যে লক্ষণে বুঝবেন শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে!

অনলাইন ডেস্ক

যে লক্ষণে বুঝবেন শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি রয়েছে!

কীভাবে বুঝবেন আপনার দেহে প্রোটিনের ঘটতি রয়ে যাচ্ছে? একটু নজর করলেই ধরে ফেলতে পারবেন বেশ ভালো করে। কারণ কয়েকটি লক্ষণ দেখে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি আছে। আসুন জেনে নেয়া যাক, কীভাবে বুঝবেন শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি আছে-

১.আপনি অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খেতে থাকবেন-

প্রোটিনের অন্যতম প্রধান কাজ হচ্ছে দেহের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা। যখন এর ঘাটতি পড়বে আপনার দেহে তখন আপনার মস্তিষ্কে সিগন্যাল যাবে চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ার ব্যাপারে। আর প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশিই মিষ্টি খাবার খুঁজবেন আপনি।

২.ওজন কমাতে পারছেন না-

ওজন কমানো মানে খাবার কমিয়ে দেয়া না। আর প্রোটিন তো একদমই না। শরীরের চর্বি কমানোর জন্য নিয়মিত প্রোটিন গ্রহণের বিকল্প নেই। প্রোটিন যদি কম খান, তাহলে আপনি যতোই শরীরচর্চা অথবা ডায়েট করেন না কেন, ওজন কমাতে পারবেন না। ওজন হ্রাস করতে চাইলে হাই প্রোটিন খাদ্য তালিকার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

৩.হারাচ্ছেন সাধের চুল-

প্রোটিন চুলের একটি অপরিহার্য উপাদান। লম্বা এবং শক্তিশালী চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রোটিন খুবই আবশ্যক। সুতরাং যখন এই অপরিহার্য ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাব ঘটে আপনার চুল দুর্বল হয়ে যায়, ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং চুল পড়ার সমস্যা দেখা যায়।

৪.পা ফেটে যায়-

প্রোটিন আপনার রক্তকণিকাগুলোর মধ্যে পর্যাপ্ত লবণ এবং পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। যদি প্রোটিন স্বল্পতা থাকে তাহলে ফ্লুইড পার্শ্ববর্তী টিস্যুগুলোতে ঢুকে যায়। হার্ভার্ড হেলথ পাবলিকেশনের বরাতে জানা যায়, এ কারণেই প্রোটিন স্বল্পতার জন্য অনেকের পা ফেটে যায়।

৫.অ্যানিমিয়া-

অ্যানিমিয়া এমন একটি রোগ যেখানে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে লাল রক্ত কণিকা তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। প্রোটিনের অভাব হলে অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রোটিন ঘাটতি ভিটামিন বি-১২ এর পরিমাণও হ্রাস করতে পারে যা আবার রক্তচাপের ভারসাম্যে সমস্যা তৈরি করে, শরীরকে ক্লান্ত করে।

৬. ঘা শুকাতে দেরি-

যদি কোনও জায়গা কেটে যায় বা আঘাত পান তাহলে প্রোটিনের অভাবের কারণে সেটি সহজে সেরে যাবে না। প্রোটিনের অভাবের কারণে পেশীগুলির মেরামতও সঠিকভাবে হয় না।

৭.অল্পেই ঠান্ডা লেগে যাওয়া-

প্রোটিন আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অ্যান্টিবডি নির্মাণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্কমতা বাড়ানোর সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।। সুতরাং যখন প্রোটিনের ঘাটতি হয় তখন ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ঠান্ডা লেগে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

৮. ওজন কমাতে পারছেন না-

ওজন কমানো মানে খাবার কমিয়ে দেয়া না। আর প্রোটিন তো একদমই না। শরীরের চর্বি কমানোর জন্য নিয়মিত প্রোটিন গ্রহণের বিকল্প নেই। প্রোটিন যদি কম খান, তাহলে আপনি যতোই শরীরচর্চা অথবা ডায়েট করেন না কেন, ওজন কমাতে পারবেন না। ওজন হ্রাস করতে চাইলে হাই প্রোটিন খাদ্য তালিকার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।


ভাস্কর্য ভাঙার মূল পরিকল্পনাকারী যুবলীগ নেতাকে বহিষ্কার

যে কারণে বিয়ের কয়েক ঘন্টা পরেই বিচ্ছেদ!

এবার কে হবেন হেফাজত মহাসচিব! আলোচনায় মামুনুলও

দুর্গম পাহাড় থেকে যেভাবে উদ্ধার হল ৪ যুবক

রাস্তায় মা হলেন পাগলী, পুলিশের ফোনেও এলো না অ্যাম্বুলেন্স!


নিউজ টোয়েন্টিফোর / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নারীদের হরমোনাল অসামঞ্জস্য কি এবং কেন

অনলাইন ডেস্ক

নারীদের হরমোনাল অসামঞ্জস্য  কি এবং কেন

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস) হল নারীদের মধ্যে অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) এর মাত্রা বেড়ে যাবার জন্য কিছু উপসর্গের সমাহার।ফলে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন হ্রাস পায় এবং অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) বৃদ্ধি পায়। নারীদের প্রজনন সময়কালে মূলত এ ধরনের সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। তবে ১৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে রোগটি বেশি হয়।

লক্ষণ
অনিয়মিত অথবা দীর্ঘকালীন ঋতুস্রাব ও দীর্ঘকালীন মাসিক রক্তক্ষরণ।
ওজনাধিক্য বা মুটিয়ে যাওয়া (৮০ শতাংশ বা তার অধিক ক্ষেত্রে)।
অতিরিক্ত অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন) নিঃসরণ।
ব্রণ, আঁচিল। মুখ, গলা, বুক, পিঠে অবাঞ্ছিত লোম।
ত্বকের বিভিন্ন অংশ যেমন গলা, ঘাড়, স্তন ও বগলে কালচে ভাব।
চুল পড়ে পাতলা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

কারণ
জেনেটিক : এই রোগের নির্দিষ্ট কোনো কারণ না থাকলেও কিছু কারণকে দায়ী করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম জেনেটিক বা বংশগত। পরিবারের কোনো সদস্যের, বিশেষ করে মা অথবা বোনের এই রোগ থাকলে তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি কিছু বেশি থাকে।

ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্স : ইনসুলিন এক প্রকার হরমোন, যা দেহেই উৎপন্ন হয়। প্রতিদিনের কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে এই ইনসুলিন। কিন্তু যখন দেহের কোষগুলো ইনসুলিনকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে না, তখন দেহে ইনসুলিনের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পায়। ইনসুলিন ক্ষরণ বৃদ্ধি পেলে তা অ্যান্ড্রোজেনের (পুরুষ হরমোন) উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ নারীরই পিসিওএস ইনসুলিন রেসিস্ট্যান্ট।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


 

যেসব জটিলতা হতে পারে
প্রজনন সমস্যা : গর্ভধারণের জন্য প্রয়োজন ওভুলেশন (ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নিঃসরণের প্রক্রিয়া)। যেসব নারীর অতিরিক্ত মাত্রায় পুরুষ হরমোন নিঃসৃত হয়, তাদের ওভুলেশনচক্র ব্যাহত হয়।

মেটাবলিক সিনড্রোম : পিসিওএসে আক্রান্ত হওয়ার দরুন ৮০ শতাংশের অধিক নারী মুটিয়ে যাওয়া বা স্থূলতায় ভোগেন। ফলে উচ্চ রক্তচাপ, গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া থেকে শুরু করে এলডিএলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া এবং এইচডিএলের মাত্রা কমে যাওয়া জনিত নানা সমস্যা হতে পারে।
ক্যানসার : প্রতি মাসে ওভুলেশন না হওয়ার কারণে ইউটেরাসের সংযোগে এপিথেলিয়ামের পুরুত্ব বেড়ে যায়। ফলে ইউটেরাসে ক্যানসার ও স্তন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

নিদ্রাহীনতা, বিষণ্নতা : দুশ্চিন্তা, অতি উদ্বেগ এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ বেড়ে যেতে পারে। নিদ্রাহীনতা হতে পারে।

প্রতিরোধে করণীয়
সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি : পিসিওএসের জটিলতা নিরসনে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ জন্য জীবনযাত্রার মান উন্নত করার পাশাপাশি সঠিক ও সুষম খাবার খাওয়া উচিত। অস্বাস্থ্যকর বা খোলা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। দুগ্ধজাত ও চিনিযুক্ত খাবার যত সম্ভব কম খাওয়াই ভালো।

কার্বোহাইড্রেট নিয়ন্ত্রণ : কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার কম খেলে দেহের ওজনের সমতা বজায় থাকে। তখন ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়। লো-গ্লাইকেমিক ইনডেক্স ডায়েট (ফলমূল, শাকসবজি ও শস্য থেকে যেসব কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়) মেনে চললে ঋতুস্রাবচক্রে সাহায্য করে। ভালো হয় একজন দক্ষ পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হয়ে পরিপূর্ণ খাদ্যতালিকা মেনে চলতে পারলে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ : সঠিক মাত্রার ওজন বজায় রাখলে ঋতুচক্র স্বাভাবিক থাকে। অতিরিক্ত ওজন কমালে কোলেস্টেরল ও ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তখন হার্টের সমস্যা, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।

কায়িক শ্রম বা ব্যায়াম : সপ্তাহে কমপক্ষে তিন-চার দিন ব্যায়াম করলে ডিম্বচক্রের যথেষ্ট উন্নতি হয়। এতে সঠিক ওজন বজায় থাকে এবং ইনসুলিনের মাত্রা হ্রাস পায়, পিসিওএসের ঝুঁকিও হ্রাস পায়।

অবাঞ্ছিত লোম অপসারণ : অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের একমাত্র উপায় হচ্ছে লেজার হেয়ার রিমুভাল। কোনোভাবেই অন্য কোনো পদ্ধতি অবলম্বন করে হেয়ার রিমুভ করা উচিত নয়। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের উপস্থিতিতে উন্নতমানের লেজার হেয়ার রিমুভাল ডিভাইসের মাধ্যমে চিকিৎসা হতে পারে।

চিকিৎসা
সঠিক সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে রোগটি শনাক্ত করতে পারলে পিসিওএস এবং এর জটিলতা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।
news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রসুন চা'তে আসবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

অনলাইন ডেস্ক

রসুন চা'তে আসবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

রসুন ছাড়া কোনো রকমের রান্না অকল্পনীয়। শুধু রান্নাতেই নয় বরং চিকিৎসা ক্ষেত্রেও এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। রসুন মধ্য এশিয়ার একটি উদ্ভিদ। রসুন নানাভাবে খাওয়া যায়, কাঁচা, মসলা, রসুনের তেল, এ ছাড়াও গুঁড়ো করে। বাঙালিদের রান্নার প্রাণ যদি রসুনকে বলা হয় তাহলেও দোষ হবে না। তবে স্বাস্থ্যের জন্য রসুন সব থেকে বেশি উপকারী। অনেকে সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানি দিয়ে রসুন খেয়ে থাকেন।

কিন্তু যাদের এভাবে খেতে অপছন্দ তারা রসুন খেতে পারবেন ভিন্ন আঙ্গিকে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা যেমন উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস থাকার কারণে অনেকে সাধারণত সব ধরনের চা পান করতে পারেন না। 

রসুন চায়ে কোনো ধরনের ক্যাফেইন থাকে না, তাই যে বা যারা নিজের খাবারের তালিকা থেকে ক্যাফেইনকে দূরে রাখতে চান তাদের জন্য রসুনের বিকল্প নেই। তা ছাড়াও রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা শরীরকে সুস্থ রাখে। শুধু তাই নয়, রসুন রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখে। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


রসুন চা বানানোর জন্য একটি প্যানে এক কাপ পানি গরম করতে হবে। পানি গরম হলে তাতে কিছু আদা কুচি, কয়েকটা গুলমরিচ, এবং ১ চামচের মতো রসুন পেস্ট দিতে হবে। 

৫ মিনিটের মতো ফুটিয়ে নিতে হবে। অতঃপর নামিয়ে কুসুম গরম অবস্থায় পান করতে হবে। স্বাদ বৃদ্ধির প্রয়োজন মনে হলে তাতে মধু, লেবু, এবং দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। 

এ ছাড়াও রসুন চায়ের আরও কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে 

(১) শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড হোমোসিস্টাইনের পরিমাণ কমিয়ে আনে; যা ডায়াবেটিসের জন্য দায়ী।
(২) রসুন চা হলো শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক পানীয়; যা রোগ-প্রতিরোধে ক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম উদাহরণ। 
(৩) ডায়াবেটিসের কারণে শরীরে অনেক সময় জ্বালা-পোড়া হয় যা দূর করতে পারে রসুন চা। 
(৪) কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে আনে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোলন ক্যানসারের আশঙ্কা কমায় বেল

অনলাইন ডেস্ক

কোলন ক্যানসারের আশঙ্কা কমায় বেল

বেল একটি পুষ্টিকর আর উপকারী ফল। কাচা পাকা দুটোই সমান উপকারী। এর রয়েছে হাজারও উপকারিতা। সেই প্রাচীন সময় থেকেই কিন্তু আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পাকপক্ত জায়গা করে করে নিয়েছিল বেল। তাই বেল খেয়ে থাকুন সুস্থ। তাহলে জেনে নিন বেলের উপকারিতা।

সর্বরোগ থেকে মুক্তি পেতে বেল খেতে পারেন। স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও বেল খাওয়া যেতে পারে। আধা পাকা সেদ্ধ বেল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী। বেল পেট ঠাণ্ডা রেখে খাবার হজমে অত্যন্ত সহায়তা করে। 

বেলের শরবত হজমশক্তি বাড়ায় এবং শক্তি বৃদ্ধি করে। বেলের পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়।


কারওয়ান বাজারের হাসিনা মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

দিনেদুপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ

মৌমিতাকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক

দেখে মনে হয়েছে বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে


 

বেল পুষ্টিগুণে ভরপুর। ১০০ গ্রাম বেলের শাঁসে থাকে- পানি ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম, আমিষ ১.৪-২.৬২ গ্রাম; স্নেহ পদার্থ ০.২-০.৩৯ গ্রাম; শর্করা ২৮.১১-৩১.৮ গ্রাম; ক্যারোটিন ৫৫ মিলিগ্রাম; থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম; রিবোফ্ল্যাবিন ১.১৯ মিলিগ্রাম; নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম; এসকর্বিক এসিড ৮-৬০ মিলিগ্রাম এবং টারটারিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম।

বেলের ভিটামিন সি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বেল নিয়মিত খেলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়। 

পাকা বেলের শাঁসে সেই ফাইবার আছে যা আলসার উপশমে খুবই কার্যকরী। সপ্তাহে তিনদিন খান বেলের শরবত।এছাড়া বেলের পাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খেলেও অনেকংশে কমে আলসার।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাড় ক্ষয়রোগ : অস্টিওপোরোসিস রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা

অনলাইন ডেস্ক

হাড় ক্ষয়রোগ : অস্টিওপোরোসিস রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা

অস্টিওপোরোসিস হাড়ের ক্ষয়জনিত একটি রোগ। এ সমস্যায় ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় হালকা ও ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিবছর বিশ্বে ৯০ লাখের বেশি মানুষের হাড় ভাঙে অস্টিওপোরোসিসের কারণে।  অস্টিওপেনিয়ার সময়ই হাড়কে দুর্বল করে ফেলে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই নীরবে এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে। হাড় ভেঙে যাওয়ার আগে এই রোগের তেমন একটা লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশে ৬০ লাখের মতো মানুষ হাড় ক্ষয়রোগে ভুগছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের এই রোগের ঝুঁকি ৫.১ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.১ শতাংশ। নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ-পরবর্তী হরমোনের অসামঞ্জস্যের (স্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন) কারণে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি হয়।

কারণ
হাড়ক্ষয়ের পেছনে নানা ধরনের কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো : খাদ্য : পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘ডি’, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ‘কে’, ভিটামিন ‘বি’, ভিটামিন ‘বি ১২’ ইত্যাদির অভাব হাড়ক্ষয়ের জন্য দায়ী। একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন, সেখানে প্রতিদিন গড় ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ মাত্র ৩০৩ মিলিগ্রাম।

বংশগত : বংশে হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ইতিহাস থাকলে।
হরমোনাল : কম বয়সে মেনোপজ হলে, হাড়ের ঘনত্ব কম থাকলে।


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


 

অন্যান্য রোগ : রিউমাটয়েড
আর্থ্রাইটিস, হাইপারথাইরয়েডিজম, ক্রনিক লিভার ডিজিজ থাকলে।

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : স্টেরয়েড (যেমন প্রেডনিসোলোন, ডেক্সামেথাসন, প্রটন পাম্প ইনহিবিটর ইত্যাদি সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হাড়ক্ষয় হতে পারে।

কায়িক শ্রম না করা : দৈনন্দিন জীবনে কায়িক শ্রম বা ব্যায়ামের অভ্যাস না গড়ে তোলা হাড় গঠনের জন্য বড় সমস্যা।
লক্ষণ

হাড়ক্ষয় একটি নীরব ঘাতক। তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়। এরপরও কিছু লক্ষণ হলো, পিঠের পেছন দিকের অস্থিতে ব্যথা অনুভব হওয়া, হিপ, কোমর ও মেরুদণ্ডে ক্ষয় দেখা দেওয়া, উচ্চতা কিছুটা কমে যাওয়া, হাঁটা বা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে থাকা, হঠাৎ পড়ে গেলে হার ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি।

হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয়
সঠিক খাদ্যাভ্যাস : হাড় ক্ষয়রোগীদের দুধ, দই, পনির, সয়াবিন, বাদাম, ঋতুকালীন সবুজ শাকসবজি, লেটুস, ব্রকলি, মাশরুম জাতীয় খাবার, মাছ খাওয়া উচিত।

ক্যালসিয়াম : দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন রকম থাকে। গড়ে তিন বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম, চার থেকে আট বছর পর্যন্ত ৮০০ মিলিগ্রাম, ৯ থেকে ১৮ বছর বয়সে ১৩০০ মিলিগ্রাম, ১৯ থেকে ৫০ বছরে ১০০০ মিলিগ্রাম এবং ৫১ বছর বা তদুর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাবার থেকে গ্রহণ করা উচিত। দুধ ছাড়াও বাদাম, শাকসবজি, ছোট মাছে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে।
প্রোটিন : কাঁটাসহ সার্ডিন মাছ, অ্যালমন্ড, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি খাবার গ্রহণ।

ভিটামিন ‘ডি’ : একজন মানুষের ভিটামিন ‘ডি’র চাহিদা দৈনিক১০-১২ মাইক্রোগ্রাম। অথচ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে মাত্র ১ শতাংশ লোক যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করে থাকে। ক্যালসিয়াম শোষণ, শক্তিশালী হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে এই ভিটামিন ‘ডি’। কিন্তু শুধু খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে যথেষ্ট ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া কঠিন। সূর্যের আলো ভিটামিন ‘ডি’র সবচেয়ে ভালো উৎস। তাই প্রতিদিন ২৫-৩০ মিনিট রোদে থাকা ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। এ ছাড়া চর্বিযুক্ত টুনা, স্যালমন মাছ, ডিমের কুসুম ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

করণীয় : নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা, পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত ব্যায়ামের স্বাস্থ্যঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত ব্যায়ামের স্বাস্থ্যঝুঁকি

ব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ থাকে, কর্মক্ষমতা বাড়ে। হাঁটাচলায় অসুবিধা হয় না, বরং ভালো থাকে শরীরের পেশি। কিন্তু বেশি ব্যায়াম যে শরীরের ক্ষতি ছাড়া উপকার হয় না।

যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি ইউনিভার্সিটিতে কিছু সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে বেশি ব্যায়ামের ফল মারাত্মক। এমনকি তা হয়ে উঠতেও পারে মৃত্যুর কারণও।

ভারতের স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট জানিয়েছে বেশি ব্যায়ামের বেশ কিছু অপকারিতা-

কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা: অত্যাধিক ব্যায়ামের কারণে আর্টারি বা ধমনীর আকার বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি ছন্দপতন হতে পারে হৃৎপিণ্ডের গতিরও। সাধারণ হার্টরেট বদলে গেলে রক্তসঞ্চালনে সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বেশি ব্যায়ামের জন্যই অনেক অ্যাথলিটের হৃৎপিণ্ডের উর্দ্ধমুখী ধমনীতে সমস্যা দেখা দেয়।

অত্যাধিক স্ট্রেস ও নার্ভ প্রবলেম: অত্যাধিক ব্যায়ামে আমাদের শরীরে থাকা কর্টিসল নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এটি আসলে একটি স্ট্রেস হরমোন যা বাড়লে আমাদের নার্ভে খুব চাপ পড়ে। এই স্ট্রেস হরমোনের অত্যাধিক ক্ষরণ মোটেই ভালো নয়।

এতে অ্যাংজাইটি থেকে শুরু করে অনেকরকম নার্ভাস প্রবলেম হতে থাকে‌। চিন্তার উপর আরও চিন্তা, সহজে মুষড়ে পড়া বা কথায় কথায় ডিপ্রেসড্ হওয়া তখন রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই বিজ্ঞানীদের পরামর্শ একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ব্যায়াম না করাই ভালো।

ইমিউনিটি লেভেল: অত্যাধিক ব্যায়াম করার পর প্রায় তিনদিন কিন্তু আমাদের শরীর নাজুক হয়ে পড়ে। ফলে বাইরের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে শরীর। এতে সহজেই কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

আঘাতের সম্ভাবনা: অত্যাধিক ব্যায়াম শরীরের বিভিন্ন পেশিতে আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়। টেনডন, লিগামেন্ট, হাড় এগুলো ব্যায়ামের সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

গাড়িতে অগ্নিকান্ড, রেকর্ড সংখ্যক গাড়ি উঠিয়ে নিচ্ছে হুন্দাই

সানি লিওনের জায়গা নিলেন আবিরা! (ভিডিও)

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে একঘন্টা নিয়মিত ব্যায়ামই যথেষ্ট। তাই শরীরের অবস্থা অনুযায়ী আপনার ব্যয়ামের পরিমাণটা ঠিক করে নিতে হবে নিজেকেই। কারণ এর সুফল যেমন আছে কুফলও কম নয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর