অন্ধকারে ডুবে যায় কুড়িল ফ্লাইওভার

তালুকদার বিপ্লব

অন্ধকারে ডুবে যায় কুড়িল ফ্লাইওভার

উদ্বোধনের এক বছর যেতে না যেতে নষ্ট হয়ে গেছে কুড়িল ফ্লাইওভারের বাতিগুলো। ফলে ফ্লাইওভার দিয়ে রাতে যানবাহন চলাচলে, গাড়ির হেডলাইটের আলোই একমাত্র ভরসা। 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ফ্লাইওভারে সন্ধ্যার পর নেমে আসা ভুতুড়ে পরিবেশে, প্রতিদিন ঘটছে নানা দুর্ঘটনা। 

কুড়িল উড়ালসেতু যা কুড়িল ফ্লাইওভার নামেই সুপরিচিত। রাজধানীর কুড়িল মোড়ে, এয়ারপোর্ট সড়ক ও প্রগতি সরণির সংযোগস্থলে নির্মিত বাংলাদেশের তৃতীয় এই ফ্লাইওভারটি ২০১৩ সালে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

কিন্তু উদ্ধোধনের কয়েক বছর যেতে না যেতে নষ্ট হতে শুরু করে ফ্লাইওভারের বাতিগুলো। রাতে নিকুঞ্জ কুডিল লুপ দিয়ে ফ্লাইওভারটিতে উঠতে দেখা যায় বাতি নেই এমন সারি সারি অকেজো ল্যাম্পপোস্ট। 

বিমানবন্দর সড়ক থেকে ফ্লাইওভারটির একই অবস্থা। এমনকি ৩০০ ফিট সড়ক দিয়ে এমইএস লুপ, নিকুঞ্জ-কুড়িল লুপ কিংবা খিলক্ষেত-কুড়িল লুপেরও একই অবস্থা দেখা যায়।

ফ্লাইওভারের নিচের অবস্থা আরও ভয়াবহ। অন্ধকারে এখানে চলছে অপরাধীদের অবাধ বিচরণ। 

রাবি উপাচার্যকে পদত্যাগের আলটিমেটাম ছাত্রজোটের

করোনায় দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের মৃত্যু

রাবি উপাচার্যকে পদত্যাগের আলটিমেটাম ছাত্রজোটের

এদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল মল্লিক বলেছেন, ফ্লাইওভারটি রক্ষনাবেক্ষণের দায়িত্ব সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে দেয়া হচ্ছে।

রাজউক ৩০৬ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন দশমিক এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর এ ফ্লাইওভারটি নির্মাণ করে। তবে তারপর এই অবকাঠামোর দিকে নজর নেই কারো।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গে ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ: হানিফ

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ। বলেন পৌর নির্বাচনে যারা দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্র্রোহী ছিল দলে তাদের কঠোর শাস্তি আওতায় আনা হবে।

সদ্য সমাপ্ত দেশের পাচটি ধাপে ২৩০ টি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৮৫, টিতে জয়লাভ করে । যেখানে স্বতন্ত্র হিসেব ৩ জায়গায় বিজয়ী হয়। যার অধিকাংশই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। যাদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সরকারের প্রতিমন্ত্রী, এমপি এমনকি জেলার শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধেও।

যে বা যারা দলের সিদ্বান্তের বাইরের যেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং বিদ্রোহীদের পক্ষে দলের যেসব নেতা কর্মীরা কাজ করেঝে তাদের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দলের শৃঙ্খলার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে দলীয় প্রতীকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বলেন বিগত নির্বাচনে যারা দলের সিদ্বান্ত মানেননি তারা মনোনয়ন পাবেন না ।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


সম্প্রতি বিএনপির ৭ মার্চ পালন নিয়ে হানিফ জানান, দীর্ঘদিন পর বিএনপির এমন কর্মকাণ্ড কূটকৌশলের অংশ।

বিএনপি নেতাদের করোনা টিকা গোপনে না নিয়ে প্রকাশ্যে নেওয়ার আহবান জানান মাহাবুব উল আলম হানিফ।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে সারারাতই থাকে ছিন্নমূল মানুষের আনাগোনা

মাসুদা লাবনী

মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে সারারাতই থাকে ছিন্নমূল মানুষের আনাগোনা

রাজধানীর মহাখালী বাসস্ট্যান্ড। যেখানে যাত্রী, বাস মালিক, দোকানী থেকে শুরু করে শ্রমিক কিংবা ভিক্ষুকের আনাগোনাই বেশি। দিনভর এমন চিত্র থাকলেও, রাত যতই গভীর হয়, সেখানকার স্বাভাবিক দৃশ্যপটে যোগ হয়, অনেক ছিন্নমূল মানুষ। মধ্য কিংবা গভীর রাতে, যাত্রী সংথ্যা কম থাকলেও, ঢাকায় ফেরা মানুষের তুলনায়, ঘরমুখী মানুষের উপস্থিতিই বেশি।

কেউ কেউ এই বাসস্ট্যান্ডের অস্থায়ী ঘরের স্থায়ী বাসিন্দা। কেননা জাদুর এই শহরে নেই, স্থায়ী বসবাসের ঘর। জীবিকার তাগিদে তাই এমন রাত্রি যাপন। কষ্টকর হলেও প্রিয়জনের জন্য, এই জীবনযাপন অনেকের কাছেই হয়ে গেছে স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন:


২৫শে মার্চের ভয়াবহ সেই রাতের বর্ণনা দিলেন মওদুদ (ভিডিও)

ঢাকা বিএনপি: ব্যর্থতার কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা

পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহীদের জন্য আসছে কঠোর শাস্তি

পরীক্ষার নামে ডাকাতি করছে বেসরকারি হাসপাতাল


রাতে মানুষের আনাগোনা কম থাকলেও, কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ, অনেকেই দিন শেষে  ছোটেন প্রিয়জনের কাছে।

এখানে প্রায় ভোর রাত পযন্ত থাকে, বাড়ি ফেরা মানুষ পদচারণা, আর বৃহস্পতিবার রাতে সেই সংখ্যাটা অন্যান্য রাতের চেয়ে কিছুটা বেশি। ঘড়ির কাটায় সময় গড়িয়ে রাত শেষে প্রায় ভোর হয়, কিন্তু কিছু কর্মজীবী মানুষের কর্মব্যস্ততা, থেকেই যায়, জেগে থেকে সামলান দোকান। কেননা ক্রেতাদের আনাগোনা থেকে যায়।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিএনপি: ব্যর্থতার কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা

মারুফা রহমান

ঢাকা বিএনপি: ব্যর্থতার কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা

ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে ঢাকা মহানগর বিএনপি। নিজেদের এতোদিনকার সাংগঠনিক দুর্লতার কথা স্বীকার করে একথা জানান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগরের নেতা মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিরোধীদলের ওপর যে দমননীতি নিয়েছে, সেটার জন্য বিএনপি প্রস্তুত ছিলোনা। যার কারণেই আন্দোলনে ব্যর্থতা এসেছে।

চৌদ্দবছরের বেশী সরকারের বাইরে থাকা দল বিএনপির, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ নানা ইস্যুতেই রাজপথের আন্দোলনে ব্যার্থতার জন্য প্রথমেই আলোচনায় আসে ঢাকা মহানগর বিএনপির নাম। দীর্ঘদিন মহানগরের দায়িত্বে থাকা বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস জানান, রাজনৈতিক এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলেন না তারা। তবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে বিএনপির কেন্দ্রে থাকা এই অংশ।

আরও পড়ুন:


পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহীদের জন্য আসছে কঠোর শাস্তি

পরীক্ষার নামে ডাকাতি করছে বেসরকারি হাসপাতাল

ইরানবিরোধী থেকে সরে দাঁড়াল ইউরোপ, ইরান আসছেন গ্রোসি

পদত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন ইমরান খান


মির্জা আব্বাস বলেন, ঢাকা মহানগর সব সময় ব্যাপক আন্দোলন করেছে। হয়তোবা সেই আন্দোলনগুলোতে সফলতা খুঁজে পায়নি বিএনপি। তবে আন্দোলন যে হয়নি তা বলা যাবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে দুর্বলতা আসছে এটা অস্বীকার করা যাবে না। দুর্বলতা কাটিয়ে ঢাকা মহানগরী ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

দেশের সমগ্র রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির নীতি-নির্ধারণী ফোরামের এই নেতার মত। সরকারের বাইরে থাকা সবদলমত এক হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে মাঠে নামতে।

মির্জা আব্বাস বলেন, অন্যদের সঙ্গে আমরা কিভাবে লিয়াজু করবো কিভাবে সমন্নয় করবো সেটা নিয়েই চেষ্টা চলছে। আমাদের বাইরে যারা আছে তাদের নিয়ে েএকসঙ্গে এমন কিছু করবো যে এই সরকার বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না।

ঢাকার সাবেক এই মেয়র আরও বলেন, বর্তমান মেয়রদের সাথে বসে, সমাধান করতে চান নগরের সমস্যার।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহীদের জন্য আসছে কঠোর শাস্তি

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহীদের জন্য আসছে কঠোর শাস্তি

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে আওয়ামী লীগ। নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ। বলেন পৌর নির্বাচনে যারা দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্র্রোহী ছিল দলে তাদের কঠোর শাস্তি আওতায় আনা হবে।

সদ্য সমাপ্ত দেশের পাঁচটি ধাপে ২৩০টি পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৮৫টিতে জয়লাভ করে। যেখানে স্বতন্ত্র হিসেব ৩২ জায়গায় বিজয়ী হয়। যার অধিকাংশই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী। যাদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সরকারের প্রতিমন্ত্রী এমপি এমনকি জেলার শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধেও।

যে বা যারা দলের সিদ্বান্তের বাইরের যেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং বিদ্রোহীদের পক্ষে দলের যেসব নেতা কর্মীরা কাজ করেছে তাদের ব্যাপারে কঠোর শাস্তির নেওয়া হবে।

মাহাবুব উল আলম হানিফ বলছেন, দলের বিপক্ষে যারা কাজ করেছে তারা বিনা শাস্তিতে পার পাবে না। তাদের শাস্তি পেতে হবে। আর যারা বিদ্রোহী প্রার্থী তারা কোন দিন মনোনয়ন পাবে না।

আরও পড়ুন:


পরীক্ষার নামে ডাকাতি করছে বেসরকারি হাসপাতাল

ইরানবিরোধী থেকে সরে দাঁড়াল ইউরোপ, ইরান আসছেন গ্রোসি

পদত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন ইমরান খান

আরও কমল স্বর্ণের দাম


আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দলের শৃঙ্খলার ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে দলীয় প্রতীকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বলেন বিগত নির্বাচনে যারা দলের সিদ্বান্ত মানেননি তারা মনোনয়ন পাবেন না।

ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ৩ জন করে প্রার্থীর নাম নেয়া হবে। এরপর যাচাই বাছাই করে সবচেয় জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হবে।

সম্প্রতি বিএনপির ৭ মার্চ পালন নিয়ে হানিফ জানান দীর্ঘদিন পর বিএনপির এমন কর্মকান্ড কূটকৌশলের অংশ। তারা যে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বাস করে যে ৭ মার্চ পালন করছে দেশের মানুষ তা আর বিশ্বাস করে না।

বিএনপি নেতাদের করোনা টিকা গোপনে না নিয়ে প্রকাশ্যে নেওয়ার আহবান জানান মাহাবুব উল আলম হানিফ।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পরীক্ষার নামে ডাকাতি করছে বেসরকারি হাসপাতাল

ফখরুল ইসলাম

পরীক্ষার নামে ডাকাতি করছে বেসরকারি হাসপাতাল

ডায়াবেটিসের এইচবিএ ওয়ান সি টেস্ট সম্পন্ন করতে খরচ মাত্র ২০০ টাকা। এ টেস্টটি প্রাইভেট হাসপাতালে করাতে রোগীকে গুনতে হয় ৫ থেকে ৮ গুণ বেশি হারে, ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা। যদিও সরকারি হাসপাতালে ফি ৩শ টাকা।

৫ থেকে ২৮ গুণ পর্যন্ত বাড়তি ফি গুনতে হয় হেপাটাইটিস পরীক্ষায়ও। খরচ ১০০ টাকা হলেও সব ক্যাটাগরির টেস্ট মিলিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালের ফি ৫শ থেকে ২৮০০ টাকা পর্যন্ত। টেস্ট ফি নির্ধারণে কোনো নিয়ম নীতি না থাকায়, পকেট কাটছে হাসপাতালগুলো। বিপরীতে অসহায় সাধারণ রোগীরা।

দেশে চিকিৎসাখাতের বাড়তি খরচ মানুষকে করে তুলছে আরো দরিদ্র। একজন রোগীকে সাধারণ থেকে কোনো জটিল রোগের চিকিৎসা করাতে পোহাতে হয় নানা সব টেস্টের ধকল। আর প্রাইভেট হাসপাতালে বাড়তি টেস্ট ফি’র বোঝায় দিশেহারা রোগীরা।

টেস্ট করাতে সব হাসপাতালের রিএ্জেন্ট ও প্যাথলজিক্যাল মেশিন একই। দামের ভিন্নতাটা শুধু হাসপাতাল ভেদে। কিন্তু এতেও কি সহনীয় সেই ফি? অনুসন্ধানে দেখা যায়...

এইচবিএ ওয়ান সি ডায়াবেটিসের একটি টেস্টটি করাতে রিএ্যাজেন্ট মিলিয়ে সর্বোচ্চ খরচ ২০০ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ফি ৩শ টাকা হলেও প্রাইভেট মেডিকেলগুলো নিচ্ছে ১ হাজার থেকে ১৫শ টাকা পর্ন্ত। হেপাটাইটিসনহ চার ধরণের রোগের টেস্ট একটি কিটেই খরচ হয় মাত্র ১শ টাকা। অথচ সব টেস্ট মিলিয়ে রোগীদের থেকে প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে ৫শ থেকে ২৮শ টাকা পর্যন্ত। একটি এক্স রে করতে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা খরচ হলেও নিচ্ছে ৪শ থেকে ৫শ টাকা। ব্লাড গ্রুপিংয়ের খরচ ৩০ টাকা। প্রাইভেট হাসপাতাল নিচ্ছে আড়াইশ থেকে ৫শ টাকা। আল্ট্রাসনোগ্রাফি(প্রেগনেন্সি) খরচ ১শ থেকে দেড়শ টাকা। সরকারি হাসপাতালে ২২০ টাকা নিলেও প্রাইভেটে নিচ্ছে ১৩শ থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত। এমন বাড়তি ফির যাঁতাকলে থাকা রোগীরা হয়তো জানেনই না কোন টেস্টের আসল খরচ কতটা।

বলা হয়ে থাকে দেশে প্রাইভেট হাসপাতালগুলোর আয়ের ৮০ ভাগই আসে টেস্ট ফি থেকে। তাই অতি মুনাফাভোগী চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকে মানুষকে বাঁচাতে টেস্ট ফি নীতিমালা প্রণয়নের দাবি বিশ্লেষকদের।

আরও পড়ুন:


ইরানবিরোধী থেকে সরে দাঁড়াল ইউরোপ, ইরান আসছেন গ্রোসি

পদত্যাগের ইঙ্গিত দিলেন ইমরান খান

আরও কমল স্বর্ণের দাম

কুয়েতে করোনারোধে দিনে ১২ ঘন্টার কারফিউ


স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদের সভাপতি ইকবাল আর্সলান বলেন, পরীক্ষা নিরীক্ষার যে দামটা নেয়া হচ্ছে সেটি একেবারেই অযৌক্তিক। ছোট একটি ল্যাবরেটরি থেকে অনেকেই আজ হেলথ ইন্ডাস্ট্রি করে ফেলেছে।

অন্যদিকে ১০ ভাগ গরিব রোগীকে সম্পূর্ণ ফ্রি চিকিৎসা দেয়ার নীতিমালা থাকলেও তা মানছেন না বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেউ কেউ।

ইকবাল আর্সলান আরও বলেন, হাসপাতালগুলোতে ফ্রি বেড থাকবে যেখানে গরীব রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হবে। কিন্তু কোন হাসপাতালই তা মানছে না।

টেস্ট ফি সহনীয় করে হাসপাতালগুলো সঠিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে আনার দাবি সাধারণ মানুষের।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর