প্রথমে শ্যালিকাকে শ্বাসরোধে পরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রথমে শ্যালিকাকে শ্বাসরোধে পরে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা

রাজধানীর মগবাজার এলাকার বাসিন্দা রনি মিয়া। পেশায় রিকশা চালক। মাদকাসক্ত এবং পেশাদার জুয়াড়ি হওয়ার কারণে চার মাস আগে স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকেই তারা আলাদা হয়ে যান। 

গত ১ জানুয়ারি নাখালপাড়ার একটি বাসায় ওঠেন ইয়াসমিন ও তার ছোট বোন শিমু। পরে, সাবেক স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব দিতে ওই বাসায় যান রনি। তখন ইয়াসমিন বাসায় ছিল না। পরে শ্যালিকা শিমু আক্তারের সঙ্গে এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শিমুর গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়। লাশ বিছানায় চাদর দিয়ে ঢেকে দেওয়ার সময় ইয়াসমিন বাসায় এসে ঘটনা দেখে ফেলে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে ঘরে থাকা দা দিয়ে ইয়াসমিনকে কুপিয়ে হত্যা করে রনি মিয়া।

দুই বোনকে হত্যার ঘটনায় রোববার (১০ জানুয়ারি) রনিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: প্রেমিকাকে ‘মেরে’ সেফটিক ট্যাংকে ফেলে কংক্রিটের ঢালাই

মৃত কিশোরীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক, এ কেমন আচরণ

ছেলের বউকে সুযোগ পেলেই ধর্ষণ করত ৭০ বছরের শ্বশুর

রনি বলেন, স্ত্রীকে বাসায় না পেয়ে তাকে বুঝিয়ে বলার জন্য শিমুকে অনুরোধ করেন তিনি। এ সময় তার বোনের সিদ্ধান্ত ঠিক, তার সংসারে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিমুর গলা টিপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। পরে ইয়াসমিন বাসায় ফিরলে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন। 

নিহত ইয়াসমিন পোশাককর্মী আর শিমু সম্প্রতি নাবিস্কো এলাকায় একটি প্রতিষ্ঠানে কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের বাড়ি নরসিংদীতে। রনির বাড়ি জামালপুরে।  

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন দুপুর ১টার দিকে পূর্ব নাখালপাড়ার ২৫৩/৩ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলায় একটি কক্ষে রনি তার স্ত্রীকে দা দিয়ে কোপানোর সময় আশপাশের লোকজন জানালা দিয়ে দেখতে পান। পরে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হলে রনি ভেতর দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করেন আশপাশের লোকজন। ঘরে ঢুকে তারা দুই নারীর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঢাকা ও সিলেটের পর এবার চট্টগ্রামে নুরের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা ও সিলেটের পর এবার চট্টগ্রামে  নুরের বিরুদ্ধে  মামলা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ঢাকা ও সিলেটের পর এবার চট্রগ্রামেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। ফেসবুক লাইভে এসে  ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে এই মামলা করা হয়।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলাটি দায়ের করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আজিজ মিসির। 

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নূরের বিরুদ্ধে একটি এজাহার দেওয়া হয়েছে। আমরা তা গ্রহণ করেছি। অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মামলার এজাহারে বাদি আজিজ মিসির নিজেকে চট্টগ্রাম মহানগর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির অর্থ উপ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

বাদি আজিজ মিসির অভিযোগ করেছেন, নূর ব্যক্তিগত আইডি থেকে ফেইসবুক লাইভে এসে বাংলাদেশের অসংখ্য ধর্মপ্রাণ নেতাকর্মীদের ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে উসকানি প্রদান, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোসহ মুসলমান নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য প্রকাশ, আক্রমণাত্মক ও মিথ্যা তথ্য প্রদান করেন। বাদি কোতোয়ালী থানার কোর্ট হিলে আইনজীবী এনেক্স ভবনের-১ নিচতলায় অ্যাডভোকেট তসলিম উদ্দিনের চেম্বারে বসে নূরের এ বক্তব্য শোনেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ফেইসবুক লাইভে এসে নূর বলেন, ‘কোনো মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারে না। যারা এই আওয়ামী লীগ করে তারা চাঁদাবাজ, ধান্ধাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, চিটার-বাটপার এই ধরনের মুসলমান।’

উল্লেখ্য, গত ১৪ এপ্রিল নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ‘আওয়ামী লীগের কেউ প্রকৃত মুসলমান না’ বলে মন্তব্য করেন। একই ঘটনায় ঢাকা- সিলেটের পর এবার চট্রগ্রামে মামলা হয় নুরের বিরুদ্ধে। 

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

‘চুক্তিভিত্তিক’ দুজনকে বিয়ে করেন মাওলানা মামুনুল!

অনলাইন ডেস্ক

‘চুক্তিভিত্তিক’ দুজনকে বিয়ে করেন মাওলানা মামুনুল!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরবিরোধী আন্দোলনের নামে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হক সরকার উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন-অর-রশিদ। মামুনুল হককে সাত দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। ডিবি কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রথম বিয়ের পর দুই জান্নাতকেই কন্ট্রাকচ্যুয়াল (চুক্তিভিত্তিক) বিয়ে করেছিলেন মামুনুল। এসব বিয়ের সময় কারা সাক্ষী ছিলেন তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম এই তথ‌্য নিশ্চিত করেছেন। 

অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দিতেই দুই ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করেছিলেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি করেন মামুনুল। বলেছেন, রিসোর্টকাণ্ডে শুরুতেই স্বীকার করলে প্রথম স্ত্রী আমেনা তৈয়বা বড় ধরনের কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলতেন বলে তার ধারণা ছিল। এ কারণে তৎক্ষণাৎ স্বীকার করেননি। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিনই অন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্যের সঙ্গে এসব কথা বলেছেন মামুনুল। 

এর আগে আজ দুপুর পৌনে ১২টায় সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে নাশকতার ঘটনায় হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ড চাইবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) মামুনুলকে আদালতে তোলা হয়। আগেই তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

১৮ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রতারণার মামলায় সেই মডেল রোমানা স্বর্ণা রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

প্রতারণার মামলায় সেই মডেল রোমানা স্বর্ণা রিমান্ডে

নিজের নামে অসংখ্য ফেসবুক আইডি খুলে প্রবাসীদের সঙ্গে মডেল পরিচয়ে প্রেম করতেন রোমানা ইসলাম স্বর্ণা। নানা অজুহাত দেখিয়ে বা বিয়ে করতে চেয়ে হাতিয়ে নিতেন বিপুল পরিমাণ টাকা।

প্রতারণার মাধ্যমে এক সৌদি প্রবাসীর কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার মডেল ও অভিনেত্রী রোমানা ইসলাম স্বর্ণার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে তার সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গত ১১ মার্চ অভিনেত্রী স্বর্ণাসহ আরও ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন সৌদি প্রবাসী কামরুল ইসলাম। মামলার পরদিন স্বর্ণা, তার মা শেইলী, ছেলে আন্নাফিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন


থানায় পুলিশ আমার গায়ে হাত তুলেছে: অভিযোগ কাদের মির্জার

দেশের নাজুক চিকিৎসা ব্যবস্থায় অসহায় মানুষ: জিএম কাদের

টিকা নিয়েও করোনা আক্রান্ত জিৎ, চিকিৎসা নিচ্ছেন বাড়িতেই

নরসিংদীর বেলাবতে সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী


মামলার অভিযোগে বাদী কামরুল উল্লেখ করেন, তিনি রোমানার বাসায় কয়েকদিন অবস্থান করতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং ২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল সৌদি আরবে চলে যান। সৌদি আরবে যাওয়ার পর প্রথম দিকে রোমানা বাদীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং তিনি রোমানাকে নিয়মিত সাংসারিক খরচ দিতেন। চার-পাঁচ মাস পর বাদী কামরুল সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে এসে তার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে, রোমানা তার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে এবং দেখা করতে অস্বীকৃতি জানাযন। এ বিষয়ে বাদী রোমানার পরিবারের সঙ্গে কথা বললে তারাও তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন। স্বর্ণার আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে ফ্ল্যাট ও গাড়ি বুঝিয়ে দিতে বললে সেসব নেই বলে বাদীকে জানান।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের মাঠে নামিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেছিলেন মামুনুল: ডিসি হারুন

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষার্থীদের মাঠে নামিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেছিলেন মামুনুল: ডিসি হারুন

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক রাষ্ট্র, সরকার ও ইসলামকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ। তিনি বলেছেন, উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে মাদরাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঠে নিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করেছিলেন মামুনুল।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে মামুনুলকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।

ডিসি হারুন আরও জানান, তাবলীগের সাদপন্থীদের মারধরের কথা স্বীকার করেছেন তিনি (মামুনুল)। জোশের কারণে ওয়াজ মাহফিলের বক্তৃতায় বিশিষ্ট নাগরিকদের মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন বলেও স্বীকার করেছেন মামুনুল।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পিটুনির ১মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও ভাইরাল

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

একদিনে করোনা শনাক্ত ৪৫৫৯

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৯১ জন

এর আগে দুপুর পৌনে ১২টায় সিআইডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে নাশকতার ঘটনায় হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ড চাইবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, গত ২৫ ও ২৬ মার্চ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াও ও হত্যার মতো নাশকতা ঘটনো হয়। এতে মামুনুলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে, সেসব মামলায়ও তাকে রিমান্ডে নেওয়া হবে। সাম্প্রতিক তাণ্ডবের ১৮টিসহ ২৩ মামলার তদন্ত করছে সিআইডি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। ব্যাপক সহিসংতা চালানো হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। টার্গেট করে হামলা চালনো হয় সরকারি স্থাপনায়। করা হয় অংগ্নিসংযোগ। নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত করে হেফাজত নেতাকর্মীরা। আক্রোশ থেকে বাদ যায়নি গণমাধ্যমও।

সহিংসতার ঘটনায় দেশের বিভিন্ন জেলায় শতাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ও চট্টগ্রাম জেলার ২৩টি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।

ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার সহিসংতার ঘটনায় মামুনুল হকের সম্পৃক্ততা পেয়েছে সিআইডি।

ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এ ঘটনায় মামুনুলের সম্পৃক্ততা পেয়েছি। আমরা অপেক্ষা করছি একটা কেস চলমান আছে। সেটার রিমান্ড চলছে এটা শেষ হলেই আমরা আবার তাকে রিমান্ডে নিয়ে আসব।

সিআইডির তদন্তাধীন মামলাগুলোর মধ্যে বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

অনলাইন ডেস্ক

ডাক্তার-পুলিশের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত: হাইকোর্ট

চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের বাগবিতণ্ডার ঘটনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। সংগঠন দুটির এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে এ ব্যাপারে ভার্চুয়াল বেঞ্চ গঠন করা হয়।

আদালত বলেছেন, ওই ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি দেওয়া সমীচীন হয়নি। তাদের এমন আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে এমন আচরণ কাম্য নয়।

এর আগে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে চিকিৎসক, পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উত্তেজনাপূর্ণ বাদানুবাদ ও অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় পালটাপালটি প্রতিবাদ জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত এ প্রতিষ্ঠানের লোগো সংবলিত গাড়িতে বাড়ি ফিরছিলেন। পুলিশ তার গাড়ি থামালে পরিচয় দেওয়ার পরও তার চিকিৎসক পরিচিতি ভুয়া বলে তাকে অসৌজন্যমূলকভাবে গাড়ি থেকে নামতে বলা হয়। ডা. সাঈদা তার নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত অ্যাপ্রোন পরা অবস্থায় ছিলেন। এরপরও পুলিশ তার সঙ্গে অসৌজন্যমুলক আচরণ করেন। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হন, যার খণ্ডিত চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। এ ক্রান্তিলগ্নে দেশ সেবায় নিবেদিত চিকিৎসককে অপমান ও অপদস্থ করায় স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যা দেশব্যাপী চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করার শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় মেডিকেল কর্তৃপক্ষ একজন চিকিৎসককে হয়রানির প্রতিবাদ জানাচ্ছে ও চলমান করোনা চিকিৎসার স্বার্থে স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চেকপোস্ট চলাকালে চিকিৎসককে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরিচয়পত্র দেখাতে বললে তিনি ন্যক্কারজনকভাবে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তিনি শুধু ওই পুলিশ সদস্যদের অপমান করেননি গোটা পুলিশ বাহিনীকে কটাক্ষ ও হেয়প্রতিপন্ন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি নিজ পেশার পরিচয় বাদ দিয়ে অপ্রাসঙ্গিক পরিচয় তুলে ধরে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। জাতির সামনে পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করেছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের প্রতি চিকিৎসকের এহেন অপেশাদার ও অরুচিকর আচরণে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি সদস্য মর্মাহত। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এ ঘটনার তীব্র নিন্দাসহ প্রতিবাদ জানাচ্ছে ও একই সঙ্গে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

এদিকে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চে অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ সোমবার বাকবিতণ্ডার ওই ঘটনা নজরে আনেন।

তিনি আদালতকে বলেন, আমি জনস্বার্থে একজন চিকিৎসককে পুলিশি হয়রানির এ ঘটনা আপনাদের কাছে উপস্থাপন করছি। আদালত বলেন, পুলিশ-চিকিৎসক বাকবিতণ্ডা করেছেন। আজ আদালত এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর