মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সুশৃঙ্খল জীবন-যাপনের বিকল্প নেই

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সুশৃঙ্খল জীবন-যাপনের বিকল্প নেই

শরীর মন দুটোই ফিট থাকলে আপনি নিজেকে ফিট বলতে পারেন। শারীরিক সুস্থ্যতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থ্যতাও অপরিহার্য। অনেকের বেলায় দেখা যায়, শরীর ঠিক থাকলেও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে একেবারেই গুরুত্ব দেন না। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ঠিকমতো চালিয়ে নিতে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জীবনযাপনে সামান্য কিছু পরিবর্তন এনে সব মানসিক সমস্যা দূরে ঠেলে মনকে ফুরফুরে করে তুলতে পারেন। এ রকম সহজ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে পারেন।

নিয়মমাফিক চলুন

দৈনিক কাজের একটি নিয়ম দাঁড় করান। সময়ের কাজ সময়ে করুন। নিয়ম মেনে খাওয়া, ঘুম থেকে জাগা বা বিছানায় যাওয়ার বিষয়টি মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দরকারি। যাঁরা নিয়ম মেনে চলেন, তাঁদের মানসিক ও শারীরিক দিক থেকে সুস্থ থাকার হার বেশি বলেই গবেষণায় দেখা গেছে।

ব্যায়াম করুন
মানসিকভাবে ভালো থাকতে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকাটাও জরুরি। শরীরকে সক্রিয় রাখতে সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে সুখ হরমোন নিঃসৃত হয়। মানসিকভাবে হালকা বোধ করতে বা মন ভালো রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের চর্চা করে যান।


আরও পড়ুন: লক্ষাধিক টাকার কাজ ১১ হাজার টাকায় করেন অপু!

শ্রীলেখার বর্ষবরণ যেভাবে

চোখের জলে ‘মিডিয়া’ থেকে দীপিকার বিদায়!


পুষ্টিকর খাবার খান
পুষ্টিমানসম্পন্ন ও সুষম খাবার খাবেন। খাবারের তালিকায় বেশি করে ফল আর সবজি রাখুন। মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত রাখে এমন খাবার, বিশেষ করে বাদাম কিংবা পালংশাকের মতো খাবার খান। সাক-সবজি, মাছ-মাংস আর দেশিয় ফলের প্রাধান্য দিতে হবে।

যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত করুন
এখনকার সময় মানুষের হাতে হাতে মোবাইল ফোন কিংবা মনোযোগ কেড়ে নেওয়া নানা যন্ত্র রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে যতটা সম্ভব যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার এক ঘণ্টা আগে মোবাইল ফোনসহ যন্ত্র ব্যবহার বাদ দিন। রাতে বিছানা থেকে মোবাইল ফোন কমপক্ষে তিনফুট দূরে রাখুন। এমনকি দিনের বেলাতেও যন্ত্র যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

সক্রিয় থাকুন
সংবাদপত্র পড়া, টিভি দেখা, বই পড়া, পাজল মেলানো, ক্রসওয়ার্ড সমাধান করার মতো নানা কাজে মস্তিষ্ককে ব্যস্ত রাখুন। মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হবে, এমনকি শেখার দক্ষতা বাড়বে। সাম্প্রতিক বিষয় সম্পর্কে ধারণা রাখলে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেন। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যখন গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া মানা

অনলাইন ডেস্ক

যখন গর্ভনিরোধক পিল খাওয়া মানা

অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে আজকাল জরুরি গর্ভনিরোধক পিল খাওয়ার একটা বেশ চল হয়েছে। অনেকে গর্ভধারণের ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে একই মাসে এ ধরনের জরুরি গর্ভনিরোধক পিল একাধিকবার খেয়েছেন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই। সাধারণত অরক্ষিত শারীরিক সম্পর্কের ৭২ থেকে ১২০ ঘণ্টার মধ্যে এই পিল খেতে হয়।

এই পিল খেলে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু বের হয়ে জরায়ুতে আসতে দেরি হয়। এই সময়ের মধ্যে জরায়ুতে থাকা শুক্রাণুগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ডিম্বাণু শুক্রাণুর সঙ্গে নিষিক্ত হতে পারে না। ফলে গর্ভধারণও হয় না। 

গর্ভনিরোধক পিল সবসময় খাওয়া ঠিক নয়। এতে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

গর্ভনিরোধক পিল কখন খাওয়া উচিত নয়  :

এক পায়ে বা পশ্চাদদেশ একটানা ব্যথা থাকলে অথবা আগে থ্রম্বোএম বোলিক রোগের ইতিহাস থাকলে।

আগের গর্ভকালীন জন্ডিস এবং চুলকানির ইতিহাস থাকলে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


 

লিভারের রোগে ভুগলে পিল খাওয়া ঠিক হবে না। তবে আগে জন্ডিসে ভোগার পর বর্তমানে সেরাম বিলিরুবিন, এসজিপিটি, সেরাম এলকালাইন ফসফাটেজের  মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে খেতে বাধা নেই।

ডায়াবেটিস থাকলে।

বহুদিন ধরে রক্তচাপ জনিত রোগে ভুগলে।

মাইগ্রেন বা আধ কপালে মাথাব্যথা থাকলে, ইপিলেপসি বা মৃগী রোগ থাকলে।

হাঁপানি থাকলে। কারণ, পিল খেলে হাঁপানি আরো বাড়তে পারে।

গর্ভাবস্থায় এবং ইতিপর্বে গর্ভকালীন সময়ে হার্পিস নামক ভাইরাসজনিত রোগের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস  থাকলে।
বিশেষ ধরনের সিকলসেল অ্যানিমিয়া হলে।

চর্বির বিপাকজনিত রোগে ভুগলে।

স্তন  ও জরায়ু মুখের এবং জরায়ুর ক্যানসার থাকলে কিংবা শরীরে কোনো সন্দেহ জনক টিউমার থাকলে।

এ ছাড়াও কোনো অস্ত্রোপচারের চার থেকে ছয় সপ্তাহ আগে থেকে পিল খাওয়া বন্ধ রাখা উচিত। এতে করে অস্ত্রোপচারের পরবর্তী থ্রম্বোএম্বোলিক রোগের সম্ভাবনা কমে যায়।

নিউটন বলেছিলেন, প্রতিটি ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু যেকোনো ওষুধের ক্ষেত্রে ‘সমান ও বিপরীত’ কথাটার মতো সামান্য নয় ব্যাপারগুলো। বরং প্রতিটি ওষুধেরই ক্ষেত্রবিশেষে বেশ বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া হতে পারে। ‘ওভার দ্য কাউন্টার ড্রাগ’ হলেও তাই জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের সুবিবেচক হতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দ্রুত শক্তি জোগাবে কাঠবাদাম

অনলাইন ডেস্ক

দ্রুত শক্তি জোগাবে কাঠবাদাম

কাঠবাদামে সাধারণত ভিটামিন, মিনারেল, এসেনশিয়াল, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকায় কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। কাঠবাদামে যে পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন আছে, যা দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মানসিক তৃপ্তির কারণে অনেকক্ষণ খিদে লাগবে না। দ্রুত ক্লান্তি দূর করবে এবং দ্রুত শক্তির জোগান দেবে।

কাঠবাদাম উচ্চ আঁশযুক্ত। ফলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, এতে প্রচুর এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায়, হৃদরোগীদের যে ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড দরকার, তার সরবরাহ করে থাকে কাঠবাদাম।

কাঠবাদামে শর্করার পরিমাণ কম বলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী। ১২ থেকে ১৫টি কাঠবাদাম থেকে আপনি ১০০ কিলোক্যালোরি পাবেন। যাঁরা ১২০০ থেকে ১৪০০ কিলোক্যালোরির ডায়েট করছেন ওজন কমানোর জন্য, তাঁরাও কিন্তু মিড-মর্নিং স্ন্যাকসে কাঠবাদাম খেতে পারেন।


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


কাঠবাদামে উপস্থিত ফ্ল্যামোনয়েডস, যা আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করবে। কাঠবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। কাঠবাদামে প্রচুর পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সহায়তা করবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তামাক সেবনে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুকি

অনলাইন ডেস্ক

তামাক সেবনে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুকি

বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়ায় সাত হাজারের বেশি ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৭০টি ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী। বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়া নারী, শিশুসহ অধূমপায়ীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধোঁয়া তিলে তিলে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করে। প্রতিবছর ১৫ মিলিয়নের বেশি মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছে যাদের ৩০ শতাংশ মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রায় ৬০ শতাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন। স্ট্রোকের ঝুঁকি বৃদ্ধির কারণগুলোকে দু’ভাগে আলাদা করা যায়- পরিবর্তনযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বদ অভ্যাস- তামাক সেবন ও মদ্যপান যা হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস এগুলোসহ মস্তিষ্কে স্ট্রোক ঘটাতে পারে। ধূমপানে স্ট্রোক ঝুঁকি দ্বিগুণের বেশি বাড়ে।

১৯৬৪ সাল থেকেই স্ট্রোক ও তামাক সেবনের সম্পর্কে আমেরিকান সার্জন জেনারেলের রিপোর্ট তুলে ধরা হয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো-

* ধূমপান প্রত্যক্ষভাবে মস্তিষ্কের রক্তনালির রোগ বৃদ্ধির জন্য দায়ী

* ধূমপান ইসকেমিক স্ট্রোকের হার বাড়ায়

* তামাক সেবন সাব-অ্যারাকনয়েড হেমোরেজের ঝুঁকি বাড়ায়


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


 

* ধূমপান ছাড়ার ৪-৫ বছর পর স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে অধূমপায়ীদের সমান হয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুযায়ী স্ট্রোকের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ঝুঁকি হল উচ্চরক্তচাপ ও তামাক সেবন বা ধূমপান যা সদিচ্ছা থাকলে পরিবর্তন করা সম্ভব। সিগারেট ধূমপানের পাশাপাশি অন্যান্য উপায় যেমন জর্দা পান, গুল ইত্যাদি সেবনেও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিং বা পরোক্ষভাবে ধূমপায়ীরা একই ধরনের পদ্ধতিতে স্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন।

নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড ও অন্যান্য জারক গ্যাসগুলো রক্তনালির এন্ডোথেলিয়ামে ক্ষত তৈরি করে, কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধিকে থামিয়ে দেয় যা থ্রোম্বোসিস বা রক্তক্ষরণে রূপ নেয় অদূর ভবিষ্যতেই। তামাকের কেমিক্যাল মস্তিষ্কের রক্তনালিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে, রক্তনালির সংকোচন ঘটায় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে যা পরিশেষে ইসকেমিক স্ট্রোকে রূপ নেয়।

এ ছাড়া তামাকে উপস্থিত ২০০০-এরও বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপের জন্য দায়ী- যা স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা ত্বরান্বিত করে। সাম্প্রতিক ২০টি স্ট্রোকবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণায় পরোক্ষ ধূমপান ও স্ট্রোকের মধ্যে সম্পর্ক প্রমাণিত হয়। উল্লেখ্য, সিগারেট সংখ্যার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই; দিনে ২-৪ শলাকা নিয়মিত সেবন করলেও স্ট্রোকে ভুগে অকাল মৃত্যু বা পঙ্গুত্ববরণ করতে হতে পারে। সিগারেট শলাকার সংখ্যা যত বাড়বে, স্ট্রোকের ঝুঁকি তত বেশি।

তবে যারা ধূমপান বদ অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য রয়েছে সুখবর! ১২ বছরের ফলোআপে দেখা গেছে, স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে ধূমপান ছাড়ার পর। ২৬ বছরের একটি প্রোসপেক্টিভ কোহর্ট গবেষণায় বিজ্ঞানীরা দেখেন, স্ট্রোকের ঝুঁকি ধূমপান ছাড়ার ২ বছরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায়; ৫ বছর পর এ ঝুঁকি অধূমপায়ীদের কাছাকাছি নেমে আসে।

আমাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি এ ধরনের বদ অভ্যাস পরিহার করতে সবাইকে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উদ্বেগ কমাবে কমলা, গোসল ও ম্যাসাজ

অনলাইন ডেস্ক

উদ্বেগ কমাবে কমলা, গোসল ও ম্যাসাজ

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার মধ্যে কোনোদিন পড়েননি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। তবে মাথা ঠাণ্ডা রেখে সেই উদ্বেগের বিষয়গুলো কাটিয়ে ওঠাটাই বড় চ্যালেঞ্জ। চিন্তা ও উদ্বেগে মাথা এলোমেলো হয়ে যায়, তখন সহজ বিষয়গুলোও তখন জটিল আকার ধারণ করে, কাছের মানুষদের সাথে অহেতুক খারাপ ব্যবহার হয়ে যায়, এমনকি দুশ্চিন্তার কারণে অনেক বড় ভুল সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলে মানুষ।

খুব বেশি উদ্বেগের সমস্যা হলে মনোবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তার আগে উদ্বেগ কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে দেখতে পারেন।
 কিছু বিষয় আছে যেগুলো অভ্যাসে পরিণত করতে পারলে উদ্বেগজনিত ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা যায়। 

কমলা

কমলা ও কমলার খোসা স্নায়ুকে শান্ত করতে কাজ করে। গবেষণায় বলা হয়, ওরেঞ্জ অ্যারোমাথেরাপি উদ্বেগ কমায় এবং মেজাজ ভালো করে।

একটি কমলার খোসা ছাড়িয়ে নিন। এর গন্ধ নিন। এ ছাড়া কমলার খোসা ছাড়িয়ে গরম পানিতে কয়েক মিনিট সেদ্ধ করে এর গন্ধ নিতে পারেন। এটি উদ্বেগ কমতে সাহায্য করবে।


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


গোসল

গরম পানিতে গোসল উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে কাজ করে।তাই উদ্বেগ কমাতে এই পদ্ধতিও অনুসরণ করতে পারেন।

ম্যাসাজ

উদ্বেগের মধ্যে থাকলে শরীর ম্যাসাজ করুন। বিশেষ করে ঘাড়, পিঠ ও পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে শরীর শিথিল লাগবে। উদ্বেগ কমতে সাহায্য হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে যা খাবেন

বিষণ্ণতা ও মানসিক অস্থিরতা শুধু মন নয়, ধীরে ধীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে শরীরেও। এছাড়া অনেকেই বলে থাকেন শরীরের ব্যথা যত সহজে নিরাময়যোগ্য, মনের ব্যথা ততোটা নয়।

ঘন ঘন মন খারাপ বা মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে তাই পরামর্শ নিতে হবে মনরোগ বিশেষজ্ঞের। অবশ্য সমাধান দিয়েছেন পুষ্টিবিদরাও। মন খারাপ ভাব কাটানোর জন্য আছে বিশেষ কিছু খাবার। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু পুষ্টিকর খাবারের নাম-

ভিটামিন বি-১২

অবসাদ, ক্লান্তি ইত্যাদি বেড়ে যায় 'ভিটামিন বি ১২' এর অভাবে। গড়ে প্রতিটি মানুষের প্রতিদিন ২.৪ মাইক্রোগ্রাম পরিমাণ 'ভিটামিন বি ১২' এর দরকার হয়। পনির, কম চর্বিযুক্ত দই, দুধ- এসব 'ভিটামিন বি ১২' এর চাহিদা পূরণে বেশি ভূমিকা রাখে। আধুনিক বিজ্ঞান বলে 'ভিটামিন বি ১২' আমাদের শরীরে ভালো লাগার হরমোনকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

ভিটামিন সি

'ভিটামিন সি'-কে বলা যেতে পারে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার যম। জটিল পরিস্থিতিতে পড়লে আগে এক গ্লাস কমলার জুস খেয়ে দেখা যায়। মাথার ভার অনেকটাই কমে আসবে। মনকে সতেজ ও শক্তিশালী রাখতে ভিটামিন সি অনবদ্য।


ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শুকরের খামার গড়ছে হুয়াওয়ে

হাতে নেই ছবি, তবুও বিলাসবহুল জীবনযাপন?

১৪ বছরের সুন্দরী কিশোরীকে বিয়ে করে বিপাকে পাকিস্তানি এমপি

মিয়ানমারের আর্থিক সংকট নিয়ে নতুন গুজব, আতঙ্কিত গ্রাহকেরা


ভিটামিন ডি

মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকতে ভিটামিন ডি ভালো কাজ করে। এই ভিটামিন মেজাজ খিটখিটে হতে বাধা দেয়। কোনও কারণ ছাড়া হতাশা গ্রাস করলে বুঝবেন শরীরে হয়তো 'ভিটামিন ডি' এর ঘাটতি আছে। এর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায় সহজেই। দুধ, কুসুমসহ ডিম, সূর্যের আলো 'ভিটামিন ডি' এর জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যালোকে থাকার চেষ্টা করুন।

ম্যাগনেসিয়াম

মানসিক যেকোনও সমস্যা মোকাবিলায় ম্যাগনেসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ। এটাকে প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক বললেও ভুল হবে না। ডার্ক চকলেট, পালং শাক, বাদামে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর