‘‌হাই কমান্ড থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে’

অনলাইন ডেস্ক

‘‌হাই কমান্ড থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে’

ভোট নিয়ে যে শঙ্কা ছিল, তা এখন নেই বললেই চলে বলে জানিয়েছেন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক  সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা।  তিনি বলেন,নির্বাচন নিয়ে যে আশঙ্কা করেছিলাম, এখন আসলে সেই শঙ্কা নেই বললেও চলে। হাই কমান্ড থেকে আমাকে বলা হয়েছে, এখানে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হবে। 

পৌরসভার একটি কেন্দ্রে ভোট দিয়ে শনিবার সকালে তিনি সাংবাদিকদের  তিনি এসব কথা বলেন।

ওই সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এই প্রার্থী।

দিহানের মেয়ে পটানোর প্রধান হাতিয়ার গাড়ি

আনুশকার মা কে দিহান : আন্টি আমাকে বাঁচান

সিমান্তে উত্তেজনা : জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্র কিনছে ভারত

দুশ্চিন্তা মুক্তির আমল

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান যে নির্বাচন ব্যবস্থা, সেই নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তন দাবি করে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে কথা বলেছি। তা ছাড়া আমি এখানে যে উন্নয়ন করেছি এবং করোনার সময় আমি যে দায়িত্ব পালন করেছি, পাহাড়ের মতো আমি এখানে মানুষের পাশে ছিলাম।

পরাজিত হলে কী করবেন জানিয়ে কাদের মির্জা বলেন, ‘যদি নির্বাচিত না হই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যিনি নির্বাচিত হবেন, তাকে অভিনন্দন জানিয়ে আমি বাড়ি ফিরে যাব।’

জয়ের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে কাদের মির্জা বলেন, ‘আমি এখন শতভাগ আশাবাদী। হাই কমান্ড থেকে প্রশাসনকে বলা হয়েছে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।’

নোয়াখালী জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, একটি নির্ভেজাল ও সংশয়মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখানে নয় কেন্দ্রে নয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট, তিনটি টিমে ২৪জন র্যা্ব, ৮০ জনের চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য এবং ২০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা ও আইন-শৃংখলার জন্য সার্বক্ষণিক থাকবে পাঁচ পুলিশ ও ১৩ আনসার সদস্য।  তিনটি কেন্দ্রের জন্য একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও সাতটি জরুরি টিম রাখা হয়েছে।
 
বসুরহাট পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২১ হাজার ১১৫ জন।  পুরুষ ১০ হাজার ৬২১ এবং নারী ১০ হাজার ৪৯৪জন।  মোট নয়টি কেন্দ্রে বুথ সংখ্যা ৬১টি।
 
এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, বিএনপির প্রার্থী কামাল উদ্দিন চৌধুরী ও জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা মোশাররফ হোসাইন মেয়র পদে, সংরক্ষিত তিনটি নারী কাউন্সিলর পদে সাতজন এবং নয়টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫ জনসহ মোট ৩৫ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

news24bd.tv / আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এবার আদালতের সম্মুখে আইনজীবী-পুলিশের বাগবিতণ্ডা (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

এবার আদালতের সম্মুখে আইনজীবী-পুলিশের বাগবিতণ্ডা (ভিডিও)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহযোগী অধ্যাপকের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তার বাকবিতণ্ডা ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এবার এক আইনজীবীর সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। জানা যায়, ওই আইনজীবীর নাম নার্গিস পারভীন মুক্তি। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য তিনি। 

গতকাল সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) প্রবেশের সময় মূল ফটকের সামনে ওই আইনজীবী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার এ বাগবিতণ্ডা হয়।

ঘটনাটির ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বাগবিতণ্ডার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো ওই আইনজীবীকে এক পুলিশ কর্মকর্তা তার পরিচয় দিতে বলছেন। ওই আইনজীবী আইডি কার্ড দেখালেও তিনি তাকে মুখে পরিচয় দিতে বলছেন।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ওই নারী আইনজীবী কিছুটা উত্তেজিত হয়ে যান। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ মানুষ। সারা রাস্তা কষ্ট করতে করতে আসছি। আমার গলায় আইডি কার্ড দেখেও পুলিশ পরিচয় দিতে বলছে। এ সময় আশপাশ থেকে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও কয়েকজন আইনজীবী পরিস্থিতি সামাল দেন।

পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিও অনেক আইনজীবী শেয়ার করেছেন। তারা আদালত এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পুলিশের এমন ব্যবহারে বিচার চেয়েছেন।

পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার প্রসঙ্গে আইনজীবী নার্গিস পারভীন মুক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি সোমবার ভার্চুয়াল কোর্টে শুনানির জন্য বাসা থেকে বের হই। আমাকে একবার পোস্তগোলা ব্রিজের সামনে পুলিশ সিএনজি থেকে নামিয়ে দেয়। তারপর আমি অনেক পথ হেঁটে রিকশা নিয়ে রায় সাহেব বাজারের সামনে এলে আবারও রিকশা থেকে নামিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর হেঁটে সিএমএম আদালতের মেইন গেটের সামনে আসি। তখন আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেয় না পুলিশ। জিজ্ঞেস করে আমি কে? অথচ আমার গলায় আইনজীবীর আইডি কার্ড। আমি ওই পুলিশকে বারবার বললাম আমি আইনজীবী, আমার গলায় আইডি কার্ড রয়েছে। তাছাড়া আমি অসুস্থ, অনেক পথ হেঁটে এসেছি। তারপরও আমাকে এভাবে তর্কে জড়ালেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, আমি ভিডিওটি দেখিনি। কী ঘটনা ঘটেছে বা ওই সময় কোন পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন তা আমি বলতে পারছি না।

এদিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতি এক বিবৃতিতে আইনজীবী মুক্তির সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছে। 

মঙ্গলবার সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. খন্দকার হজরত আলীর যৌথ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক কার্যকরী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট নার্গিস আক্তার মুক্তি, যার সদস্য নং-১০২৮০। গত ১৯/০৪/২০২০১ ইং তারিখে তিনি বিজ্ঞ সিএমএম আদালতে প্রবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে পরিচয়পত্র দেখানো সত্ত্বেও তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। ঢাকা আইনজীবী সমিতি উক্ত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে বিজ্ঞ আইনজীবীগণ উক্তরূপ বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন না হন, এ ব্যাপারে সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এর আগে, গত রোববার দুপুরে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন এক নারী চিকিৎসক। বাকবিতণ্ডার সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

বাকবিতণ্ডার সেই ভিডিও

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে কারণে পুলিশের সাথে ‍যুবকের হাতাহাতি (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে পুলিশের সাথে ‍যুবকের হাতাহাতি (ভিডিও)

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলমান সর্বাত্মক লকডাইনে ফেনিতে মাস্কবিহীন রাস্তায় বের হওয়ায় রিকশা থেকে নামতে বলায় পুলিশের সঙ্গে  শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।  রিকশা থেকে না নামায় শার্টের কলার ধরে যুবককে নামানোর কারণে পুলিশের সঙ্গে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। 

রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ফেনী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বিকেলে শহিদুল ইসলামকে লকডাউন চলাকালীন রাস্তায় বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে পুলিশের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় তিনি পুলিশকে প্রশ্ন করেন এটাকি পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে গেছে নাকি? একপর্যায়ে পুলিশ তাকে মারতে গেলে তিনিও পুলিশকে মারধর করতে থাকেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, ফেনী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রিকশায় বসে থাকা এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন একাধিক পুলিশ সদস্য। চলমান লকডাউনে মাস্ক পরা ও বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে চলাচল করতে বাধা প্রদান করছিলেন তারা। এসময় ওই যাত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় এবং তাকে রিকশা থেকে নামতে বলেন পুলিশ সদস্যরা। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি উচ্চস্বরে দায়িত্বরত পুলিশদের উদ্দেশে বলে ওঠেন, ‘এই দেশে পুলিশের অনেক ক্ষমতা, না!

এসময় এক পুলিশ সদস্য তাকে জোর করে রিকশা থেকে নামাতে চাইলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একাধারে তিনি পুলিশদের গালাগালি করতে থাকেন। একপর্যায়ে রিকশায় থাকা ওই যাত্রী আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলে পুলিশ সদস্যরা তাকে আঘাত করেন। এসময় ওই ব্যক্তিও পুলিশদের পাল্টা আঘাত করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় একাধিক পুলিশ সদস্য তাকে ঝাপটে ধরে হ্যান্ডকাপ পরানোর চেষ্টা করেন।

এসময় তিনি হ্যান্ডকাপ পরতে অস্বীকৃতি জানান এবং গালাগালিসহ এলোপাতাড়ি হাত-পা ছুড়তে থাকেন। একই সময় তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে চিৎকার করে ভিডিও করতে বলেন।

একপর্যায়ে চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্য তাকে হ্যান্ডকাপ পরানোর জন্য জোরপূর্বক মাটিতে ফেলে চাপ প্রয়োগ করেন। এসময় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে তারা আবার ওই ব্যক্তিকে ধরে উঠান এবং হ্যান্ডকাপ পরান। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, পুলিশের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হওয়া ওই যুবকের নাম শহিদ। তিনি ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।

ফেনীর পুলিশ সুপার নুরুনবী জানান, এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজন উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক ও একজন কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীও ব্যবস্থা নেওয়া হবে

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ওমর হায়দার বলেন, রোববার মডেল স্কুলের সামনে থেকে শহীদকে আটক করা হয়েছিল। তার মানসিক সমস্যা আছে। তাকে আটক করে হাজতে নেওয়ার সময় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এটাকি পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে গেছে নাকি

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে পুলিশের এসআই’র মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে পুলিশের এসআই’র মৃত্যু

ছোট ভাই জসিমউদ্দিনের লাঠির আঘাতে সালাউদ্দিন মিয়া (৩৫) নামের এক এসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে  নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের শেখপাড়া বাতাসি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সালাউদ্দিন ওই গ্রামের আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে। তিনি মাগুরা জেলায় পুলিশের এসবিতে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লাউদ্দিন মিয়ার সাথে তার  ছোট ভাই জসিমউদ্দিনের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। অনেকবার এ নিয়ে সালিস হলেও বিরোধ মেটেনি। ছুটিতে বাড়তে থাকাকালিন সময়ে আজ  বিকেলে সালাউদ্দিনের সঙ্গে জসিমউদ্দিনের কথা-কাটাকাটি হয়। 

এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে সালাউদ্দিনকে আঘাত করেন জসিমউদ্দিন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনার দিকে নিয়ে যায় স্বজনেরা। পথে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সাড়ে ৪টার দিকে সেখানের চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে ভাইদের মধ্যের দ্বন্দ্ব খুন হয়েছেন সালাউদ্দিন। ছোট ভাই জসিমউদ্দিন পলাতক। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জয়নগরকে রেড জোন ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক

জয়নগরকে রেড জোন ঘোষণা

চট্রগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানাধীন ‘জয়নগর আবাসিক এলাকাকে’ রেড জোন ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। চকবাজার এলাকার এই অংশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ শতাংশের বেশি হওয়াতেই  এই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে জয়নগর আবাসিক এবং চমেক হাসপাতাল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকাকে রেড জোনের আওতায় এনে ব্যানার ঝুলিয়ে দেয় পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চকবাজার থানার ওসি (অপারেশন) সরওয়ার আজম বলেন, আইইডিসিআর এর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের মধ্যে করোনার সংক্রমণ থাকলে ওই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে গণ্য করা যাবে। সেই হিসেবে চকবাজার এলাকার এই অংশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ শতাংশের বেশি। তাই এই এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন করা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হেফাজতের সহকারী মহাসচিব গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতের সহকারী মহাসচিব গ্রেফতার

হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে তার নিজ বাসা মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নাশকতা এবং হেফাজতের পুরনো মামলায় জালাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে হেফাজতের ৭ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।

news24bd.tv/আলী/

মন্তব্য

পরবর্তী খবর