বাইডেনের জন্য কি ট্রুডো মন্ত্রী সভায় বাড়তি পদক্ষেপ নিচ্ছেন ?

শওগাত আলী সাগর

বাইডেনের জন্য কি ট্রুডো মন্ত্রী সভায় বাড়তি পদক্ষেপ নিচ্ছেন ?

ভারতীয় বংশোদ্ভূত নবদ্বীপ বাইন আগামী নির্বাচনে আর প্রার্থী হবেন না। সেটা তিনি প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে জানিয়ে দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি এখনি মন্ত্রীসভা থেকেও সরে দাড়াচ্ছেন। ফলে প্রধানমন্তী জাস্টিন ট্রুডোকে মন্ত্রীসভায় খানিকটা রদবদল করতে হলো।

২৬ বয়সের কানাডার এমপি হয়েছিলেন ভারতয়ি বংশোদ্ভূত নবদ্বীপ। এখন তার বয়স মাত্র ৪৩। এই বয়সে ফেডারেল সরকারের কেবিনেট মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দিয়ে রাজনীতি থেকে সরে যাচ্ছেন কেন তিনি? নবদ্বীপের পরিষ্কার জবাব, ১৭টা বছর ধরে আমার পরিবার আমার জ্য স্যাক্রিফাইস করে যাচ্ছে। আমি এখন তাদের সাথে সময় কাটাতে চাই। তিনি বলেন, আমার গ্রেড ফাইভ আর এইটে পড়ুয়া দুই মেয়েই আমাকে তাদের কাছে চায়। আমিও তাদের কাছে চাই। আমার কাছে ওরা, আমার পরিবার হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।সন্তানের সঙ্গে, পরিবারের সঙ্গে বেশি বেশি সময় কাটাতে কেবিনেট মন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেয়া যায়? নবদ্বীপ ছেড়ে দিয়ে দেখিয়েছেন, সেটি খুবই সহজ কাজ।

কন্যা শিশুর গোপনাঙ্গ ও কানে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ

তাস খেলে বরখাস্ত হলেন ৯ পুলিশ সদস্য

ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন, তখনো ট্রুডোকে মন্ত্রী সভায় পরিবর্তন আনতে হয়েছিলো। প্রতিবেশী দেশের নতুন আনপ্রেডিকটেবল’ সরকারের সঙ্গে ঠিক মতো দেন দরবার করার প্রক্রিয়াটাকে নিরবচ্ছিন্ন রাখতেই নিজের মন্ত্রী সভাকে ঢেলে সাজাতে হয় কানাডার।

জো বাইডেনের জন্য কি ট্রুডোকে তার মন্ত্রী সভায় কোনো বাড়তি পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে? এখন পর্যন্ত উত্তর হচ্ছে- না। ট্রাম্পের জন্য মন্ত্রী সভার যে সেট আপ ছিলো- বাইডেনের জন্য সেটাই  থাকছে। তবে নবদ্বীপের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার সুযোগটা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন এনেছেন। (ফেসবুক থেকে)

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কবরীকে নিয়ে শাহানাজ খুশির আবেগঘন পোস্ট

শাহানাজ খুশি

কবরীকে নিয়ে শাহানাজ খুশির আবেগঘন পোস্ট

ফুসফুসের সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থাকা বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য সারাহ বেগম কবরী মারা গেছেন ( ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। ১২টা ২০ মিনিটে  রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। 

সারাহ বেগম কবরীরে মৃত্যুুতে  ।ওপারে শান্তিতে ঘুমান লিখে ফেসবুকে একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি। তিনি লিখেছেন..

সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চলে গেলেন কবরী আপা! কোথায় যেন একটা আশা ছিল,সবাইকে অবাক করে,আপনি সেই চির চেনা মিষ্টি হাসি দিয়ে ফিরে আসবেন!!!

শ্রদ্ধা,ভালবাসা।ওপারে শান্তিতে ঘুমান।

প্রসঙ্গত, ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ খ্যাত নায়িকা সারাহ বেগম কবরী করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৩ দিনের মাথায় তিনি পরপারে পাড়ি জমান। শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন কবরী।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এভাবেই আমরা একে একে হারাবো আমাদের প্রিয়জনকে!

কনকচাঁপা

এভাবেই আমরা একে একে হারাবো আমাদের প্রিয়জনকে!

আসলেই আর পারছিনা! কবরী আপা নেই। ঘন্টা পাঁচেক আগে দোয়া চেয়ে স্ট্যাটাস দিলাম আর এখনই এটা শুনলাম ! এভাবেই আমরা একে একে হারাবো আমাদের প্রিয়জনকে!  

আবারও বলি আমরা অবশ্যই জানি আমরা একান্তই তোমার আল্লাহ!এবং তোমার  দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী। তারপর ও আমরা মানুষ।আপনজনকে ভালোবাসা আমাদের স্বভাবজাত স্বভাব। প্রিয়জন চলে গেলে পাঁজরটাই মনে হয় ভেঙে যায় আর যদি মোটামুটি নিয়মিত হয় তখন তা সহ্যের বাইরে চলে যায়।

আল্লাহ, এই রমজানে চলে যাওয়া মানুষটিকে এবং আরও যারা চলে যাচ্ছেন সবাইকে তুমি দয়া কোরো।বিশেষ অনুগ্রহ কোরো।আমাদের সবাইকে মাফ করে দাও আল্লাহ। 

এই করোনার ভয়াবহ থাবা তুমি তুলে নাও।তোমার রহমানুর রাহিম নামের শান দেখাও আল্লাহ!  তুমি তো সব পারো!

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্রান্তিকালে মানুষের পাশে থাকা রাজনীতি যারা করে তাদের কাজ

শওগাত আলী সাগর

ক্রান্তিকালে মানুষের পাশে থাকা রাজনীতি যারা করে তাদের কাজ

১.ম্যাসেজটায় মার্ক করা ছিলো ‘আর্জেন্ট’ । ভয়েজ ম্যাসেজ শুনতে গিয়ে দেখি কলটা করেছিলো লিবারেল পার্টির একজন স্বেচ্ছাসেবক। স্থানীয় লিবারেল পার্টির পক্ষ থেকে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য তিনি ফোন করেছিলেন। করোনা মহামারীর কঠিন এই সময়ে কোনো সহযোগিতা লাগবে কিনা, কোনো সমস্যা আছে কিনা- জানার জন্যই এই ফোন কল। যে কোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করার জন্য একটি নম্বর দেয়া হয়েছে ভয়েজ ম্যাসেজে। অটোমেটেড ভয়েস কল নয় এটা, রক্তমাংসের একজন জলজ্যান্ত মানুষ ফোন করেছে খবরাখবর নেয়ার জন্য। লিবারেল পার্টির এই কাজটা বেশ পছন্দ হলো।

২. কোবিডের এক বছরে স্থানীয় এমপিপি এনডিপির ডলি বেগম বেশ কয়েকবার ফোন করেছেন। ফোন করে নিজে খোঁজ খবর করেছেন, কোনো সমস্যা আছে কিনা, কোনো সহযোগিতার দরকার আছে কিনা জানতে চেয়েছেন। ।ডলির অফিস থেকেও বেশ কয়েকবার ফোন এসেছে।
 
৩. এই যে লিবারেল পার্টি, এনডিপি কিংবা এমপিপি ডলি বেগম (আমি তার নির্বাচনী এলাকায় থাকি বলে তার কথাটাই উল্লেখ করলাম) ফোন করে খোঁজ খবর নিচ্ছেন, কোনো সহযোগিতা লাগবে কিনা জানতে চাচ্ছেন- এটি তারা স্বত:স্ফূর্তভাবে, দায়িত্ব ভেবেই করছেন। দেশের, মানুষের বিপদের সময় রাজনীতিক, জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দল যদি মানুষের পাশে দাঁড়াতে না পারেন, তা হলে তারা কিসের রাজনীতি করেন! 

৪. কনজারভেটিভ পার্টি বা পার্টি থেকে এখন পর্যন্ত কেউ ফোন করেনি। কনজারভেটিভরা ‘ধনীক শ্রেণীর’ বা ‘হোয়াইট কানাডীয়ানদের’ রাজনীতি করে বলে ইমিগ্র্যান্টদের প্রতি তাদের তেমন একটা মনোযোগ থাকে না- এমন একটা আলোচনা অভিবাসী কমিউনিটিতে আলোচিত হয়। এটি তার একটি উদাহরণ কিনা জানি না। 

৫. ক্রান্তিকালে মানুষের পাশে থাকা, মানুষকে সহযোগিতা করা, তাদের সাহস দেয়া-এগুলোই হচ্ছে সত্যিকার অর্থে মানুষের রাজনীতি যারা করে- তাদের কাজ।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তিনি কি অশ্লীলতা, মিথ্যাচার আর কুৎসা রটাতেই শিখিয়েছেন?

আসিফ নজরুল

তিনি কি অশ্লীলতা, মিথ্যাচার আর কুৎসা রটাতেই শিখিয়েছেন?

অল্প কিছু মানুষ আছেন যারা আমার পোস্টে অশ্লীল গালাগালি করেন, জঘন্য মিথ্যাচার করেন। মাঝে মাঝে তাদের ওয়ালে গিয়ে দেখি সেখানে একজন লীডারেরই ছবি!

হিন্দু পরিবারগুলোর উপর হামলার ব্যাপারে যা বললেন আসিফ নজরুল

আওয়ামী লীগের এমপি হতে চান ডিপজল

ভাবি, তিনি কি শুধু এদেরকে অশ্লীলতা, মিথ্যাচার আর কুৎসা রটাতেই শিখিয়েছেন?

ভাবি, এদের পিতামাতা, স্ত্রী, সন্তানরা কি জানে কী অশ্লীল আর মিথ্যাবাদী এরা?

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডেডিকেশন নিয়ে সংসার করেছি, কাজের জায়গাতেও একই রকম

রাখি নাহিদ

ডেডিকেশন নিয়ে সংসার করেছি, কাজের জায়গাতেও একই রকম

আমার বেতন বিষয়ক একটা পোষ্ট দিয়েছিলাম কিছুদিন আগে। উদ্দেশ্য ছিল আমার চাকুরীদাতার দৃষ্টি আকর্ষণ করা। কিন্তু দৃষ্টি আকর্ষণ এর চেষ্টা মোটামুটি ব্যর্থ হয়েছে। কারণ এরপরেও রাউন্ড ফিগারে একবারও বেতন পাই নাই।

 প্রতিবারই তিনশ উননব্বই, পাঁচশ ঊনষাট, ছয়শ ঊনআশি এইরকম অড ফিগারের বেতন পাচ্ছি। প্রতিবার টাকা নেয়ার সময় ম্যানেজারকে করুন মুখে জিজ্ঞেস করি, - একটা ডলার মিল করে দিলে কি হয় ?

সে চোখ বড় বড় করে উত্তর দেয় - কোম্পানি পলিসি রাখী। can’t give you the extra dollar. কোম্পানির এই রকমই আরেক পলিসি হল, কাস্টমারের কাছ থেকে কখনো ৫০ বা ১০০ ডলার নোট accept করা যাবে না। কারণ ৫০/১০০ টাকার নোট জাল হলে বিরাট লস। তাই লিখিত এবং কথ্য দুই ভাবেই কঠিন ডিরেকশন আছে বড় নোট না নেয়ার।

যাই হোক, আজকে বৃষ্টির মধ্যে একজন কাস্টমার এলো পিৎজা কিনতে। সে ৪১ ডলারের খাবার অর্ডার করলো এবং বিল দেবার সময় ১০০ ডলার এর একটা নোট দিল। তাকে রিকোয়েস্ট করলাম চেঞ্জ দিতে। সে বলল এই নোট ছাড়া তার কাছে কিছু নাই। দিলে দাও না দিলে মুড়ি খাও।

সহকর্মীকে ডেকে বললাম - এত বড় একটা অর্ডার হাত ছাড়া করবো? নেই ১০০ ডলার। সে ভয়ে তটস্থ হয়ে উত্তর দিলো।  না না, কোনভাবেই নেয়া যাবে না। জাল টাকা হলে আমাদের বেতন থেকে কাটা যাবে।

আমি বললাম - এমনেই ব্যবসা স্লো, তারপরে এত টাকার অর্ডার। আমি আমার রিস্কে নিব। জাল টাকা হলে আমার বেতন কাটবে। আপনি চিল করেন। তারপর নিয়ে নিলাম ফি আমানিল্লা বলে।

ইচ্ছা ছিল নোটটা আমি রেখে আমার কাছ থেকে চেঞ্জ দিয়ে আসব। কিন্তু আজকে ব্যাগে ছিল সাকুল্যে পাঁচ টাকা মানে পাঁচ ডলার। তাই টেকনিক করে ম্যানেজারকে ফোন দিয়ে বললাম - আমার ইমারজেন্সি ১০০ ডলার দরকার। বসকে বলে ধার দেন প্লিজ। আমি কালকে কাজে এসে দিয়ে দিব।

আরও পড়ুন


জলবায়ু পরিবর্তন আইন করতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড

ধর্মীয় একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করছে পাকিস্তান

পাঁচ দেশের সঙ্গে বিশেষ ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা

এ বছর ৩৬ লাখেরও বেশি দরিদ্র পরিবার পাবে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার


কিছুক্ষণ পর বসের অনুমতি পেয়ে কাস্টমারের দেয়া সেই ১০০ ডলার এর নোট নিয়ে চলে এলাম। গেলই না হয় একশ টাকা নিজের পকেট থেকে। যেদিন থেকে কাজে ঢুকেছি সেদিন থেকে এটাকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে কাউন্ট করেছি। যে রকম ডেডিকেশন নিয়ে সংসার করেছি কাজের জায়গাতেও সেই একই রকম ডেডিকেশন দেখিয়েছি। এই ডেডিকেশন এর পুরষ্কারে বেতন রাউন্ড না হলেও আফসোস নাই।

কারণ, কবি আমির খান বলেছেন, কাম কারতে যাও। কামিয়াবি ঝাক মারকে তুমহারা পিছা কারেগা। অর্থাৎ কর্ম করিয়া যাও। সাফল্য দৌড়াইতে দৌড়াইতে তোমাকে অনুসরণ করিবে। 

বাই দ্য ওয়ে, এই পোষ্টও আমার বস এর দৃষ্টি আকর্ষণ এর জন্যই দিলাম। দুইদিন পর দেশে চলে যাব। উনিও মনে রাখুক নিবেদিত প্রাণ এমপ্লয়ি কাহাকে বলে কত প্রকার ও কি কি......।

আমি তো আর কোম্পানি না। আমার এত কঠিন কঠিন পলিসি নাই। আমার পলিসি হচ্ছে লাইফ একটাই, তাই লাইফে প্রচ্চুর বিন্দাস থাকতে হবে। এই প্রসঙ্গে, কবি অক্ষয় কুমার বলেছেন, জো ডার গেয়া সামঝো ও মার গেয়া। 

অর্থাৎ যে জীবনে ডরাইয়াছে, তাহার আর মরনের কিছু বাকী নাই 
সে Already মরিয়া গিয়াছে......

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর