গতি পেয়েছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ

নয়ন বড়ুয়া জয়, চট্টগ্রাম

গতি পেয়েছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ

চট্টগ্রামে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ। এরই মধ্যে এ প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।  বন্দর নগরীতে যাতায়াতে স্বপ্ন দেখাচ্ছে এই এক্সপ্রেসওয়েটি। এটি চালু হলে নগরীতে কমবে যানজট। বাড়বে বিদেশি বিনিয়োগ। বিকশিত হবে পর্যটন খাত, এমন অভিমত নগর বিশ্লেষকদের।  

২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর চার লেনের এ প্রকল্পে র‌্যাম্প ও লুপসহ এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৫৪ ফুট।

তবে করোনা ও নানা জটিলতায় কিছুদিন এ নির্মাণকাজ ধীরগতিতে চললেও বর্তমানে এগিয়ে চলছে লালখানবাজার পতেঙ্গা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ। আগ্রাবাদ ও বন্দর এলাকায়ও শুরু হয়েছে নির্মাণ কাজ। এরই মধ্যে এ প্রকল্পের ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিডি’র প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস।


আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শ্রমিক হত্যার দায় স্বীকার করছে আইএস


নগর বিশ্লেষকরা বলছেন, নগরীর লালখান বাজার থেকে বিমানবন্দর বা পতেঙ্গা সৈকতে যেতে এমনিতে সময় লাগে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে সময় লাগবে ২০ থেকে ২৫ মিনিট। এতে নগরীতে যানজট কমার পাশাপাশি বাড়বে বিদেশি বিনিয়োগ ও।

বারিক বিল্ডিং থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে এই পথের যাত্রী ও চালকদের। তবে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে যাতায়াত ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন তারা।

এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা আর বাস্তবায়ন করছে সিডিএ।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৫ বছরে লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন ৪৮৭ নারী শ্রমিক

লাকমিনা জেসমিন সোমা

মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈদেশিক শ্রবাজারে ১০ লাখ নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপিড়ন ও মৃত্যুর ঘটনা। গেল পাঁচ বছরে লাশ হয়ে দেশে ফিরেছেন অন্তত ৪৮৭ নারী।আর শুধু করোনাকালেই সব হারিয়ে বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ফিরেছেন অন্তত ৫০ হাজার নারী কর্মী। সংকট নিরসনে দক্ষ নারী কর্মী তৈরির পাশাপাশি নারী অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা ।

নব্বইয়ের দশক থেকে এ পর্যন্ত ৯ লাখ ২৪ হাজার ৪১৫ বাংলাদেশী নারী কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। মূলত ২০১৫ সালে সৌদি সরকারের সাথে সমঝোতা সইয়ের পর থেকেই বিদেশের শ্রমবাজারে বাড়তে থাকে বাংলাদেশী নারী কর্মীর আধিক্য। দেশটিতে বর্তমানে সাড়ে তিন লাখ নারী কাজ করছেন যা বাংলাদেশের মোট নারী অভিবাসী কর্মীর ৩৮ শতাংশ।

তবে বিপুল সংখ্যক নারী কর্মী পাঠানোর বিপরীতে বেড়েছে নির্যাতন ও নিপিড়নের ঘটনাও। বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত পাঁচ বছরে ৪৮৭ নারীর মরদেহ দেশে ফিরেছে। তাদের মধ্যে নির্যাতনের শিকার হয়ে আত্মহত্যাই করেছেন অন্তত ৮৬ জন। 


চলন্ত বাস থেকে ফেলে দেওয়া হলো প্রতিবন্ধী নারীকে

অর্থনীতির নতুন পথ সন্ধানের এখনই সময়


করোনাকালে লকডাউন থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শারিরিক মানসিক নির্যাচনের সাথে যুক্ত হয়েছে অর্থনৈতিক কষ্টও। এই সময়ে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছে অন্তত ৫০ হাজার নারী কর্মী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০; মানবপাচারের যতগুলো মামলা হয়েছে তাতে অন্তত ১ হাজার ৭৯১ জন নারী মানবপাচারের শিকার। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেরত আসাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি, নির্যাতন সহিংসতা এবং পাচার বন্ধে নারী অভিবাসন নীতিমালা বাস্তবায়ন অপরিহার্য। 

সৌদি থেকে ফেরত আসা ১১০ নারীর সাথে কথা বলে ২০১৯ সালে একটি প্রতিবেদন দেয় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। যেখানে বলা হয় ৩৫ শতাংশ নারী শারিরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার আর ৪৪ শতাংশ বেতন পাননি ঠিকমতো।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর সারা দেশের পরিস্থিতি বদলে যায়

ফাতেমা কাউসার

৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর সারা দেশের পরিস্থিতি বদলে যায়

৭ই মার্চে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর সারা দেশের পরিস্থিতি বদলে যায়। ঢাকাসহ সারাদেশে চলতে থাকে অসহযোগ আন্দোলন। ইতিহাসের সেই দিনগুলির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কাজী ফিরোজ রশিদ জানান সেদিন বঙ্গবন্ধুর ভাষণ উজ্জিবিত করেছিলো তাকে। নিজেকে প্রস্তুত করে হেমায়েত বাহিনীর সাথে ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলে একাধিক যুদ্ধে অংশ নেন তিনি। 

রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন ছাত্রনেতারা। ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ এক বিবৃতিতে, “বাংলার মুক্তি আন্দোলনকে ‘স্বাধীনতা আন্দোলন’ ঘোষণা করে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


দেশের নানা প্রান্তে তখন চলতে থাকে বাঙালীকে সংগঠিত করে তোলার কাজ। এসময় যারা নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করেছেন বাঙালির স্বাধীনতার জন্য তাদেরই একজন কাজী ফিরোজ রশিদ।

পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিশাল অংশ প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করে এসময়। এই মুক্তিযোদ্ধা মনে করেন ছাত্রসমাজের মহান আত্মত্যাগ ছাড়া এদেশের স্বাধীনতা অর্জন মোটেই সহজ হতোনা।

যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষে গঠিত সশস্ত্র গেরিলা বাহিনী “হেমায়েত বাহিনীর” হয়ে টানা নয় মাস পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এই মুক্তিযোদ্ধা। 
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ

রিশাদ হাসান

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর আজ। ২০২০ সালের এই দিনে দেশে সনাক্ত হয়েছিল নোভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ জন রোগী। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও স্বাস্থ্য বিধি না মানায় আবারও বাড়ছে সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলছেন, নিয়ম মেনে চললে বর্তমান করোনা পরিস্থিতির তুলনায় আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারতো বাংলাদেশ। 

৮ মার্চ ২০২০। দুপুরে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশের জন্য নিয়ে এলো এক দু:সংবাদ। সেদিন দেশে সনাক্ত হয় করোনায় আক্রান্ত ৩ জন রোগী।

নানা প্রতিকূলতায় শুরু হল করোনার সাথে বসবাস। সাধারণ হাসপাতালগুলো একে একে পরিনত হতে থাকলো কোভিড হাসপাতালে।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


এই এক বছরে বাংলাদেশে সনাক্ত ছাড়িয়েছে সাড়ে পাঁচ লাখ। ১৮ই মার্চ আসে প্রথম মৃত্যুর খবর। এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে আট হাজার। তবে সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখেরও বেশী।

বর্তমানে সংক্রমনের হার কম তবুও সন্তুষ্ট নন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

প্রতিদিন নানা দু:সংবাদের মাঝে আশার গল্পটা শুরু হয় বিশ্বের দশম রাষ্ট্র হিসেবে টিকা প্রয়োগ শুরু করা নিয়ে। এবছরের ৭ ফেব্রুয়ারী থেকে সারাদেশে শুরু হয় গণটিকাদান।

সম্প্রতি আবারও বাড়ছে সংক্রমণের হার। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলছেন, স্বাস্থ্য বিধি না মানাই এর প্রধান কারণ।

চুড়ান্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে দেশের অন্তত ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে কাজ করে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। এরপর পৃথিবী থেকে করোনা বিদায় নিবে কি না সে প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা

সুলতান আহমেদ

উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা

নারীদের উদ্যোক্তা হয়ে উঠার গল্প সবাই শুনতে চায়, তবে রাষ্ট্র কতটুকু পারছে তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে? এসএমই ফাউন্ডেশনের এক জরিপে উঠে এসেছে ভয়াবহ বৈষম্যের কথা, হিসেব বলছে দেশে ১০০ জন উদ্যোক্তার মধ্যে মাত্র ৭ জন নারী উদ্যোক্তা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পদে পদে বাধা, ব্যাংক লোনের স্বল্পতা, সরকারি নীতি সহায়তা না পাওয়া নারী উদ্যোক্তা হওয়ার বড় অন্তরায়। 

বিশ্ব বাজারে দ্বিতীয় বৃহৎ পোশাক উৎপাদক দেশ বাংলাদেশ। যেই খাতে সবচেয়ে বেশি কাজ করেন নারীরা। সস্তা শ্রমকে পুঁজি করে শত কোটি টাকার মালিক হচ্ছেন অনেকেই, তবে দিন বদলায় না নারী কর্মীদের।

চাকুরীর বঞ্চনা ছেড়ে যখন নারীরা উদ্যোক্তা হতে চান সেখানেও যেনো অন্ত নেই নানাবিধ বাধার। এসএমই ফাউন্ডেশনের এক জরিপে দেখা যায় উদ্যোক্তা হতেও অনেকটা পিছিয়ে নারীরা।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


হিসেব বলছে, দেশে মোট উদ্যোক্তা ৭৮,১৮৫৬৫ যার মধ্যে পুরুষ ৭২,৫৫০০০ আর নারী ৫,৬৩০০০ জন। শতকরা হিসেবে যা ৭.২ শতাংশ। এর মধ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ই রয়েছেন ৯৯ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা। বড় ব্যবসায় নারীদের অংশগ্রহণ খুবই কম।

যদিও এসএমই ফাউন্ডেশন বলছে, নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, ঋণ বিতরণ, কিংবা যেকোন সহায়তায় পাশে রয়েছে তারা।

বর্তমানে অনলাইন ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন বহু নারী। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গুরুত্ব দেয়া উচিত নারী উদ্যোক্তা বাড়াতে।  

এছাড়া নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে পারিবারিক সহায়তা বাড়ানোর পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা

রিশাদ হাসান

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা

সাইবার অপরাধ। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন বলছে বয়স ভেদে এর শিকার ৭০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে নারীর প্রতি সহিংসতা। তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অনলাইনে হয়রানী নারী অগ্রগতিতে বড় বাধা। যা দমনে সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি গড়ে তুলতে হবে সামাজিক আন্দোলন। 

দ্বাদশ শ্রেনীতে লেখাপড়া চলাকালীন স্মার্টফোন হাতে পেয়েছিলেন আইরিন। ইন্টারনেট ব্যবহারে অসচেতন থাকায় প্রথমে হ্যাকিং পরে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন তিনি।

আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য মতে বাংলাদেশে ৮০ শতাংশ মেয়ে শিশু অনলাইনে হয়রানীর শিকার। সাইবার ক্রাইম এ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে দেশের মোট সাইবার অপরাধের ৭০ শতাংশই নারী কেন্দ্রীক।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


ডিএমপির সাইবার ক্রাইম বিভাগ বলছে, ২০১৬ সাল থেকে সাইবার জগতে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতি বছর দ্বিগুন হারে বাড়ছে।

তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাইবার অপরাধের শিকার হওয়া নারীদের সামাজিক ভাবে হেয় করার বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক।

তবে এমন নারীদের সহায়তা দিতে গড়ে উঠেছে কিছু সামাজিক সংগঠন। যারা নারীদের এমন বাস্তবতায় মানসিক সহায়তার পাশাপাশি কাজ করে যাচ্ছে সচেতনতা তৈরিতেও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বের অর্ধেক মানব সম্পদ নারী। কাজেই সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ করা গেলে নারীরাও উন্নয়নে রাখতে পারে বড় ভূমিকা।
news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর