'ঝি ঝি' ধরলে কী করবেন

অনলাইন ডেস্ক

'ঝি ঝি' ধরলে কী করবেন

হাত বা পায়ের ওপর লম্বা সময় চাপ পড়লে সাময়িক যে অসাড় অনুভূতি তৈরি হয় সেটিকেই আমরা 'ঝি ঝি ধরা' বলে থাকি। সাধারণত মানুষের হাত বা পায়ে ঝি ঝি ধরার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

যেভাবে ধরতে পারে

দীর্ঘক্ষণ শুয়ে বা বসে থাকলে শরীরের কোন স্থানের ওপর যদি লম্বা সময় ধরে চাপ পড়ে, তখন ঝি ঝি ধরার সম্ভাবনা থাকে। শরীরের যে অংশে ঝি ঝি ধরে, সেখানে সাময়িক অসাড়তার পাশাপাশি এমন একটি অনুভূতির তৈরি হয় যেন অসংখ্য সুঁই দিয়ে একসাথে খোঁচা দেয়া হচ্ছে।

তবে সাধারণত কিছুক্ষণের মধ্যেই অসাড়তা এবং খোঁচা লাগার মত অস্বস্তিকর অনূভুতি চলে গিয়ে স্বাভাবিক অনুভূতি ফিরে আসে।

এছাড়া হাতে বা পায়ে রক্ত সঞ্চালন কমে গেলে 'পেরিফেরাল আর্টারাল ডিজিজ' হিসেবেও ঝি ঝি ধরতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে শরীরের ঐ অংশে রক্ত প্রবাহ কমে যায়, এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে ঝি ঝি ধরে থাকে।


ইন্দোনেশিয়ার পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন পশু চিত্র আবিষ্কার

দায়িত্ব গ্রহনের আগেই ট্রিলিয়ন ডলার প্রণোদনার ঘোষণা বাইডেনের


যে কারণে ধরে

আমাদের দেহের সবখানেই অসংখ্য স্নায়ু রয়েছে। যেগুলো মস্তিষ্ক ও দেহের অন্যান্য অংশের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করতে থাকে।

বসা বা শোয়ার সময় সেসব স্নায়ুর কোনো একটিতে চাপ পড়লে দেহের ঐ অংশে রক্ত চলাচলকারী শিরার ওপরও চাপ পড়ে। ফলে শরীরের ঐ অংশে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে ঝি ঝি ধরতে পারে

স্নায়ুতে চাপ পড়ার ফলে শরীরের ঐ অংশ থেকে যেসব তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছানোর কথা ছিল, তা বাধাগ্রস্থ হয়। একইসাথে স্নায়ুগুলোও হৃৎপিণ্ড থেকে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পাওয়া থেকে বিরত থাকে যেহেতু রক্ত সরবরাহকারী শিরার ওপর চাপ পড়ে।

এরকম পরিস্থিতি থেকে যখন চাপ অপসারিত হয়, তখন একসাথে প্রচুর পরিমাণ রক্ত অঙ্গ প্রত্যঙ্গে প্রবাহিত হয় এবং একসাথে প্রচুর পরিমাণ তথ্য মস্তিষ্কে প্রবাহিত হতে শুরু করে।


‘ধর্ষণের’ দৃশ্য দারোয়ান দেখে ফেলায় ‘আত্মহত্যা করে’ কলাবাগানের কিশোরী

সন্তান না হওয়ায় কবিরাজের কাছে গৃহবধূ, ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ


কী করবেন?

সাধারণত কিছুক্ষণের মধ্যেই এই অনুভূতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে, বিশেষ ক্ষেত্রে এই একই ধরণের অনুভূতি লম্বা সময় স্থায়ী হতে পারে।

যেসব ক্ষেত্রে এমনটি ঘটতে পারে, তা হলো -

 - অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলে

 - পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের অভাব হলে

 - কেমোথেরাপির মত চিকিৎসার ক্ষেত্রে

 - বিশেষ ক্ষেত্রে চেতনানাশক ব্যবহারের পর

 - সীসা বা রেডিয়েশনের মত বিষাক্ত বস্তুর সংস্পর্শে এলে

 - স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে - বিশেষ করে কোনো অসুস্থতা বা আঘাতের পর

 - এইচআইভি'র ওষুধ, খিঁচুনির ওষুধ বা বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে

 

এসকল ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিৎ।

news24bd.tv / nakib

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোলন ক্যানসারের আশঙ্কা কমায় বেল

অনলাইন ডেস্ক

কোলন ক্যানসারের আশঙ্কা কমায় বেল

বেল একটি পুষ্টিকর আর উপকারী ফল। কাচা পাকা দুটোই সমান উপকারী। এর রয়েছে হাজারও উপকারিতা। সেই প্রাচীন সময় থেকেই কিন্তু আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে পাকপক্ত জায়গা করে করে নিয়েছিল বেল। তাই বেল খেয়ে থাকুন সুস্থ। তাহলে জেনে নিন বেলের উপকারিতা।

সর্বরোগ থেকে মুক্তি পেতে বেল খেতে পারেন। স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও বেল খাওয়া যেতে পারে। আধা পাকা সেদ্ধ বেল আমাশয়ে অধিক কার্যকরী। বেল পেট ঠাণ্ডা রেখে খাবার হজমে অত্যন্ত সহায়তা করে। 

বেলের শরবত হজমশক্তি বাড়ায় এবং শক্তি বৃদ্ধি করে। বেলের পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে পান করলে চোখের ছানি ও জ্বালা উপশম হয়। পাতার রস, মধু ও গোল মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে পান করলে জন্ডিস রোগ নিরাময় হয়।


কারওয়ান বাজারের হাসিনা মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

দিনেদুপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ

মৌমিতাকে ধর্ষণের আলামত মেলেনি: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক

দেখে মনে হয়েছে বিসিএস-এর প্রশ্নপত্রের করোনা হয়েছে


 

বেল পুষ্টিগুণে ভরপুর। ১০০ গ্রাম বেলের শাঁসে থাকে- পানি ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম, আমিষ ১.৪-২.৬২ গ্রাম; স্নেহ পদার্থ ০.২-০.৩৯ গ্রাম; শর্করা ২৮.১১-৩১.৮ গ্রাম; ক্যারোটিন ৫৫ মিলিগ্রাম; থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম; রিবোফ্ল্যাবিন ১.১৯ মিলিগ্রাম; নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম; এসকর্বিক এসিড ৮-৬০ মিলিগ্রাম এবং টারটারিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম।

বেলের ভিটামিন সি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বেল নিয়মিত খেলে কোলন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়। 

পাকা বেলের শাঁসে সেই ফাইবার আছে যা আলসার উপশমে খুবই কার্যকরী। সপ্তাহে তিনদিন খান বেলের শরবত।এছাড়া বেলের পাতা সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খেলেও অনেকংশে কমে আলসার।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাড় ক্ষয়রোগ : অস্টিওপোরোসিস রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা

অনলাইন ডেস্ক

হাড় ক্ষয়রোগ : অস্টিওপোরোসিস রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা

অস্টিওপোরোসিস হাড়ের ক্ষয়জনিত একটি রোগ। এ সমস্যায় ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় হালকা ও ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিবছর বিশ্বে ৯০ লাখের বেশি মানুষের হাড় ভাঙে অস্টিওপোরোসিসের কারণে।  অস্টিওপেনিয়ার সময়ই হাড়কে দুর্বল করে ফেলে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই নীরবে এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে। হাড় ভেঙে যাওয়ার আগে এই রোগের তেমন একটা লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশে ৬০ লাখের মতো মানুষ হাড় ক্ষয়রোগে ভুগছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের এই রোগের ঝুঁকি ৫.১ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.১ শতাংশ। নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ-পরবর্তী হরমোনের অসামঞ্জস্যের (স্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন) কারণে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি হয়।

কারণ
হাড়ক্ষয়ের পেছনে নানা ধরনের কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো : খাদ্য : পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘ডি’, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ‘কে’, ভিটামিন ‘বি’, ভিটামিন ‘বি ১২’ ইত্যাদির অভাব হাড়ক্ষয়ের জন্য দায়ী। একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন, সেখানে প্রতিদিন গড় ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ মাত্র ৩০৩ মিলিগ্রাম।

বংশগত : বংশে হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ইতিহাস থাকলে।
হরমোনাল : কম বয়সে মেনোপজ হলে, হাড়ের ঘনত্ব কম থাকলে।


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


 

অন্যান্য রোগ : রিউমাটয়েড
আর্থ্রাইটিস, হাইপারথাইরয়েডিজম, ক্রনিক লিভার ডিজিজ থাকলে।

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : স্টেরয়েড (যেমন প্রেডনিসোলোন, ডেক্সামেথাসন, প্রটন পাম্প ইনহিবিটর ইত্যাদি সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হাড়ক্ষয় হতে পারে।

কায়িক শ্রম না করা : দৈনন্দিন জীবনে কায়িক শ্রম বা ব্যায়ামের অভ্যাস না গড়ে তোলা হাড় গঠনের জন্য বড় সমস্যা।
লক্ষণ

হাড়ক্ষয় একটি নীরব ঘাতক। তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়। এরপরও কিছু লক্ষণ হলো, পিঠের পেছন দিকের অস্থিতে ব্যথা অনুভব হওয়া, হিপ, কোমর ও মেরুদণ্ডে ক্ষয় দেখা দেওয়া, উচ্চতা কিছুটা কমে যাওয়া, হাঁটা বা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে থাকা, হঠাৎ পড়ে গেলে হার ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি।

হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয়
সঠিক খাদ্যাভ্যাস : হাড় ক্ষয়রোগীদের দুধ, দই, পনির, সয়াবিন, বাদাম, ঋতুকালীন সবুজ শাকসবজি, লেটুস, ব্রকলি, মাশরুম জাতীয় খাবার, মাছ খাওয়া উচিত।

ক্যালসিয়াম : দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন রকম থাকে। গড়ে তিন বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম, চার থেকে আট বছর পর্যন্ত ৮০০ মিলিগ্রাম, ৯ থেকে ১৮ বছর বয়সে ১৩০০ মিলিগ্রাম, ১৯ থেকে ৫০ বছরে ১০০০ মিলিগ্রাম এবং ৫১ বছর বা তদুর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাবার থেকে গ্রহণ করা উচিত। দুধ ছাড়াও বাদাম, শাকসবজি, ছোট মাছে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে।
প্রোটিন : কাঁটাসহ সার্ডিন মাছ, অ্যালমন্ড, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি খাবার গ্রহণ।

ভিটামিন ‘ডি’ : একজন মানুষের ভিটামিন ‘ডি’র চাহিদা দৈনিক১০-১২ মাইক্রোগ্রাম। অথচ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে মাত্র ১ শতাংশ লোক যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করে থাকে। ক্যালসিয়াম শোষণ, শক্তিশালী হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে এই ভিটামিন ‘ডি’। কিন্তু শুধু খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে যথেষ্ট ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া কঠিন। সূর্যের আলো ভিটামিন ‘ডি’র সবচেয়ে ভালো উৎস। তাই প্রতিদিন ২৫-৩০ মিনিট রোদে থাকা ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। এ ছাড়া চর্বিযুক্ত টুনা, স্যালমন মাছ, ডিমের কুসুম ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

করণীয় : নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা, পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা করা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অতিরিক্ত ব্যায়ামের স্বাস্থ্যঝুঁকি

অনলাইন ডেস্ক

অতিরিক্ত ব্যায়ামের স্বাস্থ্যঝুঁকি

ব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ থাকে, কর্মক্ষমতা বাড়ে। হাঁটাচলায় অসুবিধা হয় না, বরং ভালো থাকে শরীরের পেশি। কিন্তু বেশি ব্যায়াম যে শরীরের ক্ষতি ছাড়া উপকার হয় না।

যুক্তরাষ্ট্রের দুইটি ইউনিভার্সিটিতে কিছু সাম্প্রতিক সমীক্ষায় দেখা গেছে বেশি ব্যায়ামের ফল মারাত্মক। এমনকি তা হয়ে উঠতেও পারে মৃত্যুর কারণও।

ভারতের স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট জানিয়েছে বেশি ব্যায়ামের বেশ কিছু অপকারিতা-

কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা: অত্যাধিক ব্যায়ামের কারণে আর্টারি বা ধমনীর আকার বৃদ্ধি পেতে পারে। এমনকি ছন্দপতন হতে পারে হৃৎপিণ্ডের গতিরও। সাধারণ হার্টরেট বদলে গেলে রক্তসঞ্চালনে সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বেশি ব্যায়ামের জন্যই অনেক অ্যাথলিটের হৃৎপিণ্ডের উর্দ্ধমুখী ধমনীতে সমস্যা দেখা দেয়।

অত্যাধিক স্ট্রেস ও নার্ভ প্রবলেম: অত্যাধিক ব্যায়ামে আমাদের শরীরে থাকা কর্টিসল নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এটি আসলে একটি স্ট্রেস হরমোন যা বাড়লে আমাদের নার্ভে খুব চাপ পড়ে। এই স্ট্রেস হরমোনের অত্যাধিক ক্ষরণ মোটেই ভালো নয়।

এতে অ্যাংজাইটি থেকে শুরু করে অনেকরকম নার্ভাস প্রবলেম হতে থাকে‌। চিন্তার উপর আরও চিন্তা, সহজে মুষড়ে পড়া বা কথায় কথায় ডিপ্রেসড্ হওয়া তখন রুটিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই বিজ্ঞানীদের পরামর্শ একটি নির্দিষ্ট সময়ের বেশি ব্যায়াম না করাই ভালো।

ইমিউনিটি লেভেল: অত্যাধিক ব্যায়াম করার পর প্রায় তিনদিন কিন্তু আমাদের শরীর নাজুক হয়ে পড়ে। ফলে বাইরের ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে শরীর। এতে সহজেই কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

আঘাতের সম্ভাবনা: অত্যাধিক ব্যায়াম শরীরের বিভিন্ন পেশিতে আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়িয়ে দেয়। টেনডন, লিগামেন্ট, হাড় এগুলো ব্যায়ামের সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

গাড়িতে অগ্নিকান্ড, রেকর্ড সংখ্যক গাড়ি উঠিয়ে নিচ্ছে হুন্দাই

সানি লিওনের জায়গা নিলেন আবিরা! (ভিডিও)

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে একঘন্টা নিয়মিত ব্যায়ামই যথেষ্ট। তাই শরীরের অবস্থা অনুযায়ী আপনার ব্যয়ামের পরিমাণটা ঠিক করে নিতে হবে নিজেকেই। কারণ এর সুফল যেমন আছে কুফলও কম নয়।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বুদ্বিমান লোকেদের অসুখী হওয়ার কারণ

অনলাইন ডেস্ক

বুদ্বিমান লোকেদের অসুখী হওয়ার কারণ

সুখ কোনও অবস্থা নয়, বরং এক মানবিক অনুভুতি। সুখ মনের এমন এক অবস্থা বা অনুভূতি যা ভালবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ অথবা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নানা ভাবে, নানা দিক থেকে সুখের সংজ্ঞা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জীবন আপনাকে যা দিয়েছে তাকে গ্রহণ করা এবং জীবন যে রকম তাকে সেভাবেই আত্তীকরণ করার যে সামর্থ্য তার মধ্যেই সুখের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে।

চলমান মানব জীবনের চড়াই-উতরাই পেরোতে বুদ্ধিমত্তা, কৌশল বেশ জরুরি। বুদ্ধিমত্তা আপনাকে আপনার জীবনের উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে। তবে আপনি জানেন জানেন কি, বেশি বা অতিরিক্ত বুদ্ধিমত্তা অনেক সময় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে?

মনো বিশেষজ্ঞরা বলেন, অতিরিক্ত বুদ্ধিমান লোক অনেক সময় সুখী হতে পারে না। কারণ, তারা সবকিছু নিয়ে একটু বেশিই ভাবে, বিশ্লেষণ করে।  প্রতিটি জিনিসই নিয়ে এই অতিরিক্ত বিশ্লেষণ তাদের হতাশ করে তোলে। এতে করে জীবনের একটা মুহর্তে গিয়ে অসুখী হয়ে পড়ে তারা। যেখান থেকে তারা আর বের হয়ে আসতে পার না।

বেশি বুদ্ধিমান লোকদের সুখী না হওয়ার কিছু কারণের কথা জানিয়েছে ট্রুথ থিওরি ডটকম. 

১. বুদ্ধিমান লোকেরা সাধারণত অর্জন, সম্পর্ক কোনো কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারে না। তাই সুখী হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে তাদের।

২. বুদ্ধিমান লোকেরা নিজেদের প্রতি বেশ কঠোর থাকে। তারা অতীতে বারবার ফিরে যায়। তাদের ভুল, নেতিবাচক আবেগগুলো নিয়ে বেশি ভাবতে থাকে।


নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কে?

মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে উঠে এল খাসোগি হত্যার গোপন তথ্য

নামাজে মনোযোগী হওয়ার কৌশল

অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে


৩. বাস্তবতা তাদের জন্য যথেষ্ট নয়। বড় কিছু পেয়েও তারা সাধারণত ক্ষান্ত হয় না। ধরন, অর্থ, উদ্দেশ্য খুঁজতে থাকে বারবার।

৪. অধিকাংশ বুদ্ধিমান লোক একা হয়ে পড়ে। কারণ, তাদের মনে হয়, কেউ তাদের মানসিকতাকে বুঝতে পারছে না।

৫. বেশি বুদ্ধিমান লোকেরা বিভিন্ন মানসিক সমস্যায় ভোগে। গবেষণায় বলা হয়, তাদের ক্ষেত্রে সামাজিক উদ্বেগ, বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার ইত্যাদি সমস্যা হতে দেখা যায়।

এইসব কারণে অনেক সময় দেখা যায় বুদ্ধিমান মানুষের জীবন একা থেকে যায়। আর এর ফলেই অধিকাংশ বুদ্ধিমান মানুষই একটা সময়ের পর মানসিক রোগে ভুগতে থাকেন বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাথাব্যথা কমানোর টিপস

অনলাইন ডেস্ক

মাথাব্যথা কমানোর টিপস

মাথাব্যথা বেশ যন্ত্রণার একটি বিষয়। দিনভর মাথা ব্যথা নিয়ে কাজ করা বেশ অস্বস্তিকর। আবহাওয়ার পরিবর্তন, মানসিক চাপসহ নানা কারণেই হতে পারে মাথাব্যথা। তবে ব্যস্ত জীবনে যেখানে অবসর পাওয়াই দুষ্কর, সেখানে নিজের যত্ন নিতে পারেন না অনেকেই। আবার কেউ কেউ সাময়িক উপশম পেতে বেদনানাশক বিভিন্ন ওষুধ কিনে সেবন করেন, যা মোটেই উপকারী নয়। বরং এতে রয়েছে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

তবে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি মাথাব্যথা কমাতে ভীষণ কার্যকর। এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকায় একে শতভাগ নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাথাব্যথা কমানোর চার টিপস—

ম্যাসাজ
রগের দুই পাশ বা ঘাড়ের কাছে কিছু সময়ের জন্য আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি বেশ কার্যকর পদ্ধতি। আঙুলের ডগার চাপ ব্যথার উৎপত্তিস্থলে গিয়ে কাজ করে।

আলো কমান
মাথায় যন্ত্রণা শুরু হলে ঘরের আলো কমিয়ে দিন। কম্পিউটার স্ক্রিন, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকুন। বাইরে থাকলে ভালো মানের রোদচশমা ব্যবহার করুন।


কার সাথে কার পরকিয়া তা চিন্তা করে মাথা নষ্ট করবেন না : আঁখি আলমগীর

নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

তামিমার সাবেক স্বামীকে বাটপার বলছে মিম


 

এসেশিয়াল অয়েল
আঙুলের ডগায় এসেনশিয়াল অয়েল নিয়ে কপালে আর রগে ম্যাসাজ করুন। ল্যাভেন্ডার বা পিপারমিন্টের মতো কোনো সুগন্ধি তেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে মাথা যন্ত্রণা অনেকটাই কমে।

চা-কফি
চা বা কফিতে উপস্থিত ক্যাফেইন মাথার যন্ত্রণা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কালো চায়ে আদা, লবঙ্গ ও মধু মিশিয়ে খেলে মাথার যন্ত্রণায় আরাম পাওয়া যায়। তবে অবশ্যই পরিমিত পরিমাণে চা পান করতে হবে, নয়তো উপকার না-ও পাওয়া যেতে পারে।

যেহেতু মাথাব্যথা জীবনধারা এবং অভ্যাসের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে সম্পৃক্ত, তাই মাথাব্যথা প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায় হলো জীবনধারায় ছোট ছোট পরিবর্তন নিয়ে আসা। নিয়মিত ঘুম, আহার ও শরীরচর্চা, মাথাব্যথা শুরু করতে পারে এমন সব কিছু এড়িয়ে চলার প্রচেষ্টা করা, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, অহেতুক দুশ্চিন্তা ত্যাগ করা ইত্যাদিই হতে পারে মাথাব্যথার বিরুদ্ধে প্রধান অস্ত্র।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর