুকদার শিশুকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। পরে শিশুটি চিৎকার করলে শিশুটির বাবা ও বাড়ির আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে স্কুলছাত্র মমিন তালুকদার পালিয়ে যায়। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর