রংপুরে শীতে কাতর হতদরিদ্ররা, বৃদ্ধের মৃত্যু

রেজাউল করিম মানিক, রংপুর:

রংপুরে শীতে কাতর হতদরিদ্ররা, বৃদ্ধের মৃত্যু

রংপুরে প্রচণ্ড হাঁড় কাঁপানো শৈত্য প্রবাহে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে রংপুর রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফরমে অজ্ঞাতনামা বৃদ্ধ লোকটি প্রচণ্ড শীতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে প্রচণ্ড শীতে নিউমোনিয়া, কোল্ড ডায়রিয়াসহ নানান রোগ বালাই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু ও বৃদ্ধ। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দু শতাধিক কোল্ড ডায়রিয়া আর নিউ মোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু ভর্তি হচ্ছে।

এদিকে হাঁড় কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের হাজার হাজার হতদরিদ্র পরিবার। শীতের কবল থেকে রক্ষা পেতে তারা খড় কুটো জ্বালিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। একদিকে শীত অন্যদিকে হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতাকে আরও বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারিভাবে শীত বস্ত্র বিতরণ করার কথা বলা হলেও শীতার্ত মানুষরা তা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ হতদরিদ্রদের।

সরেজমিন তিস্তা নদীবেষ্টিত রংপুরের গঙ্গাচড়া পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে গিয়ে দেখা গেছে, শীতবস্ত্রের অভাবে হাজার হাজার মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। গঙ্গাচড়া উপজেলার জয়রাম ওঝা গ্রামে গিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেখানে ১০টি পরিবারকে একটি করে কম্বল দেওয়া হয়েছে। এসব পরিবার তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছল।


'কিলার' ভাড়া করে স্বামীকে খুন করে স্ত্রী সালমা!

সৌদী আরবের পর ওমানের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ

আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, আটক ২

১২ বছরের ছোট প্রেমিককেই বিয়ে করছেন অভিনেত্রী গওহর!


চরবাসীর অভিযোগ, হতদরিদ্র দিনমজুর শত শত পরিবার কোনও শীত বস্ত্র পায়নি। জয়রাম ওঝা চরের বাসিন্দা মালিহা বেগম, রহিমা খাতুনসহ অনেকেই জানান, তাদের কোনও শীত বস্ত্রই নেই। একই অভিযোগ পাওয়া গেছে, চর মুটুকপুর গ্রামে। সেখানেও এখন পর্যন্ত কোনও পরিবার শীত বস্ত্র পায়নি। অথচ তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের ৪২টি গ্রামে জরুরি ভিত্তিতে শীতবস্ত্র বিতরণ করা প্রয়োজন বলে এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন।

রংপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদফতরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে রংপুর জেলায় ৫১ হাজার ৬শ’ কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে শীতবস্ত্র কেনার জন্য নগদ ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ এসেছে।

এ ব্যাপারে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আখতার হোসেন জানান, প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য ৪শ’৮০ পিস করে কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে যা ইতোমধ্যে স্ব স্ব ইউনিয়নে চলে গেছে। অপরদিকে, জেলার ৮ উপজেলায় ৬ লাখ টাকা করে নগদ অর্থ পাঠানো হয়েছে। এ টাকা দিয়ে শীতবস্ত্র কিনে শীতার্ত মানুষদের মধ্যে বিতরণ করতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য ৮ হাজার কম্বল রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে ৩৩টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৬টি ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু, বরাদ্দ করা কম্বলগুলো যারা পেয়েছেন তারা প্রকৃত দুস্থ ও সহায় সম্বলহীন হতদরিদ্র কিনা জানতে চাইলে তিনি কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি।

রংপুর সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে কমপক্ষে এক লাখ ভাসমান মানুষ বসবাস করে। এ ছাড়াও বিভিন্ন বস্তিতে বাস করে আরও দেড় লাখ মানুষ। যা বরাদ্দ করা হয়েছে তা দিয়ে শীতার্ত মানুষের চাহিদার ৫ ভাগও মেটানো সম্ভব নয়।

প্যানেল মেয়র টিটু জানান, কম্বল ও শিশুদের জন্য শীতবস্ত্র আরও বেশি করে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য আমরা জেলা প্রশাসনকে বলেছি। রংপুর নগরীতে ১০ লাখ মানুষের বাস। এদের মধ্যে দুই লাখের বেশি মানুষ একেবারে হতদরিদ্র। এরা দিন আয় করে দিন খায়। করোনার কারণে এদের বেশির ভাগ পরিবারের আয় একেবারে কমে গেছে। অনেকেই কর্মহীন হয়ে আছে, এদের জন্য শীতবস্ত্র খুবই প্রয়োজন।

নিউজ টোয়েন্টিফোর / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওই সব লোক এখানে এসে মাতব্বরি করবে কেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ওই সব লোক এখানে এসে মাতব্বরি করবে কেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় আল–জাজিরার তথ্যচিত্র নিয়ে মার্কিন রাজনীতিবিদদের কেউ তাঁকে প্রশ্ন করেননি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। এমনকি তাঁদের কেউ বিষয়টি আলোচনায় তোলেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে বিদেশি কূটনীতিকদের ভূমিকার সমালোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমাদের দেশ একটা তাজ্জবের দেশ। কেউ একজন মারা গেলেই সে কেন মারা গেল, এটা নিয়ে তারা খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।

আজ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

আল–জাজিরার গত ১ ফেব্রুয়ারির তথ্যচিত্র নিয়ে কেউ তুলেছিলেন কি না, জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ও সিনেটরদের সঙ্গে নানা বিষয়ে আলাপ হয়েছে। তবে কেউ আল–জাজিরার প্রতিবেদন প্রসঙ্গে কোনো কথা তোলেননি। তবে সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকাসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা এ নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। বাকি কোনো লোক প্রশ্ন করেনি, আলাপ করেনি। এগুলো হলো বাঙালিদের মাথাব্যথার কারণ। আমরা বলেছি, আল–জাজিরা একটা নাটক লিখেছে। তবে তারা নাটকে এত ভুল তথ্য দিয়েছে যে তা একেবারেই বেমানান।’


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুতে বিদেশি কূটনীতিকদের ভূমিকার সমালোচনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

‘আমাদের দেশ একটা তাজ্জবের দেশ। কেউ একজন মারা গেলেই সে কেন মারা গেল, এটা নিয়ে তারা খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। দেশের লোক উদ্বেগ জানাক, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু বিদেশি লোকগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে, এটা একটা তাজ্জবের জায়গা। আর আপনারা মিডিয়াও এসবের কাভারেজ দেন। বিদেশে কেউ যদি উদ্বেগ প্রকাশ করে, কোনো মিডিয়া এটা প্রচার করে না। এ জন্য কেউ উদ্বেগও দেখায় না।’

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া এসব এন্টারটেইন করবে না। আমাদের দেশের মিডিয়ার এসব বর্জন করা উচিত। ওই সব লোক এখানে এসে মাতব্বরি করবে কেন। আমাদের তো তাদের পাবলিসিটি দেওয়া বন্ধ করা উচিত।’

ফেব্রুয়ারির ২৩ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটন সফর করেন। এ সময় তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের সঙ্গে ফোনালাপের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন মার্কিন সিনেটর ও কংগ্রেসম্যান এবং জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে সরাসরি ও ভার্চ্যুয়ালি আলোচনা করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বরিশালে নিহত ৩৭ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সংবর্ধনা

রাহাত খান, বরিশাল

বরিশালে নিহত ৩৭ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সংবর্ধনা

বরিশালে কর্মরত অবস্থায় অস্বাভাবিকভাবে নিহত ৩৭ পুলিশ সদস্যের পরিবারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সকালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে উপলক্ষে জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের যৌথ উদ্যোগে পুলিশ লাইনসের ড্রিল সেড মিলনায়তনে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে নিহতদের পরিবারকে সম্মাননা স্মারক ও উপহার তুলে দেন প্রধান অতিথি বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি শফিকুল ইসলাম।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রেঞ্জ ডিআইজি শফিকুল ইসলাম ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


এদিন পুলিশ লাইনসের ড্রিল সেড মিলনায়তন এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান। 

উল্লেখ্য, নিহত ৩৭ পুলিশ সদস্য ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বরিশাল জেলা ও মেট্রোপলিটনে কর্মরত অবস্থায় অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক মুজ্জাকির হত্যা: নোয়াখালীতে কালো পতাকা মিছিল

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

সাংবাদিক মুজ্জাকির হত্যা: নোয়াখালীতে কালো পতাকা মিছিল

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরের মৃত্যুর প্রতিবাদ ও দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবিতে কালো পতাকা মিছিল করেছে জেলার সাংবাদিকরা।

আজ সকাল ১১টায় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। 

জেলায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্যোগে এ কালো মিছিলে গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও অংশ নেন।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


৪৫ ফিট লম্বা কালো পতাকার দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে গণমাধ্যম কর্মীরা মিছিলে অংশ নিলেও দেয়া হয়নি কোনো স্লোগান। এ ছাড়া প্রত্যেক গণমাধ্যকর্মীর হাতে ছিল একটি করো কালো পতাকা। 

গণমাধ্যম নেতৃবৃন্দ জানান, মুজ্জাকির হত্যার সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।  

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জেলের জালে সাড়ে তিন মণ ওজনের কৈবোল

দাম এক লাখ ৩০ হাজার টাকা

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

জেলের জালে সাড়ে তিন মণ ওজনের কৈবোল

খুলনার রূপসা পাইকারি মাছ বাজারে আজ (সোমবার) সাড়ে তিনমণ ওজনের কৈবোল মাছ বিক্রি হয়েছে। বিশাল আকৃতির এই মাছটি ভূপাল নামের এক জেলের জালে ধরা পড়ে। মাছটি প্রতি কেজি এক হাজার টাকা দরে এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় কিনে নেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ীরা।

রূপসা পাইকারি মৎস্য বাজার সমবায় সমিতির নির্বাহী পরিচালক মো. রমজান আলী হাওলাদার জানান, এতো বিশাল আকৃতির মাছ কম পাওয়া যায়। এ কারণে মানুষের মধ্যে মাছটি নিয়ে আগ্রহ বেশি। তিনজন কসাই কয়েক ঘণ্টা সময়
ব্যয় করে মাছটি কেটে পরিষ্কার করেন। পরে ক্রেতারা তা’ কিনে নেন।


এক নারী দিয়ে হতো না, প্রতিদিন নতুন নারী লাগত তার

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী


জেলে ভূপাল জানান, গত শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গেলে এই বিশাল মাছটি তার জালে ধরা পড়ে। মাছটি বিক্রি করে অধিক দাম পাওয়ার আশায় তিনি সরাসরি খুলনায় নিয়ে আসেন। এই মাছে তার ভাগ্য খুলে গেছে।

রূপসা পাইকারি মাছ বাজার সচিব এস এম ইব্রাহিম খলিল জানান, কৈবোল মাছ খেতে খুব সুস্বাদু। এর আগে ২০১৯ সালে ১৩০ কেজি ওজনের একটি কৈবল মাছ এসেছিল এ বাজারে। সেটিও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি এক হাজার টাকা দরে কিনে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছিলেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

ফাতেমা জান্নাত মুমু, চট্টগ্রাম:

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মাদক দ্রব্য পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শুধু মাদক নয়, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মালামাল চোরাচালান রোধেসহ সীমান্তবর্তী স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে উভয় দেশে সীমান্তে সচেতনতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিজিবি ও বিএসএফ।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাঙামাটির ছোটহরিণা ব্যাটালিয়ন (১২ বিজিবি) এর ও ভারতের অভ্যন্তরে ১৩১ বিএসএফ
ব্যাটালিয়নে বিন্দাছড়া এলাকায় ভারত বাংলাদেশের সেক্টর কমান্ডার বিজিবি বান্দরবান, রাঙামাটি এবং ডিআইজি বিএসএফ, আইজল সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে সীমান্ত সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এসময় বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিজিবি বান্দরবানের সেক্টর কমান্ডার ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল মো. কোরবান আলী ও বিএসএফ এর পক্ষে নেতৃত্ব দেন বিএসএফ আইজল সেক্টরের ডিআইজি কুলদীপ সিং।

এছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবি বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল মো. সাহীদুর রহমান ওসমানী সহ ৫জন কর্মকর্তা ও বিএসএফ এর পক্ষে ৭ জন কর্মখর্তা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনা হয়। এছাড়া সার্বক্ষণিক সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে বিজিবি-বিএসএফ উভয়পক্ষ একমত পোষণ করেন। রাঙামাটির ছোটহরিণা ব্যাটালিয়ন (১২ বিজিবি) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বৈঠকটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর