ঐতিহ্য হারাচ্ছে মাদারীপুরের খেজুর গুড়

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর:

ঐতিহ্য হারাচ্ছে মাদারীপুরের খেজুর গুড়

আদিকাল থেকেই মাদারীপুরের ঐতিহ্য ধরে রেখেছিল খেজুরের গুড়। তবে এ ঐতিহ্য এখন অনেকটাই  হারিয়ে যাওয়ার পথে। ‘খেজুর রস-খেজুর গুড় দক্ষিণের দ্বার মাদারীপুর’। মাদারীপুর জেলা প্রশাসন এ স্লোগানকেই ব্রান্ডিং করেছে ঐতিহ্যবাহী খেজুরের রস ও গুড়ের কারণে। সেই খেজুর গুড়ের বাজার জমে উঠেছে মাদারীপুর শহর, গ্রাম তথা বড় বড় হাট বাজারে। ঐতিহ্যের কদর করেই এখনো তৈরি গুড়। 

বাণিজ্যিকভাবে অঞ্চল ভিত্তিক খেজুরের রস ও গুড়ের রপ্তানি না হলেও চাহিদা রয়েছে এখনও। এ অঞ্চলের পাটালি গুড় ভাঙলে কাচা রসের গন্ধ এবং লাল-খয়েরী স্ফটিকের মতো রঙ আর অতুলনীয় স্বাদ পাওয়া যায়। তবে আগের মত রস না থাকায় চড়া দামেই বিক্রি হয় রস ও গুড়। তবে মাদারীপুুরের এই খেজুরের রস ও গুড়ের ঐতিহ্য যাতে হারিয়ে না যায় এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। সে উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে হয়তো ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে। এখানকার রস ও গুড় শুধুই যে স্থানীয় চাহিদা মেটায় তা কিন্তু না। 

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাদারীপুুরের প্রায় সব উপজেলায়ই গুড় কম-বেশি পাওয়া যায়, তবে খোয়াজপুর, মস্তফাপুর, কালিকাপুর, কুনিয়া, আমগ্রাম, বাজিতপুর, বদরপাশা, কবিরাজপুর, লক্ষীপুর, রমজানপুর, সাহেবরামপুর, উমেদপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে গুড় পাওয়া যায়। মাদারীপুর শহরের পুরান কোর্ট এলাকায় গুড়ের বাজার বেশ জমে উঠে প্রতিবছরই। আশ পাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এখানে গুড় কিনতে আসে ক্রেতারা। অনেক সময় চলতি পথে গাড়ি থামিয়ে গুড় নিতে দেখা যায় অন্য জেলা লোকদের।

প্রতিদিন বিকেলে গাছ কাটায় (রস বের করার পদ্ধতি) ব্যস্ত থাকে শেয়ালিরা (গাছি)। খুব ভোরে গাছি ও তার পরিবারের সদস্যরা গাছ থেকে রস নামিয়ে সেই রস জ্বালিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাদু গুড়। আগুনের আঁচে ধীরে ধীরে সোনালী, কমলা অবশেষ রক্তিম লাল হয় গুড়ের রং। তখন এ তরল গুড় দিয়ে বেশ কয়েকটি নামের গুড় তৈরি করা হয়। যেমন ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, খানডা গুড়, নলের গুড়। 

হাট-বাজার দেখা যায়, গুড়ের দোকানে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড়। মৌসুমের শুরুতে তেমন গুড়ের দাম ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে কেজিতে বিক্রি হয় এই গুড়। তবে বেশি দামের যে গুড় বিক্রি হয় তার মান ও স্বাদ বেশি ভাল।

মাদারীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে খেজুর গাছের সম্ভাব্য আবাদকৃত জমির পরিমান ছিল ৫০ হেক্টর, খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল ৬৪৮০০, রস বা সংগ্রহ করা হয় এমন গাছের সংখ্যা ছিল ১৯৭২৫, রস সংগ্রহ করে এমন গাছির সংখ্যা ছিল ৫১৫ জন, খেজুর গুড় উৎপাদন ছিল ২৪০ মে.টন, সম্ভাব্য গুড়ের চাহিদা ছিল ৬২৩ মে.টন। 

২০১৬-১৭ অর্থ বছরে খেজুর গাছের সম্ভাব্য আবাদকৃত জমির পরিমান ছিল ৪৪.৫ হেক্টর, খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল ৫৭২৫০, রস বা সংগ্রহ করা হয় এমন গাছের সংখ্যা ছিল ১৭০২৫, রস সংগ্রহ করে এমন গাছির সংখ্যা ছিল ৪৯০ জন, খেজুর গুড় উৎপাদন ছিল ২২৬ মে.টন, সম্ভাব্য গুড়ের চাহিদা ছিল ৬১৭ মে.টন। 

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে খেজুর গাছের সম্ভাব্য আবাদকৃত জমির পরিমান ছিল ৪১.৭৫ হেক্টর, খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল ৪৭,৪০০,রস বা সংগ্রহ করা হয় এমন গাছের সংখ্যা ছিল ১৩৫৭৫, রস সংগ্রহ করে এমন গাছির সংখ্যা ছিল ৩৫৫ জন, খেজুর গুড় উৎপাদন ছিল ১৯১ মে.টন,সম্ভাব্য গুড়ের চাহিদা ছিল ৬১৭ মে.টন।

২০১৮-১৯ অর্থ বছরে খেজুর গাছের সম্ভাব্য আবাদকৃত জমির পরিমান ছিল ৪০ হেক্টর, খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল ৪৫৫৫০, রস বা সংগ্রহ করা হয় এমন গাছের সংখ্যা ছিল ১২,৭০০, রস সংগ্রহ করে এমন গাছির সংখ্যা ছিল ৩১৫ জন, খেজুর গুড় উৎপাদন ছিল ২০৪ মে.টন,সম্ভাব্য গুড়ের চাহিদা ছিল ৬১২ মে.টন।

২০১৯-২০ অর্থ বছরে খেজুর গাছের সম্ভাব্য আবাদকৃত জমির পরিমান ছিল ৩৪ হেক্টর, খেজুর গাছের সংখ্যা ছিল ৪০৭০০, রস বা সংগ্রহ করা হয় এমন গাছের সংখ্যা ছিল ১২,২১০, রস সংগ্রহ করে এমন গাছির সংখ্যা ছিল ৩০৬ জন, খেজুর গুড় উৎপাদন ছিল ১৮৩ মে.টন,সম্ভাব্য গুড়ের চাহিদা ছিল ৬৩০ মে.টন।

আরও পড়ুন:

রাজধানীর যে সব এলাকায় কাল গ্যাস থাকবে না

এরফান সেলিমকে অব্যাহতি দিয়ে রিপোর্ট জমা

বিয়ের ৭০ দিনে সন্তান প্রসব, দুপুরে তালাকের পর রাতেই প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে


মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর এলাকার শেয়ালী (গাছি)  লাল চান বেপারী বলেন, প্রায় ২০ বছর যাবৎ গাছ কাটি ও গুড় বানাই। খাটি গুড় বিক্রি করি বেশি দামে, আমার গুড় শুধু এই এলাকায় নয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশেও যায়। বেশির ভাগ সময়ই গুড় বানানোর জন্য অর্ডার আসে। এ সময় আমার ব্যস্ততা বেশি থাকে। আর গুড় তৈরি করতে অনেক বেশি শ্রম দিতে হয়। গাছ কমে যাওয়ায় এখন আর আগের মত বেশি রস পাই না। গাছের মালিকের সাথে পালা করে রস নিতে হয় বেশিরভাগ সময়ই। একদিন গাছের মালিক নেয় আরেকদিন আমি। আগে আমরা একজন গাছি ২০-৩০টা খেজুরের গাছ কাটতাম, এখন ৬-৮টা গাছ কাটি।

পুরান কোর্ট এলাকার গুড় বিক্রেতা আব্দুল মান্নান বলেন, এখানে গুড় কিনতে অনেক ক্রেতা আসে। সবাই খাঁটি গুড় চায়। অনেকে টাকার দিকে তাকায় না। তারা খাঁটি গুড় চায়। অনেকে মোটামুটি দামের গুড় নেয়। আমরা যেমন দাম দিয়ে কিনি তেমন দামেই বিক্রি করি। 

আরেক গুড় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেন, খাটি গুড় পাওয়া কঠিন। ভাল দাম পেলে খাটি গুড় দেয়া যায়। তবে গাছ অনেক কমে গেছে। মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, খেজুর গুড়ের মান ভাল করার জন্য আমরা গুড় প্রস্তুতকারীদের সাথে আলোচনা করেছি। আর খেজুর গাছের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য হরর্টিকালচার সেন্টারকে ১০ হাজার চারা গাছের অর্ডার দিয়েছি। আমরা মাদারীপুরের খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য রক্ষায় সচেষ্ট আছি। 

news24bd.tv / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

অনলাইন ডেস্ক

রাত জেগে স্মার্টফোন চালানোর সাথে ঘুমের সম্পর্ক

বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করতে করতে রাতে ঘুম না আসার সঙ্গে অতিরিক্ত স্মার্টফোন ঘাঁটার প্রত্যক্ষ সম্পর্ক আছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু শরীর নয়, প্রতিদিনের জীবনযাত্রার ওপরেও প্রভাব পড়ে এই অভ্যাসের কারণে। এমনকি অনেক সময় বদলে যেতে পারে পুরনো অভ্যাসও! 

দক্ষিণ ক্যারেলিনার ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুন পিচার জানান, চট করে মেজাজ বিগড়ে যাওয়া, প্রিয়জনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা, ছোটখাটো সমস্যাতেই প্রতিক্রিয়া দেখানো, এগুলো রাতে ঘুম না হওয়ার ফলেই হয়।

গবেষণা বলছে, অনিদ্রার কারণে শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে আসে। ফলে দাম্পত্য কলহও বাঁধতে পারে এর ফলে। খিটখিটে মেজাজের ফলে বহুদিনের সম্পর্ক ভেঙেও যেতে পারে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

প্রথমবারের মতো দেশে পালিত হচ্ছে টাকা দিবস

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এর ফলে আস্তে আস্তে আত্মবিশ্বাসও কমে যেতে পারে। প্রভাব পড়ে ত্বকের ওপরেও। চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল, ফোলা ভাব এর কারণেই হয় বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌন উত্তেজনাও কমে আসে এর ফলে। 

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে আপেল কুলের বাগান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ ও বিষমুক্ত কাস্মেরি আপেল কুলের বাগান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন  করেছেন  ফরিদপুরের তরুণ উদ্দ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। মফিজুর জানান, গেল বছরের মত এ বছরও তার আশানুরুপ কুল উৎপাদন হবে। বর্তমানে বাজারে আপেল কুলের দরও বেশ চড়া। 

এ কারণে এ বছরও ৬০-৭০লাখ টাকার কুল ও দেড় কোটি টাকার কুলের চারা বিক্রির আশা করছেন তিনি। তার এই সফলতা দেখে কুল বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকে।  

ফরিদপুর সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের তরুণ উদ্দ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। গেল বছর ৮বিঘা জমিতে কাস্মেরি আপেল কুলের চারা রোপন করেন তিনি। গাছ লাগানোর ৯ মাসের মাথায় প্রথম কুল ধরতে শুরু করে। তার উৎপাদন খরচ ১১ লাখ টাকা  হলেও প্রথম বছরেই  কুল বিক্রি করে আয় হয় তার প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।  

মফিজুর রহমান জানান, এবছরও তার বাগানে আশানুরুপ কুল উৎপাদন হবে। আবার এই বাগানের গাছ থেকেই কাটিং করে তৈরী করা হচ্ছে নতুন চারা। চলতি মৌসুমে কুল ও চারা বিক্রি করে প্রায় ২ কোটি টাকা আয় হবে এমন আশা করছেন তিনি।  

মফিজুর শুধু নিজে স্বাবলম্বী হননি, তার বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেকে মফিজুরের সফলতা দেখে কুল বাগান করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন  এ অঞ্চলের শিক্ষিত যুবকরা।


ছেলের প্রেমিকাকে রাত জেগে পাহারা দিলেন বাবা

পানি পানে আসা কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও মাটিচাপা

কালো পোশাকে নতুন এক জয়া

সৌদি যাত্রীর ছোট ব্যাগ থেকে মিলল ৫ কেজি স্বর্ণ


সংশ্লিষ্ট বলছেন, এ ফলটি লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছরই এর আবাদ বাড়ছে। কুল চাষ প্রসারের লক্ষ্যে সব ধরণের সহায়তা করা হবে।   

ফরিদপুর জেলায় এ বছর ২৩০ হেক্টর জমিতে কুল চাষ করা হয়েছে। যা থেকে প্রায় ২হাজার ৭শত মেট্রিক টন কুল উৎপাদিত হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

অনলাইন ডেস্ক

ইয়ার্ড সেলে মিললো ৪ কোটি টাকার মূল্যবান চীনামাটির পাত্র!

যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাট রাজ্যে ঘটেছে এমনই এক আশ্চর্য ঘটনা। একটি ইয়ার্ড সেলে মাত্র ৩৫ মার্কিন ডলারে কেনা একটি চীনামাটির পাত্র শেষ পর্যন্ত পরিণত হল ১৫শতকের মূল্যবান এক চীনা আর্টিফ্যাক্টে।

এই চীনামাটির পাত্রটির মূল্য হতে পারে ৩ থেকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪ কোটি টাকা। সোথেবি নামে একটি কোম্পানি এই তথ্য জানিয়েছে। সোথেবি একটি ব্রিটিশ কোম্পানি যারা নিলামে মূল্যবান বস্তু কেনাবেচার কাজ করে।

সাদা রঙের চীনামাটির এই বাটিটি দৈর্ঘ্যে ৬ ইঞ্চি (১১ সে.মি.)। এতে সাদার উপরে কোবাল্ট ব্লু রঙের দৃষ্টিনন্দন ফুল ও অন্যান্য ডিজাইন করা রয়েছে।

একজন অ্যান্টিক কালেক্টর গতবছর কানেক্টিকাটের নিউ হাভেন এলাকায় ঘুরতে ঘুরতে ইয়ার্ড সেলে এই চীনামাটির পাত্রটি দেখে অবাক হন। পরবর্তীতে তিনি মাত্র ৩৫ ডলারে পাত্রটি কিনে সোথেবি’র দুইজন চাইনিজ আর্টিফ্যাক্ট বিশেষজ্ঞ এঞ্জেলা ম্যাকাথির ও হাঙ ইন কে ইমেইল করেন।

সোথেবি’র চাইনিজ আর্ট বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাকাথির বলেন, “এটা দেখার সাথে সাথেই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে আমরা খুবই অসাধারণ কিছুর দিকে তাকিয়ে আছি। পাত্রটির উপরে পেইন্টিং, পাত্রটির আকৃতি, এমনকি এর নীল রঙ সাক্ষী দেয় যে এটি ১৫ শতকের একদম শুরুর দিকে তৈরি হয়েছিলো।“


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

ভারতে বাড়ছে গাধার চাহিদা!

ভারতের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে বেদ, গীতা, সংস্কৃত

এই নচিকেতা মানে কী? আমি তোমার ছোট? : মঞ্চে ভক্তকে নচিকেতার ধমক (ভিডিও)


এই পাত্রটি এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সাতটি পাত্রের একটি। আগামী ১৭ মার্চ নিউইয়র্কে এটি মূল্যবান চীনা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ক্যাটাগরিতে নিলামে তোলা হবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ কোম্পানিটি।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও:

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ সৌন্দর্য

ঠাকুরগাঁও জেলার গ্রাম-গঞ্জের রাস্তা দিয়ে চলা ফেরা করলে চোখে সামনে ভেসে আসে লাল ফুলের পাপড়ির সৌন্দর্যের এক দৃশ্য। দূর থেকে মনে হবে কেউ লাল গালিচা বিছিয়ে রেখেছেন। পুরো গাছজুড়ে টকটকে লাল শিমুল ফুল।

কোনোই সুবাসনা না থাকলেও সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন সকলেই। গাছগুলোতে পাখী আর মৌমাছিদের ভীর চোখে পড়ার মত। ফালগুন মানেই যেন শিমুল ফুল। ডালে ডালে টকটকে লাল ফুল ছাড়িয়ে জানান দেয় বসন্তের আগমন। দেশের এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে শিমুল ফুলের দেখা মেলে না।

বুধবার (৩ মার্চ ) জেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জ ঘুরে দেখা মিলে শিমুলের লাল ফুল। যতদুর দৃষ্টি সীমানা যায় শুধু লাল আর লাল। এই দুশ্য দেখে মনে হবে লাল গালিচা বিছানো এক গ্রাম। তবে গ্রামবাসীরর ভাষ্য মতে কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ এই সৌন্দর্য। শিমুল গাছের তুলা দিয়ে তৈরি হয় লেপ-তোষক ও বালিশ। এগুলো ব্যবহার যেমন আরামদায়ক তেমন স্বাস্থ্যসম্মত। শিমুল গাছ সংরক্ষণে সরকারিভাবে কোনো কার্যক্রম নেই।


বিক্রি হওয়া সেই শিশু ফিরে পেলেন মা

ভারতে বাড়ছে গাধার চাহিদা!

ভারতের মাদ্রাসায় পড়ানো হবে বেদ, গীতা, সংস্কৃত

জন্ম নেওয়া শিশুর বাবা দাবি করলেন তিন যুবক


জনসচেতনতার অভাবে এ জেলা থেকে ক্রমেই হারিয়েই যাচ্ছে শিমুল গাছ। বর্তমান প্রজন্মের শিশুরা শিমুল গাছও ঠিক মতো চেনেন না। শিমুল গাছ বিলুপ্তির কারণে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে স্বাস্থ্যসম্মত তুলা থেকে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পর্যটক নেই ফ্রান্সে

ফয়সাল আহাম্মেদ

করোনা ভাইরাস, এক বছর ধরে জনজীবনে স্থবিরতা তৈরি করে রেখেছে। ঘর বন্দি হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে চাকুরীজীবী, ব্যবসায়িসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। বিশেষ করে প্যারিস পর্যটন নির্ভর হওয়ায় ক্ষতির পরিমানটাও বেশি। 

পর্যটকদের তীর্থস্থান হিসেবে বিশ্ব নন্দিত প্যারিস শহর এখন অনেকটাই ভুতুড়ে নগরী। নেই আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য আর পথ-ঘাটের ভীড়। যুক্তরাজ্যের নতুন করোনাভাইরাসের ভেরিয়েন্ট শনাক্তের পর দ্বিতীয় দফা দীর্ঘ লকডাউনে পড়েছে ফ্রান্স। উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় সারাক্ষণ ফরাসীরা। চাকরি হারিয়েছেন অনেকেই। ব্যবসায় নেমেছে ধস। ফ্রান্স বাংলাদেশ চেম্বার এর সভাপতি কাজী এনায়েত উল্লাহ জানিয়েছেন আর ছয় সপ্তাহ পরই স্বস্তির আশ্বাস দিয়েছে ম্যাক্রো সরকার। 


যে জায়গায় মিল পাওয়া গেছে বুবলী-দীঘির

সোনালির প্রেমে পড়ে স্ত্রীকে ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন যেসব তারকারা

পুলিশ হেফাজতে আইনজীবীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

ভাসানচরে যাচ্ছে দুই হাজারের বেশি রোহিঙ্গা


বলা হচ্ছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে ফ্রান্সের অর্থনীতি। দেশটির রাজস্ব আয়ের বড় অংশই আসে পর্যটন খাত থেকে। মহামারীর প্রাদুর্ভাবে পর্যটক শূণ্য প্যারিস। গেলো এক বছর ধরে এই শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ক্ষতির কবলে। করোনা মোকাবিলা করে প্যারিস আবারো তার আপন মহিমা ফিরে পাবে, ফিরে আসবে আগের সেই কর্ম চাঞ্চল্য, এমনটাই প্রত্যাশা ফরাসিদের।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর