সরকারি চাকরিজীবীদের ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক হচ্ছে

ফখরুল ইসলাম

সরকারি চাকরিজীবীদের ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক হচ্ছে

সরকারি চাকুরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে দেশের ১৯ জেলায় স্থাপিত হতে যাচ্ছে ২১টি ডোপ টেস্ট ল্যাব। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে এরইমধ্যে বিধিমালা প্রণয়ণও চুড়ান্ত পর্যায়ে। 

এদিকে আগেভাগেই নিজেদের মধ্যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ডোপ টেস্টে ৭৩ পুলিশ সদস্য পজিটিভ ধরা পড়ায় ১০জনকে এরিমধ্যে চাকরীচ্যুত করা হয়েছে। সরকারি শিক্ষক নিয়োগও আসছে ডোপ টেস্টের আওতায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জাতি গড়ার কারিগর শিক্ষকদের ডোপ টেস্ট অত্যন্ত জরুরি। 

মাদকের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে যুদ্ধ, দফায় দফায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি এর ব্যাপকতা। তাই আপাতত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সরকারি সব ধরণের চাকরিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সাথে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডোপ টেস্ট।

আর এ ডোপ টেস্ট ব্যাপক পরিসরে শুরু করতে রাজধানীসহ দেশের ১৯টি জেলায় মিনিল্যাব স্থাপনে প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ল্যাবে চুল, রক্ত অথবা লালা দিয়েই মিলবে ডোপ টেস্টের ফলাফল।


আরও পড়ুন: এবার মেজর হাফিজের নাম এলো কমিটিতে


এদিকে পুলিশের ভেতরে আগেভাগেই শুরু হয়েছে এই ডোপটেস্ট কার্যক্রম। গত দুমাসে চাকরীরত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ডিএমপি’র ৭৩ সদস্যই টেস্টে পজিটিভ ধরা পড়েছে। যাদের ২৮ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করে মামলা করা হয়। ইতিমধ্যে ১০জনকে চাকরীচ্যুতও করা হয়। সরকারী শিক্ষক নিয়োগেও ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন শিক্ষিত জাতি গড়তে শিক্ষকদের মধ্যেও শুদ্ধকরণ জরুরি।

পর্যায়ক্রমে গাড়ী চলকসহ সব চাকরীই ডোপ টেস্টের আওতায় আসবে। দেশেকে মাদকমুক্ত করতে ডোপ টেস্ট কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মত দেন বিশ্লেষকরা।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ

রিশাদ হাসান

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ। ২০২০ সালের এই দিনে দেশে সনাক্ত হয়েছিল নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জন রোগী। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও স্বাস্থ্য বিধি না মানায় আবারও বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, নিয়ম মেনে চললে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির তুলনায় আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারতো বাংলাদেশ। 

৮ মার্চ ২০২০। দুপুরে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য নিয়ে এলো এক দু:সংবাদ। সেদিন দেশে সনাক্ত হয় করোনায় আক্রান্ত ৩ জন রোগী।

নানা প্রতিকূলতায় শুরু হল করোনার সাথে বসবাস। সাধারণ হাসপাতালগুলো একে একে পরিনত হতে থাকলো কোভিড হাসপাতালে।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


এই এক বছরে বাংলাদেশে সনাক্ত ছাড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ। ১৮ই মার্চ আসে প্রথম মৃত্যুর খবর। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে আট হাজার। তবে সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখেরও বেশী।

বর্তমানে সংক্রমনের হার কম তবুও সন্তুষ্ট নন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

প্রতিদিন নানা দু:সংবাদের মাঝে আশার গল্পটা শুরু হয় বিশ্বের দশম রাষ্ট্র হিসেবে টিকা প্রয়োগ শুরু করা নিয়ে। এবছরের ৭ ফেব্রুয়ারী থেকে সারাদেশে শুরু হয় গণটিকাদান।

সম্প্রতি আবারও বাড়ছে সংক্রমণের হার। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলছেন, স্বাস্থ্য বিধি না মানাই এর প্রধান কারণ।

চুড়ান্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে কাজ করে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এরপর পৃথিবী থেকে করোনা বিদায় নিবে কি না সে প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা

সুলতান আহমেদ

উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা

নারীদের উদ্যোক্তা হয়ে উঠার গল্প সবাই শুনতে চায়, তবে রাষ্ট্র কতটুকু পারছে তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে? এসএমই ফাউন্ডেশনের এক জরিপে উঠে এসেছে ভয়াবহ বৈষম্যের কথা, হিসেব বলছে দেশে ১০০ জন উদ্যোক্তার মধ্যে মাত্র ৭ জন নারী উদ্যোক্তা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পদে পদে বাধা, ব্যাংক লোনের স্বল্পতা, সরকারি নীতি সহায়তা না পাওয়া নারী উদ্যোক্তা হওয়ার বড় অন্তরায়। 

বিশ্ব বাজারে দ্বিতীয় বৃহৎ পোশাক উৎপাদক দেশ বাংলাদেশ। যেই খাতে সবচেয়ে বেশি কাজ করেন নারীরা। সস্তা শ্রমকে পুঁজি করে শত কোটি টাকার মালিক হচ্ছেন অনেকেই, তবে দিন বদলায় না নারী কর্মীদের।

চাকুরীর বঞ্চনা ছেড়ে যখন নারীরা উদ্যোক্তা হতে চান সেখানেও যেনো অন্ত নেই নানাবিধ বাধার। এসএমই ফাউন্ডেশনের এক জরিপে দেখা যায় উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


হিসেব বলছে, দেশে মোট উদ্যোক্তা ৭৮,১৮৫৬৫ যার মধ্যে পুরুষ ৭২,৫৫০০০ আর নারী ৫,৬৩০০০ জন। শতকরা হিসেবে যা ৭.২ শতাংশ। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ই রয়েছেন ৯৯ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা। বড় ব্যবসায় নারীদের অংশগ্রহণ খুবই কম।

যদিও এসএমই ফাউন্ডেশন বলছে, নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, ঋণ বিতরণ, কিংবা যেকোন সহায়তায় পাশে রয়েছে তারা।

বর্তমানে অনলাইন ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন বহু নারী। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গুরুত্ব দেয়া উচিত নারী উদ্যোক্তা বাড়াতে।  

এছাড়া নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে পারিবারিক সহায়তা বাড়ানোর পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা

রিশাদ হাসান

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা

সাইবার অপরাধ। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন বলছে বয়স ভেদে এর শিকার ৭০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে নারীর প্রতি সহিংসতা। তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অনলাইনে হয়রানী নারী অগ্রগতিতে বড় বাধা। যা দমনে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আন্দোলন। 

দ্বাদশ শ্রেনীতে লেখাপড়া চলাকালীন স্মার্টফোন হাতে পেয়েছিলেন আইরিন। ইন্টারনেট ব্যবহারে অসচেতন থাকায় প্রথমে হ্যাকিং পরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন তিনি।

আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য মতে বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ মেয়ে শিশু অনলাইনে হয়রানীর শিকার। সাইবার ক্রাইম এ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে দেশের মোট সাইবার অপরাধের ৭০ শতাংশই নারী কেন্দ্রীক।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


ডিএমপির সাইবার ক্রাইম বিভাগ বলছে, ২০১৬ সাল থেকে সাইবার জগতে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতি বছর দ্বিগুন হারে বাড়ছে।

তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার অপরাধের শিকার হওয়া নারীদের সামাজিক ভাবে হেয় করার বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক।

তবে এমন নারীদের সহায়তা দিতে গড়ে উঠেছে কিছু সামাজিক সংগঠন। যারা নারীদের এমন বাস্তবতায় মানসিক সহায়তার পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে সচেতনতা তৈরিতেও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অর্ধেক মানব সম্পদ নারী। কাজেই সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ করা গেলে নারীরাও উন্নয়নে রাখতে পারে বড় ভূমিকা।
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

ফখরুল ইসলাম

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

নারী। আড়াইশো বছর ধরে অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী। যারা পরিবার থেকে গড়েন সমাজ। মাঠ, ঘাট, কিংবা কল কারখানায় শোষিত, নির্যাতিত এই নারী। তারা মুক্তির প্রতিক্ষায়। নিরবে নিভৃতে কাঁদে তাদের স্বপ্ন। 

রৌদ্রের খরাতাপে পাথর শ্রমিক মরিয়মের এই সংগ্রাম শুধু নারীকে টিকিয়ে রাখতে নয়, সেই সাথে পরিবারকে রক্ষারও। কিন্তু তাতেও কি জোটে ন্যায্য মুজুরী বা মর্যাদাটুকু ?

পুরুষের সঙ্গে কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে নারী সমানতালে এ বিশ্বকে উন্নত করলেও আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত। এখনো ঘর গৃহস্থালী কিংবা মাঠ ঘাট থেকে বাহিরে আসতে পারেনি এদেশের বেশিরভাগ নারী।

উত্তরাঞ্চলের দারিদ্রপীড়িত রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এখনো পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কায়িক শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। তারাও বঞ্চিত। আছে অধিকার নিয়ে অসন্তোষ।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


পোশাক শিল্প থেকে ভারী শিল্প সবক্ষেত্রে নারীর শ্রম আছে। সেই সাথে আছে শোষণও। নেই শুধু মর্যাদা। তাই নারী মর্যাদাহীন আর বঞ্চিত হলে অমানবিক হবে সমাজ, পিছিয়ে যাবে রাষ্ট্র। এমন মত নারী অধিকারকর্মীদের।

১৮৫৭ সালে নিউইয়র্কের নারী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পর ১৯১১ সাল থেকে প্রতিবছর ৮মার্চ পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। স্বাধীনতার ৫০ বছরে এখনো দেশে হত্যা ধর্ষণ আর নির্যাতনের মত খড়গ নেমে আসছে নারীদের উপর। পুলিশের তথ্য মতে, পাঁচ বছরে সারাদেশের থানাগুলিতে ২৬ হাজার ৬৯৫টি ধর্ষণের মামলাই হয়েছে।

রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে নারীর ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীকে সমান অধিকার আর নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেই মিলবে নারীর প্রকৃত মুক্তি। গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব।
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

লাকমিনা জেসমিন সোমা

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈদেশিক শ্রমবাজারে ১০ লাখ নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন ও মৃত্যুর ঘটনা। গেল পাঁচ বছরে লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন অন্তত ৪৮৭ নারী। আর শুধু করোনাকালেই সব হারিয়ে বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ফিরেছেন অন্তত ৫০ হাজার নারী কর্মী।

সংকট নিরসনে দক্ষ নারী কর্মী তৈরির পাশাপাশি নারী অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। 

নব্বইয়ের দশক থেকে এ পর্যন্ত ৯ লাখ ২৪ হাজার ৪১৫ বাংলাদেশী নারী কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। মূলত ২০১৫ সালে সৌদি সরকারের সাথে সমঝোতা সইয়ের পর থেকেই বিদেশের শ্রমবাজারে বাড়তে থাকে বাংলাদেশী নারী কর্মীর আধিক্য। দেশটিতে বর্তমানে সাড়ে তিন লাখ নারী কাজ করছেন যা বাংলাদেশের মোট নারী অভিবাসী কর্মীর ৩৮ শতাংশ।

তবে বিপুল সংখ্যক নারী কর্মী পাঠানোর বিপরীতে বেড়েছে নির্যাতন ও নিপীড়নের ঘটনাও। বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে ৪৮৭ নারীর মরদেহ দেশে ফিরেছে। তাদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে আত্মহত্যাই করেছেন অন্তত ৮৬ জন। 


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


করোনাকালে লকডাউন থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শারীরিক মানসিক নির্যাতনের সাথে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক কষ্টও। এই সময়ে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছে অন্তত ৫০ হাজার নারী কর্মী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০; মানবপাচারের যতগুলো মামলা হয়েছে তাতে অন্তত ১ হাজার ৭৯১ জন নারী মানবপাচারের শিকার। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেরত আসাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি, নির্যাতন সহিংসতা এবং পাচার বন্ধে নারী অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়ন অপরিহার্য। 

সৌদি থেকে ফেরত আসা ১১০ নারীর সাথে কথা বলে ২০১৯ সালে একটি প্রতিবেদন দেয় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যেখানে বলা হয় ৩৫ শতাংশ নারী শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার আর ৪৪ শতাংশ বেতন পাননি ঠিকমতো।
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর