কয়েকটি সুরার ফজিলত ও আমল

অনলাইন ডেস্ক

কয়েকটি সুরার ফজিলত ও আমল

প্রতিটি সুরার রয়েছে আলাদা আলাদা ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য। যেগুলোর আমল করা মানুষের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সুরাগুলোর আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

সুরা যুখরূফ-এর আমলের ফজিলত
- তাফসিরে দুরারুন নজমে এসেছে, এ সুরাটি লিখে বৃষ্টির পানি দ্বারা ধৌত করে পান করলে কফ-কাশি দূর হয়।
- যে ব্যক্তি স্বপ্নে দেখবে যে, সুরা যুখরূফ তেলাওয়াত করছে, তার অর্থ দাঁড়াবে ঐ ব্যক্তি দুনিয়ার জীবনে সফল হবে আর পরকালে সে উচ্চ মর্যাদা লাভ করবে।

সুরা দুখান-এর আমলের ফজিলত
- ইবনে মারদুবিয়া হজরত আবু উমামা বাহেলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাতে অথবা জুমআর দিনে সুরা দুখান তেলাওয়াত করে, আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য জান্নাতে একটি মহল তৈরি করেন।

- বাইহাকি বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর রাতে এ সুরা এবং সুরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করে। সে সকালে এমন অবস্থায় জাগ্রত হবে যে, তার সকল গোনাহ মাফ করে দেয়া হয়েছে।

একে একে শুখাইছে ফুল এবে, নিবিছে দেউটি....

করোনা পরীক্ষা করা হলো নারী ক্রিকেটারদের

ইসরাইলের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছে এই ক্ষেপণাস্ত্র

- ইমাম তিরমিজি ও বাইহাকি হজরত আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, যে ব্যক্তি রাতে সুরা দুখান তেলাওয়াত করবে, সত্তর হাজার ফেরেশতা সকাল পর্যন্ত তার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকবে।

- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি সন্ধ্যা বেলায় সুরা দুখান, সুরা গাফের ও আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করবে, সকাল পর্যন্ত তাঁর হেফাজত করা হবে এবং সে কোনো প্রকার মন্দ কিছু দেখবে না।

news24bd.tv / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা নাসের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

সূরা আন-নাস (আরবি: سورة الناس‎‎; মানবজাতি)। আল-কুরআনের ১১৪ নম্বর এবং সর্বশেষ সূরা।

এর আয়াত, অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৬ এবং রূকু, তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আন-নাস মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। যদিও কোন কোন বর্ণনায় একে মক্কায় অবতীর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এর প্রতিটি আয়াতের মাধ্যমে প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনষ্টিতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।

অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ:

بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِیْمِ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্ল­াহর নামে (শুরু করছি)

قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ

কুল আউযু বিরাব্বিন নাস

বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,

مَلِكِ النَّاسِ

মালিকিন্ নাস

মানুষের অধিপতির।

إِلَهِ النَّاسِ

ইলাহিন্ নাস

মানুষের মা’বুদের।

مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ

মিন্ শররিল ওয়াস্ ওয়াসিল খান্নাস

তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ

আল্লাযী ইউওযাসবিসু ফী ছুদুরিন্নাস

যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে।

مِنَ الْجِنَّةِ وَ النَّاسِ

মিনা জিন্নাতি ওয়ান্নাস

জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যাদের দোয়া সব সময় কবুল হয়

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহ তাআলা পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন। এ জন্য অনেক ইসলামিক স্কলার সব সময় পবিত্রতা অর্জনকারী ব্যক্তিদের মুসতাজেবুদ দাওয়াহ মনে করেন। কোনো ব্যক্তি যখন সমস্যাগ্রস্ত হয়ে ওজুর মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে আল্লাহর কাছে একান্ত মনে প্রার্থনা করেন, তবে আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির দোয়া কবুল করে নেন। তবে এ ছাড়াও এমন ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের দোয়া আল্লাহ সব সময় কবুল করেন। 

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা পবিত্র, তিনি পবিত্র বস্তু ছাড়া গ্রহণ করেন না। আর নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুলগণকে যা করার আদেশ করেছেন ঈমানদারগণকেও সে কাজই করার আদেশ করেছেন।’ অতঃপর আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসুলগণ! তোমরা পবিত্র বস্তু (হালাল) হতে ভক্ষণ করো, এবং নেক কাজ (আমলে সালিহ) করো।’ (আল্লাহ তাআলা) আরো বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদেরকে আমি যেসব পবিত্র বস্তু রিজিক হিসেবে দিয়েছি, তা থেকে আহার করো।’

অতঃপর তিনি এমন এক ব্যক্তির উল্লেখ করলেন, যে দূরদূরান্ত পর্যন্ত দীর্ঘ সফর করে। ফলে তার চুলগুলো এলোমেলো ও ধূলি-ধূসরিত রুক্ষ হয়ে পড়েছে। সে আসমানের দিকে হাত উত্তোলন করে বলছে, ‘হে আমার প্রতিপালক! হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পরিধেয় বস্ত্র হারাম এবং আহার্য হারাম। এ অবস্থায় তিনি কেমন করে তার দোয়া কবুল করতে পারেন?’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২৩৯৩)


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

আলোচ্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) আল্লাহর কাছে মানুষের ইবাদত ও দোয়া কবুল হওয়ার জন্য পবিত্র দেহ ও আত্মার কেন প্রয়োজন, সেদিকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যেহেতু মহান আল্লাহ পবিত্র সত্তার অধিকারী, তাই তিনি হালাল বস্তু ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করেন না। পবিত্র কোরআনেও এদিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, ‘তাঁরই দিকে ঊর্ধ্বারোহণ করে (দরবারে গৃহীত হয়) পবিত্র বাণীসমূহ ও নেক আমল তাকে উন্নীত করে।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ১০)

আমল কিভাবে পবিত্র হয়?
যে আমল ইখলাসের সঙ্গে আল্লাহ তাআলার জন্য; এবং তা হালাল খেয়ে ও হারাম খাওয়া ছেড়ে দিয়ে করা হয় তা পবিত্র। হালাল খাবার, বৈধ উপার্জন ও পবিত্র জীবন মুমিনের জন্য অপরিহার্য। এ ছাড়া তার জীবনের কোনো আমল আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য হবে না। এ জন্য পবিত্র কোরআনে বারবার হালাল আহার, অবৈধ উপার্জন ত্যাগ ও জীবনে পূত-পবিত্রতা অর্জনের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি তোমাদেরকে যে পবিত্র বস্তু রিজিক হিসেবে প্রদান করেছি তা হতে আহার করো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ৫৭)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘আমি তোমাদেরকে যে পবিত্র বস্তু রিজিক হিসেবে দিয়েছি, তা হতে আহার করো এবং তাতে সীমা লঙ্ঘন কোরো না।’ (সুরা : ত্বহা, আয়াত : ৮১)

হারাম খাওয়া দোয়া কবুলের অন্তরায়
আল্লাহ দোয়া কবুল করেন না—এমন অভিযোগ রয়েছে অনেকের। আলোচ্য হাদিসে এসব অভিযোগের উত্তর রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, হারাম খাবার, পানীয় ও বস্ত্র অর্থাৎ হারাম উপার্জনে যাপিত জীবন দোয়া কবুলের অন্তরায়। যে ব্যক্তি হারাম পরিহার করতে পারে না, তার দোয়া কবুল হওয়ার আশা করা যায় না। বিপরীতে যার জীবিকা পবিত্র, তার দোয়া কবুল হওয়ার কথা জানিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) সাদ (রা.)-কে বলেন, ‘হে সাদ! তোমার খাদ্য পবিত্র করো, তাহলে মুস্তাজাবুদ দাওয়াত (যার দোয়া কবুল হয়) হতে পারবে।’ (আল মুজামুল আওসাত, হাদিস : ৬৪৯৫)

যাদের দোয়া কবুল হয়
হাদিসে এসেছে, তিন ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়। তারা হলো, অত্যাচার ও অবিচারের শিকার ব্যক্তি, মুসাফির ও সন্তানের জন্য বাবা-মায়ের দোয়া। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১৯০৫) এ ছাড়া হাদিসে অসুস্থ ব্যক্তি, এক মুসলিম ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে অপর মুসলিম ভাইয়ের দোয়াসহ একাধিক ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় বলে জানানো হয়েছে।

তবে দোয়া কবুলের জন্য কিছু আদব রয়েছে। যা রক্ষা করা প্রয়োজন। যেমন—বিনীত হয়ে দোয়া করা, পূর্ণ মনোযোগ থাকা, আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আশা ও আস্থা রাখা, কান্না করা, হাত তুলে দোয়া করা, দোয়া কবুলের সময়গুলো অনুসরণ করা ইত্যাদি।

বিশেষ সতর্কতা
কোনো সন্তানেরই উচিত নয়, বাবা-মার সঙ্গে খারাপ আচরণ করা। কেননা বাবা-মা সন্তানের জন্য জান্নাত ও জাহান্নাম। সন্তান যদি বাবা-মার বাধ্য হয় তবে জান্নাত সুনিশ্চিত। আর যদি অবাধ্য হয় তবে জাহান্নাম সুনিশ্চিত।

আবার কোনো ব্যক্তির সঙ্গে জুলুম করা হলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে আল্লাহর সঙ্গে পর্দা থাকে না। সে যে দোয়া করে আল্লাহ তাআলা তা কবুল করে নেন। সুতরাং কারো প্রতি জুলুম করা মারাত্মক অপরাধ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের নির্দেশনাগুলো মেনে চলার তাওফিক দান করুন। হাদিসগুলোর ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

একজন অন্যজনের বিপদে এগিয়ে আসা, পাশে দাঁড়ানো, সহমর্মী হওয়া, শুধু নিজের সুখের জন্য ব্যস্ত না হয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে চেষ্টা করাই মনুষ্যত্ব। পরোপকার মানবজাতির শ্রেষ্ঠত্বের অলংকার। 

মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানবজাতির কল্যাণের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা ভালো কাজের নির্দেশ দেবে এবং মন্দ কাজে বাধা দেবে।’ (সুরা-৩ আলে-ইমরান, আয়াত: ১১০)। এ বিষয়ে বিশ্বনবী (সা.) বলেন, ‘তোমরা জগদ্বাসীর প্রতি সদয় হও, তাহলে আসমানের মালিক আল্লাহ তাআলা তোমাদের প্রতি সদয় হবেন।’ (তিরমিজি: ১৮৪৭)।

মানুষের সদ্‌গুণাবলির অন্যতম হচ্ছে পরোপকার। একে অপরের সহযোগিতা ছাড়া জীবন যাপন করা কঠিন। যখন কোনো সমাজে একে অপরের প্রতি সহযোগিতা হ্রাস পায়, সে সমাজের মানুষ সব দিক দিয়েই পিছিয়ে পড়ে। সে সমাজে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়, শান্তি বিলুপ্ত হয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা তিরোহিত হয়।

ইসলাম সহানুভূতির ধর্ম। পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতা ইসলামের অন্যতম বিষয়। রাসুলে কারিম (সা.) বলেছেন, সমগ্র সৃষ্টি আল্লাহর পরিবার। তাই পরোপকারের চেতনায় কোনো শ্রেণিভেদ নেই। বড়-ছোট, ধনী-গরিব, আত্মীয়-অনাত্মীয়, স্বজাতি-বিজাতি, মুসলিম-অমুসলিম এসব ব্যবধানের ঊর্ধ্বে উঠে ইসলামের শান্তি ও সৌহার্দ্যের সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথা বলে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মুমিন মিলেমিশে থাকে। তার মধ্যে ভালো কিছু নেই, যে মিলেমিশে থাকতে পারে না। যে ব্যক্তি মানুষের বেশি উপকার করে, সে-ই শ্রেষ্ঠ মানুষ।’ (আল-মুজামুল আওসাত: ৫৭৮৭)।

পরোপকারী হতে হলে অনেক ধনসম্পদের মালিক হতে হবে এমন নয়। প্রত্যেক মানুষই তার নিজ নিজ অবস্থানে থেকে পরোপকারী হতে পারে। পরোপকার নির্দিষ্ট সীমারেখায় আবদ্ধ নয়; ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় এবং ধর্মীয় ক্ষেত্রে এবং শারীরিক, আর্থিক ও মানসিক কর্মকাণ্ডে এর পরিধি পরিব্যাপ্ত ও বিস্তৃত।

পরোপকার মানুষকে মর্যাদার আসনে সমাসীন করে। পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব মনীষী স্মরণীয়–বরণীয় হয়ে আছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই ছিলেন পরহিতৈষী। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রথম ওহিপ্রাপ্তির পর ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে খাদিজা (রা.)-কে বললেন, ‘আমাকে কম্বল দিয়ে জড়িয়ে দাও, আমি আমার জীবনের আশঙ্কা করছি।’ তখন খাদিজা (রা.) নবীজি (সা.)-কে অভয় দিয়ে বলেছিলেন, ‘আল্লাহ কখনোই আপনার অমঙ্গল করবেন না। কারণ, আপনি আল্লাহর সৃষ্টির সেবা করেন, গরিব-দুঃখীর জন্য কাজ করেন, অসহায়-এতিমের ভার বহন করেন, 
তাদের কল্যাণের জন্য নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।’ (বুখারি: ৪৫৭)।

পরোপকারে নিজেরও কল্যাণ সাধিত হয়। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘অবশ্যই দান-সদকা মানুষের হায়াত বৃদ্ধি করে। অপমৃত্যু থেকে বাঁচায় এবং অহমিকা দূর করে।’ (আল-মুজামুল কাবীর: ১৩৫০৮)।

অনাথ-অসহায় ও অনাহারির কষ্টে সমব্যথী হতে আল্লাহ তাআলা রমজান মাসে রোজা ফরজ করেছেন। নিঃস্ব ও অভাবীর অভাব মোচনে জাকাত ফরজ ও সাদাকুল ফিতর ওয়াজিব করেছেন। দান-সদকা ও অন্যের জন্য খরচে উদ্বুদ্ধ করে অনেক আয়াত নাজিল করেছেন। আল–কোরআনে রয়েছে, ‘কে আছে যে আল্লাহকে কর্জে হাসানা উত্তম ঋণ দেবে, তাহলে তিনি তার জন্য একে বর্ধিত করে দেবেন এবং তার জন্য সম্মানজনক প্রতিদানও রয়েছে।’ (সুরা-৫৭ হাদিদ, আয়াত: ১১)।

কোরআন কারিমে রয়েছে, ‘আল্লাহ মুমিনদের কাছ থেকে তাদের জীবন ও তাদের সম্পদ খরিদ করে নিয়েছেন, তাদের জন্য জান্নাত আছে, এর বিনিময়ে।’ (সুরা-৯ তাওবা, আয়াত: ১১১)। ‘নিশ্চয়ই দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, যে ক্ষেত্রে তারা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দান করে তাদের প্রতিদান বর্ধিত করা হবে এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক প্রতিদান।’ (সুরা-৫৭ হাদিদ, আয়াত: ১৮)।

প্রিয় নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়াবি সমস্যাগুলোর একটি সমাধান করে দেয়, আল্লাহ তাআলা তার আখিরাতের সংকটগুলোর একটি মোচন করবেন। যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্তের অভাব মোচনে সাহায্য করবে, আল্লাহ তাআলাও তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দ্য দান করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ-গুণ গোপন করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ গোপন করবেন। আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন, যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে।’ (মুসলিম: ২৬৯৯)।

------------------------------------------------------------

সন্তান লাভের জন্য যে দোয়া পড়বেন!

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়

যারা আল্লাহর দেয়া আদেশ পালন করেন, নিষিদ্ধ কাজগুলো বর্জন করেন আর সব সময় আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে সক্ষম হন; তারাই মহান রাব্বুল আলামিনের প্রিয় বান্দা।

হ্যাঁ, রাসুলে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও হাদিসের বর্ণনায় এ তিন শ্রেণির লোকের বর্ণনা ও তার কাজ সম্পর্কে সুস্পষ্ট বক্তব্য তুলে ধরেছেন। 

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘হে আলি! আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় কাজ তিনটি। তাহলো-

* যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলা কর্তৃক তার ওপর ফরজকৃত কাজগুলো পালন করে; সে হলো সবচেয়ে বড় আবেদ।
* আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নিষেধকৃত কাজগুলো থেকে বিরত থাকে; সে হলো সবচেয়ে সংযমী।
*  আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তার জন্য যে জীবিকা নির্ধারিত করেছেন, তাতেই তুষ্ট থাকে; সে হলো সবচেয়ে বড় সামর্থ্যবান (কৃতজ্ঞ)।

হাদিসে উল্লেখিত তিনটি কাজ পালন করা মহান আল্লাহর নির্দেশ। আর যারা এ নির্দেশ পালন করেন তারা মহান আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয়। এ কারণেই তাদের আবেদ, সংযমী ও সামথ্যবান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে এ ৩টি বিষয় নিয়ে একাধিক আয়াত নাজিল করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘রাসুল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা থেকে নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।’ (সুরা হাশর : আয়াত ৭)

আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে একাধিক আয়াতে তার শুকরিয়া ও তাকে স্মরণ করার কথা বলেছেন। বিনিময়ে তিনি বান্দার প্রতি তার নেয়ামত দান করবেন। বান্দাকে স্মরণ করবেন মর্মে আয়াত নাজিল করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

 ‘সুতরাং তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদের স্মরণ রাখবো এবং আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর; অকৃতজ্ঞ হয়ো না।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ১৫২)
 ‘তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদতে অহংকার করে তারাই সত্বর জাহান্নামে দাখিল হবে লাঞ্ছিত হয়ে।’ (সুরা মুমিন : আয়াত ৬০)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে তার ফরজ করা বিষয়গুলো মেনে নেয়া যেমন জরুরি তেমনি তার নিষেধ করা কাজগুলো থেকে বিরত থাকাও একান্ত আবশ্যক। পাশাপাশি সব সময় মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের বিকল্প নেই। তিনিই তো বান্দার একমাত্র আশা-ভরসার স্থল।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব ফরজ বিধি-নিষেধ এবং সব কাজে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করার তাওফিক দিন। উল্লেখিত কুরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়ার তাওফিক দিন। আমিন।

------------------------------------------------------------

সন্তান লাভের জন্য যে দোয়া পড়বেন!

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নামাজে মনোযোগ বাড়ানোর উপায়

অনলাইন ডেস্ক

নামাজে মনোযোগ বাড়ানোর উপায়

অধিকাংশ সময় আমরা নামাজে পুরোপুরি মনোযোগ রাখতে পারি না। কিন্তু ঈমানের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো নামাজ। নামাজ মুমিনের পরিচয় ও বৈশিষ্ট্যের প্রতীক। মহান আল্লাহর প্রিয়পাত্র ও নৈকট্যশীল হওয়ার প্রধান মাধ্যম।  ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ এই ইবাদতটি সঠিকভাবে আদায় করলে মানুষের সীমাহীন দৈহিক ও আত্মিক প্রশান্তি লাভ হয়। জাগ্রত হয় প্রভু ও দাসের মাঝে নিবিড় বন্ধনের সুখানুভূতি। যেটা প্রতিটি মানুষের চিরকামনায় বিষয়। 

পবিত্র কোরআন ও হাদিসে নামাজ আদায়ের আদেশ, আদেশ উপেক্ষার ভয়াবহ শাস্তি এবং নামাজ আদায়ের বিনিময়ে অপরিসীম সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে। আফসোসের বিষয় হলো, সারা পৃথিবীর মুসলিম জনগোষ্ঠীর মুষ্টিমেয় কিছু খোদাভীরু বান্দা ব্যতীত অনেক মানুষের এই অতিগুরুত্বপূর্ণ ইবাদতটির প্রতি অমনোযোগিতা স্পষ্ট, গাফেল আচরণ দৃশ্যমান। অথচ স্বাভাবিক বিবেক বুদ্ধির সঠিক দাবি হলো, নামাজের প্রতিই বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত বক্তব্যের ভেতরে নামাজে আগ্রহী হওয়ার পন্থা ও পদ্ধতির কথা ফুটে উঠেছে যথাযথভাবে।

আল্লাহর ভয়, বড়ত্ব ও সীমাহীন শক্তির কথা স্মরণ করা নামাজে আগ্রহী হওয়ার প্রধানতম মাধ্যম। কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘এবং ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য লাভ কর। সালাতকে অবশ্যই কঠিন মনে হয়। কিন্তু তাদের পক্ষে (কঠিন) নয়, যারা খুশু (অর্থাৎ ধ্যান ও বিনয়)-এর সঙ্গে পড়ে। যারা এ বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখে যে, তারা তাদের প্রতিপালকের সঙ্গে মিলিত হবে এবং তাদেরকে তারই কাছে ফিরে যেতে হবে।’ (সুরা বাকারা : ৪৫-৪৬) আয়াতে উল্লিখিত ‘খুশু’ শব্দ দ্বারা অক্ষমতা ও অপারগতাজনিত সেই মানসিক অবস্থা বোঝানো হয়েছে, যা আল্লাহ তায়ালার মহত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব এবং তার সামনে নিজের ক্ষুদ্রতা ও দীনতার অনুভ‚তি থেকে সৃষ্টি হয়। এর ফলে ইবাদত উপাসনা সহজতর হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী, তিনি মর্মন্তুদ শাস্তি দেওয়ার পূর্ণ অধিকার রাখেন, জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের হিসেব তার কাছে অবশ্যই দিতে হবে, এসব বিষয় স্থিরচিত্তে স্মরণ করলে নামাজে মনোযোগী হওয়া সহজ হবে।

যথাসময়ে নামাজ আদায়ের যেসব মহাপ্রতিদানের কথা বর্ণিত হয়েছে, সেগুলো অনুধাবন করা ও উপলব্ধি করার চেষ্টা করা নামাজে আগ্রহী হওয়ার আরেকটি পদ্ধতি। ইবনে মাসউদ (রা.) নবী করিমকে (সা.) জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! সর্বোত্তম ইবাদত কোনটি? 


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


 

নবী করিম (সা.) বললেন, ঈমানের পর সবচে’ উত্তম ইবাদত হলো সঠিক সময়ে নামাজ আদায় করা।’ (বুখারি : ৭৫৩৪)।

অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহাবাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, মনে করো তোমাদের কারো বাড়ির সম্মুখে একটি নদী আছে এবং সে প্রতিদিন পাঁচবার ওই নদীতে গোসল করে, তার শরীরে কি কোনো ময়লা থাকতে পারে? 

সাহাবাগণ উত্তর দিলেন, না, তার শরীরে কোনো ময়লা থাকতে পারে না। নবী করিম (সা.) বললেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজও অনুরূপ, আল্লাহ তায়ালা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিনিময়ে বান্দার সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেন।’ (মুসলিম : ৬৬৭)

আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ তার মধ্যবর্তী সময়ের, এক রমজান থেকে আরেক রমজান তার মধ্যবর্তী সময়ের, এক জুমা থেকে আরেক জুমা তার মধ্যবর্তী সময়ের সমস্ত গোনাহ ধ্বংস করে দেয়। যদি বান্দা কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে।’ (মুসলিম : ২৩৩)। 

ইবনে উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি যথাসময়ে যথা নিয়মে নামাজ আদায় করবে, ওই নামাজ তার জন্য কেয়ামতের দিন আলো, প্রমাণ ও নাজাতের মাধ্যম হবে। আর যে ব্যক্তি সঠিকভাবে নামাজ আদায় করবে না, তার জন্য তার নামাজ কেয়ামতের দিন নূর, দলিল ও নাজাতের মাধ্যম হবে না। কেয়ামতের দিন সে কারুন, ফিরআউন, হামান ও উবাই ইবনে খালফের সঙ্গে থাকবে।’ (মুসনাদে আহমদ : ৬৫৭৫)

উপর্যুক্ত হাদিসগুলোতে নামাজি ব্যক্তির প্রতি সুসংবাদ ও সওয়াবের কথা ঘোষিত হয়েছে। প্রতিদানের কথায় মানুষ উৎসাহিত হয়। সংশ্লিষ্ট কাজের প্রতি মনোযোগী ও আগ্রহী হয়ে ওঠে। উল্লিখিত হাদিস ব্যতীত আরও অসংখ্য হাদিসে নামাজের প্রতিদান স্বরূপ জান্নাতে প্রবেশ, গুনাহ মাফ, জাহান্নাম থেকে মুক্তি, সফলতা অর্জন ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে।

নামাজের প্রতি অমনোযোগী ব্যক্তির জন্য যেসব হুঁশিয়ারি ও ধমকি উচ্চারিত হয়েছে, সে সব কথা হৃদয়ে ধারণ করা, জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি ও আজাবের কথা স্মরণ করা, নামাজে আগ্রহী হওয়ার আরেকটি পন্থা। কোরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘তারা জিজ্ঞাসাবাদ করবে অপরাধীদের সম্পর্কে যেকোনো জিনিস তোমাদেরকে জাহান্নামে দাখিল করেছে? তারা বলবে, আমরা নামাজিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না।’ (সুরা মুদ্দাসসির : ৪১-৪৩)

অন্য আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘তারপর তাদের স্থলাভিষিক্ত হলো এমন লোক, যারা নামাজ নষ্ট করল এবং ইন্দ্রিয় চাহিদার অনুগামী হলো। সুতরাং তারা অচিরেই তাদের ‘গাইয়ার’ (পথভ্রষ্টতার) সাক্ষাৎ পাবে।’ (সুরা মারয়াম : ৫৯)। আয়াতে উল্লিখিত ‘গাইয়া’ শব্দের তাফসিরে ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, সেটা হলো জাহান্নামের একটি গর্ত, যার উত্তাপ অত্যন্ত বেশি, যদ্দরুন জাহান্নামের অন্যান্য গর্ত আল্লাহ তায়ালা কাছে তার থেকে পানাহ চায়। ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, ‘গাইয়া’ জাহান্নামের একটি গর্ত, এতে সমগ্র জাহান্নামের চাইতে অধিক আজাবের সমাবশে রয়েছে।

আব্দুল্লাহ ইবনে বুরাইদা নিজ পিতা সূত্রে বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুসলমান ও অন্যদের মাঝে মূল পার্থক্য হলো নামাজ। যে ব্যক্তি নামাজ পরিত্যাগ করবে সে কাফের হয়ে যাবে।’ (তিরমিজি : ২৬২১)

সম্ভব হলে নামাজের মধ্যে এমন পূর্ণাঙ্গ অনুভব ও ধ্যান রাখুন, আপনি যেনো মহাল আল্লাহকে দেখছেন, তার সামনে নতজানু হয়ে দাঁড়িয়েছেন। এ রূপ চিন্তা বা অনুভব করতে না পারলে অন্তত এতটুকু ভাবুন যে, তিনি আপনার প্রতিটি কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছেন। তার কাছে আপনাকে জবাবদিহি করতে হবে। (ইবাদতে এমন ভাব আনার কথা হাদিসে উল্লেখ হয়েছে।

উপর্যুক্ত হাদিসসমূহে বর্ণিত আল্লাহর বড়ত্ব, নামাজ আদায় করার ফজিলত ও নামাজ আদায় না করার ভয়ঙ্কর শাস্তির কথা গভীরভাবে ভাবলে, আলোচনা করলে প্রতিটি ব্যক্তির নামাজ আদায়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে। আশা করা যায়, কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাবে। আল্লাহ কবুল করুন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর