মানবিক মূল্যবোধগুলো যেন হারিয়ে না যায়

শরিফুল হাসান

মানবিক মূল্যবোধগুলো যেন হারিয়ে না যায়

রিকশায় করে সকালে অফিসে গিয়েছি। ভাড়া দিতে গিয়ে খেয়াল হলো ভাংতি টাকা নেই। রিকশাওয়ালা ভাইকে বললাম একটু অপেক্ষা করেন দেখি আমার কোন সহকর্মীকে পাওয়া যায় কিনা, অন্যথায় বিকাশে ভাড়া দিতে পারি। 

মধ্যবয়সী রিকশাওয়ালা ভাই হাসিমুখে বললেন বিকাশে পাঠিয়ে দেন। তিনি মোবাইল বের করে বিকাশের একটা নাম্বার বললেন। আমি সেই নম্বরে টাকা পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলাম টাকা পেয়েছেন কিনা। তিনি বলল নম্বরটা বাসায় আছে।‌ না পেলে তিনি জানাবেন। আরও জানালেন আমাকে তিনি চেনেন। মাঝেমধ্যেই আমি নাকি তার রিক্সায় চড়ি। 

আমি হাসি মুখে তাকে বিদায় দিলাম। মনে পড়ল ডেইলি স্টারের গত কালকের নিউজের হেডলাইনটা। ফ্রিডম অ্যাট ইয়োর ফিঙ্গারটিপস। 

আসলেই তাই। এই  যে গত দুই দশকে এত দ্রুত পৃথিবীর বদল, এর আগে কখনো কী এভাবে বদলেছে? এই আমরাই তো টেলিফোন থেকে মোবাইলের যুগ দেখলাম গত ২০ বছরে। এইতো দুই দশক আগেও সবার হাতে হাতে মোবাইল ছিল অকল্পনীয়। 

এরপর যখন দ্রুত সবার হাতে হাতে মোবাইল এলো আমরা তখন মজা করে বলতাম পৃথিবীতে এমন একদিন আসবে যে আমরা সবজিওয়ালাকে মোবাইল ফোনে আসতে বলব। রিকশাকেও। আসলেই দেখেন হচ্ছে ওটাই। 

আমার মনে হয় আগামী এক দশকের মধ্যেই টাকার বদলে লেনদেন হবে ক্যাশলেস। আজ ব্যাংক বলতে যা বুঝি এরকম শতশত ব্রাঞ্চ হয়তো থাকবে না। হয়তো এক মোবাইলেই চলে আসবে সব ডিভাইস। হয়তো এর চেয়েও দ্রুত কোন বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে। কিন্তু বদলে যাওয়া এই পৃথিবীতে মানবিক মূল্যবোধগুলো কতটা থাকবে সেটা নিয়েই আমার যত ভাবনা। 

আচ্ছা আমরা মানবিক থাকব তো? মানবিক সম্পর্কগুলো টিকে থাকবে তো? আমরা কি পরস্পর পরস্পরকে বোঝার চেষ্টা করব? সহকর্মী সহকর্মীকে? স্বামী-স্ত্রী পরস্পরকে? সন্তান কী বাবা-মাকে বুঝবে কিংবা বাবা-মা পুরোপুরি সন্তানকে? 

আমি চাই এই পৃথিবীতে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন যতই হোক না কেন মানবিক মূল্যবোধগুলো যেন হারিয়ে না যায়। সততা মানবিকতা এই বোধগুলো যেন টিকে থাকে। মানুষের মানুষে শ্রদ্ধা ভালোবাসা যেন থাকে। অন্যের হাসি-কান্না, মান-অভিমান দুঃখগুলো যেন আমরা বুঝতে পারি।‌ সেখানে যেন আমরা পরশ বোলানোর চেষ্টা করি। আমরা যেন মনে রাখি, মানবিক মূল্যবোধগুলো না থাকলে মানব জীবনই বৃথা! শুভ রাত্রি সবাইকে।

শরিফুল হাসান, উন্নয়ন কর্মী।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমার অনেক একলা হয়ে যেতে ইচ্ছে করে

জসিম মল্লিক

আমার অনেক একলা হয়ে যেতে ইচ্ছে করে

আমরা প্রায়ই একলা হয়ে যেতে ইচ্ছে করে। একলা বাঁচতে ইচ্ছে করে। বৈষয়িক ভাবনা, ঘরবাড়ি, দালান কোঠা এসব খুব বিষময় মনে হয় আমার কাছে। প্রচুর সম্পদের ভার আমি নিতে পারব না। ডেবিট ক্রেডিটের হিসাব খুব অসহ্য লাগে আমার কাছে। আমি স্বীকার করি যে যে সুন্দরভাবে বাঁচার জন্য অর্থের প্রয়োজন আছে। আবার এটাও ঠিক যখন আমার কিছুই ছিল না তখনও আমি সুন্দরভাবে বেঁচেছিলাম। আনন্দময় ছিল সেই দিনগুলি। 

অনেক কিছু যে নাই সেই বোধটাই তৈরী হয়নি, তাই কিছু খারাপ লাগেনি। অনেক কিছু যে ছিল না তাতে কোনো কষ্ট পাইনি কখনো। ওই সময়ের জন্য ওটাই ছিল স্বাভাবিক। আমার খুব হালকা হয়ে বাঁচতে ইচ্ছে করে। পাখির পালকের মতো হালকা। আগে যেমন বেঁচেছিলাম। নির্ভার একটা জীবন ছিল। উদ্বেগহীন জীবন। ঘুম ভেঙ্গে যেনো কোনো অনাকাঙ্খিত খবর আমাকে বিচলিত না করে। সংসার এমনই যাঁতাকল যে প্রতিদিন কিছু লড়াই থাকে। বাঁচার লড়াই। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সামনে এসে পড়ে। প্রতিপক্ষ তৈরি হয়। 

আমার খুব একলা বাঁচতে ইচ্ছে করে। চারিদিকে সবই থাকবে। সবকিছুর মধ্যে আমি একলা হয়ে যাব। কিন্তু পৃথিবী এতো কোলাহলমুখর যে একলা হয়ে বাঁচা যায় না। এতো স্বার্থের সংঘাত যে নিজের মতো ডুব দিয়ে থাকা যায় না। আমাকে নিয়ে অনেকের অনেক অভিযোগ। স্ত্রীর অভিযোগ, ভাই বোনের অভিযোগ, বন্ধুর অভিযোগ, আত্মীদের অভিযোগ। 

আমি মানি যে আমার অনেক ত্রুটি আছে, সীমাব্ধতা আছে। আমি চাইলেও এসব ত্রুটি কাটিয়ে উঠতে পারব না। আমার অনেক কাছের আত্মীয়রাও আমাকে খারিজ করে দিয়েছে। ডিলিট করে ফেলেছে আমার নাম। যাদের জন্য অনেক করেছি, অনেক মমতা দিয়েছি তারাও আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে।

কেনো গেছে সেই কারন জানা নাই। জানতে পারলে ভাল হতো। কিন্তু জানতে ইচ্ছা করে না। আবার আমাকে ভালবাসে এমন আত্মীয়র সংখ্যাও কম না। আমার খুব একলা বাঁচতে ইচ্ছা করে।


মেসি ঝড়ে বার্সার জয়, অ্যাতলেটিকোর সঙ্গে ব্যবধান কমলো

এবার অনলাইনে প্রতারণার শিকার মিমি চক্রবর্তী

ভালো ছেলে পেলে তৃতীয় বিয়ে করবেন মুনমুন

রবিবার যেসব এলাকা বন্ধ থাকবে


আমাকে নিয়ে কখনো কোনো অভিযোগ করে না আমার ছেলে মেয়ে। ভুল ত্রুটি খুঁজে বেড়ায় না। আমার সবকিছুতে ওদের সায় আছে। কখনো কোনো অবান্তর প্রশ্ন করেনা আমাকে। আমার ব্যর্থতা নিয়ে কোনো কথা বলে না। কোনোদিন কোনো কিছুর জন্য জোর করেনি যা আমি করতে পারব না। কোনো রাগ অভিমান করে থাকেনি। বরং আমি রাগ করে আমিই সরি বলেছি অনেকদিন। 

আমি যে লিখি তাতে ওরা প্রাউড ফীল করে। আমি যে দেশে যাই তাতেও সবসময় সম্মতি থাকে। ওদের বক্তব্য হচ্ছে বাবার যা ভাল লাগে তাই করবে। ওরাই আমার শক্তির জায়গা। সবসময় সমর্থন থাকে বাবার পক্ষে। কোনো কিছু না চাইতেই বাবার জন্য করতে চায়। তাই ওদেরকে কিছু বলা থেকে বিরত থাকি আমি।

আমি সবসময় অকপটে ওদের কাছে আমার জীবনের গল্পগুলো বলি। আমার না পাওয়া গল্প, বেদনার গল্প বলি। কিন্তু এমনভাবে বলি যেনো ওটাই বিরাট আনন্দের কিছু ছিল। যেনো কোনো বিষাদ ভর না করে ওদের মনে। কাউকে বিষাদ দিতে চাই না।

আমার অনেক একলা বাঁচতে ইচ্ছা করে। একলা হয়ে যেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু কিভাবে একলা হতে হয় তাই জানি না। চারিদিকের  নানা ঘটনা অষ্ঠে পৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে তাই একলা হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। মায়া জিনিসটা খুব খারাপ, খু্ব পোড়ায়। মায়া কিছুতে ছাড়ে না। 

সন্তানের জন্য মায়া, স্ত্রীর জন্য মায়া, ভাই বোন, আত্মীয়, বন্ধুর জন্য মায়া। তাই আর একলা হওয়া হয়ে ওঠেনা। এই যে বেঁচে আছি,, এই যে দীর্ঘ ঘরবন্দী জীবন, এই যে বস্তুগত জীবন তার মধ্যেও নিজেকে খুব একলা মনে হয়। সেদিন গাড়িতে যেতে যেতে অরিত্রিকে বললাম, আমার কোথাও চলে যেতে ইচ্ছা করে।

অরিত্রি কথাটার অর্ন্তনিহিত অর্থটা বুঝতে পরেনি। মনে করেছে আমি কোথাও ঘুরতে যেতে চাই বা দেশে যেতে চাই। অরিত্রি বলল, তাহলে বাংলাদেশে যাও। হ্যাঁ যাব। ভ্যাকসিন নিয়েই যাও, ঘুরে আসো। কিন্তু অরিত্রিকে তো আর বলা যায় না যে আমি একলা বাঁচতে চাই। এসব শুধু কল্পনায়ই থেকে যায়।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সকলের জন্য শ্রবণশক্তির যত্ন

সাদিয়া তাজ ঐশী

সকলের জন্য শ্রবণশক্তির যত্ন

যোগাযোগ একটি মানবাধিকার এবং এটি সামাজিক সম্পর্কের অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। শ্রবণশক্তি ভালো যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। শিশুদের জধ্যে শ্রবণশক্তি বিকশিত না হলে তারা অনেক সময় পরিপূর্ণভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না, যোগাযোগ ক্ষমতা ব্যাহত হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ২০৫০ সাল নাগাদ প্রতি চারজনে একজন শবণশক্তির ঘাটতিতে আক্রান্ত হবে। প্রতি বছর ৩ মার্চ বিশ্ব শ্রবণ দিবস পালিত হয়। ২০২১ সালের প্রতিপাদ্য ‌সকলের জন্য শ্রবণশক্তি শ্রবণ যন্ত্রের পরীক্ষাকরণ- পুনবাসন- যোগাযোগ।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


প্রবৃত্ত এবং অধির ফাউন্ডেশনের যৌথ প্রযোজনায় শব্দ দূষণ এবং শ্রবণ ক্ষমতার ঘাটতি এর উপর একটি ফিজিক্যাল সেমিনার সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে শ্রবণশক্তির প্রতি কীভাবে যত্ন নেওয়া যায়, কীভাবে দূষণ প্রবণের ক্ষতিসাধন করে এসবই আলোচনা করা হয়। উক্ত সভাটি পরিচালনা করেন প্রবৃত্তির সভাপতি মুবাশশিরা বিনতে মাহবুব এবং এডমিন ও এইচআর লাবিবা মোর্শেদ।

এছাড়াও প্রবৃত্ত এবং অধীর ফাউন্ডেশন সম্মিলিতভাবে যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ওয়েবিনার এর আয়োজন করে, এতে জনস্বাস্থ্য বিশেজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শ্রবণ শক্তি বাংলাদেশ বধিরতার সামগ্রিক অবস্থা শ্রবণশক্তির সহায়ক যন্ত্র ও যন্ত্রের ব্যাপারে কথা বলেন। অডিয়েন্স থেকে প্রশ্নোত্তর এর একটি সেশন ছিলো যেখানে অতিথিরা উত্তর প্রদান করেন।

ওয়েবিনার এ শবণক্ষতির প্রতিরোধযোগ্য পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের সচেতনতা তৈরির জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়ে থাকে।

সাদিয়া তাজ ঐশী, রিক্টর অফ পাবলিকেশন

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যারা মনে করেন মুশতাক মারা গেছেন কিশোর বেঁচে ফিরেছেন- তাঁরা ভুল

আরিফ জেবতিক

যারা মনে করেন মুশতাক মারা গেছেন কিশোর বেঁচে ফিরেছেন- তাঁরা ভুল

কিশোরকে আমি চিনতাম অতল প্রাণোচ্ছল একজন দুর্দান্ত সাহসী মানুষ হিসেবে। খানিকটা খ্যাপা, কিন্তু আপাদমস্তক একজন ভালো মানুষ। তাঁরা দুই ভাইই মেধাবী মানুষ, এরা সরকারি ঊর্দির চাকরি কিংবা বুয়েটের পড়াশোনার পর্ব চুকিয়ে ছন্নছাড়া এক সাহসী জীবন-যাপন করে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


কিশোরের এই ছবি দেখে আমি চমকে গেছি। যারা মনে করেন মুশতাক মারা গেছেন আর কিশোর বেঁচে ফিরেছে- তাঁরা ভুল ভাবছেন।

কিশোরের ভেতরটাকে মেরে ফেলেছে সরকার, যা ফেরত দিয়েছে সেটা এক জীর্ণ লাশ মাত্র।

তবে শীতের শেষে বসন্ত এলে, এই কিশোরের জীর্ণ আঙুলে আবারও বিদ্রুপের ফুল ফুটবে, এই দৃঢ় বিশ্বাস আমার আছে। 
ভালো থাকুন কিশোর।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিসিএস এর প্রশ্নে নকলের অভিযোগ

আব্দুন নুর তুষার

বিসিএস এর প্রশ্নে নকলের অভিযোগ

৪২ তম বিসিএসের প্যাথলজি অংশের ২৫ টি প্রশ্নের মধ্যে ১৮ টি একই বই থেকে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আব্দুন নুর তুষার। নিজের ফেইসবুক পেইজে তিনি এই অভিযোগ করেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবহু পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


৪২তম বিসিএস এর মেডিকেল অংশে প‍্যাথলজির ২৫ টা প্রশ্নের ১৮ টি একটি এমসিকিউ বই থেকে হুবহু তুলে দেওয়া।
Smiddy Pathology Question bank বের করে নিচের পেইজগুলো খুলে দেখতে পারেন!!
নকল করতে গিয়েও বানান ভুল!!
control কে লিখেছে cortisol!!!
আমার বহু বন্ধু শিক্ষক। অনেকেই প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করেন। এক জায়গা থেকে ১৮ টা প্রশ্ন টুকলি করাকে কি মডারেশন বলে? কেউ কি বলতে পারেন?
শুধু অযোগ্যতা না। এটা পরীক্ষা ও পরীক্ষার্থীদের মেধার অপমান।
smiddy
3 page  24.7
10 page 7.35
18 page 17.28
21 page 2.11
21 page 19.2
24 page 21.7
30 page 3.7
34 page 17.10
35 page 24.5
36 page 2.6
45 page 22.3
47 page 5.2
52 page 22.9
57 page 12.10
120page 7.3
203 page 14.10
245 page 17.27
301 page 24.7
মিলিয়ে দেখেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বাচ্চাকে কী শেখাব, বুঝি না

কাজী তাহমিনা

বাচ্চাকে কী শেখাব, বুঝি না

ভালো মানুষ, সৎ মানুষ হয়ে এই দেশে থাকতে হলে সারাজীবন স্রোতের বিপরীতে চলতে হবে, মাঝেমাঝে চোর বাটপার ঘুষখোর লুটপাটকারী পাচারকারী ভোটচোরদের রমরমা অবস্থা দেখে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না, বড়জোর ‌‘বাজারে মুরগির দাম, তেলের দাম বাড়ছে’ জাতীয় মিনমিনে প্রতিবাদ করতে হবে।

কোটি কোটি জিপিএ ফাইভের ভিড়ে পড়াশোনা হারিয়ে যাবে।


আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, ধরা ২০ নারী

চুমু দিয়ে নারীদের সব রোগ সারিয়ে দেন ‘চুমুবাবা’

বুবলিকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি ছিল ব্ল্যাক পেপারে মোড়ানো, ছিল না নম্বর প্লেট

অস্ত্রের মুখে ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের পর দফায় দফায় ধর্ষণ


 

দূষিত বাতাস আর ভেজাল খাবার খেয়ে খেয়ে অর্ধমৃত অবস্থায় বাঁচতে হবে। আবার যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাটপারি শেখাবো যে সে এলেমও নাই। এরকম একটা ত্রিশঙ্কু অবস্থায় আছি।

কী শেখাব খুঁজে না পেয়ে, বড়টাকে বললাম, ১৫ টা বাংলা গল্পের বই আর ৫ টা ইংরেজি গল্পের বই (ছোট) পড়ে শেষ করতে পারলে সেপ্টেম্বর মাসে জন্মদিনে সে তার পছন্দমতো খেলনা ( রঙবেরঙ এর স্লাইম) আর উকুলেলে উপহার পাবে। এখন সকাল-বিকেল ‘মজার ভূত’ নিয়ে পড়ে আছে।

কাজী তাহমিনা, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। (ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর