বাংলাদেশে কানাডীয়ান ভিসা সেন্টারে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বিক্রির ব্যবসা!

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে কানাডীয়ান ভিসা সেন্টারে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বিক্রির ব্যবসা!

বাংলাদেশের কানাডীয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টারে বায়োমেট্টিকস জমা দেয়ার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে বানিজ্য শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করেও বায়োমে্ট্টিকস জমা দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। অপরদিকে একটি অসাধু চক্র অ্যাপয়েন্ট বিক্রির ব্যবসা ফেঁদে বসেছে।

ঢাকায় কানাডীয়ান হাই কমিশন বিবৃতি দিয়ে ‘অ্যাপয়েন্ট বিক্রেতাদের’ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে সবাইকে পরামর্শ দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভ্রমণ, শিক্ষা পারমিট বা ওয়ার্ক পারমিট, সুপারভিসা এবং নতুন অভিবাসী হিসেবে যারা কানাডায় যান- তাদের আঙুলের ছাপ এবং নিজের  ছবি (বায়োমেট্টিকস) জমা দিতে হয়। হাইকমিশন থেকে বায়োমেট্টিকস জমা দেয়ার চিঠি পেলেই তাদের ভিসা সেন্টারে গিয়ে সেগুলো জমা দিতে হয়। সে জন্য অ্যাপয়েন্ট করে নির্দিষ্ট সময়ে আবেদনকারীদের ভিসা সেন্টারে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

করোনা ভাইরাসের কারনে দীর্ঘ দিন ভিসা প্রসেসিং সেন্টার বন্ধ থাকায় বিপুল সংখ্যক আবেদনকারীর বায়োমেট্টিকস জমা দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। গত ১৬ নভেম্বর থেকে ঢাকা এবং ১৪ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রাম, সিলেটের  কানাডীয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার সীমিত পরিসরে সেবা দিতে শুরু করলে  বায়োমেট্টিকস জমা দেয়ার অ্যাপয়েন্টের চাপ বেড়ে যায়। এই সুযোগ নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ দল ভিসা সেন্টারে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বিক্রি শুরু করে।

বিভিন্ন সূত্রে খবর পেয়ে বাংলাদেশের ঢাকার কানাডার হাই কমিশন গত ১৫ ডিসেম্বর এক বিবৃতি দিয়ে সবাইকে জানায়, কানাডায় যেতে বায়োমেট্টিকস জমা দেয়ার জন্য ভিসা অ্যপ্লিকেশন সেন্টারে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে কোনো ফি দিতে হয় না। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি। তাতেও পরিস্থিতির  পরিবর্তন হয় নি। আজ মঙ্গলবার হাই কমিশন আবারো বিবৃতি দিয়েছে। এবার তারা অ্যাপয়েন্ট বিক্রির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে আবেদনকারীদের পরামর্শ দিয়েছে। তথ্যসূত্র : নতুনদেশ।


'কিলার' ভাড়া করে স্বামীকে খুন করে স্ত্রী সালমা!

সৌদী আরবের পর ওমানের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ


নিউজ টোয়েন্টিফোর / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক

পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন এমপিকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনের কনভেনার জি এই রাসেল। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থানরত পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এমপির সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই আমন্ত্রন জানানো হয়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


এ সময় ৩৫তম ফোবানা সম্মেলন স্বাগতিক কমিটির সিনিয়র কো কনভেনার পারভীন পাটোয়ারী, চিফ প্যাট্রন কবির পাটোয়ারী, রিসেপশন কমিটির চেয়ারপারসন জেবা রাসেল সহ অন্নান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে ৩৫তম ফোবানা সম্মেলন নিয়ে নানা বিষয়ে অবগত করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ৩৫তম ফোবানা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবেন বলে আসা প্রকাশ করেন।

news24bd.tv/আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুবাইয়েও কাজের জন্য বিক্রি হন বাংলাদেশিরা

অনলাইন ডেস্ক

দুবাইয়েও কাজের জন্য বিক্রি হন বাংলাদেশিরা

মধ্যপ্রাচ্যের তেল সমৃদ্ধ দেশ সংযুক্ত আবর আমিরাতের বাংলাদেশির সংখ্যা একেবারেই কম নয়। বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের শ্রমিকরাও কাজের জন্য দেশটিকে বেছে নিয়েছে। এখানেও কাজের জন্য বিক্রি হোন বাংলাদেশি শ্রমিকেরা।

দেশটির বড় শহর দুবাইয়ের ডেরায় আল-নাকিলে প্রতিদিন মাগরিবের পর জড়ো হন অসংখ্য বাংলাদেশি। তাদের লক্ষ্য দিনমজুরের কাজ পাওয়া। দুবাইয়ের প্রবাসীরা জায়গাটি মানুষ ‘কেনাবেচার বাজার’ বলেন।

জানা গেছে, প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ লোক জড়ো হন সেখানে। স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক, কন্ট্রাক্টর কিংবা ম্যানেজাররা আসেন। তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা, দর-কষাকষি করেন। দুই পক্ষ দাম নিয়ে সন্তুষ্ট হলে কাজের চুক্তি করেন। মূলত প্রতারণার শিকার বাংলাদেশিরা দৈনিক কাজের সন্ধানে এখানে বেশি আসেন।

জানা যায়, এখানে সাধারণত দুই ধরনের বাংলাদেশি প্রবাসীরা আসেন। অনেকে আছেন যারা দীর্ঘদিন ধরে দুবাইয়ে এসেছেন কিন্তু দালালের খপ্পরে পড়ে সব হারিয়েছেন। এখানে এসে কোনো চাকরি পাননি। তারা প্রতিনিয়ত এ বাজারে আসেন। অনেকে আছেন যারা নিয়মিত চাকরি করছেন। শুক্র ও শনিবার তাদের ছুটির দিন। সেসব বাংলাদেশি ছুটির দিনে বাড়তি আয়ের জন্য কাজের খোঁজে এখানে আসেন।

আরও পড়ুন:


‘পাহাড়ের রক্তপাত বন্ধ করতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করুন’

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: চিকিৎসক ও তার স্ত্রীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে বরিশালে মামলা

হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে আতঙ্কিত বুবলীর থানায় জিডি

আলজাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী


সাঈদুল আলম নামে এক প্রবাসী জানান, তার বাসা সিলেটের হবিগঞ্জে। গত আট বছর ধরে এখানে একটি সুপারশপে কর্মরত। বাংলাদেশি টাকায় আয় প্রায় ৪৩ হাজার। থাকা-খাওয়া ও ইনস্যুরেন্স বাদে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা দেশে পাঠান। আরও পাঠালে ভালো, কারণ সেখানে বৃদ্ধ বাবা-মা, দুই বোন ও স্ত্রী-সন্তানের খরচ চালাতে আরও টাকার প্রয়োজন। সে কারণে একদিনের কাজের সন্ধানে এখানে আসা।

ডেরা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাসরত প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিদিন মাগরিবের নামাজের পর বসে এ বাজার। দুবাইয়ে বৃহস্পতিবার হাফ বেলা অফিস, শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি। তাই বৃহস্পতি ও শুক্রবার সন্ধ্যায় এখানে সবচেয়ে বেশি মানুষ জড়ো হন। মূলত রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের ভিড় বেশি থাকে। ৮টার পর বাজারে বাংলাদেশির সংখ্যা কমতে থাকে। ১০টার দিকে মোটামুটি খালি হয়ে যায়। এ বাজারে আসা অধিকাংশ মানুষই সিলেট ও চট্টগ্রামের।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

টরন্টোর শহীদ মিনারে বিতর্কিত কারো কাছ থেকে অর্থ নেয়া হয়নি

লায়লা নুসরাত, কানাডা

টরন্টোর শহীদ মিনারে বিতর্কিত কারো কাছ থেকে অর্থ নেয়া হয়নি

বাংলাদেশিদের ব্যবস্থাপনায় টরন্টোয় যে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতি সৌধ নির্মিত হচ্ছে সেখানে কোনো অর্থপাচারকারী বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনো অনুদান নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছে টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে মনুমেন্ট ইনক । 

শুক্রবার সন্ধ্যায় কমিউনিটির সর্বস্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় সংগঠনের কর্মকর্তারা বলেন, স্মৃতিসৌধ নির্মানের দায়িত্বে থাকা সংগঠনেও কোনো বিতর্কিত বা অভিযুক্ত কেউ পরিচালক হিসেবে নেই। কারো বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ সংগঠনের দৃষ্টিতে আনলে তারা প্রচলিত আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবেন বলে তারাও ঘোষনা দেন। ।

বাংলাদেশের শহীদ মিনারের আদলে নির্মিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতি সৌধ নির্মাণের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরতে ভার্চুয়াল এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। টরন্টো সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় নির্মিত এই ভাষা স্মৃতি সৌধটি বাঙালি কমিউনিটি শহীদ মিনার হিসেবে গ্রহণ করেছে। 


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা কালে সংগঠনের চেয়ারপার্সন ব্যারিষ্টার চয়নিকা দত্ত জানান, কোভিড পরিস্থিতি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারনে এই বছর নতুন এই ভাষা সৌধে শহীদ দিবস উদযাপন করা যায় নি। আগামী বছর কমিউনিটির সবাইকে নিয়ে এই ভাষা স্মৃতি সৌধে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনের আশা প্রকাশ করেন তিনি। 

ব্যারিষ্টার চয়নিকা দত্ত বলেন, ভাষাার অধিকার আদায়ে বাঙালির গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস অন্যান্য কমিউনিটির মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। এই কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।

সভায় আলোচকরা, বিদেশের মাটিতে শহীদ মিনার নির্মাণকাজ শেষ করতে পারায় উদ্যোক্তাদের প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

সৌদি আরবের দাম্মামে লিফট দুর্ঘটনায় প্রবাসী এক সিলেটি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে দাম্মামের জুবাইল সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত প্রবাসীর নাম মো. শাহীন খান (পনির)। তিনি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব জাফলংয়ের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নবম খণ্ড গ্রামের আশরাফ খানের ছেলে।

শাহীন খান আড়াই বছর ধরে সৌদি আরবে বাস করতেন। সেখানে তিনি একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন।


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


 

শাহীন খানের বাবা আশরাফ খান জানান, বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের শাহীন ও তার সহকর্মীরা নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের পানির লাইনে কাজ করছিলেন। কাজ করার সময় ভবনটিতে মালামাল ওঠানোর কাজে ব্যবহৃত অস্থায়ী লিফট ছিঁড়ে শাহীনের ওপর পড়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আল জুবাইল সেন্ট্রাল হাসপাতালে নিয়ে যান। 

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার মরদেহ ওই হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দেশে আনা হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ফেডারেল সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ফেডারেল সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত

কানাডায় করোনার কালো থাবায় অনেক ব্যবসায়ই স্থমিত হয়ে আছে এবং অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এয়ারলাইনস ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসা গুলো। আর এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অনেক বেগ পেতে হবে।লকডাউনের শিথিলতায় রেস্টুরেন্ট ব্যবসা গুলো খুলতে শুরু করলেও তেমন ব্যবসা করতে পারছে না 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘাটতি পূরণে যদি ফেডারেল ও প্রাদেশিক সরকার এগিয়ে না আসে তাহলে মূলধনী প্রকল্পগুলো হয় বাতিল করতে হবে না হয় পিছিয়ে দিতে হবে এবং রিজার্ভ তহবিল থেকে অর্থ ধার করতে হবে।

কোভিড-১৯ মহামারির ধাক্কা থেকে অর্থনীতিকে ফিরিয়ে আনতে ফেডারেল সরকার মিউনিসিপ্যালিটিগুলোকে বিশেষভাবে সহায়তার পদক্ষেপ নিয়েছে। 

টরন্টোতে নতুন পরিবহন অবকাঠামো তৈরিতে ফেডারেল সরকার ইতিমধ্যে দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দিয়েছে। নতুন অর্থায়নটি হবে এর অতিরিক্ত। একে যুগান্তকারী বিনিয়োগ উল্লেখ করে টরোন্টো মেয়র জন টরি বলেন, টরন্টো ও আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থার জন্য এটা বিরাট খবর। এদিকে, কানাডার মিউনিসিপ্যালিটির গণপরিবহন ব্যবস্থায় ১৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। আগামী আট বছরে এ অর্থ বিনিয়োগ করা হবে। তবে বিনিয়োগের বড় অংশ পেতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন:


কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনায় টরন্টো সংস্কৃতিকর্মীদের প্রতিবাদ

কানাডা ইমিগ্রেশনের মনগড়া তথ্য দিয়ে প্রতারণা, সতর্কতার পরামর্শ

চিরযুবক শাহিদ, সাবেক প্রেমিকার শুভেচ্ছাবার্তা

বগুড়ায় বাস-ট্রাক-টেম্পুর ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৪


ঘোষিত তহবিল থেকে টরন্টো কী পরিমাণ অর্থ পাবে সেটি এখনও পরিস্কার নয়। তবে সিটির গণপরিবহন নেটওয়ার্কের ওপর উল্লেখযোগ্য মাত্রায় প্রভাব ফেলার জন্য তা যথেষ্টই হবে বলে জানান টরন্টো মেয়র। তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস ঘোষিত তহবিলের ন্যায্য অংশই টরন্টো পাবে এবং কোভিড-১৯ মহামারি থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য তা যথেষ্ট হবে। নগরীর গণপরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, যানবাহন ও অন্যান্য ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, কর্মসংস্থান এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। 

উল্লেখ্য কানাডার সরকার করোনা মহামারীর প্রথম থেকেই নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য ও অর্থনীতিক স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা এখনো বলবৎ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন অব্যাহত করোনার এই সময়ে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রশংসার দাবি রাখে। অন্যদিকে শুরু হওয়া ভ্যাকসিন প্রয়োগও ধীরে ধীরে কানাডিয়ানদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ভূমিকা রাখবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর