এক কড়াইতে ৪ হাজার মানুষের খাবার রান্না
এক কড়াইতে ৪ হাজার মানুষের খাবার রান্না

এক কড়াইতে ৪ হাজার মানুষের খাবার রান্না

অনলাইন ডেস্ক

৮ দশমিক ৬ ফুট ব্যাসের এ কড়াইটির ওজন এক টন। এতে এক হাজার কেজির বেশি রান্না করা সম্ভব। কড়াইটিতে রান্নার সময় খাবার নাড়ার জন্য চুলার চারপাশে পাকা টুল তৈরি করা হয়েছে। চারটি গ্যাসের চুলার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এর চুলা।

এটি তৈরিতে খরচ হয়েছে দুই লাখ টাকা।  

যে কড়াইটির কথা বলা হচ্ছে তা মূলত বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের মেগা কিচেনের কথা। এই কিচেনের আয়তন তিন হাজার বর্গফুটেরও বেশি। ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক স্থানীয় প্রিন্টিং ব্যবসায়ী এমদাদুল হক অনুদান হিসেবে দিয়েছেন জায়গাটি। আর এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কিশোর কুমার দাস।

স্বেচ্ছাসেবকদের মতে এটিই হয়তো বিশ্বের বড় কড়াই। এতে চার হাজার মানুষের রান্না করা সম্ভব। কিন্তু এ পর্যন্ত দেড় হাজার মানুষের রান্না করা হয়েছে। রান্না শুরু ও শেষে এর ধোয়ার কাজও বেশ কঠিন। একজন ব্যক্তিকে কড়াইয়ের ভেতরে গিয়ে পরিষ্কার করতে হয় তা। কড়াই থেকে বের হলে বাঁশে কাপড় পেঁচিয়ে ফের ধোয়া শুরু হয়।

গত ১৩ জানুয়ারি রাজধানী ঢাকার কেরাণীগঞ্জে রান্না শুরু হয়েছে এ কড়াইতে। কড়াইর পাশে বড় করে লেখা রয়েছে, ‘সেরা সম্পর্কগুলো খাবার শেয়ার থেকে সৃষ্টি হয়’। এখানে মূলত এক টাকায় আহার প্রকল্পের ছিন্নমূল পথশিশু ও নিম্নআয়ের ভাসমান মানুষদের জন্য খাবার রান্না হয়।

আরও পড়ুন: 


বাজেট নিয়ে এখনই ভাবছে সরকার!

নিউজিল্যান্ড সফরে অনিশ্চিত সাকিব

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু বেড়েছে

যে দেশে বাড়ছে মুসলিমদের সংখ্যা!


কিশোর কুমার দাস বিশাল এই কড়াই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, দেশের বাইরের মেগা কিচেন ও বিভিন্ন আশ্রমের বড় কড়াই থেকেই এই ধারণা নেয়া। এর আগে এক হাজার মানুষের রান্নার জন্য ছয় থেকে সাতটি চুলার প্রয়োজন হতো। এতে গ্যাস ও জনবল অনেক বেশি লাগত। আর এখন মাত্র চার পাঁচজনে তিন চার ঘণ্টায় রান্না শেষ করতে পারি। সাধারণত বিদেশ থেকেই সবাই এসব বড় কড়াই এনে থাকে।  

কিন্তু আমি দেশের একজন কারিগরকে অনেক কষ্টে রাজি করাই। তিনি পরে এটি করবে না বলে কান্নাও করেছিলেন। কয়েকবার ওই কারিগরের মেশিনও ভেঙে গিয়েছে। তবে এখন এই কড়াইয়ের জন্য তিনিই সব থেকে বেশি খুশি।  

news24bd.tv / কামরুল