তারুণ্য ধরে রাখার কৌশল

অনলাইন ডেস্ক

তারুণ্য ধরে রাখার কৌশল

কেও আছেন দেখলেই বোঝাই যায় না তার বয়স কত। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বাড়ে। উচ্চ রক্তচাপও চোখ রাঙায়। সঙ্গে যোগ হয় মানসিক অবসাদ। সাংসারিক যে কাজ এক সময় খুবই ভালো লাগত, তা করতেও মন চায় না। যুগে যুগে জগতে গীত হয়েছে তরুণ ও তারুণ্যের। তাই রূপে তারুণ্য কে না চায়? কিন্তু এ তো আর এমনি এমনি হয় না। কিছু নিয়ম মানতেই হয়। অনেকে তো বুঝতেই পারেন না আসলে করণীয় কী?

পুরোনো দিনের সাদা-কালো সিনেমা দেখেছেন তো? একই বয়সে তাঁদের সঙ্গে বর্তমান অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পার্থক্যটা লক্ষ করেছেন কি? বেশি দূর যেতে হবে না, ষাট থেকে নব্বই দশকের পার্থক্যটা লক্ষ করলেই অবাক হবেন। এ আলোচনা শুধু একই বয়সী মানুষ দশকের পরিবর্তনে কীভাবে তারুণ্যের পরিবর্তন ঘটে, সেটি বোঝানোর জন্য। বর্তমান প্রজন্ম বেশি সতেজ থাকার কারণ উন্নত স্বাস্থ্যজ্ঞান, ভালো পুষ্টি গ্রহণ, ত্বকের যত্নের পাশাপাশি দৃঢ় মনোবল।

কীভাবে চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখবেন

হেলথ২৪-এর প্রতিবেদন বলছে, আমাদের দৈনন্দিন কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ভালো কাজগুলো প্রতিহত করে। তার মধ্যে রোদে পোড়া অন্যতম। খুব বেশি রোদ আমাদের ত্বককে কুঁচকানো ও বার্ধক্যের ছাপ ফেলতে সাহায্য করে। ধূমপান, মদ্যপান, নিয়মিত গভীর রাত জাগা এবং অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাও ত্বকের জন্য ভালো নয়। এ ধরনের বার্ধক্যকে বাহ্যিক বার্ধক্য বলে, যা বাহ্যিক কারণে ঘটে।

অফুরন্ত সওয়াব অর্জনের দিন শুক্রবার

ইন্টারপোলের হাতে গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশি গডফাদার

হোয়াটসঅ্যাপ বিতর্ক : বাড়ছে ‘বিআইপি’ ব্যবহারকারি

অন্যদিকে, অন্তর্নিহিত বার্ধক্য (যা প্রাকৃতিকভাবে আসে), তা আমাদের ত্বকে মাত্র ২০ শতাংশ বিবেচিত হয়। অর্থাৎ প্রাকৃতিক বয়স্কতা আসার আগেই আমরা অভ্যাসগত কারণে বার্ধক্যকে বরণ করি। ত্বকে তারুণ্য থাকলে মনে স্বাচ্ছন্দ্য থাকে, হৃদয়ে বসন্ত বোধ করে। আমরা ৩০ বছর বয়স থেকে চোখের চারপাশে সূক্ষ্ম রেখায় বুড়ো হওয়ার প্রথম লক্ষণগুলো দেখতে শুরু করি। বুড়িয়ে যাওয়া ত্বক আমাদের ভেতরকার তেজ ক্ষয় করে। যদিও হরমোনসহ অনেক কারণ আমাদের বার্ধক্য প্রক্রিয়ায় অবদান রাখে। তবে কিছু নিয়ম মানলে তারুণ্য দীর্ঘদিন ধরে রাখা সম্ভব।

কোলাজেন ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিকভাবে আমাদের শরীরে প্রচুর প্রোটিন হয়। এটি ত্বক, লিগামেন্টস এবং দেহের কাঠামো উন্নত করে। তরুণ বয়সে আমাদের শরীরে প্রচুর কোলাজেন থাকে, যা বাচ্চাদের এবং কিশোরদের ত্বকগুলো হাসির মতো স্বাচ্ছন্দ্যে ফিরিয়ে আনে বারবার। তবে ২০ বছরের পর থেকে আমরা এটি কম উৎপাদন করি এবং কোলাজেনের গুণমানও খারাপ হতে থাকে। এ জন্য বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাসির রেখা গভীর হতে থাকে। এ জন্যই ডাক্তাররা বেশি কোলাজেন তৈরিতে উৎসাহী করেন।

প্রতিরোধ, প্রতিরোধ এবং প্রতিরোধ

স্কিন রিনিওয়াল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. মরিনের মতে, নান্দনিক চিকিৎসার জাদুভাণ্ডার হচ্ছে প্রতিরোধ। আপনার ত্বক কোন ধরনের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় ভালো ফল দেয়, তা আয়ত্ত করতে হবে।

কী করবেন?

আপনি যদি ত্বক রক্ষণাবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, তবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে নিয়মিত। ফেসিয়াল করা, প্রাকৃতিক নির্যাস ব্যবহার করা এবং প্রয়োজনমতো চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা। তবেই ঝকঝকে ত্বক আপনি পাবেন। এ জন্য আলাদা করে ব্যয়বহুল কিছু করার দরকার পড়বে না। যদি কেউ ত্বকের অবহেলা করে রোদে পোড়ায়, খাবারে সচেতন না থাকে, তবে স্বাভাবিকভাবেই চামড়া কুঁচকে যাবে, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়বে। এরপর হয়তো চিকিৎসা করালে কিছুটা রি-কভার করা সম্ভব। তবে যিনি আগে থেকে সচেতন, তাঁর মতো ত্বক পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

মন ভালো রাখুন

এটাই কিন্তু সুস্থ, সুন্দর, তরুণ থাকার সবচেয়ে সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ উপায়। আপনার মনের অবস্থার ছাপ পড়বে মুখে ও সারা শরীরে। স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করুন, এমন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ুন যা করতে আপনার ভালো লাগে। তা হলেই বেশিদিন তারুণ্য ধরে রাখা সম্ভব।

news24bd.tv /আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নাকের পরিচর্যায় যা করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক

নাকের পরিচর্যায় যা করতে পারেন

সুন্দর নাকে কালো দাগ দেখতে খুব বাজে লাগে।  নাকের ডগায় এ কালো দাগগুলোকে বলে ব্ল্যাকহেডস। গরম আর ধুলাবালুর প্রকোপে এর থেকে রেহাই পাওয়াটা কঠিনই বটে। তবে আপনি চাইলে নিয়মিত পরিচর্যায় ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

দূর করার পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো:

দুধে ১ চিমটি খাবার সোডা মিশিয়ে নিতে হবে। এর মধ্যে তুলা ভিজিয়ে নাকের উপর আলতো করে মুছে নিতে হবে। এতে নাকের উপরে জমে থাকা ধুলো পরিষ্কার হবে।

১শ’ গ্রাম গোলাপজলে ১ চা-চামচ কর্পূর মিশিয়ে রেখে দিন। দিনে দুই থেতে তিনবার তুলোয় এই গোলাপ পানির মিশ্রণ দিয়ে পরিষ্কার করলে ব্ল্যাক হেডস বা হোয়াইট হেডসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


অনেকের নাকের দুই পাশে কালচে ছাপ দেখা যায়। এ থেকে মুক্তি পেতে ১ চামচ মুলতানি মাটি, চার-পাঁচটি লবঙ্গগুঁড়া, গোলাপজলে মিশিয়ে নাকের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে। শুকিয়ে এলে ধুয়ে ফেলুন।

নাকের উপর থেকে কালো ছোপ দূর করতে টকদই, মধু ও ডিমের সাদা অংশ এক সঙ্গে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পায়ের যত্নে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

পায়ের যত্নে করণীয়

রোজ রোজ যাদের বাড়ির বাইরে বেরোতে হয়, তাদের পায়ে ধুলোবালি লাগাটাই স্বাভাবিক। এতে করে পা নোংরা হয়ে যায়। নিয়মিত পরিষ্কার করলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।পায়ের যত্ন না নিলে ব্যথা, ফোলা, ফোসকা ও অন্যান্য সমস্যার আবির্ভাব ঘটে। তাই পা দুটিকে ভালো রাখতে চাইলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতোই যত্নশীল হতে হবে। প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে পায়ের ত্বকের সুরক্ষা নেবেন সেই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডাই হেলথ রেমিডি ডট কম’। 

পরামর্শগুলো একটু জেনে নেওয়া যাক।

পদ্ধতি  ১:

উপাদান

দই

হলুদ গুঁড়ো

প্রস্তুত প্রণালি

রোদে ত্বক পোড়ার সমস্যা বা অতিরিক্ত ধুলার কারণে পায়ের ত্বকে কালচে দাগ পড়ে। ত্বকের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে ঘরে বসেই নিতে পারেন একটু পরিচর্যা। একটি পাত্রে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ দই এবং দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। পেস্টটি পায়ের তালুতে ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ দূর করতে প্যাকটি খুবই কার্যকর।

পদ্ধতি ২:

উপাদান

লেবুর রস

মধু

প্রস্তুত প্রণালি

একটি কনটেইনারে এক টেবিল চামচ মধু নিন। এর মধ্যে সম্পূর্ণ একটি লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি প্রতিদিন পায়ে ম্যাসাজ করুন। লেবুর রস ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে সাহায্য করে। আর মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

পদ্ধতি  ৩:

উপাদান

চিনাবাদাম

গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালি:

পা ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমস্যা সমাধানে চিনাবাদাম খুবই কার্যকর। এক মুঠো চিনাবাদাম পানিতে ভিজিয়ে নিন। থেঁতলে পেস্ট করে তাতে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। পায়ে ম্যাসাজ করে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে পায়ের ত্বক মসৃণ ও কোমল হয়ে উঠবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার 
ঘরোয়া উপায়

বিভিন্ন কারণে চোখের নিচে কালি বা ডার্ক সার্কেল দেখা দিতে পারে। চোখের কালচে ভাব চেহারার সতেজতা অনেকটাই কেড়ে নেয়। অল্প বয়সে চেহারায় পড়ে বয়সের ছাপ।

কিছু ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো চোখের নিচের কালো দাগ কমাতে উপকারী। চোখের নিচে কালো দাগ দূর করার দুই উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

শশা:

শশার মধ্যে রয়েছে ত্বক উজ্জ্বলকারী উপাদান এবং হালকা অ্যাসট্রিসজেন্ট উপাদান। এগুলো চোখের নিচের কালো দাগ দ্রুত দূর করতে কাজ করে।

একটি শশাকে গোল করে কেটে ফ্রিজে ৩০ মিনিট রেখে দিন। আক্রান্ত ত্বকে ১০ মিনিট এটি রাখুন। এবার জায়গাটি ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
এ ছাড়া সমপরিমাণ শশা ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে অন্তত একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

কাঁচা আলু:

আলুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং অ্যাজেন্ট। এটি চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে উপকারী। পাশাপাশি এটি ত্বকের ফোলাভাব কমায়।

একটা বা দুইটা আলুর খোসা ছিলে, কুচি করে এর রস বের করুন। একটি তুলার বলের মধ্যে ভেজান এবং বলটি চোখের ওপর দিন। এভাবে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখের পাতা ধুয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহের জন্য দিনে এক থেকে দুই বার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। রস দেওয়ার পাশাপাশি, আলু গোল করে কেটেও চোখের ওপর দিতে পারেন।

এছাড়া আরও কিছু উপায় রয়েছে। সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

টমেটো:

টমেটো ডার্ক সার্কেল দূর করতে খুবই কার্যকরি। এক চা চামচ টমেটোর রসের সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে চোখের নিচে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এমন দিনে দুইবার করুন। নিয়মিত ব্যাবহারে উপকার পাবেন।


২ জনের ফাঁসি, ৯ জনের যাবজ্জীবন

খুলনায় হত্যা মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

সাংবাদিকদের সঙ্গে বিজিবি কর্মকর্তার অসৌজন্যমূলক আচরণ


তরমুজ:

তরমুজ বিটা ক্যারোটিন সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলিতে সমৃদ্ধ যা চোখের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। এতে ৯২ ভাগ পানি রয়েছে যা শরীরকে হাইড্রেট করতে পারে। এছাড়া তরমুজে ভিটামিন এ,বি১, বি৬, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

বিটরুট:

বিটরুটের লাল রঙে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরকে ডিটক্সাইফাই করতে সহায়তা করে এবং চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। এ ছাড়া বিটরুটে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ যা চোখের নিচের দাগ দূর করতে সহায়তা করে।

পেঁপে:

পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। এতে  ম্যাগনেসিয়াম এবং ভিটামিন সিও রয়েছে। পেঁপে প্রাকৃতিক ব্লিচিং হিসেবে কাজ করে। এছাড়া পেঁপে ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে এবং পেঁপের অ্যান্টি-এজিং সুবিধাগুলোও আছে।

এছাড়া পানি খাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুমের কোন বিকল্প নেই। যত কিছুই করেন না কেন ঘুম যদি ভালো না হয় তবে চোখের নিচে কালি পড়বেই। এজন্য পর্যাপ্ত ঘুম ও নিজের শরীরের দিকে নজর দিন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রোগ সারাতে তুলসি পাতা অতুলনীয়

অনলাইন ডেস্ক

রোগ সারাতে তুলসি পাতা অতুলনীয়

তুলসি পাতার রয়েছে অসাধারণ ওষধি গুণ। রোগ সারাতে তুলসি পাতার তুলনা নেই। বিভিন্ন রকমের রোগ সারাতে তুলসি পাতা বেশ কার্যকর। প্রাচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও তুলসি পাতার ওষধি গুণের কথা উল্লেখ ছিল। 

তুলসি পাতা নিয়মিত খেলে যেসব উপকার পাওয়া যেতে পারে-

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ২-৩ টি তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদান এবং টক্সিন শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়। 

ডায়াবেটিস দূরে থাকে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত তুলসি পাতা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাও বাড়ে। ফলে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। প্রসঙ্গত, মেটাবলিক ড্য়ামেজ-এর হাত থেকে লিভার এবং কিডনি-কে বাঁচাতেও তুলতি পাতা দারুণভাবে সাহায্য করে।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

শিক্ষা জাতির উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী

অসুস্থ মাকে বাঁচাতে ক্রিকেটে ফিরতে চান শাহাদাত

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীকে তালাক, বিয়ের দাবিতে অনশন!


তুলসি পাতায় উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট শরীরের ভেতরকার ক্যান্সার সেল যাতে কোনওভাবেই জন্ম নিতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে ক্যান্সার রোগ ধারের কাছে ঘেঁষার সুযোগই পায় না। 

একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর তুলসি পাতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি ছানি এবং গ্লুকোমার মতো চোখের রোগকে দূরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। সেই সঙ্গে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন আটকাতেও সাহায্য করে।

তুলসি পাতার এসব গুণাবলি সত্যি খুবই উপকারি। 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করার টিপস

পোশাক থেকে লিপস্টিকের দাগ দূর করা নিয়ে আপনি চিন্তিত? তবে বলবো চিন্তার কোনো কারণ নেই। স্বাস্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এক প্রতিবেদনে কাপড় থেকে সহজে লিপস্টিকের দাগ দূর করার বেশ কিছু টিপস দিয়েছে। টিপসগুলো একটু জেনে নেই:

টুথপেস্ট:

টুথপেস্টের সাহায্যেও লিপস্টিকের দাগ দূর করা যায়। দাগযুক্ত জায়গায় টুথপেস্ট লাগান, তারপর হালকা করে স্ক্রাব করুন। স্ক্রাবিংয়ের পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


কেউ অসুস্থ হয়ে মারা গেলে কি করার আছে?: প্রধানমন্ত্রী

মিছিল থেকে গ্রেপ্তার সাতজনের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলা

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের


শেভিং ক্রিম:

ছেলেদের শেভিং ক্রিমের সাহায্যেও লিপস্টিকের দাগ দূর করতে পারেন। কাপড়ের যেখানে লিপস্টিকের দাগ লেগেছে, সেখানে শেভিং ক্রিম দিয়ে স্ক্রাব করুন। কিছুক্ষণ রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।

হেয়ার স্প্রে:

লিপস্টিকের দাগ দূর করতে হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। কাপড়ে লেগে থাকা লিপস্টিকের দাগ দূর করতে সেই জায়গায় স্প্রে করুন। ১৫ মিনিটের জন্য তা রেখে দিন। এরপর গরম পানি দিয়ে দাগযুক্ত জায়গায় ধীরে ধীরে ঘষুন। দেখবেন দাগ মুহূর্তেই গায়েব!

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর