কে শিখিয়েছে কোট টাই না পরলে ফর্মাল হয় না?

আমিনুল ইসলাম

কে শিখিয়েছে কোট টাই না পরলে ফর্মাল হয় না?

এক দল ট্রাম্প সমর্থক বিনা বাঁধায় "ক্যাপিটলে" প্রবেশ করেছে। যেখানে আমেরিকার আইন প্রণেতারা ঠিক ওই মুহূর্তে অবস্থান করছিল এবং বিতর্ক করছিল। 

আমরা সরাসরি দেখলাম- হঠাৎ করে শয়ে শয়ে ট্রাম্প সমর্থক কোনো রকম বাঁধা ছাড়া'ই হাউজে ঢুকে গেল। পুরো হাউজ দখল করে নিল। এমনকি মাইনরিটি লিডার - নেন্সি পোলোসির অফিসে ঢুকে সব কিছু ভেঙে ফেলেছে! 
এখন প্রশ্ন হচ্ছে 
- এই এক'ই কাজ কি কোন ব্ল্যাক আমেরিকানের পক্ষে করা সম্ভব ছিল? 

কেবল চিন্তা করে দেখুন তো- শত শত ব্ল্যাক আমেরিকান মিছিল করে আমেরিকার সংসদ ভবনে ঢুকার চেষ্টা করছে এবং বিনা বাঁধায় ঢুকে গিয়েছে। 

নাকি ওই ভবনের সামনে যাওয়ার সাথে সাথে'ই তাদের উপর গুলি চালানো হতো? 

কিছু অপরিস্কার, ময়লা এবং অসভ্য ব্ল্যাক আমেরিকান সংসদ ভবন দখল করতে চাইছে, এদের উপর তো গুলি চালানো যা-ই; এই বলে হয়ত সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালিয়ে দিত।

আরও পড়ুন: কবর খুঁড়তেই দেয়ালে ভেসে উঠল আরবি হরফ

সেই কবরটির একপাশে লেখা ইয়াসিন, অন্যপাশে মিম হা মিম

অথচ কি মহা আনন্দে'ই না গত রাতে শত শত প্রাউড ট্রাম্প সমর্থক হাউজ দখল করে নিল। শুধু সেটাই না, যাবার সময় দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বের হচ্ছে; সেই দৃশ্যও আমাদের দেখতে হয়েছে। 

এদের কাউকে এমনকি গ্রেফতারও করা হয়নি। অনেকেই বিনা বাঁধায় নিজ গৃহে ফেরত গিয়েছে। 
আমি স্রেফ দৃশ্য'টা কল্পনা করার চেষ্টা করছি- ট্রাম্প সমর্থকের জায়গায় কাল যদি কিছু "ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটার" সমর্থক থাকতো; তখন পরিস্থিতি আসলে কি হতো? 

আমর ভাবতেই অবাক লাগে- উপনিবেশিক আমল অনেক আগে শেষ হয়েছে। অথচ একদল মানুষ স্রেফ গায়ের রঙের কারনে এই গ্রহে হাজারটা সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। 

আমরা এদেরকে জ্ঞানী মনে করি। এদেরকে আমরা গুণী মনে করি। এদেরকে আমরা সভ্য মনে করি! আমরা ধরেই নেই- হোয়াইট মানেই সভ্য, ভদ্র এবং জ্ঞানী! 
কারণ কি সেটা জানেন তো?

উত্তর হচ্ছে - "কলোনিয়ালিটি অব পাওয়ার!"

আমরা যা শিখছি, আমরা যা জানি; যেই সব ন্যারেটিভ আমাদের শেখানো হয়- সে গুলো আসলে কই থেকে আসছে? 
কিছু সাদা চামড়ার মানুষ আমাদের বলে দিচ্ছে- এটা ভালো, ওটা মন্দ। সেই সাথে এটাও বলে দিচ্ছে- এইসব কোন কিছুর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করা যাবে না। 

আমরাও সেটা মেনে নিচ্ছি। 
শুধু একটা উদাহরণ দেই। 

বাংলাদেশ একটি গরম প্রধান দেশ। গ্রীষ্ম এবং বর্ষা কালে আমাদের দেশের তাপমাত্রা সব সময়'ই ৩০ ডিগ্রী'র উপরে থাকে। 
এই তাপমাত্রায় কেন আমাদের সভ্য দেখানো জন্য কোট-প্যান্ট- টাই পড়ে বসে থাকতে হবে? 

কে আমাদের শিখিয়েছে- কোট-প্যান্ট-টাই না পড়লে ফর্মাল মনে হয় না! সভ্য মনে হয় না? 
এই তাপমাত্রায় কি আমাদের এইসব ড্রেস পড়ে ঘুরে বেড়ানোর কথা? 
তো, কে আমাদের শিখিয়েছে এটা? কেন আমরা এই প্রশ্ন করি না? 

কারণ কিছু সাদা চামড়া'র মানুষ হাজার মাইল দূর থেকে আমাদের ওখানে গিয়ে বলেছে- এটা ভালো, ওটা খারাপ। এটা করা যাবে, ওটা করা যাবে না। আমরাও সেটা মেনে নিয়েছি।

উপনিবেশিক শাসকরা অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে। কিন্তু উপনিবেসিকতা এখনও যায়নি। 

এর উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে- আমেরিকায় ঘটে যাওয়া গত রাতের ঘটনা। 
একদল ট্রাম্প সমর্থক বিনা বাধায় হাউজ দখল করে নিয়েছে আর সবাই চেয়ে চেয়ে সেটা দেখেছে। কারণ এই সমর্থকরা হোয়াট এবং তারা বিশ্বাস করে- সাদা চামড়ার মানুষ মাত্র'ই শ্রেষ্ঠ!

আমিনুল ইসলাম: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, অষ্ট্রেলিয়া।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

অনলাইন ডেস্ক

নাসিরের স্ত্রীকে ‘জাতীয় ভাবী’ আখ্যা দিয়ে সুবাহ'র স্ট্যাটাস

নাসিরের স্ত্রী তামিমা তাম্মী (সুবাহ'র ফেসবুক থেকে নেয়া)

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন। এরপর থেকেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে আগের স্বামী রাকিবকে ডিভোর্স না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা তাম্মি।

বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নাসিরকে একহাত নেন তার সাবেক প্রেমিকা হুমায়রা সুবাহ। এবার নাসিরের স্ত্রীকে একহাত নিলেন সুবাহ।

শুক্রবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। 

সেখানে নাসিরের স্ত্রীকে জাতীয় ভাবী আখ্যায়িত করেন তিনি। 

তার স্ট্যাটাসটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

অনলাইন ডেস্ক

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি

মুশতাকের মৃত্যুতে কোন শোকগাঁথা লিখিনি। অন্যেদের লেখা পড়ছি, মনটা বেদনায় ভারাক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু মাঝে মাঝে ভীষণ মজাও পাচ্ছি। চিড়িয়ারখানার বান্দর দেখে বাচ্চা ছেলে-মেয়েরা যেমন আনন্দ পায় তেমন আনন্দ। বলবেন, কেন!

উত্তরটা হচ্ছে, যে আইনে মোসতাকের জীবনবাতি নিভে গেল, সে আইনটা যখন খসড়ার স্তরে, তখন টিভিতে টিভিতে এ আইনের পক্ষে, এমন আইনের অপরিহার্যতা তুলে ধরে পালাগান গাওয়া সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই এখন মোসতাকের জন্য বেদনাতুর মর্শিয়া গাইছেন, লিখছেন। এরা নিখাদ খচ্চর, বদ বান্দর।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি আমরা সবাই চুপ থাকি বলেই লেখক মুশতাক আহমেদরা মারা যান

শরীফুল হাসান

আমি আমরা সবাই চুপ থাকি বলেই লেখক মুশতাক আহমেদরা মারা যান

আড়াইবছর আগে যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হয় বারবার এই কথাগুলো লিখেছিলাম। বলেছিলাম, শুধু বাংলাদেশ নয় সারা পৃথিবীর মধ্যে প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে জঘন্য হবে ডিজিটাল এই নিরাপত্তা আইন।

লিখেছিলাম, এটি কালা আইন। মুক্তমত প্রকাশে বিশ্বাসী এই আমি তীব্র ঘৃণাভরে এই আইন প্রত্যাখান করলাম। আফসোস সেদিন বহু মানুষ চুপ ছিল। আর উন্নয়নের গল্প বলনেওয়ালারা সেদিনও উন্নয়নের গল্প বলছিলো। উন্নয়নের এই ফেরিওয়ালাদের হয়তো বোধোদয় হয়নি কিন্তু গত আড়াই বছরে এই জাতির আশা করি বোধোদয় হয়েছে। কাজেই চলুন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলি।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


মনে রাখবেন এই যে আমি আমি আমরা সবাই চুপ থাকি তার কারণেই লেখক মোশতাক আহমেদরা মারা যান, কিশোররা জেলে থাকে। আমি আপনি কেউই এই দায় অস্বীকার করতে পারব না।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বয়স যখন ষাট!

জসিম মল্লিক

বয়স যখন ষাট!

আমি ষাটের দ্বারপ্রান্তে প্রায় পৌঁছে গেছি! আর কয়দিন পরই ষাট পূর্ণ হবে। ভাবতেই একটা আনন্দের অনুভূতি হচ্ছে! আবার একটু টেনশনও হচ্ছে! ষাট বছর! অনেকদিনইতো। এতো বছর ধরে বেঁচে আছি! মাই গড! আবার ষাট এমন কোনো বয়সই না। এখনকার হিসাব অনুযায়ী ষাট মাত্র মধ্যবয়স। সেটা ভেবেই আনন্দের অনুভূতি। আর টেনশন হচ্ছে আমার বয়সী অনেকেই হুট হাট করে চলে যাচ্ছে যে!

আমার বয়স নিয়ে আমার ছেলে মেয়ে দু’জনের দুই রকম মনোভাব। অর্ক বলবে বাবা তোমার এখন একটু সবধানে সবকিছু করতে হবে। বয়স বাড়ছে না! সময় মতো খাবা, নিয়মিত জীম করবা, সাড়ে ছয়টায় ডিনার এবং এগারেটার মধ্যে বেডে যাবা। রাত জেগে লিখবা না। সকালে লিখবা। জাঙ্ক একদম খাবানা। এই কথাগুলো অরিত্রিও এবং সবসময় হেলথি খাবার খেতে বলবে। কিন্তু বয়স যে হচ্ছে এটা অরিত্রি একদম মানতে চায় না। আজকেই জেসমিনকে বলল, মা, তুমি এমন এ্যাক্ট করছ যেনো বাবার বয়স সত্তুর। বাবা, স্টিল ইয়ং। শুনেই মনটা ভাল হয়ে গেলো!

টরন্টো ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

১৯ বছর পর অস্ত্রোপচার করে যমজ বোনে পরিণত হলেন যমজ দুই ভাই


news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তাদের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো

শফিকুর রহমান

তাদের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো

মাত্র দশ থেকে বারো ঘণ্টার ব্যবধানে বাংলাদেশ দুই জন সুসন্তানকে হারলো, যারা আর কয়েক বৎসর বেঁচে থাকলে দেশ তথা দেশের জনগণ অন্তত সঠিক ও ন্যায়নিষ্ঠ পথের দিশা পেতে পারতো।

মহান আল্লাহর হিসাব আমরাতো জানি না, তিনি নিশ্চয়ই হিসাব করেই তাঁদেরকে এই পৃথিবী থেকে তুলে নিয়েছেন। এদের একজন খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ও অপরজন সৈয়দ আবুল মকসুদ।

একজন ব্যাংকিং পেশাজীবী হিসাবে সরাসরি খালেদ স্যারের অধীনে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছিল। তখন আমি দেশের সর্ব বৃহৎ বানিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যম সারির একজন নির্বাহী আর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ স্যার ওই ব্যাংকেরই ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী।

তিনি সহজ-সরল অনাড়ম্বর জীবন যাপন করতেন, কিন্তু নিয়ম-নীতি, আইন-কানুন ও তুখোড় পেশাদারিত্বের মেলবন্ধন ঘটিয়ে কিভাবে প্রতিষ্ঠানের প্রবৃদ্ধি উর্ধমুখি রাখা যায় তা দেখেছি খালেদ  স্যারের মধ্যে। সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার সৎসাহস দেখেছি তাঁর মধ্যে। তিনি ছিলেন ঋণ খেলাপিদের জন্য ত্রাস! তাঁর সময়কালে ঋণ খেলাপিদের দাপট একেবারেই ছিল না বললেই চলে, খেলাপি ঋণ ছিল কিন্তু প্রভাবশালী খেলাপিদের দেখেছি তাঁর কাছে অসহায়। কিন্তু সৌভাগ্য নাকি বেশীদিন থাকে না, মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই বানিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর পদ থেকে পদোন্নতি(?) দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর করে তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

নষ্ট পরিবেশে নানা রকম প্রতিবন্ধকতা-সীমাবদ্ধতা সত্বেও তাঁকে দেখেছি তাঁর বিশ্বাসে অটল থাকতে।

আরেকজন সৈয়দ আবুল মকসুদ-সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কলামিস্ট পরিচয় ছাপিয়ে একজন মানবতাবাদী, পরিবেশবিদ হিসাবে অধিকতর গ্রহনযোগ্য ব্যক্তি হিসাবে সুনাম কুড়িয়েছেন।

তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোন সংযোগ না থাকলেও প্রথম আলোর ‘সহজিয়া কড়চা’ ও ‘মিঠে কড়া সংলাপ’ এর মাধ্যমে তিনিও ছিলেন আমার শিক্ষকতূল্য।


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

১৯ বছর পর অস্ত্রোপচার করে যমজ বোনে পরিণত হলেন যমজ দুই ভাই


নগর জীবন হোক বা সামাজিক সমস্যা অথবা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক যে কোন সমস্যায় তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ইরাকে মার্কিন আগ্রাসনের প্রতিবাদে তিনি সেলাই ছাড়া দুই টুকরা সাদা কাপড় ব্যবহার শুরু করে আমৃত্যু এই পোষাক পরিধান করেছেন এবং দেশে-বিদেশে সভা সমিতির কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করেছেন। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যখন তাঁদের উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল ঠিক তখনি তাঁদের চলে যেতে হল অনন্তলোকে।

তাঁদের শূন্যস্থান সহজে পূরণ হবে না। আমরা এই দুই মহৎপ্রাণ ব্যক্তির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

শফিকুর রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এসআইবিএল ব্যাংক

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর