অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে যে ক্ষতি!

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে যে ক্ষতি!

রোগ প্রতিরোধের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয়েছে গেলো বছর। করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করায় আমাদের স্বাস্থ্যের উপর গুরুত্ব নিতে বাধ্য করা হয়েছে। ভ্যাকসিন বাজারে চলে আসলেও সবার হাতে পৌঁছাতে আরো অনেক বেশি সময় লাগবে।

আমরা সবাই জানি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন কি ধরণের ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি আমরা ভিটামিন সি এর সাপ্লিমেন্ট খাচ্ছি। তবে আমরা যখন ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশপাশি ভিটামন সি সাপ্লিমেন্ট খাচ্ছি তখন তৈরি হবে আরো অনেক সমস্যা। তবে অন্যান্য কোন খাবারের মত বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি খাওয়া শরীরের অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।


বোনকে ধর্ষণচেষ্টা, মা-বাবার হাতে ছেলে খুন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, প্রেমিক উধাও

রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের গোলাগুলি, যুবক নিহত


মানুষ যখন বেশি খায় বেশি খাওয়ার যে একটা খারাপ দিক আছে সে বিষয়টা ভুলে যায়।  শরীরের জন্য ভিটামিন সি কতটা প্রয়োজন সে সম্পর্কে না জানা অতিরিক্ত ওষুধের কারণ হতে পারে।

গবেষণা  অনুসারে, প্রতিদিনি ৬৫ থেকে ৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়া উচিত উপরে ২ হাজার মিলিগ্রাম। একটি কমলাতে প্রায় ৫০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে, সুতরাং দিনে দুইটি কমলা খেলে শরীরে চাহিদা পূরণ হয়েও আরো বেশি হয়।

ভিটামিন সি খাওয়ার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

বেশি পরিমাণে শরীরে  যে ধরণের সমস্যা দেখা দেয়।

ডায়রিয়া

পেটে ব্যাথা

বমি বমি ভাব

অনিদ্রা

ভিটামিন সি গ্রহণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট করাও আপনার জন্য জরুরী যেখানে সব পুষ্টি উপাদান থাকে। ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।  মনে রাখবেন, পরিপূরকগুলি কেবলমাত্র পুষ্টির জন্যই তৈরি যা আপনি খাবার থেকে পান না।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রমজানে সুস্থ থাকতে ৩টি কাজ করুন

অনলাইন ডেস্ক


রমজানে সুস্থ থাকতে ৩টি কাজ করুন

চলছে পবিত্র মাহে রমজান। মহান আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের আশায় মুসলমানরা রোজা রাখেন। সারাদিন অনাহারে থেকে সন্ধ্যায় তারা ইফতার করেন। 

এর ফলে অনেকের মধ্যেই ক্লান্তি চলে আসে। এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। রমজান এবং করোনা, এই দুই মিলিয়ে এসময়ে সুস্থ থাকাটা একটা বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। সুস্থ থাকতে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিন।

আসুন জেনে নেই কি সেই তিনটি বিষয়।

অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করুন:

রোজায় সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে মিষ্টি এবং ফ্যাটজাতীয় খাবারের প্রতি আমাদের আসক্তি বাড়ে। তাই ইফতারে অস্বাস্থ্যকর সব ভাজা-পোড়া বা ভারি খাবার খেয়ে থাকেন অনেকেই। এসব খাবার আমাদের বেশি পিপাসার্ত করে দেয়।

ভাজা-পোড়া খাবারের পরিবর্তে গ্রিলড, বেকড বা স্টিমযুক্ত খাবার বেছে নিন। ইফতারের সময় একসঙ্গে বেশি খাবার খাবেন না। প্রয়োজনে অল্প করে কয়েকবার খান। মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।

চিপস, বিস্কুট বা ভাজা-পোড়ার বদলে বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন। ছোলা খেলেও তেল-মশলা ছাড়া খেতে হবে। না হলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেড়ে যাবে। সাদা রুটি, পাস্তা বা চিনিযুক্ত সিরিয়ালের পরিবর্তে কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ বাদামি চাল বা রুটি খেতে হবে।

ইফতার বা সেহেরিতে যদি আপনি পুষ্টিকর খাবার না খেয়ে অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে পেট ভরিয়ে রাখেন, তাহলে রমজানেও আপনার ওজন বেড়ে যাবে। আর যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে রমজানে সামান্য সচেতন থেকে পুষ্টিকর খাবার খেয়ে আপনার লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন।

পানির বিকল্প নেই:

সারাদিন রোজা রাখার কারণে পানি পান থেকে বিরত থাকতে হয়। এজন্য ইফতার থেকে সেহেরির আগ পর্যন্ত ঘন ঘন পানি পান করুন। তবে কখনোই একসঙ্গে অনেক পানি পান করবেন না। এ সময়ের মধ্যে ৭ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।

পাশাপাশি তাজা ফলের রস বা দুধ পান করতে পারেন। সেইসঙ্গে খাবারে ঝোলজাতীয় তরকারি, স্যুপ বা স্টু রাখতে হবে নিয়মিত। তরমুজ বা মাল্টার মতো রসালো ফল-মূল খেতে হবে। বেশি করে শাক-সবজি খেতে হবে, যেমন- শসা, লাউ, পালং শাক, পেঁপে ইত্যাদি।

একজন প্রাপ্তবয়স্কের প্রতিদিন গড়ে ২-৩ লিটার পানির প্রয়োজন হয়। শরীরে পানির পরিমাণ ওঠানামা করে। প্রস্রাব এবং ঘামের মাধ্যমে শরীরের পানি ফুরিয়ে যায়। রোজা থাকার কারণে যেহেতু পানি পান করা হয় না, এ কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। ডিহাইড্রেশনের ফলে ওজন কমে যেতে পারে।

রমজানে কফি, চা এবং কোমলপানীয় পান করলে প্রস্রাব বেড়ে যায়। এর ফলে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হতে থাকে। যা বিপদের কারণ। এ কারণে রোজা রেখে ইফতার বা সেহেরিতে চা, কফি বা কোমলপানীয় পান করবেন না।


কামড়ে ধরতেই লাঠি দিয়ে বাঘকে পিটিয়ে ছেলেকে ছিনিয়ে আনলেন বাবা

তার এই হাসি আবার ফিরে আসুক

লোক নেবে পিএমকে

১৬ এপ্রিল, ইতিহাসে আজকের এই দিনে


বিশ্রাম এবং শরীরচর্চা:

একদিন রোজা রাখার পর আবার পরের দিনের জন্য আপনার শরীর প্রস্তুত করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও অনুশীলন করা। এজন্য শরীরকে পুষ্টি দিতে হবে। যার মাধ্যমে শরীর আপনাকে শক্তি দেবে। তাই ভারসাম্যযুক্ত খাবারের বিকল্প নেই।

ফল, শাক-সবজি, মাংস, মাছ এবং হাঁস-মুরগির ডিম, দুধ, দই বা পনির এবং স্বাস্থ্যকর চর্বিজাতীয় খাবার বেশি করে খেতে হবে। খাবার খাওয়ার সময় ধীরে ধীরে সময় নিয়ে খাবেন। তাহলে খাবার দ্রুত হজম হবে।

রোজায় ফাইবারযুক্ত খাবারের বিকল্প নেই। এ সময় যদি কম শর্করা এবং ভালো ফ্যাটজাতীয় খাবার খান, তাহলে শরীর অনেক শক্তি পাবে। শরীর কখনো ক্লান্ত হবে না। শরীরকে সচল রাখতে রমজানে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করুন।

প্রতিদিন অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন। পাশাপাশি বিশ্রামও নিতে হবে, তাই বলে সারাদিন শুয়ে-বসে থাকবেন না। রমজানের সময় প্রতিদিন দুপুরের পর একটু ঘুমিয়ে নিন। সূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক, আবু ধাবি।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

ঘামের দুর্গন্ধ এড়াতে যা করবেন

অনেকের ঘামে প্রচুর দুর্গন্ধ হয়। যা যতটা না স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর তার থেকে বেশি নিজের সম্মানের প্রশ্নে। তবে বেশ কিছু উপায় মেনে চললে শরীরের দুর্গন্ধ অনেকাংশে রোধ করতে পারেবেন। আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই:

গোলাপজল

ঘামের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হলো গোলাপজলের ব্যবহার। গোসলের পানির সঙ্গে পরিমাণমতো গোলাপজল মিশিয়ে নিয়ে গোসল করুন। এই উপায়টি দীর্ঘক্ষণ দেহকে ঘামের দুর্গন্ধ থেকে দূরে রাখে। এটি খুব কার্যকরী।

আপেল সিডার ভিনেগার:

আপেল সিডার ভিনেগারে ব্যাকটেরিয়া দূর করার উপাদান রয়েছে। এটি ত্বকের পিএইচের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। সামান্য আপেল সিডার ভিনেগার তুলায় নিয়ে বগলের নিচে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসল করার আগে এই উপাদানটি বগলের নিচে ব্যবহার করুন। 

বেকিং সোডা:

বেকিং সোডা ঘাম দূর করতে সাহায্য করে। বেকিং সোডা ও পানি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। বগলের নিচে এবং শরীরের যে অংশে ঘাম বেশি হয়, সেখানে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার গোসল করে ফেলুন।

লেবুর রস:

লেবুর রসের এসিডিক উপাদান শরীরের ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটি ঘামের জীবাণুও ধ্বংস করে। লেবুর রস সরাসরি বগলের নিচে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন।

এছাড়াও বেশি অ্যালকোহল পান করলে আপনার স্বেদ গ্রন্থি অ্যাসিডিক হয়ে যায়। এর ফলে গায়ে দুর্গন্ধ হয়। যাদের গায়ে দুর্গন্ধ বেশি হয়, তারা এই বিষয়টি খেয়াল রাখবেন। সুযোগ থাকলে এই পানীয় বাদ দিবেন তাহলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। 

মানসিকভাবে উদ্বিগ্ন থাকলে দেহের অ্যাপোক্রিন গ্রন্থি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই গ্রন্থি মানুষের সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে আরও উত্তেজিত করে তোলে। এর ফলে সৃষ্ট স্ট্রেস দুর্গন্ধ বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং মানসিক চাপ বেশি নেবেন না।


৮ দিনের লকডাউন শুরু, রাজধানীর সড়কে সুনসান নীরবতা

সূরা ফাতিহার বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

করোনাবিধ্বস্ত জনপদে উৎসবহীন পহেলা বৈশাখ আজ

ফের বিয়ে করলেন কণ্ঠশিল্পী পুতুল


বয়ঃসন্ধিতে অনেকের শরীরেই দুর্গন্ধের সমস্যা হয়। কিন্তু অনেক দিন পেরিয়ে গেলেও সমস্যা চলতে থাকলে বুঝতে হবে বড় কিছু শারীরিক সমস্যা রয়েছে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের অনেক সময় গায়ে দুর্গন্ধ হয়।

অনেক সময় দেখা যায় পেট ভরে না খেলে শরীরে পুষ্টির অভাব দেখা দিলে ঘামে দুর্গন্ধ হয়। এ ছাড়া শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে ঘাম থেকে বাজে গন্ধ হয়। এ ছাড়া শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে ঘাম থেকে বাজে গন্ধ হয়।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাজার থেকে কেনা খাদ্যদ্রব্য যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন

অনলাইন ডেস্ক

বাজার থেকে কেনা খাদ্যদ্রব্য যেভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন

বাজার থেকে কিনে আনা খাদ্যদ্রব্য বাড়িতে এনে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। কারণ খাবারের প্যাকেজিং থেকে শুরু করে ফল-শাক-সবজি সবকিছুতেই করোনার জীবাণু থাকতে পারে। কিভাবে জীবাণুমুক্ত করবেন আসুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।

>> বিশেষ করে কাঁচা শাক-সবজি ও ফল-মূলে করোনাভাইরাস থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ বিভিন্ন ক্রেতারা ফল বা সবজি হাত দিয়ে সম্পর্শ করে থাকেন।

>> বাজার থেকে কেনা সবজি ও ফল খাওয়ার আগে ভালো করে লবণ ও গরম পানিতে ধুয়ে নিন।

>> কাঁচা বাজারের ক্ষেত্রে সবকিছু ট্যাপের নিচে পানি ছেড়ে রেখে দিন ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।

>> প্লাস্টিকের প্যাকেট, টিনের বা কাঁচের পাত্রে থাকা খাবার ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত স্পর্শ না করাই ভালো। সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহার করতে চাইলে জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন।


গাজীপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের

রোজা শুরু কবে, জানা যাবে সন্ধ্যায়

আব্দুস সবুর খান বীর বিক্রম আর নেই

সাগরে ১০ লাখ টন দূষিত পানি ফেলার সিদ্ধান্ত জাপানের


>> পরিষ্কারক হিসেবে ব্লিচ ব্যবহার না করাই ভালো। এতে ক্ষতিকারক উপাদান থাকে। যা চোখে গেলে ক্ষতি হতে পারে।

>> বাজারে যাওয়ার আগে এবং বাজার থেকে ফিরে সাবান ও পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ধরে ভালো করে হাত ধুতে হবে। গোসল করতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

>> বাজারের ব্যাগ নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন। প্রতিদিনই বাজারের ব্যাগটি ধুয়ে ফেলার অভ্যাস করুন। আর পলিথিনগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন।

>> এ মুহূর্তে অর্থ লেনদেনের পর হাত ভালো করে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সূত্র: বিবিসি

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

ত্বকের যত্ন সবসময়ই নিতে হয়। তবে গরমে ত্বকের যত্ন একটু ভিন্ন। এবার তাহলে গরমে ত্বকের যত্নের পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো-

সাবানের পরিবর্তন : শীতে যে সাবান বা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করতেন তা কখনোই গরমে ব্যবহার করবেন না। কেননা, গরমে মুখের গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল বের হয়। তাই গরমে পৃথক সাবান ব্যবহার করুন, যা আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই।

সানস্ক্রিন ব্যবহার : রোদের তাপে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যায়। ত্বকের এই কালচেভাব থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য মুখ-পাত-পা এবং শরীরের অন্য সকল খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট : অতিরিক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দাম একটু বেশি হলেও ত্বকের যত্নে আপনাকে এটা করতেই হবে।

ফলমূল খাওয়া : বেশি বেশি তাজা ফলমূল খাবেন। এতে শরীরের পানির ঘাটতি দূর হবে। এছাড়া ফলে থাকা ভিটামিন, পুষ্টিগুণ আপনার ত্বক ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


বোনকে খুঁজে না পেয়ে ভাইয়ের জিডি, বলছেন তার বোনকেও বিয়ে করেছেন মাওলানা মামুনুল

সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত

সক্রেটিস আইন মেনে মরলেন, রফিকুল আইন মানেন না

হেফাজতে ইসলামের আয়ের উৎস জানালেন আল্লামা বাবুনগরী


টোনার ব্যবহার : গরমে টোনার ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব হ্রাস পায় এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে।

মেকআপ কম করা : গরমে মেকআপ যত কম করা যায় ততোই ভালো। গরমে ঘাম বেশি হয়। এই সময় যদি মেকআপ করা হয় তাহলে ত্বকে চাপ পড়বে। তাই এমন কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করুন যা ত্বকের কোনো ক্ষতি ছাড়াই ত্বককে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চিনি থেকে পিঁপড়া দূরে রাখার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

চিনি থেকে পিঁপড়া দূরে রাখার টিপস

পিঁপড়ের হাত থেকে চিনি বাঁচাতে অনেকেই পলিথিনের প্যাকেটে মুড়ে রাখছেন আবার কেউ শক্ত ঢাকনা-ওয়ালা পাত্রে রাখছেন। অনেকেই আবার পলিথিনে মুড়িয়ে ঢাকনা ওয়ালা পাত্রে রাখছেন। কেউ কেউ তো পিঁপড়ের হাত থেকে চিনিকে সুরক্ষিত রাখতে সেটি পাত্র সমেত ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু এ ভাবে কী আর সব সময় পিঁপড়ার হাত থেকে চিনি বাঁচানো সম্ভব!  

তবে এমন বেশ কয়েকটি উপায় আছে, যেগুলি কাজে লাগালে চিনির পাত্র ঘরের যেখানেই রাখুন, পিঁপড়ে ধরবে না কোনও মতেই। আসুন পদ্ধতিগুলি জেনে নেই।

চিনির পাত্রে একটি তেজপাতা রেখে দিন। ৪-৫ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। তেজ পাতার গন্ধে পিঁপড়ে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না।

মাঝারি মাপের দুই-একটা দারচিনির টুকরো চিনির পাত্রে রেখে দিন। দারচিনির গন্ধে চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।


মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়কে ব্যক্তিগত বললেন বাবুনগরী

মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


চিনির পাত্রে একটি বা দুটি লবঙ্গ রেখে দিন। ৪ থেকে ৫ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। লবঙ্গের গন্ধে পিঁপড়া চিনির পাত্রের ধারে-কাছেও আসবে না।

এক টুকরো লেবুর খোসা চিনির পাত্রে রেখে দিন। ২ থেকে ৩ দিন পর পর সেটি বদলে ফেলুন। এতে চিনির পাত্রের ধারে কাছেও আসবে না পিঁপড়ার দল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর