গৃহবধূকে হত্যা পর মরদেহের সাথে পাশবিক নির্যাতন

অনলাইন ডেস্ক

গৃহবধূকে হত্যা পর মরদেহের সাথে পাশবিক নির্যাতন

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গৃহবধূ শান্তা আক্তার (২২) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে ঘাতক স্বামী স্কুল শিক্ষক আমিনুল ইসলাম। আজ বুধবার নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হুমায়ন কবিরের আদালতে ওই জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।

জবানবন্দীতে আমিনুল বলেন, পারিবারিক অশান্তির কারণে সে স্ত্রী শান্তাকে শিলপুতা দিয়ে আঘাত করে মাথা থেঁতলে হত্যা করে। এরপর মাছ কাটার বটি দিয়ে শরীরের চামড়া ছিঁড়ে তাতে লবণ লাগিয়ে দেয়। এছাড়া সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন স্ত্রী শান্তা আক্তার। স্বামী আমিনুল তার প্রতিবাদ করলে তার কথা শুনতেন না। এ নিয়েও তাদের মধ্যে ঝগড়াও হতো।  
 
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত মঙ্গলবার বিকেলে শান্তার মরদেহ উদ্ধারের পর বাবা কলিমউল্লাহ বাদী হয়ে রাতেই স্বামী আমিনুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলার বারদীর ওরলাপুর এলাকার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে বন্দর গালর্স স্কুলের পিটি শিক্ষক আমিনুল ইসলামের সঙ্গে ২০১৭ সালে সোনারগাঁ উপজেলার বারদী এলাকার কলিমউল্লাহ’র মেয়ে শান্তা আক্তারের বিয়ে হয়। 

পারিবারিক কলহের কারণে ২০১৯ সালে তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর শান্তার অন্যত্র বিয়ে হয়। ৭ মাস ওই স্বামীর সঙ্গে সংসার করার পর এ বছরের ২০ অক্টোবর আমিনুল ইসলাম ফুসলিয়ে পুনরায় শান্তাকে বিয়ে করে। এরপর বন্দরের রাজবাড়ি এলাকার সুলতান মিয়ার বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস শুরু করে তারা। পুনরায় বিয়ে করার ২ মাস ৬ দিনের মাথায় শান্তাকে হত্যা করে আমিনুল ইসলাম।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বন্দর থানার উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক এসআই আবদুস সবুর জানান, বুধবার আদালতে হাজির করা হলে আমিনুল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। 

গত ২৬ ডিসেম্বর শনিবার স্বামী স্কুলশিক্ষক আমিনুল ইসলাম শান্তাকে হত্যা করে শরীরের চামড়া ছিঁড়ে লবণ মেখে লাশ গুম করার জন্য কম্বল পেঁচিয়ে ভাড়া করা বাসায় রেখে দেয়। মাছ কেটে যেভাবে হলুদ মরিচ আর মশলা মাখানো হয় ঠিক সেভাবেই স্ত্রীর শরীরের বিভিন্নস্থানেই ধারালো অস্ত্রের দ্বারা কাটা কাটা ছিল। সেখানে মশলার মতই মাখানো হয় লবণ। 

উদ্দেশ্য মৃতদেহ যেন পঁচে না যায় কিংবা দুর্গন্ধ না ছড়ায়। কিন্তু সময়টা বেশি অতিক্রান্ত হওয়াতে আর ঘরে সেই মৃতদেহ রাখা সম্ভব হয়নি। তাই অসুস্থ বলে মৃত স্ত্রীকে কম্বল মুড়িয়ে নিয়ে চলে যান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে নাটক সাজান তার স্ত্রী অসুস্থ। কিন্তু ডাক্তাররা লবণ মাখানো নারীকে দেখেই আঁতকে উঠেন। নিশ্চিত হয় কয়েকদিন আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। নিছক লাশ আনা হয়েছে হাসপাতালে। আটক করা হয় সঙ্গে থাকা স্বামীকে।


‘জেনারেল সোলাইমানি হত্যায় আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য’

‘অনেক ভেবে বুঝেছি- আমাকে আমি অনেক আগেই হারিয়েছি’

রিছাং ঝরনায় পা পিছলে পড়ে ২ পর্যটকের মৃত্যু

স্বামীর 'গোপন অঙ্গ' কেটে বিচ্ছিন্ন করল স্ত্রী!

টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে নববধূ উধাও


news24bd.tv / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কেটে ফেলা হল কিষানীর তিন হাজার গাছ

অনলাইন ডেস্ক

বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় কেটে ফেলা হল কিষানীর তিন হাজার গাছ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় এক কিষানির প্রায় তিন হাজার সবজি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার আশিদ্রোন ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পাড়ের টং গ্রামে এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

সবজির ভরা মৌসুমে ফলসহ গাছগুলো কেটে ফেলায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন আশিদ্রোন ইউনিয়নের পাড়ের টং গ্রামের কিষানি জাহেরা খাতুন। রাতের আঁধারে তার চাষ করা ৩ একর জমির গাছগুলো কেটে এবং উপড়ে ফেলা হয়েছে।

প্রায় তিন হাজার করলা, শশা, চালকুমড়া, চিচিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজি গাছ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। সব গাছের গোড়া কেটে এবং উপড়ে ফেলে মাটিতে রাখা হয়েছে। গাছগুলোতে ফল ও ফুল দুটোই রয়েছে। 

সবজি চাষি জাহেরা খাতুন অভিযোগ করেন, বানিয়াচং উপজেলার গুনই গ্রামের আনোয়ার আলী, পাড়ের টংয়ের ইনচার আলী ও কাদির মিয়া মঙ্গলবার রাতে তার সবজি ক্ষেত নষ্ট করেছে। সবজি গাছগুলো কেটে ফেলায় তার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঋণ নিয়ে তিন একর জমিতে সবজি চাষ শুরু করেছিলাম। ভরা ফলের সময়ে রাতের আঁধারে আমার ক্ষেতের ফসল কেটে ফেলল। আমি পরিবার নিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি।

আরও পড়ুন:


তামিমার পাসপোর্ট আসল কিনা মুখ খুললেন নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

একসাথে রাম চরণ ও কোরিয়ান নায়িকা সুজি!

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না আজ

পিলখানা হত্যা: শহীদদের সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


এ ব্যাপারে বুধবার শ্রীমঙ্গল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন ও ৭, ৮, ৯ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য শিল্পী পাল বলেন, আনোয়ার মিয়ার স্ত্রী মারা যাওয়ায় জাহেরা খাতুনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জাহেরা খাতুন এই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় আনোয়ার মিয়া ক্ষুব্ধ হয়ে একাজ করেছেন।

আনোয়ার মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তিনি পলাতক আছেন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ, গাজীপুর

গাজীপুরে হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক

গাজীপুরের টঙ্গী থেকে ২ হাজার ৬৩০ কেজি হেরোইনসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক। একটি ট্রাক জব্দ করেছে র‌্যাব।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তুচ্ছ ঘটনায় বাবাকে হত্যা, র‍্যাবের হাতে ধরা সেই ঘাতক ছেলে

অনলাইন ডেস্ক

তুচ্ছ ঘটনায় বাবাকে হত্যা, র‍্যাবের হাতে ধরা সেই ঘাতক ছেলে

ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া উপজেলার আছিম পাটুলী ইউনিয়নের পাটুলী টানপাড়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনায় বৃদ্ধ বাবা চান মিয়া (৬০)কে হত্যার ঘটনায় ঘাতক ছেলে গোলাম ফারুক (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ আজ  বুধবার দুপুরে ফুলবাড়িয়া থানায় সোপর্দ করেছে। গত শনিবার সকালে বাবা-ছেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করলে গুরুতর আহত হয়। মচিমহায় নিয়ে ভর্তি করা হলে রাতেই মারা যান তিনি। ঘটনার পর থেকে ছেলে পলাতক ছিল।


কাদের মির্জার অশালীন ফোনালাপ ফাঁস (অডিওসহ)

নিজের সব সন্তানকে চেনেন না পেলে!

বাংলাদেশ বিমান বহরে যোগ হল 'আকাশতরী'

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ


বাবাকে হত্যার ঘটনায় বড় ছেলে মুছা মিয়া বাদী হয়ে গোলাম ফারুককে আসামি করে ফুলবাড়িয়া থানায় মামলা করেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করতে র‍্যাব, পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায়। গত রাতে র‍্যাব ভালুকা উপজেলার জামিদিয়া গ্রামে এক খালা শাশুড়ির বাড়ি থেকে গোলাম ফারুককে গ্রেপ্তার করেন।

মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ফুলবাড়িয়া থানার এস আই রুবেল খান জানান, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ছেলেকে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে নেওয়া হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মসজিদে দাঁড়িয়ে কোরআন হাতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সে

অনলাইন ডেস্ক

মসজিদে দাঁড়িয়ে কোরআন হাতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সে

প্রাইভেট থেকে ফেরার পথে চেতনানাশক দিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার দশদিনেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে ভুক্তভোগি পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি (রোববার) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নতুন বাজার বটতলা থেকে তিন যুবক নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ইজিবাইকে করে অন্যত্র তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- মিতুল মল্লিক (২২), তার বন্ধু রাজিব শেখ (২৩) ও রসুল খান (২১)।

আরও পড়ুন:


স্ত্রীকে সৌদি পাঠিয়ে ৮ বছরের মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে বাবা

বন্ধুর স্ত্রীর ‘গোপন ভিডিও’ ধারণ, ভয় দেখিয়ে আটমাস ধরে ‘ধর্ষণ’

কুমিল্লাগামী বাসে দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে ধর্ষণ!

কলাইক্ষেতে নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ, পাশে পাজামা-ছাতা-স্যান্ডেল


এরপর ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ ওঠায় সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) তার সহপাঠীরা মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও স্থানীয় এলাকাবাসীরা যোগ দেন।

এ সময় টুঙ্গীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবুল হোসেন ও পৌরমেয়র শেখ মোজাম্মেল হক টুটুল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতারের প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে ধর্ষকের সহযোগী রাজিব শেখ অজ্ঞাত স্থান থেকে তার ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করে। মসজিদে দাঁড়িয়ে কোরআন শরীফ হাতে কান্না করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সে।

টুঙ্গীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এফএম নাসিম বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি অভিযুক্তদের ধরতে পারব।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তামিমাকে নিয়ে নাসিরের ‘ভয়’

অনলাইন ডেস্ক

তামিমাকে নিয়ে নাসিরের ‘ভয়’

বনানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটার নাসির হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। তামিমাকে নিয়ে ভয়ে আছেন জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমার এখন ভয় লাগছে, তামিমা যেকোনো সময় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারে। এখন তামিমা আর তামিমা নয়। তামিমা হোসাইন। সুতরাং তার নামে কেউ কিছু বললে আমি মেনে নেব না।’

বুধবার বনানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী তামিমা তাম্মিকে সঙ্গ নিয়ে নাসির হোসেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় রীতিনীতি এবং দেশের প্রচলিত আইন মেনেই আমি তামিমাকে বিয়ে করেছি। আমি তাই সকলের প্রতি আহ্বান করছি যেন এমন কিছু না করা হয় যাতে তার স্ত্রীর কোন অসুবিধা হয়। তামিমাকে আমি চিনি চার, সাড়ে চার বছর ধরে। আমি ওকে খুব কাছ থেকে চিনি। আমরা দু'জনই প্রাপ্ত বয়স্ক। আমরা আইনগতভাবে, ধর্ম অনুযায়ী বিয়ে করেছি। কোন সমস্যা থাকলে এভাবে লোক জানিয়ে বিয়ে করতাম না।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি ওর ব্যাপারে আমি সব জানতাম। ওর আগে বিয়ে হয়েছে, বাচ্চা আছে। ডিভোর্স হয়েছে। বিয়ের আগে আমরা লিগ্যাল ডিভোর্স পেপার দেখেই বিয়ে করেছি। আমি চাইলে ডিভোর্স পেপার ফেসবুকে এসে দেখাতে পারতাম। কিন্তু দেখাইনি।’

নাসির বলেন, ‘মিস্টার রাকিব আমাদের নিয়ে যা বলেছেন সেসব কথা সব মিথ্যা। তার কথার মধ্যে সত্য হলো রাকিবের সাথে আমার বিয়ে হয়েছিলো এবং আমাদের একটি বাচ্চা আছে। উনি যেটা করছেন সেটা এখন সবারই জানা হয়ে গেছে। তিনি যেসব মিথ্যে কথা বলেছেন তার প্রমাণ আমার কাছে আছে।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর