যশোরে পুলিশ সদস্যকে মারধর, আওয়ামী লীগ নেতা পুলিশ হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোরে পুলিশ সদস্যকে মারধর, আওয়ামী লীগ নেতা পুলিশ হেফাজতে

পুলিশ সদস্যকে তুলে নিয়ে মারপিটের অভিযোগে যশোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু-সহ ৫ নেতাকর্মীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। 

সোমবার রাত ৮টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় মারপিট করে তুলে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ অভিযুক্তদের হেফাজতে নেয়।

এদিকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আটকের প্রতিবাদে সকাল ৯টা থেকে কেশবপুরে সড়ক অবরোধ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

পুলিশ হেফাজতে থাকা নেতাকর্মীরা হলেন- যশোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু (৪৫), সদর উপজেলার কিসমত নওয়াপাড়া এলাকার মকবুল হোসেনের ছেলে ইসলামুল হক (২৫), শহরের কাজীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকার মনিরুজ্জামানের ছেলে মো. মশিউর রহমান পিটু (৬৩), শহরের চুড়িপট্টি এলাকার মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে শাহিনুজ্জামান (৪৮), ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কামলাহাটি গ্রামের আমজেদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন।


আরও পড়ুন: কক্সবাজারে বাসচাপায় প্রাণ গেল অটোরিকশার ২ যাত্রীর


প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার রাত ৮টার দিকে পুলিশলাইন্সে কর্মরত কনস্টেবল ইমরান সাদা পোশাকে পুরনো কসবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এক নারীর সঙ্গে গল্প করছিলেন। এ সময় ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতাকর্মী সেখানে গিয়ে নারীর সঙ্গে গল্প করতে দেখে তার ওপর চড়াও হন।

নিজের পরিচয়পত্র দেখান পুলিশ কনস্টেবল ইমরান। পরিচয় পাওয়ার পরও তারা চড়াও হয়। একপর্যায়ে ইমরানকে শহীদ মিনার থেকে তুলে নিয়ে মারপিট করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ইমরানকে উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাড়িতে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ছাত্রলীগ নেতার

অনলাইন ডেস্ক

বাড়িতে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ছাত্রলীগ নেতার

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে স্কুলছাত্রীকে বাড়িতে রেখে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যান তার মা ও বাবা। বাড়িতে এ সময় কেউ না থাকায় আকাশ ওই স্কুলছাত্রীকে দেখা করার কথা বলে কৌশলে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে স্কুলছাত্রী কান্নাকাটি করলে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবার বাড়িতে রেখে যান। 

পরের দিন সকালে স্কুলছাত্রীর কাছ থেকে ঘটনা জানতে পেরে তার বাবা ধুনট থানায় মামলা করেন। এর পর রাতেই পুলিশ বগুড়ার একটি ছাত্রাবাস থেকে আকাশকে গ্রেপ্তার করে। আর ধুনট থানাহাজতে থাকা অবস্থায় তিনি তার ছাত্রলীগের পদ নিশ্চিত করেন।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


 

বগুড়ার ধুনটে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে আজিজুল হক কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সদস্য আকাশ খান নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১ মার্চ) তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল রোববার রাতে আকাশের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করেন ওই স্কুলছাত্রীর বাবা।

গ্রেপ্তারকৃত আকাশ হক আজিজুল হক কলেজ শাখার ছাত্র লীগের সদস্য ও স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনার বিষয়ে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য সোমবার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাগুরায় বাগান থেকে পোড়া লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাগুরায় বাগান থেকে পোড়া লাশ উদ্ধার

মাগুরা সদরের দারিয়াপুর গ্রামের একটি বাগান থেকে আগুনে পোড়া একটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসীর ধারণা, জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা ছড়িয়ে পড়ে। নৃশংস এ  ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন গ্রামবাসী।  

পুলিশ জানায়, সকাল ১০টার দিকে এলাকাবাসী দারিয়াপুর গ্রামের তাহের মোল্ল্যার বাগানে আগুনে পোড়া লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে সংবাদ দেয়। সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি এক তৃতীয় অংশ পোড়া অবস্থায় দেখতে পায়। ঘটনাস্থল থেকে জুতা, তাসের টুকরো ও মোবাইলের ভাংগা টুকরা উদ্ধার করা হয়েছে।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষকদের টিকা নিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী


এলাকাবাসী জানায়, সকালে বাগানে এক ব্যক্তির লাশ দেখতে পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেন। এ খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বাগান মালিকসহ শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। 

স্থানীয়দের ধারনা, জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে হত্যা বা দূরবর্তী কোন এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে হত্যা করে রাতের বেলা এ গ্রামের নির্জন বাগানে নিয়ে এসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

মাগুরা সদর থানার ওসি জয়নাল আবেদিন জানান, পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটির তদন্ত করা হবে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের ধরতে চেষ্টা চলছে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ:

হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঝিনাইদহে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সকালে সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর কলুপাড়া একটি ভাড়াবাসা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বাজারগোপালপুর বড়বাড়ি দাখিল মাদ্রাসার সুপার ইসমাইল হোসেন সুজনের ঘরে হাত-পা বাধা অবস্থায় ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় পরিবারের লোকজন। পরে পুলিশ এসে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। 


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


হাত-পা বেঁধে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা পরিবার ও স্থানীয়দের। নিহত সুজন সদর উপজেলার হলিধানী গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। গত ৪ বছর ধরে গ্রামের শরিফুল ইসলামের বাড়িতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি বসবাস করে আসছিল।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে নিজেকে রক্ষা করলেন কলেজছাত্রী

অনলাইন ডেস্ক

চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে নিজেকে রক্ষা করলেন কলেজছাত্রী

চলন্ত বাসে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বাসের চালক ও হেলপার। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী চলন্ত বাস থেকে লাফ দিয়ে নিজেকে রক্ষা করেন। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোড থেকে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। 

কলেজছাত্রীকে শ্নীলতাহানির ঘটনায় লাকী পরিবহনের বাসচালক রিয়াদ মিয়া ও তার সহকারী ইব্রাহিম খলিল রুবেলকে ধরে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা।

নবীগঞ্জ থানার ওসি ডালিম আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে ওই শিক্ষার্থী কলেজে যাওয়ার উদ্দেশে নবীগঞ্জ-হবিগঞ্জ সড়কের তিমিরপুর এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং-হবিগঞ্জ-ঢাকা সড়কে চলাচলকারী লাকী পরিবহনের বাসটিতে ওঠেন ওই কলেজছাত্রী।


ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার

ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যাংক থেকে বয়স্ক ভাতার টাকা উধাও

আল্লাহর কাছে যে তিনটি কাজ বেশি প্রিয়


বাসটিতে কোনো যাত্রী না থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে চালক ও হেলপার। একপর্যায়ে নিজেকে রক্ষা করতে চলন্ত বাস থেকে লাফ দেন ওই শিক্ষার্থী। পরে বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান।

রোববার দুপুরে নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোডের আরজু হোটেলের সামনে স্থানীয়রা ওই বাসসহ চালক ও হেলপারকে আটক করেন এবং মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেন। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে মাদক সেবনের টাকা না দেওয়ায় মেয়ের কাঁচির আঘাতে মা রহিমা বেগম (৫০) নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে উপজেলার আইয়ূবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতের স্বামীর নাম বাবুল মিয়া। স্বামীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রামে হলেও বিয়ের পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকতেন। এ ঘটনায় ঘাতক মেয়ে পাপিয়া বেগমকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, আইয়ুবপুর ইউনিয়নের দশআনী গ্রামের করিম মিয়ার মেয়ে রহিমা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয় আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম বাবুল মিয়ার সাথে। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন তিনি। তাদের দুই মেয়ে পাপিয়া ও পপি। 


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


বড় মেয়ে পাপিয়া বেগম (২৭) প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দুই বছর আগে আইয়ুবপুর গ্রামের ইসহাক মিয়া নামের এক যুবককে বিয়ে করেন। কিন্তু ইসহাক মিয়ার পরিবার এই বিয়ে মেনে না নেওয়ায় তিনিও পাপিয়ার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পাপিয়া মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কলহ লেগেই থাকতো পাপিয়ার। তার স্বামী ইসহাকও মাদকাসক্ত। 

পুলিশ জানায়, রোববার সকাল ছয়টার দিকে মার কাছে ইয়াবা কেনার জন্য টাকা চান পাপিয়া বেগম। এ নিয়ে মা-মেয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে পাপিয়া মায়ের পেটে কাঁচি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে তাকে প্রথমে দশআনী বাজারে বাবুল মিয়ার ফার্মেসিতে নেওয়া হয়। পরে তাকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রহিমা বেগমের ছোট মেয়ে পপি বলেন, সকালে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ শব্দ শুনে উঠে দেখি পাপিয়া মার পেটে কাঁচি ঢুকিয়ে দিয়েছে। এ সময় আমরা মাকে বাবুল ডাক্তারের দোকানে নিয়ে যাই। সেখানে ব্যান্ডেজ করে বাড়িতে নিয়ে আসলে তার অবস্থা খারাপ হওয়ার বাঞ্ছারামপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মা মারা যায়। 

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার আতাউল করিম জানান, রহিমা বেগমকে হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখি তিনি আগেই মারা গেছেন। 

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ওসি রাজু আহমেদ জানান, মেয়ের কেচির আঘাতে মা মারা যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়ে ঘাতক পাপিয়াকে আটক করেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে এই পরিবারের অনেকেই মাদকসেবন করেন বলে শুনেছি।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর