সুন্দরী কচি বউ পেয়ে চোখ কপালে উঠেছিল?

আমিনুল ইসলাম

সুন্দরী কচি বউ পেয়ে চোখ কপালে উঠেছিল?

আমিনুল ইসলাম

এক মেয়ে'কে জোর করে বিয়ে দেয়া হয়েছে। মেয়ে ঢাকার একটা নামকরা কলেজের ছাত্রী। সচ্ছল পরিবার। মেয়ের বাবা-মা এক পুলিশ অফিসারের কাছে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে। 

এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী মেয়ের বয়েস ১৮ হয়নি। এই জন্য বাবা-মা মেয়েটির বয়সও পরিবর্তন করে ১৮ করেছে! 

জোর করে বিয়ে দেয়ার পর এখন মেয়েটি বলছে- সে এই বিয়ে মানে না! তার এখনও বয়েস ১৮ হয়নি। তার বাবা-মা তাকে জোর করে বিয়ে দিয়েছে! 

শেষমেশ পুলিশ, মেয়ের বাবা-মা, মানবাধিকার কর্মী আর মেয়ে সবাই থানায় হাজির হয়েছে মীমাংসা করার জন্য। 

তো, সেদিন'ই মেয়েটির ডিভোর্স হয়েছে! 
তার জামাই, মানে ওই পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে 
-আপনি এই মেয়েকে কেন বিয়ে করলেন? 
-আমি তো এইসবের কিছুই জানতাম না। আমাকে তো বলা হয়েছে মেয়ের বয়েস ১৮ হয়েছে। 

মেয়ের বাবা'কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে
-আপনি তাকে কেন বিয়ে দিলেন?

উত্তরে মেয়ের বাবা বলেছে 
- মেয়ে দেখতে সুন্দর। চারদিকে মানুষ ডিস্টার্ব করে। নানান হুমকি আছে!  এই জন্য বিয়ে দিয়েছি। 

এদিকে মেয়ে বলেছে 
- আমি পড়াশুনা শেষ করতে চাই। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। আমার বাবা আমাকে জোর করে বিয়ে দিয়েছে। আমি এই বিয়ে মানি না! 

যা হোক, ডিভোর্স হওার পর মেয়ের বাবা-মা বলেছে 
- আমরা এই মেয়েকে ঘরে নেব না। সে আমাদের মান-সম্মান সব ডুবিয়েছে! 
আমার এই লেখার অবতারণা মেয়েটির বাবা-মা'র এই মন্তব্য থেকে। 
আপনারা কতো গুলো অন্যায় করেছেন জানেন? 
- মেয়ের বয়েস বিয়ের জন্য বাড়িয়েছেন! 
-মেয়ে সুন্দর বলে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন! 
আচ্ছা মেনে নিলাম- আপনাদের মেয়ে আপনারা বিয়ে দিতেই পারেন। 
- তো, মেয়ের মতের বাইরে গিয়ে কি করে বিয়ে দিলেন? 

আপনাদের হিসেব অনুযায়ী মেয়েটির যদি ১৮ বছর হয়েই থাকে, তাহলে তো আপনারা মেয়ের অমতে বিয়ে দিয়ে মহা অন্যায় করেছেন! সেটি কি আপনারা বুঝতে পারছেন? এই জন্য তো উল্টো আপনাদের জেল হাজতে থাকা উচিত! 

সেটি না করে আপনারা কিনা মেয়েটিকে পুলিশ হেফাজতে রেখে চলে গিয়েছেন! মেয়েটা আছে ভিক্টিম সেন্টারে! 

এতো গুলো অন্যায় করার পরও আপনাদের মান-সম্মান যাচ্ছে না। তো, মান-সম্মানটা কখন গেলো আপনাদের? 
যখন মেয়েটি নিজ মুখে বলেছে- সে এই বিয়ে মানে না। সে পড়াশুনা করতে চায়। নিজের পায়ে দাঁড়াতে চায়। 

আপনাদের তো উচিত ছিল নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে মেয়েটাকে সম্মানের সাথে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া। সেটা না করে কিনা আপনাদের মনে হচ্ছে - মেয়েটা আপনাদের মান সম্মান সব ধ্বংস করে দিয়েছে! 

এটা কেমন সমাজ? 
একটা মেয়েকে জোর করে বিয়ে দিয়ে দিলে কোন সমস্যা নাই। কম বয়েসে বিয়ে দিয়ে দিলেও সমস্যা নেই। 
সেই মেয়েটা যখন মাথা তুলে বলে বসে- আমি এই বিয়ে মানি না। তখন আপনাদের সম্মান চলে যায়! 
নাকি পুলিশ অফিসার জামাই পেয়ে সব ভুলতে বসেছিলেন? 
আর ওই পুলিশ অফিসার জামাই? 
কি চমৎকার ব্যাপার! 
আপনি কিছুই জানতেন না! 

উইন্ডিজদের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

সুন্দরবনে নিখোঁজ তিনজনের মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার

আচ্ছা মেনে নিলাম- মেয়ের পরিবার আপনাকে কিছুই জানায়নি। কিন্তু আপনি কি জানতেন না- মেয়েটি এইচএসসি'তে পড়ে?
এইচএসসি'তে পড়ুয়া একটা মেয়ের বয়েস আর কতো হতে পারে? এটা তো সবার'ই জানা! 
নাকি সুন্দরী কচি বউ পেয়ে চোখ কপালে উঠেছিল? 

পুলিশ অফিসার জামাই পেয়ে মেয়ের অমতে জোর করে বিয়ে দিলে এই সমাজে মান-সম্মান যায় না। 

সুন্দর কচি বউ পেয়ে ইন্টারমিডিয়েটে পড়ুয়া একটা মেয়েকে দিব্যি বিয়ে করে ফেললেও এই সমাজে সম্মান যায় না। সম্মান চলে যায় যখন মেয়েটা বলে বসে- আমি এই বিয়ে মানি না।

আমিনুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, অস্ট্রিয়া।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নারীর অগ্রযাত্রার সংগ্রামে মিডিয়ার ভূমিকা অপরিসীম

নাজনীন আহমেদ, অর্থনীতিবিদ

নারীর অগ্রযাত্রার সংগ্রামে মিডিয়ার ভূমিকা অপরিসীম

গতকাল সময় পাইনি তাই আজকে লিখলাম। সপ্তাহ পেরুলেই যখন নারী দিবস, যখন নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে, নারীর অগ্রগতির চ্যালেঞ্জ গুলো নিয়ে চুলচেরা আলোচনা করব আমরা, ঠিক তখনই জাতীয় কোনো বড় দৈনিকে যখন পুরো একটি ক্রোড়পত্রের শিরোনাম হয় "কালো তবু সুন্দর", তখন প্রশ্ন জাগে, কোন ঢাল তলোয়ার নিয়ে নারীর অগ্রযাত্রা লড়াই করছি আমরা?


কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে সমর্থন তুরস্কের, ভারতের ক্ষোভ

আবারও ইকো ট্রেন চলবে ইরান-তুরস্ক-পাকিস্তানে

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বিজিবির অভিযান, বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার

দেনমোহর পরিশোধ না করে স্ত্রীকে স্পর্শ করা যাবে কি না?


হয়তো ওই রিপোর্ট এর উদ্দেশ্য ছিল নারীর চলার পথের সামাজিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে পর্যালোচনা। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে যে শিরোনাম ব্যবহৃত হলো তার মধ্যেই প্রোত্থিত আছে নারীর অবমাননা। নারীর অগ্রযাত্রার সংগ্রামে মিডিয়ার ভূমিকা অপরিসীম । তাই এক্ষেত্রে যারা অগ্রবর্তী এবং শক্তিশালী তাদের কাছ থেকে আরও দায়িত্বশীলতা আশা করি।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এনেসথেসিয়া ব্যাপারটা কবিতার মতো রোমান্টিক!

জসিম মল্লিক

এনেসথেসিয়া ব্যাপারটা কবিতার মতো রোমান্টিক!

আমার যখন ২৮ বছর বয়স তখন আমার একটা বড় ধরণের সার্জারি হয়েছিল। সেটা ১৯৯১ সাল। সার্জারি করতে হলে যে এনেসথেসিয়া দিতে হয় বিষয়টা আমার ভাল জানা ছিল না। এনেসথেসিয়া মানে যে চেতনাহীন করা তাও জানা ছিল না। এমনকি চেতনা যে ফিরে নাও আসতে সে তথ্যও আমার জানা ছিল না। এসব বিষয় আমি অনেক পরে জেনেছি। সেটা ছিল আমার প্রথম অভিজ্ঞতা। 

আমার ডাক্তার একদিন বললেন, জসিম তোমার লাম্বার ওয়ান এবং টুর মধ্যে সমস্যা আছে। ফ্লুইড জমেছে। তাই তোমার পেইন হচ্ছে। অপারেশন লাগবে। তুমি কি অপারেশন করতে চাও? 

আমি প্রফেসর রশীদ উদ্দীনকে বললাম, স্যার একশবার করতে চাই। হাজার বার করতে চাই। তিনি পাগলা কিসিমের হলেও দেশের শ্রেষ্ঠ নিউরোলোজিষ্ট তখন। যথেষ্ট গুরুগম্ভীর মানুষ হলেও তিনি হেসে বললেন,  একবার করলেই তুমি ভাল হবা। যাও হাসপাতালে ভর্তি হও।

আমি তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি হলাম। আমার কেবিনে অন্য একজন বয়ষ্ক রোগি ছিলেন। তার আ্ত্মীয় স্বজন আসে তাকে দেখতে। আমি তাদের সুযোগ দিতে তেমন একটা কেবিনে থাকি না। হাজিরা দিয়েই অফিসে চলে যাই। কবে অপারেশনের ডেট পাব জানি না। কারন ডাক্তার সাব গেছেন ইরান টেনিস দলের সাথে। 

তিনি তখন টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি। ফিরতে একমাস। চেষ্টা তদবির করে যেমন হাসপাতালে কেবিন পেয়েছিলাম তেমনি একদিন একই পদ্ধতিতে অপারেশনের ডেট পেলাম। বীর মুক্তিযোদ্ধা কাদের সিদ্দিকীও তদবির করেছিলেন। তিনি তখন পিজি হাসাপাতালে প্রিজন সেলে ছিলেন। আমি একদিন দেখা করে এসেছি। তিনি জেনেছেন যে আমি অপারেশনের ডেটের জন্য অপেক্ষা করছি। আমি বিচিত্রার মানুষ জেনেই তিনি আমাকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

৩০ জুন সকাল দশটা। আজকে অপারেশন। সবাই হাসপাতালে উপস্থিত। সবাই বলতে আমার স্ত্রী আর শাশুড়ি। অপরেশন থিয়েটার সম্ভবতঃ আট তলায়। এখন আর মনে নেই। বহুবছর আগের কথা। আমি ছিলাম তিল তলায় কেবিনে। আমি হাসিমুখে অপারেশন থিয়েটারেৱ দিকে হেঁটে যাচ্ছি। মনের মধ্যে গভীর আনন্দ। 


মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে পরিবহন বন্ধ রাখায় বিচ্ছিন্ন রাজশাহী

শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. হানিফ আর নেই

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন


আহা কি দারুণ ব্যপার। অপারেশনের পরই আমি ভাল হয়ে যাব। আমার আর ব্যাকপেইন থাকবে না। এই আনন্দে আমি পারিপার্শ্ব ভুলে গেলাম। একবার যদি পিছনে তাকাতাম তাহলে হয়ত দেখতাম ওড়নার আঁচলে মুখ চাপা দিয়ে আছে আমার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী। আমার চলে যাওয়া দেখছে। হয়ত ভাবছে আর কি ফিরবে! 

আমি একদল ডাক্তার আর নার্সদের সামনে দিব্যি বেডে শুয়ে পরলাম। তারপর আমার নাকে মুখে এনেথেসিয়ার পাইপ লাগানো হলো। মাত্র তিন কি চার সেকেন্ডের ব্যাপার। কিন্তু ওই সময়টুকুই ছিল আমার কাছে দারুণ সুখকর। গভীর এক ঘুমের রাজ্যে আমি তলিয়ে যাচ্ছি, যাচ্ছি, যাচ্ছি। এনেসথেসিয়া ব্যাপারটা যে এতো রোমান্টিক কে জানত! কবিতার মতো।

কিন্তু সমস্যা দেখা দিল যখন এনেসথেসিয়া থেকে ফিরে আসতে শুরু করলাম তখন। রোমান্টিকতা আর থাকল না। চেতনা ফিরে আসতেই গলা কাটা গরুর মতো তীব্র এক যন্ত্রণায় ঝটফট করতে লাগলাম। এমনকি জেসমিনকেও চিনতে পারছিলাম না। আজকাল ব্যাপারটা অনেক আরমাদায়ক হয়ে গেছে। কানাডায় একবার আমি ফুল, দুইবার হাফ(লোকাল) এনেসথেসিয়া করেছি। তেমন কিছুই টের পাইনি।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডায় ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে সেরাম ইন্সটিটিউট

শওগাত আলী সাগর

কানাডায় ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে সেরাম ইন্সটিটিউট

ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট কোভিডের ভ্যাকসিন সরবরাহের ক্ষেত্রে স্থানীয় (হোষ্ট কান্ট্রি) কোনো ওষুধ কোম্পানির সাথে পার্টনারশিপ করে নেয়। কানাডায় অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য মিসিসাওগার ভ্যারিটি ফার্মাসিউটিক্যালসের সাথে পার্টনারশিপ করেছে সেরাম। এই সপ্তাহে সেরামের পক্ষে ভ্যারিটি ফার্মা ৫০০ হাজার ডোজ অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন কানাডা সরকারের হাতে তুলে দেবে।

কানাডা ২৪ মিলিয়ন ডোজ অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন সংগ্রহ করবে। তার মধ্যে ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে নিচ্ছে মাত্র ২ মিলিয়ন ডোজ। বাকিগুলো আসবে যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাব থেকে। সেগুলো সরবরাহ করবে অ্যাস্ট্রেজেনকা কানাডা। 

কানাডায় ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য বেসরকারিখাতের কোম্পানি ভ্যারিটি ফার্মার সাথে চুক্তি করে সেরাম। সেরামের হয়ে ভ্যারিটি ফার্মা কানাডায় সেরামের তৈরি ভ্যাকসিনের অনুমোদনের জন্য হেলথ কানাডার কাছে আবেদন করে। এর আগে একই ভ্যাকসিনের অনুমোদনের জন্য অ্যাস্ট্রেজেনকা আবেদন করেছিলো।


মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে পরিবহন বন্ধ রাখায় বিচ্ছিন্ন রাজশাহী

শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো. হানিফ আর নেই

নামাজের পূর্বের ৭টি ফরজ কাজ সম্পর্কে জানুন


হেলথ কানাডা মূলত অ্যাস্ট্রেজেনকার আবেদনটি পর্যালোচনা করে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেয়। একই রকম বিবেচনায় ভ্যারিটি/সেরামের আবেদনটিকেও অনুমোদন করে কানাডা।

ভারতের পুণে থেকে ভ্যাকসিন আমদানি করা, কানাডায় স্টোরেজ, সরকারকে পৌঁছে দেয়াসহ সেরামের হয়ে সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করার দায়িত্ব ভ্যারিটি ফার্মার। বাংলাদেশের যে কাজটি করছে বেক্সিমকো ফার্মা।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি এলো কোত্থেকে?

অনলাইন ডেস্ক

কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি এলো কোত্থেকে?

অনেক দিন পর সামিয়া রহমান সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। তার বক্তব্যের একটি পয়েন্টের প্রতি আমার প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সামিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ভিত্তি ছিলো ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেসের লিখিত অভিযোগ। সামিয়ার দাবি শিকাগো জার্নালের এডিটর তাঁকে বলেছেন- তারা এই ধরনের কোনো চিঠি পাঠাননি। তা হলে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেসের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠিটি এলো কোত্থেকে? এ বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া দরকার।

আরও পড়ুনঃ


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

পরবর্তী নির্বাচনে আবারও অংশ নিবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সমঝোতা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হতাশ যুক্তরাষ্ট্র

খাশোগি হত্যাকান্ড: রহস্যজনকভাবে বদলে গেল প্রতিবেদনে অভিযুক্তের নাম


বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া শাস্তি মাথায় নিয়ে সামিয়া সংবাদ সম্মেলন করেছেন। নতুন করে কোন ভুল বা মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের পরিণতি সম্পর্কে তিনি জানেন। সামিয়া সঠিক বলে থাকলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে কি সত্যিই শিকাগো ইউনিভার্সিটির কোনো চিঠি ছিলো? থেকে থাকলে সেটি সত্যি শিকাগো ইউনিভার্সিটির পাঠানো কীনা সে ব্যাপারে কি বিশ্ববিদ্যালয় কোনো খোঁজ খবর করেছিলো?

শিকাগো জার্নালের চিঠিটির অস্তিত্ব সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করা দরকার।

(ফেসবুক থেকে)

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সাতচল্লিশ বায়ান্ন একাত্তরের সাক্ষী তিনি

শরিফুল হাসান

সাতচল্লিশ বায়ান্ন একাত্তরের সাক্ষী তিনি

শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর স্ত্রী লিলি চৌধুরী আর নেই। তিনি আজ সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বনানীর বাসভবনে শেষ নিঃশাস ত্যাগ করেন। তিনি আমার খুব পছন্দের মানুষদের একজন Asif Munier ভাইয়ের মা। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে বেতার, মঞ্চ ও টেলিভিশনে কাজ করেছেন লিলি চৌধুরী।

সাতচল্লিশ, বায়ান্ন, একাত্তরের মতো ঐতিহাসিক সময়ের সাক্ষী তিনি। বেশ কয়েকবার বাসায় যাওয়ার সুবাদে আমি লিলি চৌধুরীর জীবন সংগ্রামের গল্প শুনেছি আসিফ ভাইয়ের মুখে।

লিলি চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে মুনীর চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয়। ওই সময়ে তারা দুজন পরস্পর পরস্পরকে ডাইরি লিখতেন। ২০১৫ সালে ডায়েরিগুলো প্রথমা প্রকাশন থেকে দিনপঞ্জি মনপঞ্জি ডাকঘর নামে প্রকাশিত হয়েছে। কেউ চাইলে পড়তে পারেন। ঐতিহাসিক এক সময়ের অসাধারণ বর্ণনা।‌


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

মোবাইলে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী

নোয়াখালীতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা: স্বামী আটক


পাকিস্তান সরকার প্রায়ই মুনীর চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করত। ১৯৪৯-এর ৩০ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেন তাঁরা। এর কিছুদিন পর ১৯৫২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি আবার গ্রেপ্তার হন মুনীর চৌধুরী। তখন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মুনীর চৌধুরী মুক্তি পান ১৯৫৪ সালে। এই কারাবাসে থাকাকালীন তিনি কবর নাটকটি রচনা করেন।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনী মুনীর চৌধুরীকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। একাত্তরের পরে কঠিন সংগ্রাম করতে হয়েছে লিলি চৌধুরীকে। সন্তানদের বড় করতে বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করেছেন।

মুনীর চৌধুরী ও লিলি চৌধুরী দম্পত্তির তিন ছেলে। ‌এর মধ্যে আশফাক মুনীর যিনি মিশুক মুনীর নামে পরিচিত ছিলেন দারুন প্রতিভাবান এই মানুষটি সড়ক দুর্ঘটনায় তারেক মাসুদের সাথে মারা গেছেন।‌ বাকি দুই ছেলে আহমেদ মুনীর ও আসিফ মুনীর। এরমধ্যে আসিফ মনির ভাইয়ের সাথে আমার প্রায় দেড় যুগের ঘনিষ্ঠতা। অভিনেত্রী ফেরদৌসী মজুমদার মুনীর চৌধুরীর বোন এবং লেখক কবীর চৌধুরী তাঁর ভাই। এই বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, এই দেশের সাহিত্য সংস্কৃতি সবকিছুতে এই পরিবারটির অসামান্য অবদান রয়েছে। আল্লাহতালা লিলি চৌধুরীকে জান্নাতবাসী করুন। আল আসিফ ভাই সহ সবাইকে শোক সইবার শক্তি দিক।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর