পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই!

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই!

রাজশাহী নগরীতে পুলিশ পরিচয়ে ১৭০ ভরি সোনার বার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকৃত ওই ১৭টি স্বর্ণের বারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা।  

গতকাল নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন ভদ্রা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ জানায়, স্বর্ণের বারগুলি রাজশাহীর সাহেব বাজার স্বর্ণ পট্টির লায়লা জুয়েলার্সের মালিক মানিকের কাছে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল। 

রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার (আরএমপি) আবু কালাম সিদ্দিক বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে বিষয়টি কিছুটা রহস্যজনক। প্রকৃত অর্থে কি ঘটেছে সেটা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশেপাশের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।  

পুলিশ ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেছে, জিতেন ধর ও তার ভাই ধীরেন ধর এসব সোনার বার চট্টগ্রাম থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী একটি কোচে ফেনীতে উঠে রাজশাহীর পুঠিয়ায় আসেন সোমবার সকালে। 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জিতেন ধর জানান,  রোববার রাতে ফেনী থেকে ১৭টি স্বর্ণের বার নিয়ে তিনি প্রথমে রাজশাহীর পুঠিয়ায় গাড়ি থেকে নেমে যান। পরে তিনি ও তার ভাই ধীরেন ধরকে সঙ্গে নিয়ে পুঠিয়া থেকে রজনীগন্ধা নামের একটি লোকাল যাত্রীবাসে চড়ে রাজশাহী নগরীর ভদ্রা মোড়ে নামেন। সোমবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বাস থেকে নেমে দুই ভাই সোনার বারগুলি নিয়ে জুয়েলার্স মালিক মানিক মিয়ার বালিয়াপুকুরের বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় শুভ পেট্রল পাম্পের কাছে মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন যুবক পুলিশ পরিচয়ে ধীরেন ধরকে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার কাছে থাকা ১৭টি বার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এক একটি বারের ওজন ১০ ভরি করে সর্বমোট ১৭০ ভরি সোনা ছিল বলে জানা গেছে। 

পুলিশ জানায়, ছিনতাই হওয়া সোনার বারগুলির বর্তমান বাজারমূল্য এক কোটি ১৯ লাখ টাকা।

এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে ঘটনার কিছু সময় পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জিতেন ধরকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 


উত্তেজনার মাঝে ভূমধ্যসাগরে নৌ মহড়া চালালো তুরস্ক

থার্টি ফার্স্ট নাইটে কোনো পার্টি করা যাবে না: ডিএমপি কমিশনার

অপমনের উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন হাফিজ: তথ্যমন্ত্রী


এ বিষয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারন চন্দ্র বর্মণ বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনা সকালের তবে তারা অভিযোগ পেয়েছেন সাড়ে ৩টার দিকে। পুলিশ খুবই গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটি অনুসন্ধান করছে। 

তিনি বলেন, যেখানে সোনার বার ছিনতাইয়ের কথা বলা হচ্ছে সেখানকার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। কম বয়সী কয়েকটি ছেলে মোটরসাইকেলে এসে ব্যাগ কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে-এমনটা দেখা যাচ্ছে। তবে পুরো ঘটনাটি রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে।  তবে দ্রুতই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

অনলাইন ডেস্ক

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

৩৬ বছর আগে স্বামীর করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা গেছে আজ থেকে ৩৬ বছর আগে ১৯৮৫ সালে মাহবুবের রহমানের বিয়ে করা স্ত্রী পেয়ারা বেগমের সাথে পরকিয়ার সমপর্কে জড়ান তারই ভাই নাছির উদ্দিন। পরে তারা পালিয়ে বিয়ে করলে মাহবুব স্ত্রী ও ভাইকে আসামী করে মামলা করেন। ৩৬ বছর পলাতক থাকার পর তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলে- আমিরাবাদ ইউনিয়নের আহম্মদপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে নাছির উদ্দিন (৬০) ও ভাগিয়ে বিয়ে করা তার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৫০)।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম ও এসআই মাহবুব আলম সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের দল চট্রগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


পুলিশ জানায়, ১৯৮৫ সালে নাছির উদ্দিন পরকীয়া করে তার ভাই মাহবুবের রহমানের বিয়ে করা স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে ভাগিয়ে বিয়ে করেন। ১৯৮৫ সালের জানুয়ারি মাসে মহাবুবের রহমান বাদি হয়ে ভাই নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে তৎকালীণ সময়ে দন্ডবিধি ৪৯৬/৩৭৯/৩৪ ধারা মোতাবেক প্রতারণমূলকভাবে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অপরাধে মামলা দায়ের করেন।

তৎকালীণ সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৯৮৫ সালের ৫ অক্টোবর নাছির উদ্দিন ও তার স্ত্রী পেয়ারা বেগমকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বিয়ের পর থেকে নাছির উদ্দিন চট্রগ্রামে গিয়ে পেয়ারা বেগমকে নিয়ে নতুন সংসার গড়েন। চট্রগ্রামের বিভিন্নস্থানে বসবাসের পর সর্বশেষ চট্রগ্রামের আকবর শাহ থানাধীন সিটি গেট এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।

এর মধ্যে ওই দম্পতি চার ছেলে সন্তানের জনক-জননী হন।তিন ছেলেকে ইতোমধ্যে বিয়েও করিয়েছেন।

স্ত্রীকে হারিয়ে মাহবুবের রহমান আরেকটি বিয়ে করে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের ফাজিলপুর গ্রামে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন বলে জানা গেছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘লেখক মুশতাক মরল কেন’ জবাব চেয়ে রাতে বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক

‘লেখক মুশতাক মরল কেন’ জবাব চেয়ে রাতে বিক্ষোভ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারকে দায়ী করে রাজধানী ঢাকায় রাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বামপন্থী কয়েকটি ছাত্রসংগঠন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে মিছিলটি বের হয়।

পরে শাহবাগ ও পরীবাগ মোড় ঘুরে সর্বশেষ রাত একটার দিকে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে তাঁরা সমাবেশ করেন।

সমাবেশ থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ) কেন্দ্রীয় সভাপতি মাসুদ রানা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


মিছিলটি টিএসসি থেকে শাহবাগ মোড়ে গেলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পুলিশ আবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাও উপেক্ষা করে তাঁরা এগিয়ে যান। পরে মিছিলটি পরীবাগ মোড় ঘুরে টিএসসিতে আসে।

মিছিলে ‘লেখক মুশতাক মরল কেন, জবাব চাই’ স্লোগান দেন। এ সময় মিছিলের সামনে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল ‘লেখক মুশতাকের হত্যাকারী রাষ্ট্র’।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদ (৫৩) বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেছেন। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগারে ছিলেন।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুশতাক আহমেদ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে প্রথমে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেয়র প্রার্থীর মিছিলে ককটেল হামলা

অনলাইন ডেস্ক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মেয়র প্রার্থীর মিছিলে ককটেল হামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মেয়র প্রার্থী নায়ার কবিরের মিছিলে ককটেল হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় রাব্বি ও সাব্বির নামে ছাত্রলীগের দুই নেতা আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে জেলা শহরের মেড্ডা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন সদর থানার ওসি আব্দুর রহমান।

আহত ছাত্রলীগের দুই নেতা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. রাব্বি (২২) ও শহর ছাত্রলীগের প্রস্তাবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. সাব্বির।

জানা গেছে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবারই প্রথম পৌরসভা নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তারা হলেন- নৌকার প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান মেয়র নায়ার কবির, বিএনপির প্রার্থী জহিরুল হক, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুল হক ভূইয়া (মোবাইল ফোন), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী নজরুল ইসলাম  (হাতুড়ী), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল মালেক  (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কারীম  (নারকেল গাছ)।


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, রাত ৮টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে শহরের মেড্ডা বাজার এলাকায় পৌঁছি। সেসময় মিছিলকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুল হক ভূঁইয়ার কর্মীরা ককটেল হামলা চালায়।

এতে ছাত্রলীগের দুই নেতা আহত হয়েছেন। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মিছিল করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মেড্ডা বাজার এলাকায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলকে লক্ষ্য করে হঠাৎ ককটেল হামলা করা হয়। ভোটারদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই এ ককটেল হামলা হয়েছে বলে আমি মনে করি।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

খুন করে বালতিতে ঢেকে রাখা ছোট বোনের লাশ দেখাল বড় বোন

অনলাইন ডেস্ক

খুন করে বালতিতে ঢেকে রাখা ছোট বোনের লাশ দেখাল বড় বোন

ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে ছোট বোনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কিশোরীর বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চর হোসেনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি এলাকায় এক ইজিবাইকচালক পরিবার নিয়ে বাস করেন। তাঁর চার মেয়ে ও এক ছেলে। বড় দুই মেয়ে ও এক ছেলে বাইরে থাকে। বাড়িতে থাকে দুই মেয়ে। তাদের একজনের বয়স ১২ ও অন্যজনের বয়স ৩ বছর।

আরও পড়ুন:


গণধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে কলেজছাত্রীর গায়ে আগুন

বাবার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রাতধর ধর্ষণের শিকার মেয়ে

৩০-৩২ গার্লফ্রেন্ড থাকার পরও আমাকে ভালোবাসত নাসির: তামিমা

আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি: কানাডিয়ান নারী


স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা একটার দিকে ছোট মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে তাদের মা পাশের বাড়িতে যান। বাবা আগেই বাইরে চলে গিয়েছিলেন। বিকেল চারটার দিকে মা ও বাবা বাড়ি ফিরে দুই মেয়ের মধ্যে কাউকে দেখতে পাননি। তাঁরা সন্তানদের খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। 

একপর্যায়ে বড় মেয়েটিকে প্রতিবেশীর বাড়িতে পেয়ে তাকে ছোট বোনের কথা জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় ওই মেয়ে বালতির মধ্যে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা তাঁদের ছোট মেয়ের লাশ দেখিয়ে দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ও বড় মেয়েকে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল কাদের মিয়া বলেন, নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য আগামীকাল শুক্রবার শিশুটির লাশ মর্গে পাঠানো হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেমিকার বাড়ির সামনে গাছে মিলল প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ

মাদারীপুর প্রতিনিধি

প্রেমিকার বাড়ির সামনে গাছে মিলল প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ

মাদারীপুরের রাজৈরে প্রেমিকার বাড়ির সামনের একটি গাছ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে নিতাই বারুরী (২৮) নামে এক প্রেমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে রাজৈর থানা পুলিশ। নিহত নিতাই উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের হিজলবাড়ি গ্রামের সুশীল বারুরীর ছেলে এবং কদমবাড়ী বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিতাই বারুরীর সাথে ইকরাবাড়ি গ্রামের বাবুল গাইনের মেয়ে সঙ্গীতা গাইনের (২৫) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে একে অপরকে বিয়েও করেছে। কিন্তু বাধ সাধে সঙ্গীতার পরিবার। 

নিতাই বারুরীর সাথে তারা (সঙ্গীতার পরিবার) সঙ্গীতাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে দিতে রাজী ছিল না। এই কারণে নিতাই এবং সঙ্গীতা মোবাইলে কথা বলত এবং পালিয়ে দেখা করত। বুধবার সকালে নিতাই মাদারীপুর যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। 


সেই দুই ভাইয়ের সাড়ে ৫ হাজার বিঘা জমি, ৫৫টি বাস ক্রোকের নির্দেশ

দেশে করোনার সর্বশেষ মৃত্যু-শনাক্তের তথ্য

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর ত্রাণ সচিবের করোনা শনাক্ত

চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে রাস্তায় পড়ে মারা গেলো মেয়েটি


বৃহস্পতিবার সকালে সঙ্গীতাদের বাড়ির সামনের একটি জামগাছে নিতাইয়ের লাশ ঝুলতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে রাজৈর থানা পুলিশ গিয়ে গাছ থেকে নিতাইয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

নিতাইয়ের প্রেমিকা সঙ্গীতা গাইন বলেন, তার সাথে আমার ৩ বছরের সম্পর্ক। তার সাথে আমার বিয়েও হয়েছে। বুধবার সারারাত আমরা মোবাইলে কথা বলেছি। এমনকি ভোর ৫টা পর্যন্ত আমাদের কথা হয়েছে। তারপর কি হল, বুঝতে পারলাম না।

নিতাইয়ের বাবা সুশীল বারুরী বলেন, আমার ছেলেকে ওরা ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ সাদি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রেম ঘটিত কারণে ছেলেটি আত্মহত্যা করেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর