আপনার নিয়োগপত্র যত্নে রাখুন

মো. নিয়ামুল কবীর জোহা

আপনার নিয়োগপত্র যত্নে রাখুন

বেশ কয়েক বছর ধরে বিশেষ করে লেবার ল এবং চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করে আসছি। আইনজীবী হিসেবে সাধারণত যখনই লেবার ল এর non-compliance issue arise করে তখনই মালিকপক্ষ অথবা শ্রমিকপক্ষ আমাদের শরণাপন্ন হন, সেই অভিজ্ঞতা থেকেই কিছু সচেতনতামূলক কথা বলতে চাই।

আজ দুই দিন ধরে একজন চাকরিচ্যুত চাকরিজীবীর হয়ে কাজ করছি, সংশ্লিষ্ট ঘটনা ও তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে মতামত দিলাম যে, মালিকপক্ষকে একটি নোটিশ দিতে হবে। নোটিশ ড্রাফট করতে যেয়ে যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম সেটাই আজকের লেখার বিষয়।

আরও পড়ুন: কবর খুঁড়তেই দেয়ালে ভেসে উঠল আরবি হরফ

সেই কবরটির একপাশে লেখা ইয়াসিন, অন্যপাশে মিম হা মিম

আইনগত নোটিশ ড্রাফটের জন্য যে যে ডকুমেন্ট এবং তথ্যাদি দরকার তা এই চাকরিজীবীর কাছে সংরক্ষিত নেই। তাই সঠিক তথ্য দিয়ে ড্রাফট করা যাচ্ছে না।

এদিকে, অনুমানের উপর ভিত্তি করে কারো অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায় না। যেমন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী এর অন্যতম প্রধান চাকরি সংক্রান্ত ডকুমেন্ট হলো তার অ্যাপোয়েন্টমেন্ট লেটার বা নিয়োগপত্র। সেই অ্যাপোয়েন্টমেন্ট লেটার বা নিয়োগপত্রে থাকে চাকরির প্রকৃতি, চাকরিজীবীর শ্রেণিবিভাগ, কর্মস্থল, বেতন ভাতাদি, ছুটিসহ অন্যান্য প্রাপ্য সমূহ এবং প্রযোজ্য বিধি-বিধান যা তার চাকরির সাথে সংশ্লিষ্ট।

আমাদের কারো যদি একখণ্ড জমি থাকে এবং ওই জমির মূল্য কম বেশি যাই হোক না কেন অত্যন্ত যত্নের সাথে আমরা সে জমির কাগজাদি-দলিলপত্রাদি সংরক্ষণ করি। ঠিক তেমনি একজন চাকরিজীবীর কাছে তার চাকরি সংক্রান্ত কাগজাদিও একইভাবে সংরক্ষণ করা উচিত কারণ এই চাকরি তার আরও একটা মূল্যবান সম্পদ এবং এই সম্পদের উপরে তার জীবন-জীবিকা এবং ভবিষ্যত নির্ভর করে। চাকরি জীবনে অনেক প্রকারের বাধা-বিপত্তি আসতে পারে, ঘটতে পারে চাকরি হতে বিচ্ছেদের মতো চূড়ান্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, তার জন্য রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিধি-বিধান এবং দেশে প্রচলিত আইন কানুন, তবে এই বিধিবিধান এবং আইন-কানুন দ্বারা আপনার প্রতিকার বা অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে প্রয়োজন আপনার চাকরির সংক্রান্ত মূল কাগজাদি এবং তথ্যাদি।

অতএব শুধু রাষ্ট্রীয় আইন ব্যবস্থা ও আইনজীবী এর ওপর ভরসা না করে সর্বপ্রথম আপনি আপনার চাকরি সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট বা কাগজাদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন। যেমন- এপোয়েন্টমেন্ট লেটার, জয়নিং লেটার, কনফার্মেশন লেটার, প্রমোশন লেটার, স্যালারি স্টেটমেন্ট, পে স্লিপ ইত্যাদি।

মো. নিয়ামুল কবীর জোহা: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডায়াবেটিস কমাতে ধনেপাতা কার্যকর

এস এম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি।

ডায়াবেটিস কমাতে ধনেপাতা কার্যকর

ধনেপাতা একটি সুগন্ধী জাতীয় মসলা। যে কোন তরকারি কিংবা ছালাদে ধনেপাতা দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। তবে ধনেপাতার রয়েছে ওষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কার্যকরি একটি ওষুধের কাজ করে ধনেপাতা। 

ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল, যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। 

কীভাবে খাবেন?
রেসিপি ১: ফ্রাইয়িং প্যানে এক চা চামচ ধনে বীজ এবং অর্ধেক চা চামচ জিরা মাঝারি আঁচে গরম করে নিন। তার মধ্যেই এক চা চামচ পোস্ত এবং মধু মিশিয়ে নিন। এরপর তা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে সারারাত রেখে, তারপর খেতে পারেন। 


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


রেসিপি ২: প্রথমেই একটি পাত্রে এক চা চামচ ছোলার ডাল, ৩টি শুকনো মরিচ, ৩ চা চামচ ধনে বীজ গরম করে নিন। তারপর সেটা সরিয়ে পিঁয়াজ এবং টমেটো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবারে মিশ্রণটা ঠান্ডা হওয়ার পর, একটি ব্লেন্ডারে ধনে গুঁড়োর সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে এক চা চামচ গুড় এবং এক চা চামচ তেঁতুল মিশিয়ে নিন। পানি এবং লবণ দিয়ে চাটনি তৈরি করে নিন। আরও একটি পাত্রে তেল গরম করে সামান্য সরিষা বীজ এবং কারিপাতা ভেজে নিন। এরপর চাটনির উপর দিয়ে সাজিয়ে নিন। 

রেসিপি ৩: একটি প্যানে এক চা চামচ ঘি গরম করে নিন। তাতে ধনে গুড়ো দিয়ে ভাল করে ফ্রাই করুন। এর মধ্যে সামান্য মাখনও দিতে পারেন। তারপর কয়েক টুকরো কাজু এবং আমন্ড ছোট ছোট টুকরো করে গুড়ো করে নিন। এরপর এই মিশ্রণের মধ্যে গ্রেটেড নারিকেল, ড্রাই ফ্রুটস মিশিয়ে পাঞ্জিরি তৈরি করতে পারেন। এই তিনরকমের রেসিপির যেকোনও একটি ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

ধনেপাতা আমরা চাইলে আমাদের বাসার বারান্দা কিংবা ছাদে লাগিয়েই খেতে পারি। সবসময় বাজার থেকে কিনতেও হবে না। ছোট্ট একটি টবেই হবে ধনেপাতা। 

 news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

অনলাইন ডেস্ক

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেমকেই পরকীয়া প্রেম বলে। এর ঝাঁঝ অতি মারাত্মক। মানবসমাজে কত ধরণের প্রেমই তো আছে! তবে যত ধরণের প্রেমই থাকুক না কেন 'পরকীয়া' প্রেমকে সবাই একটু ভিন্ন চোখে দেখে। এই সম্পর্ক তৈরি করার ফলে সংসার জীবনে তৈরি হয় অশান্তি। আর এ কারণে পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষে না অনেকে। তার পরেও অনেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়া সম্পর্কে। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন কিনা? পাঁচটি লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়া করছেন

* ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন। আপনার সঙ্গী কি আপনার দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আচমকাই অতিরিক্ত কৌতূহল দেখাচ্ছেন? আপনি কখন বাড়ি ফিরবেন বা কখন কোথায় যাবেন ইত্যাদি ঘন ঘন জানতে চাইছেন? তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। হতে পারে সেটা পরকীয়া সম্পর্ক। তবে অন্যকিছুও হতে পারে।

* যদি আপনার সঙ্গী হঠাৎ করেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন। তাহলে বিষয়টি একটু চোখে চোখে রেখে দেখুন। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আচমকাই নিজের শরীরের গঠন, সাজ-পোশাক, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই নজর দিচ্ছেন। তাহলে বুঝতে হবে তিনি হয়তো কাউকে ‘ইমপ্রেস’ করতে চাইছেন। অনেকেই নিজেদের সম্পর্কের পুরোনো টান ফিরিয়ে আনতে এমনটা করে থাকেন। তবে এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

* যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমশ উদাসীন বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হতে পারে আপনার সঙ্গী কোনো পারিবারিক বা আর্থিক কোনো সমস্যার কারণে মানসিক চাপে রয়েছেন। শারীরিক কোনো অসুস্থতার কারণেও এমনটা হতে পারে। তাই হয়তো আপনার সঙ্গী শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন উৎসাহ বোধ করছেন না। তবে এমনটা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গী শুধুমাত্র অভ্যাসবশত বা আপনাকে সঙ্গ দিতেই অংশ নিচ্ছেন কিনা।


মেসি ম্যাজিকে বার্সার বড় জয়

১০জনের আটালান্টার বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পেল রিয়ালের

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


* সঙ্গী যদি হঠাৎ করেই ফোন বা ইন্টারনেটে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যদি পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে থেকেও মাঝে মধ্যেই একটু একলা হতে চান। তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে বা পরিচিত সকলের নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। সঙ্গীর মধ্যে এমন সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করলে তা পরকীয়া সম্পর্কের কারণেও হতে পারে।

* সম্প্রতি যদি কোনো নতুন নাম আপনার সঙ্গীর মুখে বার বার শোনেন, তাহলে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখবেন, নতুন এই মানুষটির সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে আপনি কোনো প্রশ্ন করলে তিনি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন? যদি তাই হয় তবে বিষয়টি সন্দেহজনক। এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

আমেরিকার নিউ ওমেন ম্যাগাজিনের জরিপে জানা যায় চাকরিজীবী বিবাহিত নারীরা তাদের কর্মস্থলেই 'লাভার'-দের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করে থাকেন। আমেরিকান সমাজে অবিশ্বস্ততার হার দিনে দিনে বাড়ছে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে জানা যায় যে, ২৫ শতাংশ পুরুষ পরকীয়া করছে এবং ১৭ শতাংশ নারী তাদের স্বামীদের প্রতি বিশ্বস্ত নয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পায়ের যত্নে ৪টি প্যাক

অনলাইন ডেস্ক

পায়ের যত্নে ৪টি প্যাক

পায়ের ত্বকে রুক্ষতা, ফাটা ইত্যাদি সমস্যা সবারই কম-বেশি রয়েছে।  প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে পায়ের ত্বকের সুরক্ষা নেবেন সেই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডাই হেলথ রেমিডি ডট কম’। 

চলুন একনজর দেখে আসি।

পদ্ধতি  ১:

উপাদান

দই

হলুদ গুঁড়ো

প্রস্তুত প্রণালি

রোদে ত্বক পোড়ার সমস্যা বা অতিরিক্ত ধুলার কারণে পায়ের ত্বকে কালচে দাগ পড়ে। ত্বকের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে ঘরে বসেই নিতে পারেন একটু পরিচর্যা। একটি পাত্রে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ দই এবং দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। পেস্টটি পায়ের তালুতে ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ দূর করতে প্যাকটি খুবই কার্যকর।

পদ্ধতি ২:

উপাদান

লেবুর রস

মধু

প্রস্তুত প্রণালি

একটি কনটেইনারে এক টেবিল চামচ মধু নিন। এর মধ্যে সম্পূর্ণ একটি লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি প্রতিদিন পায়ে ম্যাসাজ করুন। লেবুর রস ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে সাহায্য করে। আর মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

পদ্ধতি  ৩:

উপাদান

চিনাবাদাম

গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালি:

পা ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমস্যা সমাধানে চিনাবাদাম খুবই কার্যকর। এক মুঠো চিনাবাদাম পানিতে ভিজিয়ে নিন। থেঁতলে পেস্ট করে তাতে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। পায়ে ম্যাসাজ করে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে পায়ের ত্বক মসৃণ ও কোমল হয়ে উঠবে।

পদ্ধতি ৪:

উপাদান

শসার রস

মুলতানি মাটি

প্রস্তুত প্রণালি:

একটি শসা থেঁতলে তার রস বের করে পাত্রে নিন। সঙ্গে মেশান দুই টেবিল চামচ মুলতানি মাটি। এই পেস্টটি পায়ের ওপরে ও নিচে লাগিয়ে শুকানোর জন্য রেখে দিন। সবশেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে পা ধুয়ে মুছে ফেলুন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে যা যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে যা যা খাবেন

মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের গুরুত্ব অপিরসীম। ক্যালসিয়ামের অভাবে নানাবিধ রোগব্যাধি হতে পারে। তাই ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খেয়ে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সামুদ্রিক মাছ সবচেয়ে বেশি কার্যকর। কড মাছের তেল, স্যামন মাছ, রুপচাঁদাসহ সামুদ্রিক প্রায় সব মাছেই রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম। 

ক্যালসিয়ামের উৎস বলতে সবার আগে দুধের নামই আসে। গরুর দুধ এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত। এক কাপ দুধে রয়েছে ২৮০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। দেহের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে দুধ যথেষ্ট কার্যকর। খুব ছোট শিশুদের মায়ের দুধ থেকেই এ চাহিদা পূরণ হবে। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে।

অনেকেই কমলার ক্যালসিয়ামের কথা জানেন না। এই ফলে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। একটি মাঝারি আকৃতির কমলায় প্রায় ৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম মিলবে।


ভাইরাল পাকিস্তানি ‘স্ট্রবিরিয়ানি’

যুক্তরাজ্য মুরগির মাংস খেয়ে মৃত ৫, অসুস্থ কয়েকশ

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলা, ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ নিহত তিন

স্কুলের খাদ্য তালিকা থেকে মাংস বাদ দিয়ে বিপাকে মেয়র


সয়া থেকে তৈরি হয় সয়া দুধ। যাঁরা অ্যালার্জিসহ নানা কারণে গরুর দুধ খেতে পারেন না তাঁরা সয়া দুধ খেতে পারেন। এতে ক্যালসিয়াম ছাড়াও আছে ভিটামিন ডি।

কাজুবাদামে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। মাত্র এক কাপ কাজুবাদামেই মিলবে প্রায় ৪৫৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিনসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।

বাজারে যেসব মাংস পাওয়া যায় তার সব কটিতেই ক্যালসিয়াম রয়েছে। এর মধ্যে গরু, খাসি ও মুরগির মাংস, ডিম, কলিজা এবং ছোট মাছের কাঁটাতেও রয়েছে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। মলা, কাচকি, মাগুর, শিং, কই, কোরাল এবং সামুদ্রিক মাছে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

পালং শাক, বাঁধাকপি, শালগম, লেটুস পাতা, মাশরুমসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শাকসবজি কোনো অবস্থাতেই খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পেটের গ্যাসের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

পেটের গ্যাসের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান

খাবার খেলে এটি আমাদের পেটে গিয়ে গ্যাসের সৃষ্টি করে। সব খাবারেই কমবেশি গ্যাসের সৃষ্টি হয়। তবে কিছু খাবার আছে যেগুলো আবার গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। গ্যাস্ট্রিকের জন্য ওষুধ খেলেও কিছু প্রাকৃতিক খাবার খেলেওেএ সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। আজ এমন কিছু খাবারে কার্যাবলি দেওয়া হল। 

শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

স্বামী রণবীরের ছবিতে স্ত্রী দীপিকা আইটেম গার্ল

দেশেই যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি


পাকস্থলির গ্যাসট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।

দারুচিনি হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।

জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে অত্যন্ত ফলপ্রদ। জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা আখের গুড়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ১০ গ্রাম করে পাঁচটি বড়ি তৈরি করতে হবে। দিনে তিনবার এর একটি করে বড়ি খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর সেরে যাবে।

২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়ো খেলে অম্বল দূরে থাকে।

এক কাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।

এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন। সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি। জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি হবে না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর