হার্ট অ্যাটাক থেকে মুক্তি ‘গোল্ডেন আওয়ার’রে

অনলাইন ডেস্ক

হার্ট অ্যাটাক থেকে মুক্তি ‘গোল্ডেন আওয়ার’রে

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এখনও হাসপাতালে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। চিকিৎসকেরা বলছেন, গোল্ডেন আওয়ারে হাসপাতালে এসেছিলেন সৌরভ। তাই বিপদ আসেনি তেমনভাবে। কিন্তু তার মত আমরা সবাই তো সৌভাগ্যবান না। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে যেভাবে বাড়ছে রক্তচাপ। তাতে, হৃদরোগের আশঙ্কাও বেড়েই চলেছে।বুকে ব্যাথা হলেই আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। প্রত্যেকেরই জানা উচিৎ কী এই গোল্ডেন আওয়ার। তার আগে হার্ট অ্যাটাক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকা জরুরি।

কেন হার্ট অ্যাটাক
আর্টারিতে ব্লকেজ তৈরি হওয়া দিয়েই শুরু হয়। ধীরে ধীরে ওই ব্লকেজ থেকেই রক্ত জমাট বাঁধে। তখন হার্টের পেশীতে অক্সিজেন সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায়। আর এই অবস্থায় গোল্ডেন আওয়ার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কার্ডিয়াক অ্যাটাকের প্রথম ৮০ থেকে ৯০ মিনিটের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ হবে যায় হৃদযন্ত্রে। ওটাই হল গোল্ডেন আওয়ার। আর ৬ ঘণ্টা পর হৃদযন্ত্রের বেশ কিছু অংশ বিকল হয়ে যায়। তাই সাধারণত হৃদরোগে আক্রান্ত হলে সেকেন্ড চান্স পাওয়া কঠিন।


খাল দখলদার কেউ ছাড় পাবে না : মেয়র আতিকুল

সবচেয়ে সুন্দরী স্ত্রী কে? সংজ্ঞা দিলেন মুফতি আনাস

অক্ষয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রতি লোভ অনিল কাপুরের


গোল্ডেন আওয়ার
যদি কেউ গোল্ডেন আওয়ারের মধ্যেই হাসপাতালে পৌঁছে যান, সেক্ষেত্রে তাঁকে বাঁচানো সহজ হয়। ওই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকেরা সঠিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে অবস্থা নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ঠিক কোথায় ব্লকেজ তা ওই সময়ের মধ্যেই খুঁজে বের করা সম্ভব হয়। রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয় ক্যাথ ল্যাবে। সেখানেই প্রাথমিকভাবে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করে ব্লকেজ সরানো হয়।

অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি
বিশ্ব জুড়েই প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে এই অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিকেই বেছে নেওয়া হয়। অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিতে ‌একটি ক্যাথিটার ব্লাড ভেসেলের মধ্যে দিয়ে ঢোকানো হয় হৃদযন্ত্র পর্যন্ত। এভাবেই ব্লকেজ সরানো হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। আর্টারিকে খোলা রাখতে স্টেন্ট বসানো হয়। এর ফলে নতুন করে ব্লকেজ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মশা তাড়ানোর সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

মশা তাড়ানোর সহজ উপায়

মশা, এক যন্ত্রণাদায়ক পতঙ্গের নাম। বিরক্তিকর উপদ্রবের পাশাপাশি এরা রোগজীবাণু সংক্রামণ করে। আপনি কি জানেন অতি সহজেই ঘরোয়া কিছু উপায়ে আপনি জব্দ করতে পারেন মশাদের।

মশা তাড়ানোর উপায়গুলো:

শোবার সময় আপনি যেদিকে মাথা দেবেন তার থেকে একটু দূরে নিমের তেল দিয়ে প্রদীপ জ্বালান। যদি মশার উপদ্রব খুব বেশি হয় তাহলে সেই তেলে একটু কর্পূর মিশিয়ে নিন। এতে করে মশা আপনার ধারে কাছেও আসবে না।

একটি পাত্রে নারকেল তেল, নিমের তেল, লবঙ্গের তেল, পিপারমেন্ট তেল সমান মাত্রায় নিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ একটা বোতলে ঢেলে নিন। রাতে শোয়ার আগে আপনি এই তেল গায়ে মেখে নিন, একটা মশাও আপনার কাছে ঘেঁষবে না।

এই টোটকার জন্য নিমের তেল, কর্পূর এবং তেজপাতা চাই। সবার আগে নিমের তেলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ঢেলে নিন, এবার তেজপাতার ওপর সেই মিশ্রিত তেল স্প্রে করুন। তারপর তেজপাতাটা পুড়িয়ে দিন। যদি বাড়িতে কোনো স্প্রে বোতল না থাকে তাহলে হাত দিয়ে তেজপাতার ওপর তেল ভালো করে লাগিয়ে নিন। তেজপাতার ধোঁয়ায় মশা মুহূর্তে ঘর ছেড়ে পালাবে। জেনে রাখুন, তেজপাতার ধোঁয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকারক না।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানের সমস্যা হলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

কানের সমস্যা হলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে

নানা কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে। তখন সার্বিক যোগাযোগ ক্ষমতায় ব্যত্যয় ঘটে। তাই কানের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কানের যত্ন নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের ইউনিটপ্রধান অধ্যাপক ডা. মঞ্জুরুল আলম।  

শ্রবণশক্তি হ্রাসের প্রভাব

শ্রবণশক্তি হারালে অনেক ধরনের প্রভাব পড়ে। যেমন—

►   শ্রবণশক্তি হারানো মানে কোনো কিছু না বোঝা এবং বিভিন্ন কথাবার্তায় শব্দের পার্থক্য করতে না পারা। কারো শ্রবণশক্তি হারালে এবং তার চিকিৎসা না করালে বা বিলম্ব করা হলে ওই ব্যক্তিটির জানার ক্ষমতা, ভাষার দক্ষতা ও সার্বিক বিকাশ কমে যায়।

►   ভাব প্রকাশ করার ক্ষমতা কমে যাবার পাশাপাশি তার বুদ্ধি কমে যায় ও মানসিক ত্রুটি দেখা যায়।

►   শ্রবণশক্তি হারানো মানুষকে বিচ্ছিন্ন, দুর্বল, একাকী করে দিতে পারে।

►   বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, শ্রবণশক্তি হ্রাসের বিষয়ে মনোযোগের অভাবে বিশ্বব্যাপী ৭৫০ বিলিয়ন ডলারের বার্ষিক খরচ হয়, যা ক্ষতিগ্রস্তদের আয়ের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


শ্রবণশক্তি হারানোর কারণ

►   কম ওজন নিয়ে জন্ম, বার্থ অ্যাসফিক্সিয়া, নবজাতকের জন্ডিস ইত্যাদি রোগ।

►   মায়ের গর্ভকালীন কিছু সংক্রমণ যেমন— সাইটোমেগালো ভাইরাস, রুবেলা। শিশুর মেনিনজাইটিস, মাম্পস, মিজেলাস, মধ্যকর্ণের সংক্রমণ ইত্যাদি।

►  ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস সংক্রমণ।

►   দীর্ঘদিন উচ্চ শব্দপূর্ণ পরিবেশে থাকা বা কানের জন্য ক্ষতিকর ভলিউমে শোনা।

►   কানে ফাংগাল ইনফেকশন বা ময়লা জমা হয়ে কান বন্ধ হয়ে যাওয়া।

এ ছাড়া কানে আঘাত, বংশগত কারণ, কানের জন্য ক্ষতিকর কিছু ওষুধ প্রয়োগ, দীর্ঘ ফোনালাপ, কান বা ব্রেন টিউমার, হঠাৎ মাত্রাতিরিক্ত বা আতশবাজির শব্দ, বার্ধক্যজনিত কারণ ইত্যাদি শ্রবণশক্তি হারানোর কারণ।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ব্যায়াম করছেন? মাথায় রাখুন বিষয়গুলো

অনলাইন ডেস্ক


ব্যায়াম করছেন? মাথায় রাখুন বিষয়গুলো

শরীর সুস্থ রাখতে সতেজ খাবার ও সঠিক নিয়মে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। তবে কখনো কী ভেবে দেখেছেন, যখন তখন শরীরচর্চা করা আপনার জন্য সঠিক কিনা? 

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যায়াম করারও রয়েছে কিছু সঠিক দিক নির্দেশনা। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ব্যায়ামের সেসব দিক নির্দেশনা সম্পর্কে-

খালি পেটে কখনো ব্যায়াম করা যাবে না। তাই নাস্তার কয়েক ঘণ্টা পর ব্যায়াম করতে হবে। তবে ঘুম থেকে ওঠার আধা ঘণ্টা পর হালকা জগিং বা মর্নিং ওয়াক করা যেতে পারে।

ব্যায়ামের জন্যে বিকেলের সময়টা সবচেয়ে ভালো। দীর্ঘক্ষণ শরীরচর্চা করতে চাইলে ঘুম থেকে ওঠার ৬ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো একটি সময় বেছে নিন।

অনেকে সন্ধ্যার পর ব্যায়ামের সময় পান। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শরীরে ক্লান্তিবোধ না থাকে।

যোগ ব্যায়ামের জন্য সন্ধ্যা উপযুক্ত সময়। এ সময় ট্রেডমিল বা সাইক্লিংও করা যেতে পারে।


৩৩৭ জনকে উপসচিব পদে পদোন্নতি

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


শারীরিক সক্ষমতা ও বয়স অনুযায়ী ব্যায়াম করা উচিত। পিঠে বা কোমরে ব্যথা কিংবা শ্বাসকষ্ট থাকলে ব্যায়াম করার ক্ষেত্রে ডাক্তার কিংবা শরীরচর্চা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। গর্ভকালীন সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যায়াম করা উচিত নয়।

যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা বা ডায়েট পরিকল্পনার জন্য চিকিৎসক এবং শরীরচর্চা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নেয়া উচিত।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চায়ের রয়েছে যাদুকরি গুণাবলি

অনলাইন ডেস্ক

চায়ের রয়েছে যাদুকরি গুণাবলি

চায়ের রয়েছে ক্লান্তি দূর করার এক যাদুকরি পাওয়ার। আমরা যখনই ক্লান্ত অনুভব করি তখনই এক কাপ চা পান করি। নিমিষেই আমাদের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। চায়ের সাথে যদি আদা, লবঙ্গ, এলাচ কিংবা দারুচিনি দিয়ে খাওয়া যায় তাহলে তো সোনায় সোহাগা। এসব মসলার রয়েছে অসাধারণ গুণাবলি।   

ব্ল্যাক টি, গ্রিন টি, হোয়াইট টি-তে রয়েছে ফ্লাভোনয়েড নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ক্যানসার বা হার্টের অসুখের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এটি উপযোগী।

গ্রিন টি ব্লাডার, ব্রেস্ট, লাং, স্টমাক, প্যানক্রিয়াটিক ও কোলেরেক্টল ক্যানসারের আশঙ্কা খানিকটা হলেও কমায়। ওজন কমাতে, কোলেস্টেরল লেভেল সঠিক রাখতে ও অ্যালজেইমারস বা পারকিনসনস-এর মতো সমস্যার প্রতিরোধক হিসেবেও কাজে দিতে পারে গ্রিন টি।

ব্ল্যাক টি ফুসফুস ভালো রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও কার্যকর চা। সর্দি-কাশি সারাতে তুলসি, আদা, লবঙ্গ মিশিয়ে খেতে পারেন এক কাপ গরম চা।


ওমান সাগরে তৈরি হবে ইরানের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাই ঘুম হয়নি শ্রাবন্তীর

ট্রাকচাপায় চবি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্রের মৃত্যু

শতকোটি টাকার মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার


কফির তুলনায় ক্যাফেন অনেকটাই কম চায়ে। চায়ে থাকা ক্যাফেন ও থিয়ানিন মস্তিষ্ক সুস্থ রাখে।

দুধ চা খাওয়ার অভ্যাস একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে এমন নয়।  তবে খব বেশি না খাওয়াই ভালো। সকালে উঠে দুধ চা খেলে তার আগে কিছু খাবার খেয়ে নিন। তাহলে অ্যাসিডিটির আশঙ্কা কমবে। তবে চায়ে দুধ মেশালে তাতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ কমে যায়।

ফলে চায়ের পুরোপুরি গুণ আমরা পাই না। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দুধ চা খেলে তা মেটাবলিক অ্যাক্টিভিটিতেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে, শরীর ডিহাইড্রেটেড হতে পারে।

তাই সকালে উঠেই যদি এককাপ লিকার চা মধু বা লেবু মিশিয়ে পান করা যায় এটা শরীরের জন্য খুবই উপকারি। যেটা আপনাকে সতেজ করবে। সকালের ঘুম ঘুম ভাব দূর করবে। কাজের স্পিড বাড়াবে। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঘুমানোর সময় ফোন পাশে রাখলে যে বিপদ হতেপারে!

অনলাইন ডেস্ক

ঘুমানোর সময় ফোন পাশে রাখলে যে বিপদ হতেপারে!

ঘুমানোর সময়ও ফোন একেবারে পাশে রেখে ঘুমিয়ে যায়? দিনের পর দিন এ অভ্যাস হতে থাকলে সাবধান হতে হবে। কারণ ঘুমানোর সময় পাশে ফোন রাখলে অনেক সমস্যা হতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়:

অনেকেই আছেন, বিছানায় পড়া মাত্র ঘুমিয়ে যান। নিয়মিত ভালো ঘুম হয়। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে ঘুম আসতে চায় না। এক্ষেত্রে রাত জেগে থাকার অভ্যাস, অনিদ্রা বা ঘুম না ধরার পিছনে ফোনও কিন্তু একটি বড় সমস্যা। বেশ কয়েকটি সমীক্ষাতেও একই তথ্য উঠে এসেছে। আসলে ঘুমোতে যাওয়ার আগে শরীর ও মস্তিষ্কও একটা প্রস্তুতি নেয়। হালকা হতে চায়। কিন্তু ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গেম খেললে, সোশ্যাল সাইটে চ্যাটিং করতে থাকলে ঘুমোনোর জন্য সেই শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া যায় না।

স্লিপ সাইকেলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়: 

অতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের সঙ্গে মানুষজনের সার্কাডিয়ান রিদমের একটি যোগ রয়েছে। এটি স্নায়ুতন্ত্রের কাজকেও প্রভাবিত করে। স্বভাবজাত ভাবে ঘুমের একটি চক্র থাকে। অর্থাৎ মানুষ মাত্রই একটি স্বাভাবিক স্লিপ সাইকেল রয়েছে। যা সম্পূর্ণ হওয়া মাত্রই ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু রাত জেগে ফোন ব্যবহার করলে, বা ফোনের প্রতি আসক্ত থাকলে সেই স্লিপ সাইকেল ব্যাহত হয়। এক্ষেত্রে ফোনের এই ব্লু লাইট থেকে বাঁচতে হলে ঘুমোতে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে থেকেই ফোনের ব্যবহার ছেড়ে দিতে হবে।

তেজস্ক্রিয় বিকিরণ:  

অনেকেই দাবি করেন, ফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ থেকে ক্যানসার হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনও গবেষণাধীন। ১৯৯৯ সালে ইঁদুরদের উপরে সেল ফোনের তেজস্ক্রিয় বিকিরণের প্রভাব পরীক্ষা করা হয়। তাদের শরীরে ম্যালিগন্যান্ট-সহ সাধারণ টিউমারও দেখা যায়। তবে অধিকাংশ গবেষণাই এই বিষয়টিকে অস্বীকার করেছে। তবে সচেতনতাই সব চেয়ে ভালো পদক্ষেপ। এক্ষেত্রে ফোনটিকে দূরে সরিয়ে রাখাই শ্রেয়। যদি ঘুমোনোর সময় গান শোনা বা কোনও গুরুত্বপূর্ণ কল করতে হয়, তাহলে ইয়ারবাড বা ব্লুটুথ স্পিকার ব্যবহার করা যেতে পারে।


সালমান খানের তোয়ালে পরা ছবি ভাইরাল

দেব-মিমি-নুসরাত যে কারণে প্রার্থীদের তালিকায় নেই

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা

রণবীরের সঙ্গে ক্যাটরিনার খোলামেলা ছবি বিশ্বাস হয়নি সালমানের


তাহলে প্রশ্ন হতে পারে রাতে ঘুমানোর সময় ফোন কোথায় রাখব। ফোন আপনার ঘরেই রাখেন। তবে তা যেন অন্তত তিন ফুট দূরত্ব হয়। এতে করে মন ও শরীর দুটোই ভালো থাকবে। সূত্র: নিউজ১৮

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর