ক্যাপিটলভবন মার্কিন গণতন্ত্রের প্রতিমূর্তি

অনলাইন ডেস্ক

 ক্যাপিটলভবন মার্কিন গণতন্ত্রের প্রতিমূর্তি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলহিলে এর আগে হামলা হয়েছিলো ১৮১৪ সালে। যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের যুদ্ধের সময়ে।’ওয়ার অব ১৮১২’ নামে পরিচিত ছিলো ওই যুদ্ধ। ১৮১২ সালে যুদ্ধ শুরু হয় এবং শেষ হয় ১৮১৫ সালে। তখন ব্রিটিশ বাহিনী হামলা করেছিলো ক্যাপিটল ভবনে। ইউএস ক্যাপিটল হিস্ট্রি সোসাইটির বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয় এই তথ্য। 

ক্যাপিটল ভবনে হামলার সেই ঘটনার ২০৬ বছর পর এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটল খোদ মার্কিনদের হাতেই। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং সেই সঙ্গে দেশটির দুই প্রধান দলের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তি এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েই যাচ্ছেন।

সমালোচনায় শামিল হয়েছেন বিশ্বনেতারা। কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে যখন নতুন প্রেসিডেন্টকে স্বীকৃতি দেওয়ার কাজ চলছিল, তখনই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকেরা হামলা চালায়। এর আগে জর্জিয়ায় সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির দুই প্রার্থী হেরে যান।


যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবনে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে চার

জো বাইডেনের সাথেই আছি : কমলা হ্যারিস


ইতিহাস বলছে, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল স্যার আলেকজান্ডার কুকবার্ন এবং মেজর জেনারেল রবার্ট রসের নেতৃত্বে ১৮১৪ সালের আগস্ট মাসে ক্যাপিটল ভবনে হামলা হয়। তখন ভবনটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আর ভবনটি তখন নির্মাণাধীন ছিল। কিন্তু ভাগ্য ভালো, সে সময় বৃষ্টি হচ্ছিল। তাই আগুন বেশি ছড়ায়নি।

সে সময় যুক্তরাজ্যের উপনিবেশের অধীন ছিল কানাডা। আর আপার কানাডার রাজধানী ইয়র্কে মার্কিন হামলা ও অগ্নিসংযোগের প্রতিশোধ নিতেই ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ বাহিনী এ হামলা চালায়। শুধু ক্যাপিটল ভবন নয়, হোয়াইট হাউসসহ ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন জায়গায় এ হামলা চালায় ব্রিটিশ বাহিনী।

ইউএস ক্যাপিটল হিস্ট্রি সোসাইটি হামলার পর এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইউএস ক্যাপিটল শুধু একটি ভবন নয়, এটি মার্কিন গণতন্ত্রের প্রতিমূর্তি। এখানে ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর আমাদের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্রের মৌলিক স্মারক।’

news24bd.tv /আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

উত্তাল মিয়ানমার : অভ্যুত্থানবিরোধী মিছিলে গুলিতে নিহত ১

অনলাইন ডেস্ক

উত্তাল মিয়ানমার : অভ্যুত্থানবিরোধী মিছিলে গুলিতে নিহত ১

মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, এখনও ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা মিয়ানমার। অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে আবারও ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। বিক্ষোভ মিছিলে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পুলিশের গুলিতে এক আন্দোলনকারী নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া গ্রেফতার হয়েছেন অর্ধশতাধিক।

১ ফেব্রুয়ারি ভোরে দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থান হওয়ার পর থেকে গত চার সপ্তাহ ধরে সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করে যাচ্ছে দেশটির জনগণ। খবর রয়টার্সের।

কিয়াও মিন হিনটিকে নামে মিয়ানমারের এক রাজনীতিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানান, ডাউই শহরে একটি বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে রোববার এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত এবং কমপক্ষে আরও ২০ জন আহত হয়েছেন।এর আগে এক তরুণীসহ তিন বিক্ষোভকারী প্রাণ হারান পুলিশের গুলিতে। 

এ ব্যাপারে জানতে গণমাধ্যমগুলো দেশটির পুলিশ বা ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।

সম্প্রতি নির্বাচনে অং সান সু চির দল বিপুল ভোটে জয়লাভের পর কারচুপির অভিযোগ এনে দেশটিতে সামরিক অভ্যুথান ঘটায় সেনাবাহিনী। এখনও আটক করে রাখা হয়েছে সু চিসহ দেশটির শীর্ষ অনেক নেতাকে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সৌদি যুবরাজ সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহবান জাতিসংঘের

অনলাইন ডেস্ক

সৌদি যুবরাজ সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আহবান জাতিসংঘের

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি অ্যাগনেস ক্যালামার্ড। সৌদি যুবরাজের নির্দেশেই ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে এমন অভিযোগের কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা দিতে বলেছেন তিনি। 

তিনি এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, বিন সালমানের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক লেনদেনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে। ক্যালামার্ড বলেন, যারা খাশোগিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছে তাদেরকে আন্তর্জাতিক সমাজ থেকে একঘরে করে রাখতে পারলে একই ধরনের অপরাধ করার কথা যারা চিন্তা করে তারা শিক্ষা পেয়ে যাবে।  

খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পুঙ্খানুপুঙ্খ গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেয়ার জন্যও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


সৌদি আরবের ক্ষমতাধর যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান ব্যক্তিগতভাবে সেদেশের ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে সদ্য প্রকাশিত মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জানা গেছে।

২০১৮ সালে তৈরি করা মার্কিন সরকারের গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধামাচাপা দিয়ে রাখলেও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তা প্রকাশ করে দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মাদ বিন সালমান এমন একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছিলেন যাতে সৌদি নিরাপত্তা বাহিনীকে এই নির্দেশ দেয়া হয়েছিল যে, খাশোগিকে ‘ধরে আনতে অথবা হত্যা করতে’ হবে।

তবে বাইডেন প্রশাসন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তারা বিন সালমানের বিরুদ্ধে কোন ধরণের নিষেধাজ্ঞা দিবে না। ট্রাম্প প্রশাসন খাসোগি হত্যাকান্ডের আলামত ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু, বাইডেন প্রশাসন সব ফাঁস করে দিলেন।  

সূত্র: পার্স টুডে

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইরানের সঙ্গে আইএইএ’র সম্পর্ক নষ্টের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে আইএইএ’র সম্পর্ক নষ্টের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সরকার আন্তর্জাতিক পরমানু শক্তি সংস্থার সাথে ইরানের সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশনের মুখপাত্র আবুলফজল আমুয়ি। গতকাল বার্তা সংস্থা ইরান প্রেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেছেন। 

আমুয়ি বলেন, ইরান পরমাণু কর্মসূচির ক্ষেত্রে সর্বশেষ যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা পরমাণু সমঝোতার ভিত্তিতে নিয়েছে। এছাড়া, নিজের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি পূর্ণোদ্যমে চালিয়ে যাওয়ার অধিকার তেহরানের রয়েছে।

তিনি বলেন, আমেরিকাসহ পশ্চিমা দেশগুলোর উচিত ইরানের সঙ্গে আইএইএ’র সম্পর্ক নষ্ট না করে পরমাণু সমঝোতায় নিজেদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করা। ইরানের এই মুখপাত্র বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো যেন আইএইএ’র নির্বাহী পরিষদের অপব্যবহার না করে। কারণ, তেমনটি করলে এই সংস্থার সঙ্গে ইরানের সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


২০১৮ সালের মে মাসে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেকে তার দেশকে বের করে নিয়ে তেহরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। ইরানও এর প্রতিক্রিয়ায় পরমাণু সমঝোতায় নিজের দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন কমিয়ে দিতে শুরু করে এবং বর্তমানে শতকরা ২০ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে তেহরান।

নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার দেশের পরমাণু সমঝোতায় ফিরে আসার জন্য এখন ইরানকে আগে তার প্রতিশ্রুতিতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু তেহরান বলছে, আগে আইন লঙ্ঘন করেছে বলে আমেরিকাকেই আগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে সদিচ্ছার পরিচয় দিতে হবে এবং তারপর তেহরান তার প্রতিশ্রুতিতে পুরোপুরি ফিরে যাবে।

মার্কিন প্রেসিযেন্ট জো বাইডেন বলেছেন ইরানকে আগে তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে। তারপরে পরমানু সমঝাতায় ফিরবে তার দেশ। কিন্তু, তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আগে আইন লঙ্ঘণ করেছে তাই তাকেই আগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে সদিচ্ছার প্রকাশ ঘটাতে হবে। তারপরে তেহরান পুরোপুরিভাবে তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে।  

সূত্র: পার্স টুডে

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মানুষ খুনের দায়ে থানায় মোরগ!

অনলাইন ডেস্ক

মানুষ খুনের দায়ে থানায় মোরগ!

এই বিশ্বে প্রতিনিয়ত কতই না অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটে। এমনই এক অবিশ্বাস্য রখমের ঘটনা ঘটেছে ভারতের তেলেঙ্গনা রাজ্যের লোথুনুর গ্রামে। মোরগের কাছে মৃত্যু হয়েছে মানুষের শুনতে অবাক লাগলেও এমটাই ঘটেছে। এই ঘটনার পর মোরগটিকে পুলিশ আটকও করেছে। 

জানা গেছে, অবৈধ মোরগ লড়াইয়ের জন্য পায়ে ছুরি বাঁধা একটি মোরগ তার মালিককে হত্যা করেছে।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা বি জীবন জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য নিজের মোরগকে প্রস্তুত করছিলেন ওই ব্যক্তি। এ সময় মোরগটি ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করলে এর পায়ে বাধা ৩ ইঞ্চির ধারালো ছুরি ওই ব্যক্তির কুঁচকিতে ঢুকে যায়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

ওই মোরগ লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িত ১৫ জনকে খুঁজছে পুলিশ। 

ঘটনার পর মোরগটিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে একটি পোল্ট্রির ফার্মে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিচারকার্য চলাকালীন মোরগটিকে সাক্ষ্য হিসেবে আদালতে হাজির করা হবে বলে জানান জীবন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় মোট গ্রেপ্তার ২৮০

অনলাইন ডেস্ক

গেল ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৮০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এছাড়া ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তিন শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মার্কিন বিচার বিভাগ অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহী ডেপুটি এটর্নি জেনারেল জন কারলিন। 

শুক্রবার তিনি জানান, দোষীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে জোর পদক্ষেপে তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে এবং তাদেরকে কঠোর বিচারের আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। 

এর আগে ক্যাপিটল পুলিশ প্রধান জানিয়েছিলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা, ক্যাপিটল হিল ভবন উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলো। 


কারওয়ান বাজারের হাসিনা মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

দিনেদুপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ

মৌমিতাকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক

দেখে মনে হয়েছে বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে


এছাড়া ট্রাম্পের সমর্থক ছাড়াও বেশকটি কট্টর ডানপন্থী সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধেও গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ বিভাগ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর