পাখিদের অভয়ারণ্য হাজারিখিল

অনলাইন ডেস্ক

 পাখিদের অভয়ারণ্য হাজারিখিল

শীতে অতিথি পাখির আগমন ঘটে আমাদের দেশে। কারণ, শতি প্রধান দেশগুলোতে এত বেশি শতি পড়ে যে ওখান থেকে বাচঁতে পাখিরা হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে আমাদের মত দেশে আসে। এসময় অনেক পাখি দেখা যায়।

আবার যেসব পাখি আমাদের দেশেরই তাদের দেখার জন্য আপনাকে হাজারিখিল অভয়ারণ্যে হারিয়ে যেতে হবে। 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি এলাকাটি-ই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এখানে ‘হাজারিখিল অভয়ারণ্য’ এবং গিরিপথ, সুড়ঙ্গ ও পাহাড়ি ঝর্ণা ভ্রমণ, আর সঙ্গে চারপাশে চা বাগানঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ যে কোনো ভ্রমণপিপাসুর জন্য বেশ আনন্দের।

আপনি যদি পাখির রাজত্বে হারিয়ে যেতে চান, তা হলে চোখ বন্ধ করে হাজারিখিল চলে যান। যেখানে হাজারও নাম না জানা পাখির আনাগোনা। হাজারিখিল অভয়ারণ্য আপনাকে পাখির কলকাকলিমুখর আবেশময় এক জগতে নিয়ে যাবে।

২৯০৮ হেক্টর জমি নিয়ে এ বনপ্রাণ অভয়ারণ্যটি গঠিত। ১৮৯৩ সালে এ জায়গাটিকে ‘রামগড়-সীতাকুণ্ড সংরক্ষিত বন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।


নিজের মেয়ের নগ্ন ছবি দেখিয়ে প্রলোভন, ৩৫ বছরের জেল

চিরযৌবনা হতে কুকুরের মুত্রপান তরুণীর!


বন্যপ্রাণীতে মুখর হাজারিখিলে দেখা মেলে নানা ধরনের জীবজন্তুর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– ভাল্লুক, বনবিড়াল, মেছোবাঘ, শিয়াল, মায়া হরিণ, সাম্বার, বন কুকুর, বনছাগল, বানর ও হনুমান। আবার মাঝে মাঝে দেখা মিলে চিতাবাঘেরও!

মোট আট প্রজাতির উভচর এবং ২৫ প্রজাতির সরীসৃপ আছে এ বনে। তবে পাখির অভয়ারণ্য হিসেবে খ্যাত এ বনে রয়েছে প্রায় ১২৩ প্রজাতিরও বেশি পাখি! সে হিসেবে হাজারিখিল অভয়ারণ্যকে পাখিপ্রেমীদের স্বর্গ বললেও ভুল হবে না।

বিশেষ করে বিপন্নপ্রায় কাঠময়ূর আর মথুরার দেখা পাওয়া যায় এখানে। আছে কাউ ধনেশ ও হুতুম পেঁচাও। বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদের সমারোহ থাকার কারণে চিরসবুজ এ বনে এমন কিছু প্রজাতির পাখি পাওয়া গেছে, যা অন্য কোনো বনে সচরাচর দেখা যায় না।

এর মধ্যে রয়েছে হুদহুদ, চোখ গেল, নীলকান্ত, বেঘবৌ ও আবাবিল। এসব পাখির আকার-আকৃতি, বর্ণ ও স্বভাবে বৈচিত্র্যময়।

news24bd.tv / আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

অনলাইন ডেস্ক

তীব্র দাবদাহে দেশ, ৪ বিভাগে বৃষ্টির আভাস

গত কয়েকদিন থেকেই তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ মানুষ। দেশের মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলে তাপপ্রবাহের তীব্রতার আরও বেশি। এই অঞ্চল ছাড়াও আরও কয়েকটি অঞ্চলে বয়ে যাচ্ছে মাঝারী থেকে মৃদু তাপপ্রবাহ।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানা গেছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

বগুড়া, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, খুলনা, মোংলা, সাতক্ষীরা, যশোর ও রাঙ্গামাটি অঞ্চলসহ ঢাকা এবং বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

এছাড়ও রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আরও পড়ুন


রংপুর করোনা হাসপাতালে বরাদ্দকৃত ৫০ আইসিইউ-এর মধ্যে বসেছে মাত্র ২৩টি

উৎসব মুখর পরিবেশে সুনামগঞ্জের হাওরে ধান কাটা শুরু

রিমান্ডে যে সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন ‘শিশু বক্তা’

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষ পাঁচে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক


আবহাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নেত্রকোনায় ২২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে আজও

অনলাইন ডেস্ক

কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে আজও

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আজও হতে পারে কালবৈশাখী ঝড় বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। গতকাল শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে।

আজ শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৯ টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

তাপ প্রবাহের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু এলাকায় প্রশমিত হতে পারে।

আরও পড়ুন:


২৮ হাজার লিটার দুধ নিয়ে নদীতে ট্যাঙ্কার!

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

ভারতে যেতে আর বাধা নেই পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

করোনায় কাজ না থাকলেও কর্মীদের পুরো বেতন দিচ্ছেন নেইমার


সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

তিমি মৃত্যুর সঠিক কারণ দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে: সেভ আওয়ার সি

অনলাইন ডেস্ক

তিমি মৃত্যুর সঠিক কারণ দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে: সেভ আওয়ার সি

কক্সবাজার সৈকতে গত ৯ এবং ১০ এপ্রিল পরপর দু’দিন জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা দুইটি (Bryde's whale) ব্রাইড প্রজাতির তিমির মৃত দেহ পাওয়া গেছে। যা সাগরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।

এই প্রজাতির তিমির খাদ্যাভাস এবং স্বভাবসূলব বিচরণ ক্ষেত্রটা অনেক গভীর সমূদ্রে। স্বাভাবিকভাবে অল্প পানিতে আসে না। বাংলাদেশে সোয়াচ অব নোবটম থেকে শুরু করে শ্রীলংকা, মাদাগাস্কা এবং এদিকে আন্দামান সাগর হয়ে ওশানিয়া এবং প্যাসিফিক সাগরের গভীর এবং উষ্ঞ অঞ্চলে চলাচল করে।

এগুলো মরার কারণ হতে পারে গোস্টনেটের ফাঁদে পড়া, পেটে প্লাস্টিক ও অচনশীল দ্রব্যের উপস্থিতি অথবা পানির নিচে সাবমেরিন বিধ্বংসী বিস্ফোরণ। এছাড়া ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ভাইরাস, প্যারাসাইড, বণ্য  অথবা যান্ত্রিক সংঘর্ষ ও মৃত্যুর কারণ হতে পারে।


খালেদা জিয়াসহ ফিরোজা বাসভবনের সবাই করোনায় আক্রান্ত, চলছে চিকিৎসা

ভ্যাকসিন নিয়ে পাইলট-কেবিন ক্রুরা ৪৮ ঘণ্টা ফ্লাইটে যেতে পারবেন না

মাদরাসা ও মসজিদ লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি


তিমি ফিল্টার ফিডিং পদ্দতিতে ছোট প্রজাতির মাছের ঝাঁক এবং অন্যান্য ছোট কিছু প্রাণী খেয়ে বাঁচে। সূর্যের আলোতে গভীর পানির নিচে এদের খাবারগুলো থাকলেও চাঁদের আলোতে খাবারগুলো আবার উপরিভাগে চলে আসে। সে সময় জাহাজের সঙ্গেও সংঘর্ষ হতে পারে।

ময়নাতদন্ত করে প্রতিনিয়ত মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করা জরুরি। মৃত্যুর কারণ আমাদের জলসীমা অথবা আমাদের জলসীমার বাহিরেও হতে পারে। যদি আমাদের জলসীমায় হয়ে থাকে তাহলে আমাদের সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। আর যদি অন্য দেশে ঘটে থাকে তাহলে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সমস্যাগুলোকে প্রতিকার করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে।

সমূদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেভ আওয়ার সি’র ভবিষ্যত পরিকল্পনায় রয়েছে- ভেটেনারি, আন্ডারওয়াটার এক্সপ্লোরার, ওশান সায়েন্টিস্টদের সঙ্গে নিয়ে সমূদ্রের অসঙ্গতি দূর করার জন্য একটি দল কাজ করা। আহত সামূদ্রিক প্রাণীদের উদ্ধার,  চিকিৎসা ও আহতের কারণ উদঘাটন করা এবং সমূদ্র দূষণ দূরীকরণ ও সমূদ্রের জীববৈচিত্র সংরক্ষনের আইনগত বিষয়ে কাজ করা।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আজ আবারো হিমছড়ি সৈকতে ভেসে এলো আরেকটি মৃত নীল তিমি

অনলাইন ডেস্ক

আজ আবারো হিমছড়ি সৈকতে ভেসে এলো আরেকটি মৃত নীল তিমি

পরপর দু’দিন কক্সবাজর সৈকতে দুটি মৃত নীল তিমি ভেসে এলো। হিমছড়ি সৈকতে আজ আরও একটি মৃত তিমি ভেসে এসেছে। শনিবার (১০ এপ্রিল) ভোর ৬টায় সৈকতের বালিতে আটকে থাকতে দেখা যায় এই মৃত তিমিকে।

এর আগে গতকাল জোয়ারের সঙ্গে ভেসে আসে বিশাল আকৃতির একটি মৃত নীল তিমি। গতকাল রাতেই সেটিকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। গবেষণার জন্য হাড় ও অন্য প্রত্যঙ্গ সংগ্রহের জন্য পুঁতে ফেলা স্থানটি সংরক্ষণ করছে সমুদ্র ও মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট।

শুক্রবারের মৃত তিমির পাওয়া যায় যে স্থান থেকে তা থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দক্ষিণে ক্ষুদ্র তিমির মরদেহটি পাওয়া যায়। ২৫-৩০ ফুট লম্বা এ তিমিটিও অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা সমীর কুমার সাহা।

এসময় তিনি জানান, শুক্রবার ভেসে আসা মৃত তিমির দেহাবশেষ সৈকতের বালিয়াড়িতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। জোয়ারের পানিতে আবার ভেসে যাওয়া থেকে দেহটি আটকাতে বন বিভাগের শতাধিক কর্মী চেষ্টা চালায়। এসময় প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মী এবং উৎসুক জনতাও এতে সামিল হয়। এরপর ভেটেনারি সার্জনগণ ময়নাতদন্তের পর এক্সকেভেটরের সাহায্যে মরদেহটি পুঁতে ফেলা হয়।

আরও পড়ুন


লকডাউনের মধ্যেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চট্রলা মেয়রের ভ্রমণ!

করোনা আক্রান্ত আকরাম খান আইসোলেশনে আছেন

করোনায় পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালকের মৃত্যু

পুরুষশূন্য সালথার কয়েক গ্রাম


রেঞ্জ কর্মকর্তা আরো জানান, শনিবার ভোর ৬টায় একই সৈকতের ভিন্ন পয়েন্টে আরো একটি মৃত তিমির দেহাবশেষ বালিয়াড়িতে উঠে আসে। ধারণা করা হচ্ছে, এটিও আগের তিমিটির মতো মরে ভাসতে ভাসতে তীরে উঠে এসেছে। দুর্গন্ধ বেশি ছড়ানোর আগেই গতকালের মতো এটিও পুঁতে ফেলার উদ্যোগ চলছে।

তিমি সাধারণত দলবেধে চলে। কোনো কারণে দলছুট হলে অনেক সময় তিমি মারা যায়। শুক্রবার এবং শনিবারে তীরে আসা তিমি দুটির ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এসব তিমি অন্তত ১০-১২দিন আগে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু তিমিগুলোর মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও অজানা রয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে পলিথিনের ব্যাগ

শেখ রুহুল আমিন, ঝিনাইদহ

ঝিনাইদহে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে পলিথিনের ব্যাগ

ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার সর্বত্র মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে পলিথিন। এখন বাজারে গেলে ব্যাগ নিয়ে যেতে হয় না। মাছ, মাংস, সবজিসহ সব ধরণের পণ্য বিক্রেতারা পলিথিনের ব্যাগে ভরে দেয়। আর ক্রেতারা বাড়ি এনে পলিথিন যত্রতত্র ফেলছে।  এত দুষিত হচ্ছে পরিবেশ।

পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের তৎপরতা থিতিয়ে গেছে। বেড়ে গেছে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এ পলিথিনের ব্যবহার। পরিবেশবাদীদের দাবি অবিলম্বে পলিথিনের উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধে কঠোর হোক প্রশাসন।

জানা গেছে ১৯৯৫ সালে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে পলিথিনের বিক্রি ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়। তারপরও কিছু দিন পলিথিন ব্যবহার হতে দেখা যায়। পরে প্রশাসন পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। পলিথিন বিক্রেতাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা করা হয়। বিভিন্ন গুদাম থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমান পলিথিন। পরে এসব পলিথিন ধ্বংস করা হয়। নিয়ন্ত্রণে আসে পলিথিনের বিক্রি ও ব্যবহার। 


রাতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি যাওয়ার পথে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকা

ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা করলো ভাসুর!

কিশোরকে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা তরুণী!

অশ্লীল ভিডিও চ্যাটিং ইসলামে ব্যভিচারের অন্তর্ভুক্ত


পলিথিনের পরিবর্তে পাট, কাপড় ও কাগজের তৈরি ব্যাগের প্রচলন শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে পলিথিনের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান শিথিল হয়ে আসে। বাড়তে থাকে পলিথিনের ব্যবহার। এসব পলিথিন ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে। নদী খালের পানিতে ফেলার পর পানি দূষণ ঘটছে। শহরের ড্রেনে ফেলার পর পয়ঃনিষ্কাষণ ব্যবস্থা বাঁধা প্রাপ্ত হচ্ছে। বৃষ্টি হলে শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করে। মানুষের মাঝে পলিথিন ব্যবহার না করার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায় না। 

ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) মোঃ সেলিম রেজা জানান পলিখিন বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসায়ে জরিমানা করা হয়। তবে শতভাগ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

news24bd.tv/আয়শা

 


  

মন্তব্য

পরবর্তী খবর