রাত পোহালে নির্বাচন, কে বেশি শক্তি দেখাচ্ছে?

ফখরুল ইসলাম

রাত পোহালে নির্বাচন, কে বেশি শক্তি দেখাচ্ছে?

রাত পোহালে সারাদেশে দ্বিতীয় ধাপে ৬০ পৌরসভার নির্বাচন হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারদলীয় প্রার্থীদের রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষ আর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তোলপাড় পুরো দেশ।

এমন উত্তাপে অস্বস্তিতে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। আর স্থানীয় পর্যায়ে এমন দলীয় বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থার নেয়ার পরামর্শ রাজনীতি বিশ্লেষকদের। 

কুষ্টিয়ার মিরপুরে প্রকাশ্যে দলীয় প্রতিকে সিল মারার ঘোষণা বিব্রত করেছে আওয়ামী লীগকে। নোয়াখালী বসুরহাটে দল ও রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যেই সমালোচনা ও ধারাবাহিক মন্তব্য টক অব দ্যা কান্ট্রি। তাতিয়ে তোলে জাতীয় রাজনীতিকেও। 

দ্বিতীয় ধাপের এই পৌর নির্বাচনে  বিরোধীদলীয় প্রার্থী অনেকটাই শক্তি সামর্থহীন হলেও মাঠে সরকারদলীয় প্রা্র্থী ও বিদ্রোহীদের শক্তি সামর্থ্যের মহড়া ছিল বেশ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন, রাজশাহী কুষ্টিয়া ও শরিয়তপুরের পৌর নির্বাচনে নিজ দলেই সংঘর্ষ দেখেছে দেশবাসী।

ঝিনাইদহে তো কাউন্সিলর প্রার্থীকেই হত্যা করা হয়। কুপিয়েই হত্যা করা হয় প্রতিপক্ষ প্রার্থীর ভাইকেও। সবমিলিয়ে সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক সারাদেশে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ২১টি। আহত হয়েছেন ৭০জন।

নিহত হয়েছেন ৩ জন। বিশ্লেষকরা বলছেন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয় আওয়ামীলীগ-আওয়ামীগ দ্বন্দ্বেই এখন নাজেহাল ক্ষমতাসীনরা। 

দেশে দেড় কোটি মানুষ ভাতা পাচ্ছে যা ইউরোপেও নেই: তথ্যমন্ত্রী

কওমি ছাড়া সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল

ওই মেয়েকে ধস্তাধস্তি করে সিসিটিভি ক্যামেরার আড়ালে নেন মুহিব

দ্বিতীয় ধাপে শনিবার সারাদেশের ৬০ টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠান ও ভোট গ্রহণের সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে কেন্দ্রগুলোতে। কেন্দ্রগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও।

স্থানীয় পর্যায়ে নেতাদের এমন প্রবল বিরোধ নিয়ন্ত্রণ করে দলের দীর্ঘমেয়াদী সংকট মোকাবিলার আহ্বান বিশ্লেষকদের।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়া

অনলাইন ডেস্ক

গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল জুড়ে ​চাষ হয়েছে মিষ্টি কুমড়া। অল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় মিষ্টি কুমড়ার চাষ বাড়ছে এ অঞ্চলে। অন্য ফসলের পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন এ জেলার কয়েক হাজার কৃষক।

গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও তিস্তা নদীর ১৬৫ চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ বালুচরে এ বছর ব্যাপকভাবে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরই  চরাঞ্চলের কৃষকরা মিষ্টি কুমড়ার বীজ বপন করে। পুরো বালুচর জুড়েই শোভা পাচ্ছে মিষ্টি কুমড়ার সবুজ লতা।


অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর

নাসির বিয়ে করেছেন আপনার খারাপ লাগে কেন?

ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটলেন স্ত্রী


কৃষকরা জানান, মিষ্টি কুমড়া চাষে উৎপাদন খরচ কম। প্রতি কেজি কুমড়া ১৫ থেকে ৩৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। আবার ক্ষেত থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকাররা।

সংশ্লিস্টরা জানান, স্বল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এ জেলায় মিষ্টি কুমড়ার আবাদ বাড়ছে। কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতাও করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৫শ’ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছে চরাঞ্চলের কৃষকরা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

১৩৮ বছরের পুরনো পরিত্যক্ত আদালত ভবনে চলে বিচার কাজ

নয়ন বড়ুয়া, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ১৩৮ বছরের পুরনো পরিত্যক্ত আদালত ভবনে চলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাঁচ উপজেলার বিচার কাজ। জরাজীর্ণ এই আদালতে বিচারাধীন আছে ৩০ হাজারের বেশি মামলা। উই পোকার আক্রমণ ও বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে মামলার গুরুত্বপূর্ণ নথি। আছে বিচারক সংকটও। দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের। 

বৃটিশ আমলে স্থাপিত এই আদালত ভবনটিতে এখনও চলছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের পাঁচ উপজেলার বিচারিক কাজ।বয়স এখন ১৩৮ বছর। কোথাও চালা ছিদ্র। আবার কোথাও ভাঙ্গা বেড়া।

টিনের ছাউনি আর বাঁশের বেড়ায় ১৮৮২ সালে নির্মিত এই আদালত ভবনে ৩০ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনেই চলছে বিচারের কার্যক্রম ।এভাবে চলতে থাকলে মামলার নথিপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ার শংকায় আছেন বিচারপ্রার্থীরা।

আইনজীবীরা বলছেন জরাজীর্ণ এই ভবনে এরই মধ্যে নষ্ট হয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার নথি।

এসব ভোগান্তির সাথে আছে বিচারক সংকটও।যত দ্রুত সম্ভব নতুন ভবন নিমান ও বিচারক সংকট নিরসনের দাবি ভুক্তভোগীদের।


নাইজেরিয়ায় হোস্টেল থেকে কয়েকশ ছাত্রীকে অপহরণ

কুয়েটে শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ

মেয়েকে তুলে নিয়ে মাকে রাত কাটানোর প্রস্তাব অপহরণকারীর


এখানকার ৭টি আদালতে বিচারক আছেন মাত্র চারজন। ১৯৮৫ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হলেও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়নি কেউ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে সূর্যমুখী ফুলের হাসি দেখতে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা

শেখ জায়েদ, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে সূর্যমুখী ফুলের হাসি দেখতে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা

হলুদ রংয়ের হাজারো ফুল মুখ করে আছে সূর্যের দিকে। বসন্তে ফসলের ক্ষেতের এমন দৃশ্য টানছে সৌন্দর্য পিপাসুদেরও। বলছি চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে কৃষিগবেষণা কেন্দ্রের বারি-তিন সূর্যমুখী প্রজেক্টের কথা। 

চট্টগ্রামের পরিবেশে চাষ উপযোগী এই তেলবীজের প্রদর্শনী দেখতে আসছেন কৃষকরাও।গোটা চট্টগ্রামে এর আবাদ ছড়িয়ে দিতে পারলে ভোজ্যতেলের আমদানী নির্ভরতা কমবে বলছেন কৃষি গবেষকরা।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম দেওয়ানপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এলাকায় সড়কের পাশে ১ একরের বেশি জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করা হয়েছে। সূর্যমুখীর হলুদ আভায় ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সেই নজরকাড়া দৃশ্য দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন মানুষ।

সূর্যমুখীর তেল কোলেস্টেরলমুক্ত, ভিটামিন ‘ই’, ভিটামিন ‘কে’ ও মিনারেল সমৃদ্ধ। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি রোগীর জন্যও সূর্যমুখীর তেল নিরাপদ। আর চাষও লাভজনক।

আরও পড়ুন:


দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে ১১ বন্ধুর চিত্র প্রদর্শনী

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

তাইওয়ান প্রণালীতে আমেরিকার জাহাজ আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে: চীন

এনা ও লন্ডন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ২০


বারি তিন খাটো জাতের সূর্যমুখী, এর কান্ডও বেশ শক্ত,ফলে ঝড় ঝঞ্ঝায় ক্ষতি কম হয়।তাই এটিকে চট্টগাম অঞ্চলে চাষ উপযোগী হিসেবে শনাক্ত করেছেন কৃষিবিজ্ঞানীরা।

আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. খলিলুর রহমান ভুঁইয়া বলছেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে সব সময় ঝড় বৃষ্টি লেগেই থাকে। তাই এই খাটো জাতের সূর্যমুখি চাষ করলে ঝড় থেকে রক্ষা পাবে। এই জাত কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া গেলে তারা লাভবান হবেন বলেও মনে করছেন তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে ১১ বন্ধুর চিত্র প্রদর্শনী

ফাতেমা কাউসার

দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে ১১ বন্ধুর চিত্র প্রদর্শনী

কথায় আছে যে রাধেঁ সে চুলও বাঁধে- আর এ কথাই প্রমাণ করলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউটের ১৯৮৯ শিক্ষাবর্ষের ১১ শিক্ষার্থী। চাকরী, সংসার আর ব্যস্ততার বেড়াজালে চারুশিল্প থেকে নির্বাসনে ছিলো শিল্পীমন। তবে শিল্পের প্রতি ভালোবাসার টানে আবারো তারা আয়োজন করলো “একুশের চেতনায়” শিরোনামে প্রদর্শনী। যেখানে নিজেদের আঁকা প্রায় ৩৭টি শিল্পকর্ম ঠাঁই পেয়েছে।

ব্যস্ততম দাম্পত্য জীবনে আবদ্ধ সবাই। কেউবা আবার করেন চাকরি। কিন্তু আপন ভুবনের প্রতি টানটা যেনো আগের মতোই।  শত ব্যস্ততার মাঝেও সৃষ্টিশীল প্রতিভা তাদের চেতনাকে জাগিয়ে রেখেছে। তারই প্রতিফলন এই প্রদর্শনী। দীর্ঘ সময় পর রং তুলির আঁচরে জীবনকে নতুন করে রাঙাতে ১১ বন্ধুর গড়ে তোলা কালার্স এর ৬ষ্ঠ প্রদর্শনী এটি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহম্মদপুরে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত আবৃত্তিকার ড. ভাস্বর বন্দোপাধ্যায় ও চিত্রশিল্পী অধ্যাপক নাইমা হক। সাময়িক বিরতির পর তাদের এই ফিরে আসা শিল্পের প্রতি অদম্য ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ বলছেন অতিথিরা।

আরও পড়ুন:


অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

তাইওয়ান প্রণালীতে আমেরিকার জাহাজ আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে: চীন

এনা ও লন্ডন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ২০

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!


এবারের প্রদর্শনীর শিরোনাম “একুশের চেতনায়”। শুভ্র দেয়ালে স্থান পাওয়া প্রত্যেকে ক্যানভাসে রং তুলিতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে শিল্পী মনের নানা ভাবনা। নতুনদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই ফিরে আসা বলে জানান আয়োজকদের ক’জন।

১০ দিনব্যাপী আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে ৩৭টি শিল্পকর্ম। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

লাকমিনা জেসমিন সোমা

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানীবাসী, সমন্বয়ের তাগিদ

অন্তহীন সমস্যায় রাজধানী ঢাকা। বছরজুড়ে উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি, যানজট, জলজট, শব্দ ও বায়ু দূষণসহ নানা সমস্যায় নাকাল নগরবাসী। নিউজ টোয়ন্টিফোরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাকারে নগর বিশ্লেষক স্থপতি ইকবাল হাবিব বলছেন, সেবা সংস্থার সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহিতার অভাবেই এমন ভোগান্তিতে রাজধানীবাসী। সেইসাথে নগরবাসীর অসচেতনতাকেও দায়ী করছেন তিনি।

বছরজুড়ে উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি। যানজট যেন  নিত্যসঙ্গী। ভাঙাচোরা আর দখলে হাঁটার জায়গা নেই ফুটপাথে। সেইসঙ্গে বেড়েছে মশার উৎপাত। শব্দ ও বায়ু দূষণও চরমে। সব নিয়ে দুর্ভোগে নাকাল রাজধানীবাসী। একান্ত সাক্ষাকারে শহরের এমন অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরেন নগর বিশ্লেষক স্থপতি ইকবাল হাবিব।

এসময় তিনি জানান, যে প্রকল্পের গুরুত্ব সবচেয়ে কম সেটিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। সেটা পরিবহন বা চলাচলের ক্ষেত্রে হোক কিংবা নগরের আবাসন ক্ষেত্রে হোক। আমরা যখন গণপরিবহনের কথা বলি তখন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে যায় বাসের কথা বললে মেট্রোরেল হয়ে যায়। আসলে এই বিষয়গুলি পারস্পারিক যুদ্ধের বিষয় না। চাই সমন্বয়।

বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে সারা বছরই চলে খোঁড়াখুঁড়ি। নগরবাসীর দুর্ভোগের পেছনে সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা ও জবাবদীহীতকেই দায়ী করছেন এই স্থপতি।

পরিকল্পিত নগরী গড়ার মূল শর্ত হল সকলে মিলে পরিকল্পনার অধিনস্ত থেকে কাজ করবে। পরিকল্পনা যদি যার যার তার তার হয় তাহলে আরো বড় ঝামেলা বাধবে। এক জনের প্রকল্প অন্য জনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আর এই সমন্বয়হীনতায় হরহামেশায় চলে আসছে।

আরও পড়ুন:


তাইওয়ান প্রণালীতে আমেরিকার জাহাজ আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করছে: চীন

এনা ও লন্ডন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ২০

বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে ভাগিয়ে বিয়ে, ৩৬ বছর পর গ্রেফতার!

কাল জানা যাবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক খুলবে কিনা


সেবা সংস্থার উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতার উপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন স্থপতি ইকবাল হাবিব। বলছেন, নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে জনবান্ধব উন্নয়ন প্রকল্পের কথা।

এই স্থপতি আরও জানান, সিটি কর্পোরেশনের দাড়াই সম্ভব জনগনের সম্পৃক্ততায় বিনিয়োগ করা। জনগণকে যদি সম্পৃক্ত করা না যায় তাহলে সে তার মতো করেই ময়লা ফেলবে।

ঢাকাকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে জবাবহিদিতা নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করছেন নগর বিশ্লেষক ইকবাল হাবিব।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর