বার্সেলোনায় কনস্যুলার সেবা প্রদান

ইসমাইল হোসাইন রায়হান, স্পেন

বার্সেলোনায় কনস্যুলার সেবা প্রদান

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সেবার মান ধরে রাখতে চলতি মাসের ১৯ ও ২০ তারিখ মাদ্রিদ থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বার্সোলোনা শহরে কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশি অধ্যুষিত এই বার্সেলোনায় প্রায় ১৫ হাজার বাংলাদেশির বসবাস। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময় বাঁচাতেই রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকারের নির্দেশনায় এই ভ্রাম্যমাণ কনস্যুলার সেবা।

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করা হয়। Avda. Josep Tarradellas, 134 Bajos, 08029 Barcelona-তে পাসপোর্ট বিতরণ,পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন সত্যায়ন, বিভিন্ন সনদের আবেদন গ্রহণ,রি-ইস্যুর আবেদন গ্রহণ,বাচ্চাদের নতুন পাসপোর্টের আবেদন গ্রহণ,বিভিন্ন ডকুমেন্ট সত্যায়ন সেবা প্রদান করা হয়। পাসপোর্ট আবেদন ২৪০, ডেলিভারী ৩২০, ভিসা ৪০, অন্যান্য ১২০ টি ডকুমেন্ট সত্যায়িত করা হয়।


সৌদি আরবে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত

এবার চালকবিহীন যুদ্ধ হেলিকপ্টার তৈরি করল তুরস্ক

সাংবাদিকদের জন্য ইউএসএআইডির সিরিজ কর্মশালা

শীতে কাঁপছে দেশ, শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে আরও দু’দিন

তাবিজ-কবচ ব্যবহার করা কি জায়েজ?


প্রশাসনিক কর্মকর্তা (হিসাব) মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রেজাশাহ পাহলভী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (শ্রম উইং) মো. শফিকুল ইসলাম এবং অর্নব হোসেন সুমন এই কনস্যুলার সেবা পরিচালনা করেন।

রাষ্ট্রদূত হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেন, প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে প্রেরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকা গতিশীল করছে। করোনার মহামারীর মধ্যে ও চলতি মাসের মাত্র ১২দিনেই বিভিন্ন দেশ থেকে ১০৬ কোটি ৬লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।প্রবাসীদের কষ্ট, অর্থ এবং সময় বাঁচানোর লক্ষ্যেই আমরা এই সেবাটি প্রদান করে আসছি। প্রবাসীদের দ্রুত সেবা দেয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। প্রতিটি প্রবাসীই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই দূতাবাস সেবা পেয়ে প্রবাসীরা রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমিরাত বিবিএফ এর সভাপতি কামাল সম্পাদক আবু বক্কর

অনলাইন ডেস্ক

আমিরাত বিবিএফ এর সভাপতি কামাল সম্পাদক আবু বক্কর

মধ্য প্রচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম (বিবিএফ) ইউএই’র বার্ষিক নির্বাচন শেষ হয়েছে। কামাল হোসাইন সুমন সভাপতি ও আবু বক্কর ছিদ্দিক সাধারণ সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় স্থানীয় ইব্রাহীম ম্যানশনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইসমাইল গনি চৌধুরী, নির্বাচন কমিশনার তরিকুল ইসলাম শামীম ও মিহির ব্রাগনোরা।

করোনা পরিস্থিতি কারণে অনলাইনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ নির্বাচন আয়োজিত হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য সংগঠনের সাবেক কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ইসমাইল গনি চৌধুরীকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সাবেক সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম শামীম ও মিহির ব্রাগনোরাকে সহকারী কমিশনার করে কমিশন গঠন করা হয়েছে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


 

২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় শেষ হয়। সভাপতি পদে কামাল হোসাইন সুমন ৯১ শতাংশ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু বক্কর ছিদ্দিক খন্দকার ৮৪ শতাংশ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাফর চৌধুরী, জসিম উদ্দিন মল্লিক, মো. আব্বাস, ইব্রাহীম ওসমান, কামাল হোসাইন সুমন, আবু বকর ছিদ্দিক, মুনসুর মো. খলিল, আহসান হাবীব, আবদুস সাত্তার, যমুনা টিভি প্রতিনিধি মুহাম্মদ রফিক উল্লাহ প্রমুখ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর ‘ফেলো হলেন বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ

লায়লা নুসরাত, কানাডা

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমীর ‘ফেলো হলেন বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ

কানাডায় কর্মরত বিশিষ্ট অণুজীব বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদকে ’ফেলো’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী। বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুজীব বিজ্ঞানের গবেষণা এবং শিক্ষায় অসাধারন অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি বিষয়ক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী’ ড. মোর্শেদকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। ‘এক্সপেট্টিয়েট ফেলো’ ক্যাটাগরিতে তিনি এই নিয়োগ পান। 

স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্মরত ১৪ জন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীকে এই মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে বিজ্ঞান একাডেমী। ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ তাঁদের একজন।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয়ান বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ বর্তমানে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে প্যাথোলোজি ও ল্যাবরেটরি মেডেসিন বিভাগের ক্লিনিক্যাল অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। একই সঙ্গে তিনি বৃটিশ কলম্বিয়া সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল এর পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরির জুনুটিক ও ইমার্জিং প্যাথোজেন প্রোগ্রামের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কানাডায় পেশাগত জীবন শুরুর আগে ড. মোর্শেদ ঢাকার আইসিডিডিআরবি, শিশু হাসপাতাল, বাংলাদেশ ইন্সটি্টিউট অব চাইল্ড হেলথ এবং জাহাঙ্গীরনগ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


অণুজীব বিজ্ঞানের গবেষণা এবং শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় কানাডায়ও তিনি বিভিন্ন সময় সম্মানিত হয়েছেন। ২০১৭ সালে তিনি বৃটিশ কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ‘এক্সিলেন্স ইন ক্লিনিক্যাল সার্ভিস এওয়ার্ড‘ পান। একই বছর বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরো কানাডা থেকে বাছাই করা ‘দ্যা আরবিসি টপ ২৫ ইমিগ্রেন্ট এওয়ার্ড পান তিনি। ২০১৯ সালে কানাডার কলেজ অব মাইক্রোবায়োলোজি তাঁকে ডিসটিঙ্গুইশ্ড মাইক্রোবায়োলোজিষ্ট এওয়ার্ড’ দেয়। 

এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বিজ্ঞানীদের নিজ দেশে স্বীকৃতি দেয়ার বিজ্ঞান একাডেমীর উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান এবং তাকে মনোনীত করায় ধন্যবাদ জানান। বিজ্ঞান একাডেমীর ফেলো হিসেবে নিয়োগ পা্ওয়ায় দেশের বিজ্ঞান চর্চ্যায় আরো বেশি ভূমিকা রাখার দায়িত্ব তার উপর বর্তেছে বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষনাগারের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র ঘটিয়ে দেয়ার জন্য কাজ করে যাবেন।

news24bd.tv/আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী ফেলো হলেন কানাডীয়ান বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী ফেলো হলেন কানাডীয়ান বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ

কানাডায় কর্মরত বিশিষ্ট অণুজীব বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদকে ‘ফেলো’ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী। বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনুজীব বিজ্ঞানের গবেষণা এবং শিক্ষায়  অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি বিষয়ক  শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমী’ ড. মোর্শেদকে  এই স্বীকৃতি  দিয়েছে। ‘এক্সপেট্টিয়েট ফেলো’ ক্যাটাগরিতে তিনি এই নিয়োগ পান।

স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কর্মরত ১৪ জন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীকে এই মর্যাদায় অভিসিক্ত করেছে বিজ্ঞান একাডেমী। ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ তাঁদের একজন।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয়ান বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ বর্তমানে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে প্যাথোলোজি ও ল্যাবরেটরি মেডেসিন বিভাগের ক্লিনিক্যাল অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।

একই সঙ্গে তিনি বৃটিশ কলম্বিয়া সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল এর পাবলিক হেলথ ল্যাবরেটরির জুনুটিক ও ইমার্জিং প্যাথোজেন প্রোগ্রামের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কানাডায় পেশাগত জীবন শুরুর আগে ড. মোর্শেদ ঢাকার আইসিডিডিআরবি, শিশু হাসপাতাল, বাংলাদেশ ইন্সটি্টিউট অব চাইল্ড হেলথ এবং জাহাঙ্গীরনগ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


অণুজীব বিজ্ঞানের গবেষণা এবং শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় কানাডায়ও তিনি বিভিন্ন সময় সম্মানিত হয়েছেন। ২০১৭ সালে তিনি  বৃটিশ কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ‘এক্সিলেন্স ইন ক্লিনিক্যাল সার্ভিস এওয়ার্ড‘ পান। একই বছর  বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পুরো কানাডা থেকে বাছাই করা ‘দ্যা আরবিসি টপ ২৫ ইমিগ্রেন্ট এওয়ার্ড পান তিনি।  ২০১৯ সালে কানাডার কলেজ অব মাইক্রোবায়োলোজি তাঁকে ডিসটিঙ্গুইশ্ড মাইক্রোবায়োলোজিস্ট এওয়ার্ড’ দেয়।

এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ড. মোহাম্মদ মোর্শেদ বলেন,বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বিজ্ঞানীদের নিজদেশে স্বীকৃতি দেওয়ার বিজ্ঞান একাডেমীর উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান এবং তাকে মনোনীত করায় ধন্যবাদ জানান।

বিজ্ঞান একাডেমীর ফেলো হিসেবে নিয়োগ পা্ওয়ায় দেশের বিজ্ঞান চর্চ্যায় আরো বেশি ভূমিকা রাখার দায়িত্ব তার উপর বর্তেছে  বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, কানাডার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণাগারের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র ঘটিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি কাজ করে যাবেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক


যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির উদ্বোধন করেছেন সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর একে আবদুল মোমেন।

শনিবার ভাজির্নিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে পড়তে আসতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর প্রায় দুই কোটি টাকার শিক্ষা বৃত্তি ঘোষণা করেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে ডক্টর আবদুল মোমেনের নামে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স পর্যায়ে দুটি স্কলারশীপও দেওয়া হবে। 

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় ইনোভেটিভ গ্লোবাল বা আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি-আইজিইউয়ের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রবাসে বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য অনন্য এক উদ্যোগ বলে আখ্যা দেন মন্ত্রী। 

আই গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, তার প্রতিষ্ঠিত পিপলএনটেক নামের আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে সাত হাজার প্রবাসীকে ভাল বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়েও তিনি এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবেন। বাংলাদেশ থেকে পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রায় দুই কোটি টাকার বৃত্তিও ঘোষণা করেন তিনি।    

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম. শহীদুল ইসলাম, ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার, আইজিইউ প্রফেসর ডক্টর মিখায়েল কব, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার ফারহানা হানিপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থী অমিত গুপ্ত ও নাতালিয়া জ্যাগোন বক্তব্য রাখেন।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে মাস্টার্স ও সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এবং বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে মাস্টার্স এবং ব্যাচেলর ডিগ্রি রয়েছে। এছাড়া কম্পিউটার ও আইটি বিষয়ে বেশ কিছু সার্টিফিকেট কোর্স রয়েছে। শিগগিরই হেলথ কেয়ার, নার্সিং, ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিষয়েও বেশ কয়েকটি কোর্স চালুর পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বিজ্ঞান, ব্যবসা ও প্রযুক্তি শিক্ষার জন্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। এখন থেকে এটি বাংলাদেশিদের শিক্ষা ক্ষেত্রেও অনন্য অবদান রাখবে বলে মনে করছেন প্রবাসীরা। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক

পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন এমপিকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার জি এই রাসেল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থানরত পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এমপির সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই আমন্ত্রন জানানো হয়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


এ সময় ৩৫তম ফোবানা সম্মেলন স্বাগতিক কমিটির সিনিয়র কো কনভেনার পারভীন পাটোয়ারী, চিফ প্যাট্রন কবির পাটোয়ারী, রিসেপশন কমিটির চেয়ারপারসন জেবা রাসেল সহ অন্নান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলন নিয়ে নানা বিষয়ে অবগত করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন বলে আসা প্রকাশ করেন।

news24bd.tv/আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর