দেশের সর্ববৃহৎ আবাসন এলাকা বসুন্ধরা গ্রুপের

অনলাইন ডেস্ক

দেশের সর্ববৃহৎ আবাসন এলাকা বসুন্ধরা গ্রুপের

দেশের শীর্ষ শিল্প গোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ আবাসন খাতে এনেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। মানুষকে দিয়েছে উন্নত জীবনযাত্রায়। কেউ যখন আবাসন নিয়ে ভাবতেন না বা ভাবার সাহসও করতেন না ঠিক সে সময়ই তরুণ উদ্যোক্তা বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান আবাসন খাতে হাত দিলেন।

চার দশক আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, ঢাকার ওপর মানুষের চাপ বাড়বে। মানুষের চাপ বাড়লেই আবাসন সংকট তৈরি হবে। এই দূরদৃষ্টিই এগিয়ে দিয়েছিল সেই সময়ের তরুণ উদ্যোক্তা আহমেদ আকবর সোবহানকে। দেশের মানুষের চাহিদা পূরণে ১৯৮৭ সালে তাই শুরু করেন আবাসন ব্যবসা। অবহেলিত জনপদে দেশের সর্ববৃহৎ ও অভিজাত আবাসন এলাকা গড়ে তুলে তিনি কৃষকদের কোটিপতি বানিয়েছেন। প্রগতি সরণি থেকে শুরু করে পূর্বদিকে বালু নদী পর্যন্ত পতিত জমিই হয়ে ওঠে সোনা। 

এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড দিয়ে শুরু করে তিনি আবাসন খাতেই গড়ে তোলেন আমদানি বিকল্প শিল্প। একে একে ৬০টির বেশি শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু করে বসুন্ধরাকে প্রতিষ্ঠা করেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপ হিসেবে। তাঁর সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আবাসন ব্যবসায় এলেন আরো অনেকে। গুণগত, মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী উৎপাদন ও সংযোগ শিল্পের বিকাশে এই খাতে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে দেশের আবাসন খাতকে শিল্পে রূপান্তরের নিপুণ কারিগর তিনি। আহমেদ আকবর সোবহানের হাত ধরে নতুন এক আবাসন বিপ্লবের সূচনা হয়।

আহমেদ আকবর সোবহানের জন্ম ১৯৫২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পুরান ঢাকার ইসলামপুরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তাঁর বাবা আবদুস সোবহান ছিলেন আইনজীবী এবং মা উম্মে কুলসুম ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও চার বোনের মধ্যে আহমেদ আকবর সোবহান সবার ছোট।

১৯৭৮ সালে আহমেদ আকবর সোবহান অভ্যন্তরীণ সেবা খাতে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যাবসায়িক যাত্রা শুরু করেন। বসুন্ধরা গ্রুপের পথচলা শুরু হয় ইস্ট ওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট (প্রা.) লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। গুণগত মান এবং সর্বোচ্চ সেবার নিশ্চয়তা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি হয়ে উঠেছে ভোক্তাদের আস্থার অন্য নাম। এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম ছিল না কখনোই। কিন্তু আহমেদ আকবর সোবহান কখনো নিজ নীতি থেকে বিচ্যুত হননি। অটল থেকেছেন নিজের লক্ষ্যে। সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য ও নিরলস প্রচেষ্টায় নিজ হাতে তিনি বসুন্ধরা গ্রুপকে নিয়ে এসেছেন আজকের এই বিশাল ব্যাপ্তি ও বিরাট অবস্থানে। ইস্পাত ও প্রকৌশল, কাগজ, টিস্যু, সিমেন্ট, এলপি গ্যাস, স্যানিটারি ন্যাপকিন, কাগজজাত পণ্য, ড্রেজিং, জাহাজশিল্প, খাদ্য ও পানীয়, বিটুমিন, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, আইসিটি, যোগাযোগ ও পরিবহন, গৃহায়ণ ও নির্মাণ, প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিং, ক্রীড়া, বিনোদন, হাসপাতাল, ফাউন্ডেশনসহ ৬০টির বেশি নানা মাত্রার বৃহৎ শিল্প খাতে নিজেদের ব্যবসার বিস্তার ঘটিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। সারা দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে প্রতিষ্ঠানটি ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। আহমেদ আকবর সোবহানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ও বিচক্ষণ তদারকিতে বসুন্ধরা গ্রুপ অবকাঠামোগতভাবে অর্জন করেছে যথেষ্ট দক্ষতা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতার সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের যোগ্যতা লাভ করেছে। বসুন্ধরা গ্রুপের শিল্প উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের নানা পণ্যে আমদানিনির্ভরতা কমেছে। অর্থনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখতে সক্ষম হয়েছে এই গ্রুপ।

বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু ব্যাবসায়িক খাতই নয়, তৈরি করেছে বিরাট কর্মক্ষেত্রও। এই গ্রুপের নানা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি কর্মরত আছেন ৬০ হাজার কর্মী। এ ছাড়া নানাভাবে বসুন্ধরা গ্রুপে কাজ করছেন পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ। রাজস্ব খাতে বিরাট অবদানের মাধ্যমে দেশীয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও দারুণ অবদান রাখছে বসুন্ধরা। বহু বছর ধরেই দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজস্বদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম ধরে রেখেছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

ঢাকায় নিজের একটি বাড়ি গড়ার স্বপ্ন দেখায় বসুন্ধরা। তখন প্লট কিনে বাড়ি করার ধারণাটি ছিল নতুন। কথাটা তখন তেমন কেউ বিশ্বাস করতেন না। ধারণা নতুন হলেও আহমেদ আকবর সোবহানের বিশ্বাস ছিল, যদি আস্থা অর্জন করা যায়, তাহলে মানুষ বসুন্ধরার জমি লুফে নেবে। হয়েছেও তাই। বারিধারা কূটনৈতিক জোনের খুব কাছেই এ, বি, সি ও ডি—এই চারটি ব্লক নিয়ে বসুন্ধরা যাত্রা শুরু করে ১৫ হাজার একর জমিতে বিস্তৃত হয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। নিজের একটি বাড়ি হবে এমন স্বপ্ন যাঁরা দেখতেন, তাঁরা তাঁদের সাধ্যের মধ্যে বসুন্ধরায় প্লট কেনা শুরু করলেন। দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি সুবিধা ও সময়মতো প্লট বুঝিয়ে দিয়ে পরিকল্পিত আবাসন নির্মাণে বিশ্বস্ততা অর্জন করে বসুন্ধরা গ্রুপ। সেই বিশ্বাসেই বসুন্ধরা গ্রুপ এত দূর এসেছে বলে জানালেন বিশিষ্ট এই শিল্পপতি। তিনি বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ এই এলাকার লক্ষাধিক কৃষককে কোটি টাকার মালিক বানিয়েছে। এই এলাকায় যাঁদের সামান্য জমি ছিল তাঁরা আজ বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়েছেন। একইভাবে বসুন্ধরা গ্রুপ অন্য প্রকল্পগুলোর মাধ্যমেও মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছে। বসুন্ধরা এখন পরিকল্পিত ও আধুনিক সুবিধাসংবলিত মনোমুগ্ধকর আবাসিক এলাকা। এখানে সুধীজনের বসবাস। আজকে বসুন্ধরা শুধু বাংলাদেশই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ একটি আবাসিক এলাকা।’

বেশির ভাগ আবাসন কম্পানি সাধারণত প্লট বিক্রি করেই দায়িত্ব শেষ করে। তাদের বেশি কোনো পরিকল্পনা থাকে না। বসুন্ধরা গ্রুপ শুরু থেকেই এ ক্ষেত্রে ভিন্ন। সবুজ বনায়নে জোর দিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হয়ে ওঠে কোলাহলমুক্ত শান্তিপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় আছে দেশের ব্যস্ততম করপোরেট প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ব্যাংক, কনভেনশন সেন্টার, সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট, জিম, বাণিজ্যিক স্থাপনা, খেলার মাঠ ইত্যাদি। শুধু তাই নয়, একমাত্র বসুন্ধরায়ই আছে দেশের আন্তর্জাতিক মানের চারটি বিশাল কনভেনশন সিটি। ১৯৯৮ সালে যখন আবাসন ব্যবসা তুঙ্গে তখন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রথম ১৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলেন দেশের সর্ববৃহৎ বসুন্ধরা শপিং মল।

সুবিশাল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা শতভাগ নিরাপদ। নিজস্ব প্রায় দুই হাজার নিরাপত্তাকর্মী সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য রয়েছে সিসিটিভি ও সিকিউরিটি হেল্প লাইন, নিজস্ব পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ আরো অনেক কিছু।

বসুন্ধরার বারিধারা প্রকল্পের সাফল্যের পরপরই দেশের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেন আহমেদ আকবর সোবহান। পুরান ঢাকার মানুষকে আবাসন সুবিধা প্রদানের জন্য কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে রিভারভিউ নামের প্রকল্প, গাজীপুরের মৌচাক ও স্কাউট জাম্বুরির কাছে আছে মৌচাক হাউজিং প্রকল্প। ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের পাশে আছে রিভারভিউ গ্রিন টাউন ও বসুন্ধরা দক্ষিণ প্রকল্প। আগামীর ঢাকা অর্থাৎ ঢাকার সবচেয়ে বেশি সম্প্রসারিত জোন পূর্বাঞ্চলে ছোট-বড় বেশ কয়েকটি আবাসন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এতে রাজধানী ঢাকার আবাসন সমস্যা দ্রুতই লাঘব হবে বলে আশা করছেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান।

বাংলাদেশে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার ধারণা প্রথম আসে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের মাধ্যমে। জহিরুল ইসলামের এই উদ্যোগের পর সত্তরের দশকে এই খাতে পাঁচটির মতো কম্পানি যুক্ত হয়। বসুন্ধরার মাধ্যমে এই শিল্পের ব্যাপক বিকাশের পর তাদের অনুসরণ করে এগিয়ে আসে আরো অনেক গ্রুপ।

আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপ শুধু নিজের নয়, দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা প্রথম সিমেন্ট কম্পানি করেছিলাম, এর পরে ৯৭টি কম্পানি হয়েছে। মানুষের আস্থা বসুন্ধরা সিমেন্ট এবং বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি অবিচল রয়েছে। দেশের সব বড় অবকাঠামোয় বসুন্ধরা গ্রুপের সিমেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে। মানের বিষয়ে আমরা কখনো আপস করিনি, শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছি। এভাবে অনেক ব্যবসাতেই বসুন্ধরা প্রথম পা রেখেছে, এরপর বসুন্ধরার সাফল্যে অন্যরাও সেই ব্যবসায় এসেছে।’

আহমেদ আকবর সোবহান আরো বলেন, ‘আমাদের এই সফলতার পেছনে ব্যাংকারদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমার প্রতি ব্যাংকারদের যে আস্থা, আশা করি ভবিষ্যতেও তা থাকবে। ব্যাংকারদের ভালো ব্যবসায়ীদের খুঁজে ঋণ দিতে হবে। বসুন্ধরা গ্রুপ কখনো ব্যাংকে ডিফল্টার হয়নি।’

নিজের সাফল্যের কারণ ব্যাখ্যা করে এই উদ্যোক্তা বলেন, “আমার বিষয়ে বলা হয়, আমি সব ব্যবসাতেই সফল হই। এর মূল কৃতিত্ব বসুন্ধরা গ্রুপের সব কর্মীর। তাঁরা সবাই প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের মনে করে কাজ করেন। সবাই মনে করেন যে প্রতিষ্ঠান ‘আমাদের’। আমাদের সব সফলতার মূল এই কর্মী বাহিনী।”

নিজেও একজন ক্রীড়া অনুরাগী বসুন্ধরা গ্রুপের অধিকর্তা। আহমেদ আকবর সোবহান নিজে একসময় হকি খেলতেন এবং তাঁর বড় ভাই আবদুস সাদেক একজন হকি কিংবদন্তি। শুধু হকি নয়; ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে অনেক খেলাকেই দীর্ঘদিন ধরে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছে দেশের অন্যতম এই বৃহৎ ব্যবসায়ী গ্রুপ। ফুটবলে আছে নিজেদের দল বসুন্ধরা কিংস। এই গ্রুপ আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র এবং শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে। ক্রিকেটে তারা বিপিএলের দল রংপুর রাইডার্সের মালিক। এর বাইরে গলফ, কাবাডি, হকিসহ বিভিন্ন খেলায় নিয়মিতই পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার তারা সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় গড়ে তুলছে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স।

আহমেদ আকবর সোবহান বলেন, “আমরা একটা স্পোর্টস কমপ্লেক্স করছি। একটা ক্রিকেট একাডেমি করব, এর নাম দেব শেখ রাসেল ক্রিকেট একাডেমি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা কথা প্রায়ই বলেন, ‘দেশের প্রতিটা শিশুকে দেখলে শেখ রাসেলের স্মৃতি ভেসে ওঠে।’ এই যে একটা অন্তর্দহন, এটা শুধু তিনিই বোঝেন। এটা আর কেউ বুঝবে না।”

বসুন্ধরা গ্রুপের বিশাল ব্যাবসায়িক সাম্রাজ্যের হাল ধরেছে নতুন প্রজন্ম। পুরো ব্যবসাকে বিভিন্ন সেক্টরে বিন্যস্ত করে ভবিষ্যৎ রূপরেখাও দিয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনায় তাঁর সুযোগ্য চার সন্তান সাদাত সোবহান, সাফিয়াত সোবহান, সায়েম সোবহান আনভীর ও সাফওয়ান সোবহান বসুন্ধরা গ্রুপকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। সায়েম সোবহান আনভীর পালন করছেন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব। সাদাত সোবহান কো-চেয়ারম্যান, সাফিয়াত সোবহান এবং সাফওয়ান সোবহান ভাইস চেয়ারম্যান।


আরও পড়ুন: রাঙামাটিতে বেইলি ব্রিজ ভেঙে পাথরবোঝাই ট্রাক খালে, নিহত ৩


শুধু ব্যাবসায়িক অঙ্গনেই নয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সামাজিক দায়িত্ব পালনেও দৃষ্টান্ত রেখেছেন আহমেদ আকবর সোবহান। সাফল্যের শীর্ষে অবস্থান করেও ভুলে যাননি দেশীয় সংস্কৃতি ও মানবতার কল্যাণে ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ। দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের কথাও মনে রেখেছেন সব সময়। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন নিত্যদিন। বসুন্ধরা গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত দুটি মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষের জীবনচলার পথ সুগম করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্ত। এ ছাড়া নানা সময়ে বিপদগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বহু নজির রেখেছেন আহমেদ আকবর সোবহান।

বসুন্ধরা গ্রুপ গড়ে তুলেছে দেশের সর্ববৃহৎ মিডিয়া গ্রুপ। ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে আছে কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ডেইলি সান, বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোরডটকম, নিউজ ২৪, রেডিও ক্যাপিটাল এবং টি স্পোর্টস। বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার স্বপ্ন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিয়েই আমাদের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া শুরু করেছি। আমাদের মিডিয়া হাউস আজ শুধু বাংলাদেশেই নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম।’

যদিও এখন বহুক্ষেত্রে বিস্তৃত বসুন্ধরার সীমানা, কিন্তু সব কিছুর শুরু আবাসন দিয়েই। সেখানে বিপ্লব ঘটিয়ে বসুন্ধরা যেমন দেশের মানুষকে দিয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ের ঠিকানা, তেমনি বিপুল কর্মসংস্থানে সমৃদ্ধ করেছে দেশের অর্থনীতি। আবাসনে বসুন্ধরার এই বিপ্লব তাই পুরো দেশের জন্যই এক আশীর্বাদ। সূত্র: কালের কণ্ঠ

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ

অনলাইন ডেস্ক


বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। 

ওয়াশিংটনে অবস্থানরত মোমেন মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিনকেনের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে এ অনুরোধ জানান।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আবার বৈশ্বিক নেতৃত্বে ফেরত আসবে বলে আশা করে বাংলাদেশ।’

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখার জন্য নতুন মার্কিন সরকারকে অভিনন্দন জানান মোমেন।


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, সেক্রেটারি ব্লিনকেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও গভীর করার উপায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো সাধারণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে স্ট্র্যাটেজিক স্তরে নেওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন উভয় দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক নেতাদের সফরের ওপর জোর দেন।

মোমেন আশা প্রকাশ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দ্রুত বাংলাদেশ সফর করবেন।

তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেনকে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান। উভয় নেতা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরও গভীর করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।

দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার জন্য এবং বৈশ্বিক বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য দুই নেতা সম্মত হন। তারা কোভিড পরিস্থিতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, মানবাধিকার ও শ্রমাধিকারসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

তারা দু’জন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের টেকসই সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছেন। এছাড়াও শ্রম ও মানবাধিকারের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করেন।

সেক্রেটারি ব্লিনকেন ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশতম বার্ষিকী উপলক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেনকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়া ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিবিড় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তিন দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ বিমান বহরে যোগ হল 'আকাশতরী'

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ বিমান বহরে যোগ হল 'আকাশতরী'

বাংলাদেশ বিমানের বহরে আজ বুধবার যোগ হয়েছে আরও একটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ। এর নাম ‘আকাশতরী’। বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জি-টু-জি ভিত্তিতে ক্রয় করা তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের দ্বিতীয় উড়োজাহাজ আজ বুধবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে দেশে পৌঁছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উড়োজাহাজের নাম রেখেছেন ‘আকাশতরী’।

আজ বুধবার বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে উড়োজাহাজটি গ্রহণ করেন।


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


সেই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন প্রমুখ।

উড়োজাহাজটি গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী জানান, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরকে আধুনিকায়ন করার জন্য কাজ করছেন। তারই অংশ হিসেবে নতুন উড়োজাহাজ ‘আকাশতরী’ আজ দেশে এসেছে।

মো. মাহবুব আলী জানান, আগামী ৪ মার্চ তৃতীয় ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজটি দেশে এসে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এরইমধ্যে বিমানের বহরে সম্পূর্ণ নতুন ও অত্যাধুনিক ১৩টি নিজস্ব উড়োজাহাজ যুক্ত হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে এই ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান তার অভ্যন্তরীণ ও স্বল্প দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বাড়াবে। একই সঙ্গে যাত্রীদের আরও উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।

কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজটি ৭৪ সিট সংবলিত। পরিবেশবান্ধব এবং অত্যাধুনিক সুযোগসুবিধা সমৃদ্ধ এ উড়োজাহাজে রয়েছে হেপা (HEPA) ফিল্টার প্রযুক্তি, যা মাত্র চার মিনিটেই ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণু ধ্বংসের মাধ্যমে উড়োজাহাজের অভ্যন্তরের বাতাসকে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ করে। 

যাত্রীদের যাত্রাকে করে তোলে অধিক সতেজ ও নিরাপদ। এ ছাড়া উড়োজাহাজে বেশি লেগ স্পেস, এলইডি লাইটিং এবং প্রশস্ত জানালা থাকায় ভ্রমণ হয়ে উঠবে অধিক আরামদায়ক ও আনন্দময়।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নতুন উড়োজাহাজটি বহরে যুক্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ২০টি। এর মধ্যে ১৫টি নিজস্ব এবং পাঁচটি লিজ। নিজস্ব ১৫টির মধ্যে বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর চারটি, বোয়িং ৭৮৭-৮ চারটি, বোয়িং ৭৮৭-৯ দুটি, বোয়িং ৭৩৭ দুটি এবং ড্যাশ-৮ তিনটি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কাল সকাল-সন্ধ্যা গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

অনলাইন ডেস্ক

কাল সকাল-সন্ধ্যা গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়

গ্যাস পাইপলাইন সংস্কার কাজের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস।

গ্যাস পাইপলাইন সংস্কার কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন:


স্ত্রীকে সৌদি পাঠিয়ে ৮ বছরের মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে বাবা

বন্ধুর স্ত্রীর ‘গোপন ভিডিও’ ধারণ, ভয় দেখিয়ে আটমাস ধরে ‘ধর্ষণ’

কুমিল্লাগামী বাসে দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে ধর্ষণ!

কলাইক্ষেতে নারীর অর্ধনগ্ন মরদেহ, পাশে পাজামা-ছাতা-স্যান্ডেল


রাজধানীতে গ্যাস বিতরণকারী সংস্থা তিতাস গ্যাস জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রাজধানীর মগবাজার তালতলা গলি, ওহাব সড়ক, নয়াটোলা, চেয়ারম্যান গলি, মধুবাগ ও আশেপাশের এলাকায় আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

তিতাস গ্যাস জানায়, গ্যাসের স্বল্পচাপজনিত সমস্যা নিরসনে মগবাজার তালতলা গলি, ওহাব সড়ক, নয়াটোলা, চেয়ারম্যান গলি, মধুবাগ এলাকায় বিদ্যমান গ্যাস পাইপলাইনের পুনর্বাসন ও সংশ্লিষ্ট সার্ভিস লাইন স্থানান্তর কাজের টাই-ইনের জন্য এসব এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বৃহস্পতিবার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বন্দুকযুদ্ধ হলে আমরা কি বন্দুক ফেলে পালিয়ে আসব ? প্রশ্ন আইজিপির

অনলাইন ডেস্ক

বন্দুকযুদ্ধ হলে আমরা কি বন্দুক ফেলে পালিয়ে আসব ? প্রশ্ন আইজিপির

দীর্ঘ প্রায় ৫ মাস পর সেই কক্সবাজারেই একটি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধ হলে কি আমাদের লোকজন বন্দুক ফেলে পালিয়ে চলে আসবে? 

বুধবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের (সিপিএইচ) নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি পাল্টা এ প্রশ্ন রাখেন।

আইজিপি বলেন, জকির (বন্দুকযুদ্ধে নিহত) ভয়াবহ ডাকাত, কক্সবাজারে গিয়ে খবর নেন। গত তিন বছরে তার কাছ থেকে কমপক্ষে দেড়শ’ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার যখন গোলাগুলিতে সে মারা গেছে, তখনো তার কাছ থেকে নয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। যখন এ ধরনের কোনো বিপজ্জনক আর্ম গ্যাং গুলি করবে, তখন কি আমরা শহীদ হয়ে আসব?


ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছেছে টাইগাররা

স্পেনে ঢুকতে অভিবাসীর অভিনব পন্থা

গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাতেই ক্যাপিটলে হামলা

মিয়ানমারের ১০৮৬ নাগরিককে ফেরত পাঠালো মালয়েশিয়া


তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা গুলি করলে সেটা প্রতিহত করতেই সরকার পুলিশকে অস্ত্র দিয়েছে। প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।  

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি আরও বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার এলাকার মানুষ জানে, জকির ডাকাত কী জিনিস। তার হাতে কত লোক অপহৃত হয়েছেন, আর কতজন মারা গেছেন। তাই যেটা হয়েছে, সেটা আমি মনে করি, প্রয়োজন হলে হবে না হলে হবে না। এখানে ঘোষণা দিয়ে চালু করা বা বন্ধ করার কোনো বিষয় নেই।

পুলিশ প্রধান বলেন, সরকার অস্ত্র দিয়েছে লাঠি হিসেবে ব্যবহারের জন্য না। যেখানে আর্ম গ্যাং আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ব্যবহার করবে, সেখানে আমরা প্রয়োজনের নিরিখে জীবন রক্ষার জন্য সরকারি অস্ত্র ব্যবহার করব।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মঙ্গলবারে মৃত্যু ১৮, আজ ৫

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবারে মৃত্যু ১৮, আজ ৫

প্রাণঘাতী করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ৫ জন। এ নিয়ে মৃতের বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৩৭৯ জনে।

এসময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪২৮ জন।  এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৫৪৪ জন।

করোনাভাইরাস নিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন:


সিইসি-রেজাউল, নির্বাচন কর্মকর্তা ও অন্য ছয় মেয়রপ্রার্থীর নামে মামলা

প্রতিদিন নতুন নারী লাগত তার, পরতেন ত্রিশ দিনে ৩০ সানগ্লাস

স্ত্রীকে সৌদি পাঠিয়ে ৮ বছরের মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে বাবা

বন্ধুর স্ত্রীর ‘গোপন ভিডিও’ ধারণ, ভয় দেখিয়ে আটমাস ধরে ‘ধর্ষণ’


সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৯১১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯৮ জন।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৩৯৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১৮ জন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর