ইসির দুর্নীতি তদন্তে রাষ্ট্রপতির কাছে ৪২ নাগরিকের চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইসির দুর্নীতি তদন্তে রাষ্ট্রপতির কাছে ৪২ নাগরিকের চিঠি

(বাঁ-দিক থেকে) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আকবর আলি খান, সুলতানা কামাল ও শাহদীন মালিক

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অর্থসংশ্লিষ্ট গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তা তদন্ত করতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছেন ৪২ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ১৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ তদন্তে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠনের আবেদন জানানো হয়।

৪২ জন নাগরিকের পক্ষে ওই চিঠি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহদীন মালিক।

সংবাদ সম্মেলনে শাহদীন মালিক বলেন, আমরা সবাই মনে করেছি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নির্বাচন কমিশন যেসব কার্যকলাপ করেছে, সেগুলো গুরুতর অসদাচরণ। সাংবিধানিক পদে যারা আছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করার ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের। দুদক বা পুলিশ এটা করতে পারবে না। রাষ্ট্রপতি এ নির্দেশ দিতে পারেন। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতিকে অভিযোগ জানিয়েছি।

তিনি বলেন, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করে তদন্ত হওয়া উচিত। আমরা আশা করছি, গুরুতর অসদাচরণের দায়ে তারা দোষী হবেন। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের সুপারিশ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাদের পদ থেকে অপসারণ করবেন।

চিঠিতে সই করা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত সচিব আকবর আলি খান, অবসরপ্রাপ্ত মহা হিসাব-নিরীক্ষক এম হাফিজউদ্দিন খান, মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল, শিক্ষাবিদ রাশেদা কে চৌধুরী।

৪২ বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে আরও যারা এই চিঠিতে সই করেছেন তারা হলেন- মানবাধিকারকর্মী হামিদা হোসেন, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম, মানবাধিকারকর্মী খুশি কবির, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পারভীন হাসান, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আহমেদ কামাল, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জেড আই খান পান্না, শাহদীন মালিক, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, অর্থনীতিবিদ আহসান মনসুর, সাবেক সচিব আবদুল লতিফ মন্ডল, স্থপতি মোবাশ্বের হাসান, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, অধ্যাপক সি আর আবরার, আইনজীবী সারা হোসেন, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ, লুবনা মরিয়ম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক আকমল হোসেন, সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অধ্যাপক স্বপন আদনান, ব্রতীর প্রধান নির্বাহী শারমিন মুরশিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরিন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম, সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, গোলাম মোর্তুজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক শাহনাজ হুদা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ক্লিনিকাল নিউরোসাইন্স সেন্টার, বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের পরিচালক অধ্যাপক নায়লা জামান খান, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন।

চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘বিশেষ বক্তা’ হিসেবে বক্তৃতা দেওয়ার নামে ২ কোটি টাকার অনিয়ম,  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ৪ কোটি ৮ লাখ টাকার অসদাচরণ ও অনিয়ম,  নিয়মবহির্ভূতভাবে তিনজন কমিশনারের তিনটি গাড়ি ব্যবহারজনিত আর্থিক অসদাচরণ ও অনিয়ম।

এছাড়াও অন্যান্য গুরুতর অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- ইভিএম কেনা ও ব্যবহারে গুরুতর অসদাচরণ ও অনিয়ম,  একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে গুরুতর অসদাচরণ ও অনিয়ম,  ঢাকা (উত্তর ও দক্ষিণ) সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে গুরুতর অসদাচরণ ও অনিয়ম, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গুরুতর অসদাচরণ ও অনিয়ম,  গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গুরুতর অসদাচরণ ও অনিয়ম, সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গুরুতর অসদাচরণ ও অনিয়ম।

শাহদীন মালিক বলেন, দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচন নির্বাচন খেলা হয়। রাষ্ট্রপতি দেশের অভিভাবক হিসেবে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য যেটা ভালো হয় করবেন। সেজন্য আমরা চিঠি দিয়েছি।


ভিডিও'তে যা দেখলাম, চোখ কপালে উঠার জোগাড়!

‌‘জ্বর নয়, ইনফেকশনের চিকিৎসা হোক’

মৌলবাদ বিরোধী সমাবেশ

রিয়াদে বাংলাদেশ থিয়েটারের কবিতা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত

তুষার ঝড়ে লণ্ডভণ্ড নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর পূর্বাঞ্চল


নির্বাচন কমিশনারদের অপসারণ করা হবে এমন আশা প্রকাশ করা বাস্তবসম্মত কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতীতেও কিছু খারাপ নির্বাচন হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সম্ভবত সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন। এখন যেগুলো হচ্ছে, এগুলোও সেরকম। এ ধরনের নির্বাচন কাম্য নয়।

শাহদীন মালিক বলেন, আমরা মনে করি গভীর সঙ্কট রয়েছে। গভীর সঙ্কটে পড়লে জাতি মহামান্য রাষ্ট্রপতির দিকে তাকিয়ে থাকে। তার একটি নৈতিক ক্ষমতা রয়েছে। আমরা নিঃসন্দেহে আশাবাদী। আমরা আশাবাদী রাষ্ট্রপতি এ অভিযোগের ইতিবাচক সাড়া দেবেন।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন যেভাবে আর্থিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছে, আগে কখনও দেখা যায়নি। আগের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। নির্বাচন কমিশনের নাম অবমাননা ও কলঙ্কিত করেছে।

নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছেও আবেদন করা হবে জানিয়ে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেছি, একইসাথে সরকার প্রধানের কাছেও যাব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও আবেদন করব। যতদিন সিদ্ধান্ত না হয়, ততদিন সিইসি ও কমিশনাররা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন, কেউ কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে পারেন। আমরা তা আশা করব।

সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক)  সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশন মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তাদের এখন সরে দাঁড়ানোই ভালো হবে।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, জানি হয়তো আলটিমেটলি কিছু হবে না। কিন্তু তাগিদ দিলাম। সংবিধানে আছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘অর্জন ধরে রাখতে নারীর লড়াইটা চালিয়ে যাওয়া জরুরি’

অনলাইন ডেস্ক

‘অর্জন ধরে রাখতে নারীর লড়াইটা চালিয়ে যাওয়া জরুরি’

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের আয়োজনে গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

গ্রামীণ অবকাঠামোতে যেমন নারীর অবদান আছে তেমনি শহরেও পুরুষের সমানতালে তারা সবক্ষেত্রে এগিয়ে গেছে। বিদেশে গিয়ে নারীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছে। সব ক্ষেত্রে নারীরা কাজ করছেন। নারীদের আরও সামনে এগিয়ে নিতে নারীবান্ধব মানসিকতা ও নারীবান্ধব নীতি প্রণয়ন করতে হবে। কারণ নারীরা এগিয়ে গেলে সমাজও এগিয়ে যাবে। নারীর অবস্থা পরিবর্তনের লড়াই জন্ম থেকে জন্মান্তরের লড়াই। নারীর পরিবর্তনের লড়াইয়ের লক্ষ্য পূরণ হলেও এ লড়াই অব্যহত রাখতে হবে। কারণ অর্জন ধরে রাখতে নারীর লড়াইটা চালিয়ে যাওয়া জরুরি।   

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে 'পরিবর্তনের লড়াইয়ে নারী' শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন।  আজ সোমবার বিকেলে এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রতিদিন ও বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোর। নিউজ টোয়েন্টিফোরের চিফ নিউজ এডিটর শাহনাজ মুন্নীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, বিশ্বে নারী ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ রোল মডেল। করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ সাফল্য দেখিয়েছে। নারীর আরও বেশি করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জরুরি।


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম। বৈঠকে নারীদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে লড়াই ও অনগ্রসর নারীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কথা বলেন সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. নূরজাহান মুক্তা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়্যারম্যান ড. খন্দকার ফারজানা রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জাহানারা আরজু, শিক্ষক ও গবেষক আরিফা রহমান রুমা, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রহিমা আক্তার লাকী, নারী অধিকার কর্মী মাহফুজা মালা, নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অ.) নাসির উদ্দিন আহমদ, ইউনাইটেড হাসপাতালের কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্টের পরিচালক ডা. শাগুফা আনোয়ার, ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী নাফিসা কামাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের শিক্ষক ও সঙ্গীতশিল্পী অনিমা রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ড. সুমাইয়া মামুন সিমরান, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের হেড অব নেটওয়ার্ক এক্সপেনশনের সেলিনা আলম ও অভিনেত্রী মৌটুসী বিশ্বাস। অনুষ্ঠান শেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সমাপনী বক্তৃতা দেন কালের কণ্ঠের সম্পাদক ও কথাশিল্পী ইমদাদুল হক মিলন।  

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্লাস্টিক শিল্পে সরকারের বিশেষ নজর

অনলাইন ডেস্ক

প্লাস্টিক শিল্পে সরকারের বিশেষ নজর

ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্লাস্টিক পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ। এ জন্য তৈরি পোশাকের মতো এই খাতটিতেও নজর দিচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে এই পল্লীর জন্য ৫০ একরের জমি বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এখানে গড়ে তোলা হবে পরিকল্পিত প্লাস্টিক পল্লী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশে ৫ হাজারের বেশি ছোট বড় প্লাস্টিক কারখানা আছে। যেখানে  কর্মসংস্থান হয় প্রায় ১২ লাখ মানুষের। এ খাত থেকে সরকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পাচ্ছে।

পণ্য বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে এই খাতের ওপর সরকারের বিশেষ নজর সম্পর্কে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পণ্য বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে প্লাস্টিক খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সবরকম সহায়তা করতে সরকার প্রস্তুত।’


আরও পড়ুনঃ


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


তবে অর্থনীতিবিদদের পরামর্শ প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়লে পরিবেশের ক্ষতির যে আশঙ্কা রয়েছে, তা ঠেকানোর ব্যাপারেও চিন্তা করতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদলের ৮ জন রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশের সাথে সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদলের ৮ জন রিমান্ডে

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পুলিশ ও ছাত্রদলের সংঘর্ষের ঘটনায় করা শাহবাগ থানায় করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল সভাপতি রফিকুল আলম মজনুসহ আট জনের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার (৮ মার্চ) ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রিমান্ডে নেয়া অপর আসামিরা হলেন খালেক টিপু, রাসেল, দিল গনি, শহিদুল ইসলাম, মোশাররফ, আবুল কাশেম ও ওয়াহিদ।

সংঘর্ষের ঘটনায় গত রোববার শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক পলাশ শাহা বাদী হয়ে ৪৮ আসামির নাম উল্লেখসহ ২০০/২৫০ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

সোমবার মামলার আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আব্দুল্লাহ প্রত্যেক আসামির দশ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।


আরও পড়ুনঃ


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৫ মার্চ মজনুসহ আটজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাস্তায় ময়লা ফেললে সেই ময়লা বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে : মেয়র আতিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাস্তায় ময়লা ফেললে সেই ময়লা বাসায় পৌঁছে দেয়া হবে : মেয়র আতিক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, রাস্তায় যে ময়লা ফেলবে, সেই ময়লা তাদের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

বিস্তারিত আসছে...


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দিল্লীতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস পালিত

অনলাইন ডেস্ক

দিল্লীতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস পালিত

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণ দিবস পালন করেছে নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন। এ উপলক্ষে রোববার (৭ মার্চ) সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। 

তারপর তিনি দূতাবাসের কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং আগত অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

অনুষ্ঠানে হাই কমিশনার তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ১৮ মিনিটের বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক বিশ্লেষণ করেন এবং ইউনেস্কো কর্তৃক ২০১৭ সালে ভাষণটি বিশ্বের অন্যতম সেরা ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতির প্রশংসা করেন।


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক এই ভাষণটি ছিল একটি পরাধীন জাতির মুক্তির দিক নির্দেশনামূলক, অনুপ্রেরণাদায়ক বক্তব্য। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের নির্দেশনা থেকেই মুক্তিপাগল বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েন এবং চূড়ান্তভাবে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। 

তিনি আরও বলেন, আমরা সৌভাগ্যবান যে, বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও তার আদর্শের উত্তরাধিকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনেই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালন করতে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে দেওয়া রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করা হয়।

৭ মার্চ উপলক্ষে দূতাবাসে সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ও বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা এ সময়ে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রর্দশন করেন। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর