৭ ও ১০ জানুয়ারি সারা দেশে বিএন‌পির মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক

৭ ও ১০ জানুয়ারি সারা দেশে বিএন‌পির মানববন্ধন

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, পৌর নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতাসহ কমিশনের সব সদস্যের পদত্যাগ দাবিতে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

কর্মসূচির মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ৭ জানুয়ারি সারা দেশে থানা পর্যায়ে মানববন্ধন এবং ১০ জানুয়ারি সারা দেশে পৌরসভা এবং মহানগরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (৩ জানুয়ারি) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। চালের দাম বেড়েছে, ডালের দাম বেড়েছে, তেলের দাম বেড়েছে, শাখ-সবজির দাম বেড়েছে। এটা এখন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এ কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ৭ জানুয়ারি সারা দেশে থানা পর্যায়ে মানববন্ধন করবে বিএনপি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ-ও মনে করি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। এ দাবিটিও আমাদের কর্মসূচিতে থাকবে।’

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌরসভা নির্বাচনের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পৌর নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের যে ব্যর্থতা, তাদের যে উদাসিনতা, যে দুর্নীতি এবং পুরোপুরিভাবে বলা যেতে পারে একটা পক্ষপাতিত্ব নির্বাচন করার যে উদ্দেশ্য সেগুলোর বিরুদ্ধে আমরা বারবার বক্তব্য রেখে আসছি।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশন ব্যালট বলুন আর ইভিএম বলুন কোনটাতেই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করার যোগ্য নয়। আমরা মনে করি, এই কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করতে একেবারেই পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ হয়েছে। অবিলম্বে কাল বিলম্ব না করে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সকল কমিশনারের পদত্যাগ করা উচিত। নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ জানুয়ারি পৌরসভা ও মহানগরীতে মানববন্ধন করবে বিএনপি।’


আরও পড়ুন: লক্ষাধিক টাকার কাজ ১১ হাজার টাকায় করেন অপু!

শ্রীলেখার বর্ষবরণ যেভাবে

চোখের জলে ‘মিডিয়া’ থেকে দীপিকার বিদায়!


দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চালের দাম কমছে না, বেড়েই চলেছে। যেটা আশঙ্কাজনক। এবার চালের উৎপাদন কম হয়েছে। যার ফলে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা আছে। বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে (নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন) যখন নির্বাচন করে তখন জনগণের কাছে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছিলো। তারা বলেছিলো, জনগণকে ১০ টাকা কেজি চাল দেবে, বিনা পয়সায় সার দেবে এবং ঘরে ঘরে চাকুরি দেবে।’

তিনি বলেন, ‘গতকাল পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়েছে, ১০ টাকা কেজি চালের ৭ লাখ কার্ড ভুয়া। এটা সরকারের খাদ্য অধিদফতর বলছে। তাহলে বুঝতেই পারেন, এটা নিয়ে কী ধরনের দুর্নীতি চলছে। ১০ টাকা কেজি চাল কিনে তা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে বাজারে। সেটা সরকারি দলের মদদপুষ্টরা করছে। একইসঙ্গে বিভিন্ন ভাতা ও খাদ্য সাহায্য ওএমএস, কাবিখা, টিআর-এর দুর্নীতি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখানে পুরোটাই দলীয়করণ করা হয়েছে।’

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরে টিকা নিলেন ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

দেশে ফিরে টিকা নিলেন ফখরুল

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে টিকা নিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার সকালে কুয়েত-মৈত্রী হাসপাতালে তিনি এই টিকা দেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে স্ত্রী রাহাত আরাকে নিয়ে দেশে ফেরেন বিএনপি মহাসচিব।


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


ইতিমধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন নেতারা করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে পুলিশের গাড়ি দেখলে আগুন দেবেন, এটাতো ক্যান্টনমেন্ট নয়: ‍নুর

অনলাইন ডেস্ক

ঢাবিতে পুলিশের গাড়ি দেখলে আগুন দেবেন, এটাতো ক্যান্টনমেন্ট নয়: ‍নুর

ক্যাম্পাসে পুলিশের গাড়ি দেখলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর। বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশের গাড়ি থাকবে কেন? এটাতো ক্যান্টনমেন্ট নয়।

সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে আজকে পুলিশের গাড়ি রয়েছে। আমি আমার ছাত্র ভাই বন্ধুকে বলব, পরবর্তীতে যদি এখানে পুলিশের গাড়ি থাকে তাহলে আগুন ধরিয়ে দেবেন। আগুন ধরিয়ে দিলে গাড়ি পুড়লে বলবেন ডাকসুর ভিপি নুর বলেছে।


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


চার দফা দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে ভিপি নুর বলেন, যেকোনো সংকটে সারা দেশের মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকিয়ে থাকে। এক সময় এমপি-মন্ত্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে পায়ের ধূলো নিতে। আর এখন শিক্ষককেরা পদের জন্য এমপি-মন্ত্রীদের কাছে ধন্না দেয়। এটা আমাদের জন্য লজ্জার। দলীয়করণ করতে করতে রাষ্ট্রের সকল কাঠামোকে আজকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ডাকে এ কর্মসূচিতে তিনি আরও বলেন, পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। জোর-জুলুম করে এই অবৈধ সরকার আর বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না।

লেখক মুশতাকের মৃত্যু নিয়ে তিনি বলেন, লেখক মুশতাককে হত্যা করা হয়েছে। কারাগারের মতো জায়গায় একজন লেখককে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। আপনারা জানেন তিনি গুরুতর অসুস্থ ছিলেন না। তাকে হত্যা করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আমরা শুধু বলছি না। আন্তর্জাতিক ১৩টি প্রেস বলছে মুশতাক হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্ত করতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আপনারা কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন?: পুলিশের উদ্দেশে নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

আপনারা কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন?: পুলিশের উদ্দেশে নুর

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশীদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক। 

তিনি বলেন, পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কি ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগ? আওয়ামী লীগ-বিএনপি ক্ষমতায় আসবে-যাবে, সময়ের সঙ্গে অনেকে বিলীন হয়ে যাবে, কিন্তু আপনারা যেদিন চাকরিতে ঢুকেছেন, সেদিন থেকে অবসরের আগপর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আপনারা কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন?’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। ছাত্র অধিকার পরিষদ আজ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই সমাবেশের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার টিস্যুর মতো যখন যাকে প্রয়োজন ব্যবহার করবে, তারপর ছুড়ে ফেলে দেবে। অনেককেই তারা ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। বিনা ভোটের সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে গিয়ে আপনারা নিজেদের কলঙ্কিত করছেন, স্বকীয়তা নষ্ট করছেন। দলীয়করণ করতে করতে এই সরকার রাষ্ট্রকাঠামোকে ভেঙে ফেলছে। অনেকেই বলছেন যে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ এখন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে। এই দায় বর্তমান বিনা ভোটের সরকার ও তাদের সুবিধাভোগী কিছু কুচক্রীর। এই সরকার যা করছে, তাতে তারা আর টিকতে পারবে না, গায়ের জোরেও টিকতে পারবে না। তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। জনগণ রাজপথে নেমে আসছে।

নুরুর সংগঠনের চার দফা দাবিগুলো হলো-শাহবাগে গত শুক্রবার মশাল মিছিল থেকে আটক সাতজন শিক্ষার্থী, রোববার টিএসসি থেকে আটক তিন শিক্ষার্থীসহ আটক সব শিক্ষার্থীর নিঃশর্ত মুক্তি; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, লেখক মুশতাক আহমেদ ‘হত্যার’ সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের পুলিশি হয়রানি বন্ধ করা, শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণ বাক্স্বাধীনতা ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


সমাবেশ শেষে রাজু ভাস্কর্য থেকে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, টিএসসি ও শাহবাগ ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।

কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ও সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, কর্মী আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি: শামীম ওসমান

অনলাইন ডেস্ক

আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি: শামীম ওসমান

আওয়ামী লীগ এখন গাছের পাতায় পাতায় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

তিনি বলেছেন, এটা খুবই বিপদজনক ব্যাপার। এটা যদি রাজনীতিবিদদের হাতে থাকত তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু এটা যদি প্রফেশন হয়ে যায় তাহলে খুব মারাত্মক ব্যাপার।

‘আমি মনে করি প্রফেশনাল হিসেবে যারা আছেন তাদের সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে আপনার প্রফেশনে আপনি সাকসেসফুল কিনা সেটা লক্ষ্য রাখা। আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী সেটা দেখার দরকার নেই। শুধু একটা জিনিস দেখতে হবে যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিনা।’

সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শামীম ওসমান বলেন, আমি এই কথাগুলো বললাম কারণ আমার চলে যাওয়ার সময় এসেছে। আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি। যদিও আমার মৃত্যু আজ থেকে বিশ বছর আগে ১৬ জুন হয়ে গেছে। আমার ডানে বায়ে যারা ছিল সবাই মারা গেছে। আমি যে সাক্ষী দিয়েছি সে সাক্ষীও বদলে দেওয়া হয়েছে এবং সেটা আমার সরকারের আমলেই। আমি কোর্টে তা ডিনাই করে এসেছি।

আরও পড়ুন:


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার। আমরা সবাই এখানে পরীক্ষা দিতে এসেছি পরীক্ষা দিচ্ছি। আমাদের রেজাল্ট দেখবেন আমাদের সৃষ্টিকর্তা। আমি পুলিশ ভাইদের বলতে চাই মানুষ আপনাদের কাছে অনেক কিছু আশা করে। তা পূরণ করবেন কী করবেন না আপনাদের ইচ্ছা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জীবনে কোনো কৈশর ও যৌবন নেই। গতকাল ষাট বছরে পা দিয়েছি। জীবনটা খুব ছোট। জীবন একবারের জন্যই আসে দুইবার আসে না। তো আমি এই জীবনটাতে কী করলাম। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুই ধরনের মানুষ আছে। একধরনের মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি করে। আরেক ধরনের মানুষ তাদের মাথার বুদ্ধি দিয়ে। যারা আবেগ দিয়ে করে তাদের জন্য রাজনীতিটা খুব কঠিন হয়ে যায়। আবেগ না থাকলে কোনো মুক্তিযোদ্ধা কী যেত যুদ্ধ করতে। বাঁশ দা-কুড়াল নিয়ে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিল তারা। আমি দেখেছি আমার বাবা যখন নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বল্লম দা নিয়ে তারা উদ্যত হয়েছিল। একজন বঙ্গবন্ধুর কারণেই এই বিষয়টা সম্ভব হয়েছে।

হাদীসের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যদি অবৈধ কাজ করি আমার ছেলে-মেয়েও হাশরের ময়দানে আমাকে চিনবে না। সুতরাং আমি এমপি গাজী ভাই মন্ত্রী আমাদের এ সম্মান আল্লাহ দিয়েছেন। সব ধর্মই ভালো কথা বলে কোনো ধর্ম খারাপ কথা শেখায় না। ভুল করার পর র‍্যে সংশোধন করে তাকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন। এখানে অনেকে আছেন যাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধ না করলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে বাবা মা একসাথে যুদ্ধ করেছে আমার বড় ভাই নাসিম ওসমানের নেতৃত্বে।

‘আজকে দেশে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা আপনারা আমার চেয়ে কম জানেন না। এটা শুধু শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র না। এটা হচ্ছে রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য। রাষ্ট্রের মূল কাঠামেগুলোকে দেশের বাইরে থেকে বসে প্রতিনিয়ত আঘাত করা হচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হচ্ছে এই রাষ্ট্রটাকে তালেবান রাষ্ট্র বানাতে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে কারণ আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশে থাকবে। আপনারা ভালো কাজ করবেন আপনাদের প্রশংসা করবো খারাপ কাজ করবেন আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলব। এখানে কোনো ছাড় হবে না। কারণ আল্লাহর কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক

ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু কোনো নির্বাচনের যোগ্য নয় মন্তব্য করে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

গতকাল শনিবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস দেখিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থাতেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে, এই কমিশন কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের যোগ্য নয়।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


বিএনপির মতে, এই সরকার অনির্বাচিত একটি সরকার এবং সরকারের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই কমিশনের প্রধান কাজ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে বলা হয়, অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সব সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে বিভিন্ন কালাকানুন, বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো একটি ভয়ংকর নির্যাতনমূলক আইনের মাধ্যমে জনগণের বাকস্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, সব সাংবিধানিক অধিকার, স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে চলেছে।

বিএনপির দাবি, এই আইনের আওতায় ইতিমধ্যে প্রায় ৭০০ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদকসহ অসংখ্য সাংবাদিক, লেখক, পেশাজীবীকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বিনা বিচারে কারাগারে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করা হয় সভায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির নেতা-কর্মীদের নির্বিচারে আটক এবং সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতে পুলিশ দিয়ে বাসমালিকদের ধর্মঘটে যেতে বাধ্য করা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মীদের পুলিশি তল্লাশি ও বাধা প্রদান করা হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর