ভ্রূণ ভাস্কর্য সিরিজ: ‘অলৌকিক অভিযাত্রা’

হারুন আল নাসিফ

ভ্রূণ ভাস্কর্য সিরিজ: ‘অলৌকিক অভিযাত্রা’

মানুষের জীবন বলতে সাধারণত জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সময়কেই বোঝায়। কিন্তু জন্মের আগেই তাকে সমাপ্ত করে আসতে হয় এক সুদীর্ঘ অভিযাত্রা। জনকের শুক্রাণু ও জননীর ডিম্বাণুর মিলনের মাহেন্দ্রক্ষণে শুরু হয়ে নিষেকের মাধ্যমে প্রথমে জাইগোট, এরপরে ভ্রূণ এবং ধাপে ধাপে বিকশিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ মানবশিশুতে পরিণত হওয়ার দীর্ঘ পথপরিক্রমা।

জ্ঞাতসারে কিন্তু অগোচরে, মাতৃজঠরের বদ্ধকুঠুরীতে চলতে থাকে এ অলৌকিক অভিযাত্রা। পরিশেষে কোনো এক শুভক্ষণে জন্ম-দরোজা ভেদ করে ধরণী মায়ের কোলে অভিষেক ঘটে আলোক-অভিসারী নতুন অতিথির। শুরু হয় নতুন অভিযাত্রা। চরাচরে চরৈবেতি...


আরও পড়ুন: লক্ষাধিক টাকার কাজ ১১ হাজার টাকায় করেন অপু!

শ্রীলেখার বর্ষবরণ যেভাবে

চোখের জলে ‘মিডিয়া’ থেকে দীপিকার বিদায়!


অজানাকে জানার কৌতুহল মানুষের সহজাত। তাই স্বভাবতই সৃষ্টির শুরু থেকেই জন্মের আগের সময় নিয়েও তার জিজ্ঞাসা ছিলো অন্তহীন। কিন্তু মাতৃগর্ভের গোপন কন্দরের খবর জানা তার পক্ষে সম্ভব ছিলো না। সেটা তার কাছে ছিলো এক দুর্ভেদ্য রহস্যপুরি। যেখানে রহস্য, সেখানে সৃষ্টি হয় নানা জল্পনা-কল্পনার। এর ফলে তৈরি হয় বিবিধ সংস্কার-কুসংস্কার। জন্ম-পূর্ব সময় নিয়ে কৌতুহল মেটাতে মানুষ এসব সংস্কার-কুসংস্কারের বেড়াজালেই আচ্ছন্ন থেকেছে বিগত শতাব্দীর গোড়ার দিক অব্দি। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি মানুষের জন্মরহস্য উদঘাটন করতে সমর্থ হয়। শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিষেক থেকে ভ্রূণের গঠন ও বিকাশের প্রতিটি স্তর পরতে পরতে মেলে ধরে তার চোখের সামনে।

এক সময় যে বিষয়ে বিন্দু-বিসর্গও জানা ছিলো না, কালক্রমে তা হয়ে উঠেছে একটি পূর্ণাঙ্গ শাস্ত্র: ভ্রূণতত্ত্ব বা এমব্রিওলজি। যদিও এ সংক্রান্ত পূর্ণ জ্ঞান এখনো বিশেষজ্ঞদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সাধারণ মানুষ জানে যৎসামান্য। কুসংস্কারের অন্ধকার ও অভিশাপ এখনো পুরোটা কাটেনি। তবে অনেকে একটু বিশদ জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তেমন একজন হলেন ইংল্যান্ডের বর্তমান সময়ের শীর্ষস্থানীয় শিল্পী ড্যামিয়েন হার্স্ট। নিজের প্রথম সন্তানের জন্মের পর প্রাক-জন্ম সময় বা ভ্রূণের বিকাশ সম্পর্কে তার আগ্রহ ও আকর্ষণ বেড়ে যায়। এ নিয়ে তিনি বেশ কিছু ড্রয়িং করেন। 

কাতারের সাবেক আমির হামাদ বিন খলিফা আল-সানির মেয়ে ও বর্তমান আমির তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল-সানির বোন শেইখা আল-মায়াস্সা ইংল্যান্ডের গ্লুচেস্টারশায়ারে শিল্পী হার্স্টের স্টুডিও পরিদর্শনে গেলে তিনি শেইখাকে ড্রয়িংগুলো দেখান এবং শেইখার কাছে ড্রয়িংগুলোকে বৃহদাকার সিরিজ ভাস্কর্যে রূপ দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। শেইখা আল-মায়াস্সা তার দেশের  রাজধানী দোহায় মা ও শিশুদের জন্য নিবেদিত আট শ’ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মাণাধীন হাসপাতাল সিদরা মেডিকেল এন্ড রিসার্চ সেন্টারের সামনে প্রস্তাবিত ভাস্কর্য সিরিজটি স্থাপনের পরিকল্পনা করেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী হার্স্ট ১৪টি ব্রোঞ্জ ভাস্কর্যের একটি সিরিজ তৈরি করেন। এর নাম দেওয়া হয়, ‘দ্য মিরাকিউলাস জার্নি’ বা ‘অলৌকিক অভিযাত্রা’। দুই কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে স্থাপিত এ ভাস্কর্য সিরিজে শুক্রাণু তথা গর্ভধারণ থেকে শুরু করে মাতৃগর্ভে একটি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ ধারাবাহিকভাবে ১৪টি ধাপে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শুধু ভ্রূণই নয় সাথে এর আধার মাতৃজরায়ুও রয়েছে ভাস্কর্যের অংশ হিসেবে। ভাস্কর্যগুলোর উচ্চতা ৫ থেকে ১১ মিটার এবং মোট ওজন ২১৬ টন। ১৪তম ভাস্কর্যটি ৪৬ ফুট উঁচু একটি ছেলে শিশুর। ভাস্কর্য সিরিজটি মূলত ২০১৩ সালে স্থাপন করা হয়। তবে হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় ২০১৮ সালের নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিটি ভাস্কর্য এক-একটি বেলুন দিয়ে ঢেকে রাখা হতো, যা ধীরে ধীরে খুলে গিয়ে পুরো ভাস্কর্যটি উন্মোচন করে দেখাতো।

ভাস্কর্য সিরিজটি স্থাপনের পর পাঁচ বছর পর্যন্ত বেলুন আবৃত করে রাখার কারণ হিসেবে কর্তৃপক্ষের তরফে হাসপাতালের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়াকে দেখানো হলেও অনেকে মনে করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিরূপ সমালোচনার পরে তারা ভাস্কর্য সিরিজটিকে আপাতত জনসাধারণের দৃষ্টির অন্তরালে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

নেতিবাচক সমালোচনার একটি বড় কারণ ছিল এটি ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম নগ্ন ভাস্কর্য’। যদিও নগ্ন ভাস্কর্যটি একটি নবজাতকের। তবু সংস্কৃতিগত পার্থক্যের কারণে অর্থাৎ মুসলিম-অধ্যুষিত দেশ হওয়ায় এ নিয়ে বিতর্ক হওয়া ছিলো স্বাভাবিক। কেননা দেশটি ইউরোপ-আমেরিকার নয়, মধ্যপ্রাচ্যের। তাই শাসক-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে এটি ছিলো একটি অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপ। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিলো স্বচ্ছ এবং অবস্থান ছিলো শক্ত ও অনড়। তারা দৃঢ়তার সঙ্গে বিশ্বাস করেছেন, এ ভাস্কর্য সিরিজটিতে নারী ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সিদরা মেডিকেল এন্ড রিসার্চ সেন্টারের মিশন প্রতিফলিত হয়েছে। অতএব, এটি এ ভাস্কর্য সিরিজ স্থাপনের উপযুক্ত ও যথাযথ স্থান।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে

অনলাইন ডেস্ক

গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে

পানির অপর নাম জীবন। পানি আমাদের জীবন রক্ষা করে। বিশেষ করে উদ্ভিদের অনেক পানির প্রয়োজন হয়। সে কারণে হামবুর্গের বোট্যানিকাল গার্ডেনে পানির বিশাল চাহিদা রয়েছে। সেখানে কর্মরত জীববিজ্ঞানীরা পানির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। যেমন কার্স্টেন শিরারেন্ড। তিনি বলেন, ‘‘পানি এমন এক সর্বব্যাপী পদার্থ, যা প্রাণী ও উদ্ভিদের মূল উপাদান। পানি ছাড়া আমরা কেউ বেশিদিন বাঁচতে পারি না।

মায়ের গর্ভে পানির মধ্যেই আমাদের জীবন শুরু হয়। জীববিদ্যার ক্ষেত্রে পানিই সর্বব্যাপী দ্রাবক ও এজেন্ট। শরীর ও কোষ সর্বত্রই পানি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।’’

শুনতে সাধারণ মনে হলেও পানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো সেটি সর্বব্যাপী সলভেন্ট বা দ্রাবক। শুধু ময়লা নয়, পানি উদ্ভিদের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিও দ্রবিভূত করে। যেমন অনেক গাছ বেশ কয়েক মিটার উপরে শাখাপ্রশাখা ও পাতায় মূল্যবান পানি পাঠাতে পারে। তার জন্য কোনো পাম্পের প্রয়োজন হয় না। পানির দুটি বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে সেটা সম্ভব হয়।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে থাকে নানা ধরনের ফার্নিচার, পর্দা, জুতো, বিভিন্ন উপাদানের তৈরি পোশাক ইত্যাদি। আরও থাকে কেমিকেলযুক্ত বিভিন্ন জিনিসপত্র। সেইসাথে বাইরের দূষিত বাতাসতো আছেই। সেসবের প্রভাব পড়ে শরীরে। দেখা দেয় অ্যালার্জি, মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা স্নায়ুরোগের মতো নানান সমস্যা।

প্রথমত পানির একটা আঠালো গুণ রয়েছে। মসৃণ পৃষ্ঠে পানি আটকে থাকে। টেস্ট টিউবের দেয়াল বেয়ে সেটি কিছুটা উপরে উঠে যায়। মাঝের অংশের তুলনায় ধারের পানির স্তর কিছুটা উঁচু হয়। পানির দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো কোহেশন, অর্থাৎ পানির অণুগুলির মধ্যে সংযোগ।

সে কারণে দুই সেন্টের ছোট কয়েন বা পয়সার উপর প্রায় ৩০টি পানির বিন্দু অনায়াসে ধরে যায়। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি জয় করে পানি তখন ধার উপচে কিছুটা বেরিয়ে থাকে।

তাই গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করতে পারে। গাঠ উপরের দিকে সহজেই পানি তুলতে পারে। কিন্তু আমরা যে কোন জিনিস উপরে তুলতে গেলে মধ্যাকর্ষণের বাধার সম্মুখীন হই। বাধাহীন ভাবে গাছই উপরে পানি তুলতে পারে।  

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলে চলছে নাসার রোভার, দেখা যাচ্ছে চাকার দাগ

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলে চলছে নাসার রোভার, দেখা যাচ্ছে চাকার দাগ

সফলভাবে অবতরণের পর মঙ্গলগ্রহে নাসার রোভার পারসিভারেন্স সফলভাবে টেস্ট ড্রাইভও সম্পন্ন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস এজেন্সী নাসা। গতকাল শুক্রবার (৫ মার্চ, ২০২১) নাসা এই তথ্য জানায়।

ছয় চাকার এই রোভারটি গত বৃহস্পতিবার মঙ্গলের বুকে ৩৩ মিনিটে ৬.৫ মিটার (২১.৩ মিটার) ভ্রমণ করেছে। এটি চার মিটার সামনে যেয়ে বাম দিকে ১৫০ ডিগ্রি ঘুরে আবার ২.৫ মিটার পিছনে আসে। এসময় এর ক্যামেরায় এটি চলার ফলে এটির চাকার যে দাগ দৃশ্যমান হয় তা ফুটে ওঠে।

ক্যালিফোর্নিয়ার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি থেকে নাসার ইঞ্জিনিয়ার আনাইস জারিফিয়ান বলেন, “এটা আমাদের জন্য যানটি চালানোর প্রথম সুযোগ ছিলো। এটি চমৎকারভাবে সফল হয়েছে এবং এটি এই মিশনের জন্য অনেক বড় একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।“

তিনি আরও বলেন, “এটি কেবলমাত্র শুরু ছিলো। আমরা এর পরে আরও বড় দূরত্ব পাড়ি দেবো।“

নাসার ইঞ্জিনিয়াররা মঙ্গলের বুকে চলার জন্য রোভারটির সাথে আরো দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তাছাড়া সব ঠিকঠাক থাকলে পরের দুইদিনও এটি চালানোর পরিকল্পনা আছে তাদের।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


উল্লেখ্য, রোভারটি মঙ্গল গ্রহের দিনের সময়ে প্রতিদিন ২০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম। মঙ্গল গ্রহের প্রতিদিন পৃথিবীর দিনের চেয়ে বড়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

অনলাইন ডেস্ক

লবণ প্রাসাদ ‘পামুক্কালে’

তুরস্কে এমন এক প্রাসাদ আছে যাকে বলা হয় “তুলোর প্রাসাদ”। স্থানীয় ভাষায় এর নাম পামুক্কালে।

তুরস্কের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত দেনিজলি রাজ্যে আপনি দেখতে পাবেন এই অদ্ভুত সুন্দর প্রাসাদ। এখানে প্রকৃতি আমাদের জন্যে তার উৎকৃষ্ট একটি সৃষ্টি উপহার দিয়ে গিয়েছে যা দেখতে বছর বছর ভিড় জমতে থাকে।

এই প্রাসাদ আসলেই তুলো দিয়ে সৃষ্টি হয়নি। তবে এর রঙ তুলোর মতো ধবধবে সাদা হওয়ার পেছনে রয়েছে অদ্ভুত সুন্দর কারণ। আপনার মনে হবে বরফের রাজ্যে এসে গেছেন। তবে যেটাকে আপনি বরফ ভাবছেন সেটা হলো সামান্য লবণ।

এখানে রয়েছে খনিজ লবণের প্রাচুর্য। মেন্দেরেস নদী ও আজিয়ান সাগরের সংযোগস্থলে রয়েছে এই বিশাল প্রাসাদ। তবে আবহাওয়া কিন্তু ভারতের মতোই নাতিশীতোষ্ণ।

পাহাড়ি এই উপত্যকায় থাকা খনিজ লবণ আপনার জন্যে প্রাকৃতিক স্পায়ের কাজ করবে। খনিজ লবণগুলি হাওয়ায় জমাট বেঁধে চুনাপাথরের এই শক্ত প্রাসাদ গড়ে উঠেছে। আবার এর সঙ্গে রয়েছে গরম ঝর্ণার প্রাচুর্য।

গরম জলের এই ঝর্ণাগুলি জায়গায় জায়গায় আবার সৃষ্টি করেছে ছোট ছোট জলাশয়ের। সেই উষ্ণ জলে আপনি স্নানও করতে পারবেন আবার তাতে পা ডুবিয়ে তার আরামও উপভোগ করতে পারবেন।


আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এমন অদ্ভুত প্রাকৃতিক বৈচিত্রের জন্যে এখন এই জায়গাটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষিত হয়েছে। ফলে পর্যটন শিল্প বিশাল মাত্রা নিয়েছে এখানে। সেটাকে ভিত্তি করেই নতুন আর্থিক উন্নতির পথ খোলায় সরকারও এর প্রতি এখন যত্নশীল হয়েছে।

এর পাশে আবার গ্রিক-রোমানদের প্রাচীন শহর হিয়েরাপোলিস রয়েছে। তার নিদর্শন স্বরূপ সেখানকার রাস্তা, মন্দির, স্নানাগার সব সুন্দর করে রক্ষনাবেক্ষন করা হয়ে থাকে। এই গোটা শহরটিও আপনি দেখতে পারবেন এয়ার বেলুনে করে ঘুরে ঘুরে।

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

অনলাইন ডেস্ক

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করতে করতে রাতে ঘুম না আসার সঙ্গে অতিরিক্ত স্মার্টফোন ঘাঁটার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু শরীর নয়, প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরেও প্রভাব পড়ে এই অভ্যাসের কারণে। এমনকি অনেক সময় বদলে যেতে পারে পুরনো অভ্যাসও! 

দক্ষিণ ক্যারেলিনার ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুন পিচার জানান, চট করে মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, প্রিয়জনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা, ছোটখাটো সমস্যাতেই প্রতিক্রিয়া দেখানো, এগুলো রাতে ঘুম না হওয়ার ফলেই হয়।

গবেষণা বলছে, অনিদ্রার কারণে শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে আসে। ফলে দাম্পত্য কলহও বাঁধতে পারে এর ফলে। খিটখিটে মেজাজের ফলে বহুদিনের সম্পর্ক ভেঙেও যেতে পারে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এর ফলে আস্তে আস্তে আত্মবিশ্বাসও কমে যেতে পারে। প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরেও। চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল, ফোলা ভাব এর কারণেই হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌন উত্তেজনাও কমে আসে এর ফলে। 

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে আপেল কুলের বাগান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ ও বিষমুক্ত কাস্মেরি আপেল কুলের বাগান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন  করেছেন  ফরিদপুরের তরুণ উদ্দ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। মফিজুর জানান, গেল বছরের মত এ বছরও তার আশানুরুপ কুল উৎপাদন হবে। বর্তমানে বাজারে আপেল কুলের দরও বেশ চড়া। 

এ কারণে এ বছরও ৬০-৭০লাখ টাকার কুল ও দেড় কোটি টাকার কুলের চারা বিক্রির আশা করছেন তিনি। তার এই সফলতা দেখে কুল বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকে।  

ফরিদপুর সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের তরুণ উদ্দ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। গেল বছর ৮বিঘা জমিতে কাস্মেরি আপেল কুলের চারা রোপন করেন তিনি। গাছ লাগানোর ৯ মাসের মাথায় প্রথম কুল ধরতে শুরু করে। তার উৎপাদন খরচ ১১ লাখ টাকা  হলেও প্রথম বছরেই  কুল বিক্রি করে আয় হয় তার প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।  

মফিজুর রহমান জানান, এবছরও তার বাগানে আশানুরুপ কুল উৎপাদন হবে। আবার এই বাগানের গাছ থেকেই কাটিং করে তৈরী করা হচ্ছে নতুন চারা। চলতি মৌসুমে কুল ও চারা বিক্রি করে প্রায় ২ কোটি টাকা আয় হবে এমন আশা করছেন তিনি।  

মফিজুর শুধু নিজে স্বাবলম্বী হননি, তার বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকে মফিজুরের সফলতা দেখে কুল বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন  এ অঞ্চলের শিক্ষিত যুবকরা।


ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিলেন বাবা

পানি পানে আসা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও মাটিচাপা

কালো পোশাকে নতুন এক জয়া

সৌদি যাত্রীর ছোট ব্যাগ থেকে মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ


সংশ্লিষ্ট বলছেন, এ ফলটি লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই এর আবাদ বাড়ছে। কুল চাষ প্রসারের লক্ষ্যে সব ধরণের সহায়তা করা হবে।   

ফরিদপুর জেলায় এ বছর ২৩০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ করা হয়েছে। যা থেকে প্রায় ২হাজার ৭শত মেট্রিক টন কুল উৎপাদিত হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর