চীনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল দিতে চায় বিএসএমএমইউ

অনলাইন ডেস্ক

চীনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল দিতে চায় বিএসএমএমইউ

চীনা কোম্পানি আনুই জিফেই এর ভ্যাকসিন তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল করতে সম্মতি জানিয়ে চিঠি দিয়েছে বিএসএমএমইউ।

বিস্তারিত আসছে..

news24bd.tv / আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিনির বিকল্প কি, কতটুকু খাবেন?

অনলাইন ডেস্ক

চিনির বিকল্প কি, কতটুকু খাবেন?

সাদা চিনি যে কেবল ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য নিষেধ, তাই নয়, এখন দেখা যাচ্ছে যে সাদা চিনি উচ্চ সরল শর্করা ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত, এটা রক্তে শর্করার পাশাপাশি ওজনও বাড়ায়। বাড়তি চিনি রক্তে ও যকৃতে চর্বি বা ট্রাইগিস্নাসারাইড হিসেবে জমা হতে থাকে। ফ্যাটি লিভার, হৃদ্‌রোগসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায় এই সাদা চিনি। শুধু তা–ই নয়, বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে চিনি আসলে অ্যাডিকটিভ, মানে এতে আসক্তি জন্মে। 

তাই বলে কি মিষ্টি জিনিস মোটেও খাব না? জীবনটা কেবল তেতো হয়েই থাকবে? আসুন জেনে নিই চিনির বিকল্প কী হতে পারে?

স্বাদ চিনির মতো হলেই ভালো হয়, অথচ শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক হবে না, এমন বিকল্প খুঁজে পাওয়াই বেশ সমস্যার। চিনি খাওয়া নিয়ে আবার বেশ কিছু ভুল ধারণাও রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেগুলো নিয়েই একটু আলোচনা করা যাক।

চিনির বিকল্প কি মধু? 
অনেকেই সারা দিনে চিনি খাওয়া একেবারে কমিয়ে দিয়ে তার বদলে সুগার ফ্রি, মধু, রিফাইন্ড সুগার ইত্যাদি খেয়ে থাকেন। তবে এ ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, চিনির বিকল্প হিসেবে যা বাছলেন, তাতেও কিন্তু কম-বেশি একই পরিমাণ ক্যালোরি থাকছে। তাই দৈনিক সুগার ইনটেক কমাতে চাইলে মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়াই কমিয়ে ফেলতে হবে। আর রান্নায় চিনির পরিমাণ কমাতে হবে।

দৈনিক কতটা চিনি খাওয়া যেতে পারে?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট বলছে, দক্ষিণ এশিয়দের শরীরের গঠন অনুযায়ী একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক পুরুষ দিনে আট চামচ চিনি খেতে পারেন। নারীরা দিনে ছয় চামচ চিনি খেতে পারেন। তবে পুরুষ এবং নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই শরীরের ওজন যথাযথ থাকলেই এই পরিমাণ চিনি খাওয়া যায়। দেহের ওজন অতিরিক্ত হলে এই পরিমাণ চিনি খাওয়া যায় না।

চিনি খেলেই ব্লাড সুগার হয়?
অনেকেরই একটা মস্ত ভুল ধারণা থাকে, চিনি খেলেই ডায়াবেটিস হয়। এটি সম্পূর্ণ ভুল। তবে ডায়াবেটিস ধরা পড়লে সাধারণত চিনি খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। আবার যারা চিনি অতিরিক্ত খেয়ে থাকেন, তাদের শরীরে ফ্যাট জমে ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে চিনি খেলেই যে ডায়াবেটিস হবেই, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি চিকিৎসা শাস্ত্রে।

চিনি খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেবেন?
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চিনি খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দেবেন না অথবা রাতারাতি খুব কমিয়ে দেবেন না। দেহের শর্করার মাত্রা কমে গেলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে। পরিমাণ কমাতে চাইলে আস্তে আস্তে তা করুন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পরিবারে কারো স্ট্রোক হলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

পরিবারে কারো স্ট্রোক হলে যা করবেন

স্ট্রোক মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ। সেই রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ। 

স্ট্রোক দুই ধরনের হয়ে থাকে। রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ। একে বলে হেমোরেজিক স্ট্রোক। এবং রক্তনালি ব্লক হয়ে গিয়ে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না যাওয়া এবং ওই অংশের শুকিয়ে যাওয়া। একে বলে ইস্কেমিক স্ট্রোক।

পরিবারের কারো স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে আপনার প্রথম ও প্রধান করণীয় রোগীকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব অ্যাম্বুলেন্স ডাকা এবং হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করা। 

নিজে থেকে কোন ধরণের ওষুধপত্র দিবেন না। কারণ ভুল ওষুধে আরও ক্ষতি হতে পারে। মুখ দিয়ে কিছু খাওয়াতে যাবেন না। এমন কী পানিও না। খাবার ও পানি তার শ্বাসনালিতে গিয়ে আটকে যেতে পারে ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে অথবা ইনফেকশন করতে পারে, যা এ অবস্থায় তার জন্য খুবই ক্ষতিকর।


আরও পড়ুনঃ


সমালোচনা আমাদের কাজের সফলতা : কবীর চৌধুরী তন্ময়

পাবনায় থাকছেন শাকিব খান

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


আর সুই দিয়ে আঙ্গুল ফুটো করে দেয়ার যে প্রচলিত ধারণাটি আছে সেটি ভুলেও করবেন না। এতে রক্তক্ষরণ থেকে রোগী আরও খারাপ হয়ে যেতে পারে, ক্ষতের জায়গায় ইনফেকশন হয়ে রক্তে ছড়িয়ে সেপটিসেমিয়া হয়ে যেতে পারে এবং আমাদের শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমে রক্তনালি সংকুচিত হয়ে স্ট্রোকের ফলাফল আরও খারাপ হতে পারে। 

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অপরিণত শিশুর পরিচর্যায় ক্যাঙ্গারু পদ্ধতি

হারুন আল নাসিফ

অপরিণত শিশুর পরিচর্যায় ক্যাঙ্গারু পদ্ধতি

সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ তার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে অথবা তার কাজগুলোকে আরো সহজ করে তুলতে প্রকৃতি বা পশুপাখির কাছ থেকে শিখেছে। এ শিক্ষা এখনো চলছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মানুষ ক্যাঙ্গারুর কাছ থেকে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেয়া শিশুকে কিভাবে পরিচর্যা করতে হবে তা শিখেছে। ক্যাঙ্গারু শাবক অপরিণত অবন্থায় জন্ম নেয়। আর মা ক্যাঙ্গারু তার পেটের থলিতে তার এ অপরিণত শাবককে সযত্ন পরিচর্যা দিয়ে বড় করে তোলে। মানুষও নানা কারণে অপরিণত শিশুর জন্ম দেয়।

সাধারণত বাল্যবিয়ে বা কিশোরী বয়সে বিয়ে, অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, গর্ভাবস্থায় সময়ের আগে পানি ভাঙা, গর্ভকালীন রক্তপাত, হঠাৎ পড়ে যাওয়া, ধূমপান বা তামাক গ্রহণ করা, মায়ের রক্তশূন্যতা ইত্যাদি কারণে অপরিণত শিশুর জন্ম হয়। এ অপরিণত মানবশিশুকে ক্যাঙ্গারুর অনুকরণে পরিচর্যা করে সুস্থ বরে তোলার পদ্ধতির নাম দেওয়া হয়েছে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার বা কেএমসি।

কেএমসি চালুর গোড়ার কথা

আপরিণত শিশুর পরিচর্যায় ইনকিউবেটরের সীমাবদ্ধতার কারণে প্রি-ম্যাচিউর শিশুদের চিকিৎসায় কলম্বিয়ার চিকিৎসক ‘নাথালি চারপাক’ ১৯৭৮ সালে প্রথম ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার বা কেএমসি পদ্ধতি প্রচলন করেন । এটি গত ৩০-৪০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, সুইডেন, ভারতসহ পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ইউনিসেফের তথ্যমতে, এ পদ্ধতি ব্যবহার করে গত ২০ বছরে ব্রাজিলে জন্মের পরপর নবজাতক মৃত্যুহার অনেক কমে গেছে। বিশ্বের উন্নয়নশীল ১৫টি দেশের গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার পদ্ধতি ইনকিউবেটরের চেয়েও অধিক কার্যকর। এতে শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশে কেএমসি

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণাকেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)’র উদ্যোগে মতলব হাসপাতালে প্রথম এই পদ্ধতি চালু করা হয়। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাতক বিভাগ, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বারডেম জেনারেল হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা ও উপজেলায় মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অপরিণত শিশুকে মায়ের কাছে রেখেই, মায়ের তত্ত্বাবধানে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার পদ্ধতি প্রয়োগ করে বেশ সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু প্রচারণার অভাবে এটি মানুষের কাছে তেমন পরিচিত নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবমতে, বাংলাদেশে প্রতিবছর সোয়া চার লাখ অপরিণত বয়সের নবজাতক জন্মগ্রহণ করে। অপরিণত ও অপেক্ষাকৃত কম ওজনের এসব নবজাতক শিশুর অকাল মৃত্যুরোধে সরকার নতুন জাতীয় গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে, যার আওতায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে ‘ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার’ পদ্ধতিতে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) এতে সহায়তা করেছে । সারা দেশে এটি চালু হলে নবজাতক মত্যুর হার কমে আসবে।

যাদের জন্য প্রযোজ্য

নবজাতকদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো প্রি-ম্যাচিউর বা অপরিণত জন্ম। ৩৭ সপ্তাহের আগেই সিজারিয়ান অপারেশন বা স্বাভাবিকভাবে জন্ম নেওয়া শিশুই প্রি-টার্ম বা অপরিণত শিশু। এই সময় শিশুর শরীরে তাপমাত্রা কম থাকে ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অপরিণত থাকে। দুর্বলতার কারণে নবজাতক মায়ের বুকের দুধ টেনে পান করতে পারে না। খাবার পাকস্থলীতে না গিয়ে ফুসফুসে চলে যায় বলে শ্বাসও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় সারা শরীরে সংক্রমণ হয়। জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অপরিণত নবজাতকদের আরেকটি সমস্যা হলো, স্বল্প ওজন (আড়াই কেজির কম)। এদের বাঁচাতে শরীর গরম রাখা, ঠিকমতো পুষ্টি দেওয়া, যাতে ইনফেকশন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা, যেনো শ্বাসকষ্ট না হয় তা দেখা, অক্সিজেন দেওয়া এবং প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়াসহ অনেক যত্ন নিতে হয়। এসব নবজাতককে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার পদ্ধতিতে চিকিৎসাসেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলা যায়।

ইনকিউবেটরেও ঝুঁকি থাকে

নবজাতক জন্মের পর শরীরকে সঠিক তাপমাত্রায় বা গরম রাখার জন্য প্রথাগতভাবে কাঁথা-কাপড় মুড়িয়ে মাথা ও হাত-পা ঢেকে রাখা হয়। উন্নত বিশ্বে ও বাংলাদেশের বড় বড় সেন্টারে ইনকিউবেটর বা রেডিয়েন্ট ওয়ার্মারে ৩৬ থেকে ৩৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখা হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থাটি খুবই ব্যয়বহুল এবং সব হাসপাতালে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে নেই। আবার অনেক সময় ইনকিউবেটর নিজেই শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। কেননা এটি পরিষ্কার করা ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি অনেক জটিল। তাছাড়া ইনকিউবেটরে খরচের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যাও রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে তাপমাত্রার সমস্যা হয়ে শিশুর ক্ষতি হয়। এসব সমস্যা বিবেচনা করে ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার পদ্ধতির সূচনা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে অনেক ঝুঁকিমুক্ত।

কিভাবে দিতে হয়

ক্যাঙ্গারু পদ্ধতিতে প্রসূতি মা সময়ের আগে জন্ম নেওয়া ও কম ওজনের শিশুকে বুকের চামড়ার সঙ্গে লাগিয়ে রেখে সুস্থ করে তুলতে পারে । মায়ের দুই স্তনের মধ্যে ত্বকের সঙ্গে শিশুটির ত্বকের সংস্পর্শ ঘটাতে হয়। অর্থাৎ ক্যাঙ্গারু যেভাবে পেটের থলেতে শাবককে আগলে রেখে শুশ্রূষা দেয়, মাকেও তেমনি তার বুকে আগলে রেখে শিশুর যত্ন নিতে হয়। অপরিণত নবজাতকের শরীরে তাপমাত্রা কম থাকায় মৃত্যুঝুঁকি থাকে। এ পদ্ধতিতে মা নবজাতককে বুকে জড়িয়ে রাখলে তার শরীরের তাপমাত্রা নবজাতকের শরীরে সঞ্চারিত হয়। তখন শিশুটি মায়ের দেহের তাপ থেকে উষ্ণতা পায়। এটি ইনকিউবেটরের বিকল্প হিসেবে কাজ করে মৃত্যুঝুঁকি কমায়।

এ পদ্ধতির সুবিধা

১। এ পদ্ধতির জন্য হাসপাতালে ভর্তি বা নার্সের প্রয়োজন হয় না বলে কোনো খরচ নেই।

২। শিশুকে স্তনের সাথে লাগিয়ে রাখলে মায়ের বুকে দুধ উৎপাদন রাড়াতে সহায়ক হয়।

৩। এতে মায়ের সঙ্গে নবজাতকের আত্মিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। আস্তে আস্তে নবজাতক নিজেকে প্রাকৃতিক পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে।

৪। শিশুর হৃৎপিণ্ড স্বাভাবিক গতি ফিরে পায়। শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার শক্তি বাড়ে।

৫। শিশুর কোনো জটিলতা দেখা দিলে মা দ্রুত বুঝতে পারে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিতে পারে।

৬। মায়ের অবর্তমানে শিশুর বাবা, ভাই-বোন দাদি-নানি বা অন্যরাও এ পদ্ধতিতে শিশুর যত্ন নিতে পারেন।

কখন বন্ধ করা যাবে

হাসপাতালের পরিবর্তে বাড়ির পরিবেশে থাকলে নবজাতক ও মা এই পদ্ধতিতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তবে এটি যেনো অবশ্যই মা ও শিশুর জন্য আরামদায়ক হয় তা খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য বিশেষ বেড বা চেয়ার ব্যবহার করা যেতে পারে। শিশুর ওজন ২৫০০ গ্রাম না হওয়া পর্যন্ত ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার চালু রাখতে হয়। শিশুটি পরিণত হলে হাত-পা বেশি নড়াচড়া করবে, অঙ্গগুলো টেনে বের করতে চাইবে, কাঁদতে থাকবে এবং মায়ের শরীরে লেগে থাকতে চাইবে না। তখন ক্যাঙ্গারু কেয়ার পদ্ধতি বন্ধ করে স্বাভাবিকভাবে শিশুর যত্ন নিতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি কাদের?

অনলাইন ডেস্ক

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি কাদের?

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক নারীই স্তন ক্যানসারে ভুগছেন। বিশ্বে প্রায় আটজন নারীর মধ্যে একজন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ হাজারের বেশি মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যার মধ্যে ৯৮ শতাংশ নারী ও ২ শতাংশ পুরুষ। প্রতি বছর শুধু স্তন ক্যান্সারে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি নারী মারা যাচ্ছেন।


এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে এর কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানা থাকা দরকার।  

আজ আমরা  স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে খাবারের ভূমিকা সম্পর্কে জানব।

স্তন ক্যানসারের কারণ কিছুটা আছে বংশগত এবং কিছুটা আমাদের লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিটা কমাতে পারি। সে ক্ষেত্রে যদি আমরা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে চান, বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের ওজন বেশি, যেমন চাইল্ডহুড বা অ্যাডোলেসেন্স পিরিয়ডে যাদের ওজন বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের গবেষণা, বড় বড় স্টাডিতে দেখা গেছে, ১৮ বছর বয়সের পর যাদের ওজন ২০ কেজি বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যায় ৪৫ শতাংশ এবং পোস্ট 

মেনোপজ বা মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাদের ওজন বেড়ে যায়, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিটা বেড়ে যায়। সুতরাং আমাদের কিন্তু ওজনটা আদর্শ ওজনে রাখতে হবে এবং কিছু কিছু স্টাডিতে এও দেখা গেছে, যারা কিনা টিনএজার বা চাইল্ডহুডে ওজন বেশি থাকে, তাদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি এবং মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওজন বেশি থাকে, তাদের ঝুঁকিটা বেশি থাকে। 

সুতরাং আমরা আদর্শ ওজন মেইনটেইন করব। সুষম বা ব্যালেন্স ডায়েটের মাধ্যমে আমরা চাইল্ডহুড কিংবা অ্যাডোলেসেন্স পিরিয়ড থেকে আমরা ওজনটা নিয়ন্ত্রণে রাখব। এ ক্ষেত্রে আমি বলব, অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদের সাহায্য নিয়ে যেন তার ওজনটা ঠিক রাখার চেষ্টা করে।

পরামর্শ
কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো আমরা যদি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিই, তাহলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে অনেকটা মুক্ত হব। যেমন, সবার প্রথমে যেটা বলা যায়, সেটা হচ্ছে চিনিজাতীয় খাবার। চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার কিন্তু স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। তারপর আসি রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, যেমন ময়দার তৈরি খাবারগুলো স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এ সমস্ত খাবার আমাদের খাবার তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। তারপর হচ্ছে প্রসেস ফুড। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ১৫টা স্টাডিতে দেখা গেছে যে প্রসেস ফুড গ্রহণের ফলে ৯ শতাংশ স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

যে সমস্ত খাবার আমরা খাদ্যতালিকায় রাখব
সেগুলো হচ্ছে ফাইবার-জাতীয় খাবার, টকজাতীয় ফল বা সাইট্রাস ফুড। আমরা খাবারের তালিকায় রাখতে পারি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলস, এটার মধ্যে আছে গ্লুকোজ, সিনোলেট; যা কিনা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবল হচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি; এ জাতীয় খাবার। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের রক্তে ক্যারোটিনয়েডসের পরিমাণ বেশি, তাদের ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি যেমন কমে যায় এবং মৃত্যুর হারও তেমনই কমে যায়। আমরা এর মধ্যে রাখতে পারি ক্রুসিফেরাস ভেজিটেবলগুলো, এটার মধ্যে একটি উপাদান আছে, যাকে কোসিনোলেড বলে, এটা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সংবাদ উপস্থাপনায় ও নাটকে রূপান্তরিত দুই নারী

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


 

আমরা খাবারের তালিকায় রাখতে রাখি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যেগুলো মাছের তেল বা বিচিজাতীয় খাবারে পাওয়া যায়। বিভিন্ন ধরনের গবেষণায় এও দেখা গেছে, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড প্রায় ১৪ শতাংশ ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। সুতরাং আমরা খাবারের তালিকায় তৈলাক্ত মাছ, বিচিজাতীয় এবং বাদামজাতীয় খাবারগুলো রাখতে পারি। প্রোবায়োটিক, যেমন দই; এটা কিন্তু ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে। সেইসাথে আপনাকে মেইনটেইন করতে হবে—পর্যাপ্ত ঘুম যেন হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে। প্রতিদিন যদি অন্তত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ করেন, সেটাও কিন্তু ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমাবে।

এই রোগ থেকে বাঁচার উপায়-
যে কোনো রোগ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিরোধ করা সবচেয়ে উত্তম। কিছু নিয়ম মেনে চললে এই রোগ খুব সহজে প্রতিরোধ করা যায়।
 
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, প্রতিদিন ঘাম ঝড়িয়ে ৩০-৪৫ মিনিট ব্যায়াম করা, ফল ও সবজি খাওয়া, ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলা, ৩৫ বছরের পর পিল না খাওয়া, হরমন থেরাপি না নেয়া, শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো।

এ ছাড়া টেমক্সিফেন অথবা রেলক্সিফেন ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন না করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চল্লিশেও ফিট থাকার রহস্য

অনলাইন ডেস্ক

চল্লিশেও ফিট থাকার রহস্য

চল্লিশ বছরের পর নিজেকে ফিট রাখাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। কারণ ত্রিশের পর থেকেই শরীরে নানা রকম অসুখ বাসা বাঁধতে শুরু করে।  কিন্তু আপনি যদি সহজ কিছু দৈনন্দিন কাজ করেন তাহলে  আপনি থাকতে পারবেন ফিট।  এজন্য আপনাকে খুব বেশি কিছু করতে হবে প্রতিদিনের কাজের সঙ্গে যোগ করবেন বাড়তি কয়েকটা টিপস। শরীরকে ফিট রাখতে পরিমিত সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম করা এ সময়টায় খুবই জরুরি। তবে যাঁরা নিয়মিত জিমে গিয়ে ব্যায়াম করতে পারেন না, ব্যায়ামের বিষয়ে কিছু সহজ পরামর্শ।

১. আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে না উঠতে পারেন এবং ব্যায়াম না করতে পারেন, তাহলে এই অভ্যাস করতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। নিজের সময়মতো উঠুন এবং ঘরেই কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। আধা ঘণ্টার মতো যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচ করুন।

২. হাঁটার জন্য একটু নির্দিষ্ট সময় বের করে নিন। একা হাঁটতে ভালো না লাগলে বন্ধুদের বলতে পারেন আপনার সঙ্গে হাঁটার জন্য। আর যদি আলাদা করে হাঁটার সুযোগ না হয়, তবে ধারেকাছে কোনো বাজারে যান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো কিনুন। এতেও আপনার হাঁটা হয়ে যাবে।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল


৩. হাঁটার সময় পানির বোতল সঙ্গে রাখুন। আসল ব্যায়াম শুরুর আগে ওয়ার্মআপ করে নেবেন।

৪. খালি পেটে ব্যায়াম করবেন না। অন্তত ব্যায়ামের আগে একটা বিস্কুট বা এক টুকরো আপেল খেয়ে নেবেন।

৫. সকাল বা রাতের খাবারের সঙ্গে সঙ্গেই ব্যায়াম করা শুরু করবেন না। কিছুটা বিরতি দিন। এর পর শুরু করুন।

৬. লিফট এড়িয়ে হেঁটে যান। এতে বোঝা যাবে শরীর কতটা সুস্থ আছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ছয়তলা যদি পাঁচবার ওঠানামা করা হয়, এটা ৩০ মিনিট জগিং করার সমান।

৭. সুস্থ দীর্ঘ জীবন পেতে এবং যৌবন ধরে রাখতে সকালে খানিকক্ষণ সূর্যালোকে থাকুন। সূর্যের আলোতে আছে ভিটামিন ডি যা হাড়কে মজবুত করে। এবং সঙ্গে মানসিক চাপ ও অবসন্নতাও কমিয়ে দেয়।

ব্যায়ামের জন্য এই বিষয়গুলো মেনে চললে চল্লিশের পর শরীরকে ফিট রাখতে কাজে দেবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর