কাঁচা কলার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

কাঁচা কলার উপকারিতা

কলা সুপরিচিত একটি ফল। এটি সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে কলার অন্যতম অনন্য বৈশিষ্ট্য হল এটি কাঁচা-পাকা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়।

তবে কলা মূলত পাকলে এটি ফল ও কাঁচা অবস্থায় থাকলে এটি সবজি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কলায় প্রচুর প্রোটিন ও আয়রন থাকে। আসুন জেনে নেই কাঁচা কলার আরও কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা -

 

ওজন কমায়

ওজন কমাতে চাইলে খাদ্য তালিকায় কাঁচা কলা রাখা উচিত। কাঁচা কলার ফাইবার অনেকটা সময় পেট ভরিয়ে রাখে। এটি আঁশযুক্ত হওয়ায় তা মেদ কমাতেও সাহায্য করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে

পাকা কলার মতো কাঁচা কলাতেও প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিদিন ৪,৭০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস হয়। তবে পটাসিয়াম সবার জন্য নিরাপদ নয়। উচ্চ রক্তচাপ অথবা কিডনির রোগে আক্রান্ত রোগীদের পক্ষে তাই কাঁচা কলা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।


আজ থেকে কমছে সোনার দাম

দূষিত বাতাসের দোহাই দিয়ে ফ্রান্সে থাকার অনুমতি


রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের জন্যেও কাঁচা কলা উপকারী। এটি আঁশযুক্ত হওয়ায় রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ভিটামিন বি-৬ গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে টাইপ-টু ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে

কাঁচা কলা আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় এটি খুব সহজে হজম হয়। কাঁচা কলা পেটের ভেতরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তবে অতিরিক্ত পেট ফোলার সমস্যা থাকলে কাঁচা কলা না খাওয়াই ভালো। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যাও অনেক সময়ে বাড়িয়ে দেয়।

news24bd.tv / nakib

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনা প্রতিরোধ করুন: ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই

অনলাইন ডেস্ক

নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনা প্রতিরোধ করুন: ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই

অতিমারি ভাইরাস করোনার প্রকোপ বাড়ছে দিনকে দিন। প্রতিদিনই লাখ লাখ মানুষের আক্রান্তের ও হাজারো মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে দেশে দেশে।

ভ্যাকসিন এলেও এই মহামারী প্রতিরোধ সম্ভব হয়ে উঠছে না। ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ হাজার ৪২৭ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ সময়ে শতক পেরিয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা।

এ পর্যায়ে এসেও করোনা প্রতিরোধ চেষ্টায় বসে নেই দেশি-বিদেশি চিকিৎসক ও গবেষকরা। তারা বিভিন্ন পরামর্শ ও চিকিৎসার কথা তুলে ধরছেন প্রতিনিয়ত।

এর মধ্যে ভারতীয় চিকিৎসক ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই করোনা নির্মূল সম্ভব দাবি করে একটি পরামর্শ দিয়েছেন। 

তার পরামর্শে বলা হয়েছে, করোনায় গরম পানি পান গলার জন্য ভালো। তবে করোনাভাইরাস আমাদের নাকের প্যারান্যাসাল সাইনাসের অন্তরালে ৩-৪ দিন লুকিয়ে থাকে, আর আমরা যে গরম পানি পান করি তার প্রভাব সেখানে পৌঁছাতে পারে না।

পরে ৪-৫ দিন পর দেখা যায় সাইনাসে লুকিয়া থাকা ওই করোনা ফুসফুস পর্যন্ত চলে যায়, তখন আমাদের শ্বাসক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণেই আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ গরম পানির ভাপ (গরম পানির বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে টানা) নেওয়া।

যা আমাদের নাকের প্যারান্যাসাল সাইনাসের অন্তরালে পৌঁছাতে পারে। মনে রাখতে হবে আমাদের নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে হবে।


আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছিলেন ছেড়ে দেননি: বাবুনগরী

ইফতারের আগে দোয়া কবুলের জন্য যে আমল করা উচিত

কখন রোজা ভাঙলে গোনাহ হবে না

আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না


তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাস তার কার্যকারিতা হারিয়ে অক্ষম হয়ে যায়। আর ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় করোনা এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে মানবদেহের যেকোনো ইমিউনিটি সিস্টেম তা প্রতিরোধে সক্ষম। এছাড়া ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাস বিনাশ হয়ে যায়।

তার দাবি সাধারণত পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের সবারই গরম পানির ভাপ নেওয়ার প্রক্রিয়াটা জানা। তবে আমাদের সবার উচিৎ করোনা মহামরীতে এই সুবিধাটা কাজে লাগানো। যারা বাড়ির বাইরে বের হন না তাদের দিনে অন্তত একবার হলেও ভাপ নেওয়া উচিৎ। আর যারা কোনো কাজে বাড়ি থেকে বের হন বাজার করেন- তাদের দিনে দু’বার ভাপ নেওয়া উচিৎ। এছাড়া যারা বেশি মানুষের সংস্পর্শে যাচ্ছেন তাদের প্রতিদিন তিনবার ভাপ নেওয়া দরকার।

চিকিৎসকদের মতে, গরম পানি পান ও এর নির্দিষ্ট তাপমাত্রার ভাপ নিঃশ্বাসের সঙ্গে নাকের ভেতরে নেওয়ায় করোনা প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব। যদি সব মানুষ এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এক সপ্তাহ চলে, তাহলে মহামারী করোনা বিনাশ হবে।

কিছু পরামর্শ:
গরম পানি ও এর ভাপ নেওয়ার প্রক্রিয়া এক সপ্তাহের জন্য শুরু করতে হবে। সকাল-সন্ধ্যা নিয়ম করে দিনে দু’বার পাঁচ মিনিট করে নিতে হবে। প্রত্যেকেই যদি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়- তবেই করোনা অনেকটাই প্রতিরোধ সম্ভব। এর মধ্য দিয়ে বিনাশ হবে এই মহামারী। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এই প্রক্রিয়ায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং বাড়তি কোনো খরচও নেই। ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই এটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোজার সময় ডায়বেটিস রোগীরা যা খেয়াল রাখবেন

অনলাইন ডেস্ক

রোজার সময় ডায়বেটিস রোগীরা যা খেয়াল রাখবেন

শুরু হয়েছে ইসলাম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে পবিত্র মাস, রমজান। এই মাসে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা রোজা রাখে। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের রোজা রাখার সময় নিজেদের দিকে একটু বেশিই নজর দেওয়া উচিত। নাহলে সুগার লেভেল কমা-বাড়ার ফলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই রোজা রাখার আগে ডাক্তারের পরামর্শও নেওয়া উচিত।

এছাড়াও, ডায়াবেটিস রোগীরা কোন কোন বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখবেন দেখে নিন -

সুগার লেভেল হ্রাস বা বৃদ্ধি

রক্তে সুগার লেভেল কমার অনেক লক্ষণ রয়েছে, যেমন - অতিরিক্ত ঘাম, ঠান্ডা লাগা, খিদে পাওয়া, ঝাপসা দেখা, দ্রুত হার্টবিট এবং মাথা ঘোরা। আর সুগার লেভেল বৃদ্ধি হলে রোগীর ঠোঁট শুষ্ক ও ঘন ঘন প্রস্রাব পেতে থাকে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সুগার রোগীদের রমজান মাসে প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। ডায়াবেটিস রোগীরা রমজান মাসে সব ধরণের খাবার খেতে পারে, তবে সুষম আহার করা উচিত।

ডায়াবেটিস রোগীরা সেহরি কীভাবে করবেন

ডায়াবেটিস রোগীরা রোজা রাখার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সেহরি-তে এমন খাবার খান, যেগুলি একটু দেরিতে হজম হয়। সাধারণত সুগারের রোগীরা পরোটা খেতে পারেন না, তবে সেহরিতে কম তেল দিয়ে তৈরি পরোটা খেতে পারেন। দেরিতে হজম হয় এমন খাবারর মধ্যে হালিম-ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হালিমে মাংস এবং ডাল থাকার কারণে ফাইবার প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়, যার ফলস্বরূপ দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না। পেট ভর্তি থাকে। অতিরিক্ত তেল-মশলা-ভাজা জাতীয় খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। সেহরিতে কাস্টার্ড বা কোনও ধরণের মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।

ডায়াবেটিস রোগীরা ইফতার করবেন কীভাবে

ডায়াবেটিস রোগীরা তাদের রোজা খেজুর দিয়ে খুলতে পারেন। গবেষণা অনুযায়ী, একটি খেজুরে ছয় গ্রাম কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়। এছাড়াও, খেজুরে মিনারেলস, ফাইবার, ফসফরাস এবং পটাসিয়ামও রয়েছে। পটাসিয়াম ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ইফতারের সময় ফলের চাট চিনি, ক্রিম এবং দুধ ছাড়াই খাওয়া যেতে পারে। সামান্য লেবুর রসও ফলের সাথে দেওয়া যেতে পারে। তেল, নুন, লাল লঙ্কাগুঁড়ো এবং চিনিযুক্ত খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া এড়ানো উচিত। রমজানের সময় আপনার ডায়েটে ফল, শাকসবজি, ডাল, দই ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করুন। ডিহাইড্রেশন দূর করতে, সুগার ফ্রি পানীয় বা যতটা সম্ভব বেশি পরিমাণে জল পান করুন।


আরও পড়ুনঃ


চীনে সন্তান নেয়ার প্রবণতা কমছে, কমছে জন্মহার

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ ধারা রেখে ফ্রান্সে ধর্ষণের নতুন আইন

প্রকৃত কোন মুসলমান আওয়ামী লীগ করতে পারে না: ভিপি নুর


 

ব্লাড প্রেসার ও সুগার চেক করুন

আপনি যদি সুগারের রোগী হন, তবে সময়মতো আপনার ব্লাড প্রেসার চেক করুন। ১৪-১৫ ঘণ্টা রোজার প্রভাব ব্লাড লেভেলের উপর পড়ে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তচাপ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। সময়মতো সুগার চেক করাও জরুরি। সুগার লেভেল বৃদ্ধি বা হ্রাস-এর পরিস্থিতি অনুযায়ী আপনার ডায়েটে এমন খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখবে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইফতারে যা খাবেন না

অনলাইন ডেস্ক

ইফতারে যা খাবেন না

রোজার দিনে ইফতার হচ্ছে দিনের দ্বিতীয় খাবার। সারাদিন না খেয়ে সময় কাটানোর পর সন্ধ্যায় ইফতার করে পুনরায় শক্তি সঞ্চার করা হয়।

বর্তমানে অনেকে এই ইফতারে স্যুপ, বিরিয়ানি, হালিম, কাবাবসহ অন্যান্য খাবার রাখেন। মূলত ইফতারে এমন কিছু খাওয়া যাবে না যা কিনা অতিরিক্ত তৈলাক্ত। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর সন্ধ্যায় যদি এসব খাবার খাওয়া হয় তাহলে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি অনেক সময় পেটেরও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


আরও পড়ুনঃ


চীনে সন্তান নেয়ার প্রবণতা কমছে, কমছে জন্মহার

কাল-পরশু হয়তো লকডাউনটা আরো ‘ডাউন’ হয়ে যাবে

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ

বাদশাহ সালমানের নির্দেশে সৌদিতে কমছে তারাবির রাকাত সংখ্যা


ইফতারে রুটি, ব্রাউন রাইস, মাংস, মাছ, ডিম, ফলমূল এবং কম ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খাওয়া উচিত। বেশি পরিমাণে নোনতা, মসলাদার বা তৈলাক্ত খাবার থেকে নিজেকে বিরত রাখাই ভালো। সম্ভব হলে পুষ্টি সমৃদ্ধ ও তরল-জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন ক্যাপ্টেন মাসুকও!

অনলাইন ডেস্ক

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় চলে গেলেন ক্যাপ্টেন মাসুকও!

মাকে হারানোর ২৩ দিনের মাথায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নৌবাহিনী ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি মারা যান।  

গত ২২ মার্চ বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান মাসুক হাসান রনির মা শিক্ষানুরাগী হামিদা আক্তার। 

বুধবার সন্ধ্যার পর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনির স্ত্রী ওয়াহেদা মাসুক রনির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর গ্রামের সন্তান নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি। ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনি চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমির প্রিন্সিপাল পদে দীর্ঘদিন দায়িত্বপালন শেষে সদ্য তিনি অবসর গ্রহণ করেন। মাত্র চারদিন আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। বুধবার বিকাল ৪টার দিকে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান রনির মৃত্যুতে মোজাফরপুর গ্রামসহ কেন্দুয়া উপজেলায় ও নেত্রকোনায় শোক বিরাজ করছে। তার মৃত্যুতে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কেন্দুয়া প্রেস ক্লাব সভাপতি আব্দুল কাদির ভূঁইয়া, মোজাফরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মো. জাহাঙ্গীর চৌধুরীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ডিটক্স ওয়াটার: ওজন কমানোর অব্যর্থ পানীয়

অনলাইন ডেস্ক

ডিটক্স ওয়াটার: ওজন কমানোর অব্যর্থ পানীয়

ডিটক্স ওয়াটার নামটি শুনতে যতোটা ভারি মনে হয়, এটি তেমন কিছু নয়। বরং খুব সহজেই তৈরি করা যায় ডিটক্স ওয়াটার। ওজন কমাতে চাইলে ডায়েটিংয়ের পাশাপাশি খুবই কার্যকরী হতে পারে ডিটক্স ওয়াটার।

ডিটক্স ওয়াটার তৈরি তেমন জটিল কিছু নয়, মৌসুমি ফলের কয়েকটি টুকরো ফেলে দিন কাচের জগ বা বোতলে, বোতলটা পুরো ভর্তি করে নিন পানি দিয়ে। ইচ্ছে হলে এর মধ্যে কিছু পুদিনা পাতাও ফেলে দিতে পারেন। পানিটা এবার ফ্রিজে রেখে দিন। সারারাত থাকলে ফলের ফ্লেভারটা পানিতে মিশে যাবে। তারপর পানিটা ছেঁকে পান করতে পারেন, ফলসমেত খেলেও কোনও সমস্যা নেই৷ ২-৩ দিনের মধ্যে এই পানিটা পুরো খেয়ে শেষ করে ফেলতে হবে।

পছন্দের যে কোনো ফল দিয়েই তৈরি করতে পারেন ডিটক্স ওয়াটার। কমলালেবু, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি, পাতিলেবু, আনারস, তরমুজ, আদা, পুদিনা, আপেল, কিউয়ি, আঙুর, শসা—যা ইচ্ছে ব্যবহার করতে পারেন, কোনও অসুবিধে নেই। তবে ফলের খোসা ছাড়ানো হয় না ডিটক্স ওয়াটার তৈরির সময়ে, তাই ব্যবহারের আগে অতি অবশ্যই খুব ভালো করে ধুয়ে নেবেন।


আরও পড়ুনঃ


যেভাবে পাওয়া যাবে ‘লকডাউন মুভমেন্ট পাস’

চীনে সন্তান নেয়ার প্রবণতা কমছে, কমছে জন্মহার

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ

বাদশাহ সালমানের নির্দেশে সৌদিতে কমছে তারাবির রাকাত সংখ্যা


ওজন কমানো ছাড়াও ডিটক্স ওয়াটার আপনার ত্বক হয়ে উঠবে ঝলমলে, ঢেকে যাবে বলিরেখা, পেট ফাঁপবে না, অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন, কমে যাবে হজমের সমস্যা।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর