সম্পর্ক মধুর হয় যে কারনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 সম্পর্ক মধুর হয় যে কারনে

প্রেম থেকে বিয়ে বা বিয়ে থেকে প্রেম! যে যেই নামেই ডাকুক না কেন প্রেম ভালোবাসা সংসার জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরোতে হয় কম বেশী সকলকে। কিন্তু কিছু জিনিস মাথায় রাখলে আমাদের দাম্পত্য জীবনে  তেমন কোনও সমস্যা বা একঘেয়েমিতা আসার কথা না।  সে ক্ষেত্রে কি করবেন তাই জানিয়েছেন সম্পর্ক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ।যেখানে ভালোবাসার সম্পর্ক উন্নত করার উপায় সম্পর্কে কিছু টিপস দেয়া হয়।

আসুন দেখে নেই সেই টিপস গুলো কি :

একসঙ্গে রান্না করা: চাপ কমাতে একসঙ্গে রান্না করা খুব ভালো উপায়। বিশষত, যারা ভোজন রশিক। পছন্দের কোনো কাজ আনন্দসহকারে উপভোগ করে করা হলে ভালোবাসার সম্পর্ক আরও মধুর হয়। একেক দিন একেকজন রান্নায় নির্দেশনা দিন এতে বিষয়টা বেশ উপভোগ্য হবে।

মনে রাখবেন রান্নার জন্য একেকদিন একেকজন নির্দেশনা দেবেন। বরাবর একজনের অধিনায়কত্ব একঘেয়েমি সৃষ্টি করতে পারে।

কেই এই দিহান?

যেভাবে মানুষের ‘রুহ’ কবজ করা হয়

একসঙ্গে পরিষ্কার করা: রান্না করার মতো ধোয়া মোছার কাজও আনন্দঘন হয়ে উঠতে পারে যদি তা একসঙ্গে করা হয়। এতে কাজ অনেকটা সহজ হয়ে যায় এছাড়াও কাজের ফাঁকে ফাঁকে অদ্ভুত আলোচনা বা খোশগল্প করা যেতে পারে। গল্পের ফাঁকেফাঁকে হাতের কাজ করে নেওয়া ব্যপারটাও বেশ মজার।

গুরুত্ব দিয়ে কথা শুনুন: যখন দুজন কথা বলবেন বা কোনো বিষয়ে আলাপ করবেন, গুরুত্ব দিয়ে সঙ্গীর কথা শুনুন। হাতে ফোন বা অন্য কিছু থাকলে সরিয়ে রাখুন। সঙ্গীর জন্য আপনার মনোযোগ হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ এক উপহার। সঙ্গী নিশ্চয় অনুভব করবে আপনার গুরুত্বের বিষয়টি। দুজন দুজনকে যখন গুরুত্ব দেন, সম্পর্কের মধ্যে কি ফাঁকফোকর থাকবে?

প্লিজ ও থ্যাংক ইউ: দুজন দুজনের নিশ্চয়ই নানা কাজে সাহায্য করেন। কখনো কি থ্যাংক ইউ বলে দেখেছেন সঙ্গীকে? অনেক সময় পাশাপাশি থেকেও গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা হয়ে ওঠে না। কথার সঙ্গে ‘প্লিজ’ জুড়ে দিলে সঙ্গীর কাছে সে কথা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। প্লিজের সঙ্গে যদি সঙ্গীকে একটা ‘থ্যাংক ইউ’ যোগ হয়, সম্পর্ক আরও মধুর হবে নিঃসন্দেহে।

বাড়িতে ‘ডেইট-নাইট’ পরিকল্পনা: একে অপরের জন্য সাজগোজ করুন। সুন্দর করে টেবিল সাজিয়ে, মোমবাতির আলোতে পছন্দের স্নিগ্ধ গান চালাতে পারেন। একে অপরকে বিশেষ অনুভব করানোর জন্য বিশেষ কোন কাজ বা অনুভূতি প্রকাশ করুন। এছাড়াও একে অপরের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সময় কাটানো ভালোবাসার সম্পর্ক উন্নত করতে সহায়তা করে।

 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

অনলাইন ডেস্ক

লক্ষণ দেখেই বুঝবেন সঙ্গী পরকীয়ায় আসক্ত কিনা

বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা মহিলার সাথে প্রেমকেই পরকীয়া প্রেম বলে। এর ঝাঁঝ অতি মারাত্মক। মানবসমাজে কত ধরণের প্রেমই তো আছে! তবে যত ধরণের প্রেমই থাকুক না কেন 'পরকীয়া' প্রেমকে সবাই একটু ভিন্ন চোখে দেখে। এই সম্পর্ক তৈরি করার ফলে সংসার জীবনে তৈরি হয় অশান্তি। আর এ কারণে পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষে না অনেকে। তার পরেও অনেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েন পরকীয়া সম্পর্কে। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন কিনা? পাঁচটি লক্ষণ দেখলেই বুঝবেন আপনার সঙ্গী পরকীয়া করছেন

* ভালোভাবে খেয়াল করে দেখুন। আপনার সঙ্গী কি আপনার দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আচমকাই অতিরিক্ত কৌতূহল দেখাচ্ছেন? আপনি কখন বাড়ি ফিরবেন বা কখন কোথায় যাবেন ইত্যাদি ঘন ঘন জানতে চাইছেন? তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। হতে পারে সেটা পরকীয়া সম্পর্ক। তবে অন্যকিছুও হতে পারে।

* যদি আপনার সঙ্গী হঠাৎ করেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে অতিরিক্ত সচেতন হয়ে ওঠেন। তাহলে বিষয়টি একটু চোখে চোখে রেখে দেখুন। যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আচমকাই নিজের শরীরের গঠন, সাজ-পোশাক, সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু বেশিই নজর দিচ্ছেন। তাহলে বুঝতে হবে তিনি হয়তো কাউকে ‘ইমপ্রেস’ করতে চাইছেন। অনেকেই নিজেদের সম্পর্কের পুরোনো টান ফিরিয়ে আনতে এমনটা করে থাকেন। তবে এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

* যদি দেখেন আপনার সঙ্গী আপনার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ক্রমশ উদাসীন বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলছে তাহলে বুঝতে হবে সম্পর্কে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। হতে পারে আপনার সঙ্গী কোনো পারিবারিক বা আর্থিক কোনো সমস্যার কারণে মানসিক চাপে রয়েছেন। শারীরিক কোনো অসুস্থতার কারণেও এমনটা হতে পারে। তাই হয়তো আপনার সঙ্গী শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন উৎসাহ বোধ করছেন না। তবে এমনটা কিন্তু পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে। খেয়াল রাখবেন, আপনার সঙ্গী শুধুমাত্র অভ্যাসবশত বা আপনাকে সঙ্গ দিতেই অংশ নিচ্ছেন কিনা।


মেসি ম্যাজিকে বার্সার বড় জয়

১০জনের আটালান্টার বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় পেল রিয়ালের

বাংলাদেশে সেরা লাইকি

আমাকে নিয়ে আর খেলতে দিবো না : মিলা


* সঙ্গী যদি হঠাৎ করেই ফোন বা ইন্টারনেটে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। যদি পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে থেকেও মাঝে মধ্যেই একটু একলা হতে চান। তাহলে বুঝতে হবে, তিনি আপনার নজর এড়িয়ে বা পরিচিত সকলের নজর এড়িয়ে কোনো কিছু করতে চাইছেন। সঙ্গীর মধ্যে এমন সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করলে তা পরকীয়া সম্পর্কের কারণেও হতে পারে।

* সম্প্রতি যদি কোনো নতুন নাম আপনার সঙ্গীর মুখে বার বার শোনেন, তাহলে একটু সতর্ক হওয়া জরুরি। খেয়াল করে দেখবেন, নতুন এই মানুষটির সম্পর্কে আপনার সঙ্গীকে আপনি কোনো প্রশ্ন করলে তিনি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন? যদি তাই হয় তবে বিষয়টি সন্দেহজনক। এমনটা পরকীয়া সম্পর্ক জড়ালেও হতে পারে।

আমেরিকার নিউ ওমেন ম্যাগাজিনের জরিপে জানা যায় চাকরিজীবী বিবাহিত নারীরা তাদের কর্মস্থলেই 'লাভার'-দের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করে থাকেন। আমেরিকান সমাজে অবিশ্বস্ততার হার দিনে দিনে বাড়ছে। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জরিপে জানা যায় যে, ২৫ শতাংশ পুরুষ পরকীয়া করছে এবং ১৭ শতাংশ নারী তাদের স্বামীদের প্রতি বিশ্বস্ত নয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পায়ের যত্নে ৪টি প্যাক

অনলাইন ডেস্ক

পায়ের যত্নে ৪টি প্যাক

পায়ের ত্বকে রুক্ষতা, ফাটা ইত্যাদি সমস্যা সবারই কম-বেশি রয়েছে।  প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে পায়ের ত্বকের সুরক্ষা নেবেন সেই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডাই হেলথ রেমিডি ডট কম’। 

চলুন একনজর দেখে আসি।

পদ্ধতি  ১:

উপাদান

দই

হলুদ গুঁড়ো

প্রস্তুত প্রণালি

রোদে ত্বক পোড়ার সমস্যা বা অতিরিক্ত ধুলার কারণে পায়ের ত্বকে কালচে দাগ পড়ে। ত্বকের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে ঘরে বসেই নিতে পারেন একটু পরিচর্যা। একটি পাত্রে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ দই এবং দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। পেস্টটি পায়ের তালুতে ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ দূর করতে প্যাকটি খুবই কার্যকর।

পদ্ধতি ২:

উপাদান

লেবুর রস

মধু

প্রস্তুত প্রণালি

একটি কনটেইনারে এক টেবিল চামচ মধু নিন। এর মধ্যে সম্পূর্ণ একটি লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি প্রতিদিন পায়ে ম্যাসাজ করুন। লেবুর রস ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে সাহায্য করে। আর মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

পদ্ধতি  ৩:

উপাদান

চিনাবাদাম

গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালি:

পা ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমস্যা সমাধানে চিনাবাদাম খুবই কার্যকর। এক মুঠো চিনাবাদাম পানিতে ভিজিয়ে নিন। থেঁতলে পেস্ট করে তাতে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। পায়ে ম্যাসাজ করে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে পায়ের ত্বক মসৃণ ও কোমল হয়ে উঠবে।

পদ্ধতি ৪:

উপাদান

শসার রস

মুলতানি মাটি

প্রস্তুত প্রণালি:

একটি শসা থেঁতলে তার রস বের করে পাত্রে নিন। সঙ্গে মেশান দুই টেবিল চামচ মুলতানি মাটি। এই পেস্টটি পায়ের ওপরে ও নিচে লাগিয়ে শুকানোর জন্য রেখে দিন। সবশেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে পা ধুয়ে মুছে ফেলুন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে যা যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে যা যা খাবেন

মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের গুরুত্ব অপিরসীম। ক্যালসিয়ামের অভাবে নানাবিধ রোগব্যাধি হতে পারে। তাই ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খেয়ে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সামুদ্রিক মাছ সবচেয়ে বেশি কার্যকর। কড মাছের তেল, স্যামন মাছ, রুপচাঁদাসহ সামুদ্রিক প্রায় সব মাছেই রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম। 

ক্যালসিয়ামের উৎস বলতে সবার আগে দুধের নামই আসে। গরুর দুধ এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত। এক কাপ দুধে রয়েছে ২৮০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। দেহের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে দুধ যথেষ্ট কার্যকর। খুব ছোট শিশুদের মায়ের দুধ থেকেই এ চাহিদা পূরণ হবে। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে।

অনেকেই কমলার ক্যালসিয়ামের কথা জানেন না। এই ফলে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। একটি মাঝারি আকৃতির কমলায় প্রায় ৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম মিলবে।


ভাইরাল পাকিস্তানি ‘স্ট্রবিরিয়ানি’

যুক্তরাজ্য মুরগির মাংস খেয়ে মৃত ৫, অসুস্থ কয়েকশ

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলা, ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ নিহত তিন

স্কুলের খাদ্য তালিকা থেকে মাংস বাদ দিয়ে বিপাকে মেয়র


সয়া থেকে তৈরি হয় সয়া দুধ। যাঁরা অ্যালার্জিসহ নানা কারণে গরুর দুধ খেতে পারেন না তাঁরা সয়া দুধ খেতে পারেন। এতে ক্যালসিয়াম ছাড়াও আছে ভিটামিন ডি।

কাজুবাদামে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। মাত্র এক কাপ কাজুবাদামেই মিলবে প্রায় ৪৫৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিনসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।

বাজারে যেসব মাংস পাওয়া যায় তার সব কটিতেই ক্যালসিয়াম রয়েছে। এর মধ্যে গরু, খাসি ও মুরগির মাংস, ডিম, কলিজা এবং ছোট মাছের কাঁটাতেও রয়েছে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। মলা, কাচকি, মাগুর, শিং, কই, কোরাল এবং সামুদ্রিক মাছে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

পালং শাক, বাঁধাকপি, শালগম, লেটুস পাতা, মাশরুমসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শাকসবজি কোনো অবস্থাতেই খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পেটের গ্যাসের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

পেটের গ্যাসের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান

খাবার খেলে এটি আমাদের পেটে গিয়ে গ্যাসের সৃষ্টি করে। সব খাবারেই কমবেশি গ্যাসের সৃষ্টি হয়। তবে কিছু খাবার আছে যেগুলো আবার গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। গ্যাস্ট্রিকের জন্য ওষুধ খেলেও কিছু প্রাকৃতিক খাবার খেলেওেএ সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। আজ এমন কিছু খাবারে কার্যাবলি দেওয়া হল। 

শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

স্বামী রণবীরের ছবিতে স্ত্রী দীপিকা আইটেম গার্ল

দেশেই যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি


পাকস্থলির গ্যাসট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।

দারুচিনি হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।

জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে অত্যন্ত ফলপ্রদ। জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা আখের গুড়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ১০ গ্রাম করে পাঁচটি বড়ি তৈরি করতে হবে। দিনে তিনবার এর একটি করে বড়ি খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর সেরে যাবে।

২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়ো খেলে অম্বল দূরে থাকে।

এক কাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।

এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন। সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি। জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি হবে না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জিভের কালো দাগ দূর করার পাঁচ ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

জিভের কালো দাগ দূর করার পাঁচ ঘরোয়া উপায়

জিভে কালো দাগ থাকলে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই এটি দূর করাটা জরুটি। তবে তার কারণটা জানতে হবে। নানা কারণে জিভে কালো দাগ পড়তে পারে।

মৃত ব্যাকটেরিয়ার কারণে জিহ্বায় কালো দাগ দেখা যেতে পারে। পেপটো বিসমল ওষুধ সেবন করলে জিহ্বা কালো হয়ে যেতে পারে। তবে মাড়ির পাশে যদি কালো দাগ দেখা যায় তাহলে গাম বা মাড়ির ক্যান্সারের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাবে না। ক্রমাগত ছত্রাক সংক্রমণের কারণেও জিহ্বায় কালো দাগ দেখা যেতে পারে। অনিয়মিত বা ভুল অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণেও এমনটি হতে পারে। ক্লোরোহেক্সিডিনজাতীয়মাউথওয়াশও জিহ্বায় কালো দাগ ফেলতে পারে।


জিহ্বার কালো দাগ যে কারণেই হোক না কেন তা গুরুত্বসহ বিবেচনায় আনতে হবে। পিগমেন্ট রিডিউসিং কমপ্লেক্স যথার্থ প্রয়োগের মাধ্যমে জিহ্বার কালো দাগ দূর করা যায়। এছাড়া গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির মাশরুম বিশেষ পদ্ধতিতে প্রয়োগ করে রোগ নিরাময় করা সম্ভব। 

চলুন জেনে নেয়া যাক জিভের কালো দাগ দূর করার পাঁচ ঘরোয়া উপায়-

নরম টুথব্রাশ:

দিনে দুবার নরম টুথব্রাশ দিয়ে হালকাভাবে জিভে ঘষুন। এটি করলে জিভে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও মৃত ত্বকের কোষ দূর হবে। প্রতিবার খাওয়ার পর জিভ ও দাঁত ব্রাশ করা প্রয়োজন।

আনারস:

আনারসে ব্রোমেলিন থাকে, যা কালো দাগ দূর করে এবং জিভকে মৃত ত্বকের কোষ থেকে মুক্তি দেয়। প্রতিদিন আনারস খেলে জিভের কালো দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

অ্যালোভেরা জেল:

অ্যালোভেরা কোলাজেন কাঠামোর উন্নতি করে দাগ দ্রুত নিরাময় করতে সহায়তা করে। জিভের কালো দাগে অ্যালোভেরা জেল লাগালে দাগ ধীরে ধীরে চলে যাবে। এছাড়া অ্যালোভেরা জুসও খেতে পারেন।


নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যায় মামলা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

করোনায় দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বাড়লো


দারুচিনি ও লবঙ্গ:

দারুচিনি ও লবঙ্গ জিভের কালো দাগ দূর করতে কার্যকর। দুই টুকরো দারুচিনি ও চারটি লবঙ্গ নিন। এক গ্লাস পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করুন। তারপর সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। দিনে দুবার করলে জিভের কালো দাগ দূর হবে।

নিম:

নিম ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি প্রাকৃতিকভাবে দাগ দূর করতে সহায়ক। কয়েকটি নিমপাতা এক কাপ পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে মুখ ধুলে জিভের দাগ চলে যাবে। দিনে দুবার কুলকুচি করুন। ভালো ফল মিলবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর