৬৬১৮৯ গৃহহীন পরিবারকে ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

 ৬৬১৮৯ গৃহহীন পরিবারকে ঘর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মধ্যে ঘর বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং দেশের ৪৯২ উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হন। খবর ইউএনবির

'মুজিববর্ষ' উপলক্ষে সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ঘর সরবরাহের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ১ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৬ হাজার ১৮৯টি বাড়ি নির্মাণ করেছে সরকার। এটি এমন এক পদক্ষেপ যা প্রথমবারের মতো দেখল বিশ্ব।

বাড়িগুলোর প্রতিটি ইউনিটে দুটি কক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট এবং বারান্দা রয়েছে, যা নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আগামী মাসে দরিদ্রদের মাঝে আরও এক লাখ বাড়ি বিতরণ করা হবে।

শনিবার বাড়ির পাশাপাশি ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের প্রত্যেকের কাছেই হস্তান্তর করা হয়েছে তাদের বাড়ির জমির মালিকানার দলিলও। বাড়ির সবগুলোই নির্মিত হয়েছে সরকারি খাস জমিতে।

পাশাপাশি, মুজিববর্ষের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে ২১ জেলার ৩৬ উপজেলায় ৪৪টি প্রকল্পের আওতায় ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণ করে ৩৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হবে।

আরও পড়ুন:


ক্যাটারিং ও ফটোগ্রাফি ব্যবসায়ও করোনার হানা

বান্ধবীদের কাছেই পিকে হালদারের ৮৬৭ কোটি টাকা

ডাবল মাস্কের প্রয়োজন কতোটা?

বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোটরবাইক


২০২০ সালে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারের তালিকা তৈরি করা হয়। যার মধ্যে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার এবং ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি পরিবার রয়েছে, যাদের ১ থেকে ১০ শতক জমি আছে কিন্তু আবাসন ব্যবস্থা নেই।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ১৯৯৭ থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে।

আশ্রায়ণ-২ প্রকল্পের সময়কাল জুলাই ২০১০ থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে ৪৮৪০.২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন ও বাস্তুচ্যুত পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এই প্রকল্প জুলাই ২০১০ থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত সারা দেশে ১ লাখ ৯২ হাজার ২৭৭টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসিত করেছে।

এ ছাড়া মোট ৪৮ হাজার ৫০০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসিত করা হয়েছে এবং ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৭টি পরিবার যাদের নিজস্ব জমি রয়েছে (১ থেকে ১০ শতাংশ) কিন্তু বাড়ি নির্মাণের সামর্থ নেই তাদের আধা-ব্যারাক, বিশেষভাবে নকশা করা বাড়িগুলো পুনর্বাসন করা হয়েছে।

সরকার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় গৃহহীন এবং ভূমিহীন পরিবারের জন্য আবাসন ব্যবস্থা করছে, যা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচালিত একটি আবাসন প্রকল্প। ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের পাশাপাশি সারা দেশে ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি গৃহহীন পরিবারকে তালিকাভুক্ত করেছে সরকার।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কিউলেক্স মশা নিধনে অভিযান শুরু ৮ মার্চ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

কিউলেক্স মশা নিধনে অভিযান শুরু ৮ মার্চ

আগামী ৮ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় কিউলেক্স মশা নিধনে সমন্বিত অভিযান (ক্রাশ প্রোগ্রাম) শুরু হবে। এই ক্রাশ প্রোগ্রামে ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের সকল মশক নিধন কর্মী এবং যান-যন্ত্রপাতি ১টি অঞ্চলে নিয়ে ১ দিন করে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম আজ মঙ্গলবার রাওয়া ক্লাবে বেলা ১২টায় অনুষ্ঠিত ৫ম কর্পোরেশন সভায় এ পরিকল্পনার কথা জানান।


সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


মেয়র বলেন, কিউলেক্স মশা নিধনে আমরা ‘ইনটেন্সিভলি’ কাজ করবো। মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযানও পরিচালিত হবে। সমগ্র ঢাকা উত্তরকে আমরা সম্পূর্ণ ‘সুইপিং’ করতে চাই”।

তিনি কাউন্সিলরদের উদ্দেশে বলেন, মশক নিধন অভিযান চলাকালে আমি মাঠে থাকব। আপনাদের প্রত্যেকেও মাঠে থাকতে হবে। আমাদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মনিটরিংয়ের কাজ করবেন। জিআইএস ম্যাপিং করা হচ্ছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লার্ভিসাইডিং এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এডাল্টিসাইডিং করা হবে। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চলবে। ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

৮ মার্চ মিরপুর-২ অঞ্চল (অঞ্চল-২), ৯ মার্চ মিরপুর-১০ অঞ্চল (অঞ্চল-৪), ১০ মার্চ কারওয়ান বাজার অঞ্চল (অঞ্চল-৫), ১১ মার্চ মহাখালী অঞ্চল (অঞ্চল-৩), ১৩ মার্চ ভাটারা অঞ্চল (অঞ্চল ৯) ও সাতারকুল অঞ্চল (অঞ্চল-১০), ১৪ মার্চ উত্তরা অঞ্চল (অঞ্চল-১), ১৫ মার্চ দক্ষিণখান অঞ্চল (অঞ্চল-৭) ও উত্তর খান অঞ্চল (অঞ্চল-৮) এবং ১৬ মার্চ হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) এই অভিযান পরিচালিত হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে ডিএনসিসির সকল কাউন্সিলর ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

সুলতান আহমেদ

নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখুন: প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়ায় বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ-এনইসির সভায় একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রায় আট হাজার কোটি টাকা সংশোধন করা হয়েছে। সভায় করোনার ভ্যাক্সিন কিনতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রাখারও নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।



সবইতো চলছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন ঈদের পরে খুলবে: নুর

আইন চলে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমত: ভিপি নুর

রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ


করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন। পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়ন পুরোদমে শুরু হলেও গেল কয়েক বছরের মধ্যে এবার বাস্তবায়ন সবচেয়ে কম। বার্ষিক উন্নয়ক কর্মসূচি সংশোধনী নিয়ে অনুষ্ঠিত এনইসি সভায় গণভবন থেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বে মর্যাদা নিয়ে চলবে বাংলাদেশ।

জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনকল্যাণে কাজ করার কথাও জানান সরকার প্রধান।

সভায় প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখার পরামর্শ দেন। করোনা রোধে আরো টিকা কিনতে বরাদ্দ রাখারও নির্দেশনা দেন।

বৈঠক শেষে পরিকল্পনা সচিব জানান, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ৫ হাজার থেকে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে এডিবি বাস্তবায়ন হয়েছে ২৮.৪৫ শতাংশ।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কোথাও সুষ্ঠু ভোট নেই কথাটি নিয়ে আপত্তি নির্বাচন কমিশনারের

অনলাইন ডেস্ক

কোথাও সুষ্ঠু ভোট নেই কথাটি নিয়ে  আপত্তি নির্বাচন কমিশনারের

ভোটার আছে, ভোটার দিবস আছে, সুষ্ঠু ভোট নেই কথাটা কি সার্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য সেই প্রশ্ন রেখে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেছেন, সুষ্ঠু ভোট হওয়ার বিষয়টিও স্বীকৃতিতে আসা উচিত।

মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জাতীয় ভোটার দিবসের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

কবিতা খানম বলেন, সকালে উঠেই একটি পত্রিকার শিরোনামে মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। আমি মনে করি, সুষ্ঠু ভোট হওয়ার বিষয়টিও স্বীকৃতিতে আসা আবশ্যক। তা না হলে ভুল মেসেজ যায় জাতির কাছে।

যাদের বয়স ১৮ হয়েছে তাদের সবাইকে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার আহ্বান জানান কবিতা খানম। 

এদিকে আজ মঙ্গলবার ভোটার দিবসের অনুষ্ঠানে ভোট নিয়ে বির্তকে জড়ান সিইসি কেএম নুরুল হুদা ও কমিশনার মাহবুব তালুকদার। মাহবুব তালুকদার বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে এক কেন্দ্রিক অনিয়মের নির্বাচনের ফলে কমিশনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জবাবে সিইসি বলেন, মাহবুব তালুকদার একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও ব্যক্তি স্বার্থের জন্য প্রতিনিয়ত কমিশনকে অপদস্ত করছেন।


গুপ্তচরবৃত্তির ইসরাইলি জাহাজে ইরানের হামলা!

ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও ডাবল ব্লকবাস্টার দৃশ্যম টু!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে পাক-ভারত!

অপো নতুন ফোনে থাকছে ১২ জিবি র‌্যাম


ভোটের মাঠে ভোটার সংখ্যা নিয়ে যখন সব মহলে নানা আলোচনা আর হতাশা তখন ঘটা করে ভোটার দিবস পালনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।

বর্ণিল আয়োজনে দিবসের কার্যক্রম সূচনা করে আলোচনায় সভায় যোগ দেন সিইসি, কমিশনার, সচিব ও মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা। সেখানে ভোটার দিবস নিয়ে নানা বক্তব্য দেন কমিশনের কর্মকর্তা ও তিন কমিশনার।

কিন্তু বির্তকের সূচনা হয় মাহবুব তালকুদারের বক্তব্যে। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে অনিয়মের মডেল তৈরি হয়েছে, ভেঙে পড়েছে নির্বাচনী ব্যবস্থা।

এমন বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিইসি কেএম নুরুল হুদা। তিনি  বলেন, অভ্যাসগতভাবে মাহবুব তালুকদার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। সমালোচনার আগে কমিশনার হিসাবে তাকে নিজের দায়িত্ব পালনেরও পরামর্শ দেন সিইসি।

দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বির্তকে অস্বস্তিতে পড়েন কমিশনের কর্মকর্তারা।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

নুরুল হুদা-মাহবুব তালুকদার মুখোমুখি

আরেফিন শাকিল

নুরুল হুদা-মাহবুব তালুকদার মুখোমুখি

(ছবি-বাঁদিক থেকে) সিইসি কেএম নুরুল হুদা, ইসি মাহবুব তালুকদার

ভোটার দিবসের অনুষ্ঠানে ভোট নিয়ে বির্তকে জড়ালেন সিইসি কেএম নুরুল হুদা ও কমিশনার মাহবুব তালুকদার। মাহবুব তালুকদার বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে এক কেন্দ্রিক অনিয়মের নির্বাচনের ফলে কমিশনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জবাবে সিইসি বলেন, মাহবুব তালুকদার একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও ব্যক্তি স্বার্থের জন্য প্রতিনিয়ত কমিশনকে অপদস্ত করছেন।

ভোটের মাঠে ভোটার সংখ্যা নিয়ে যখন সব মহলে নানা আলোচনা আর হতাশা তখন ঘটা করে ভোটার দিবস পালনের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন।

বর্ণিল আয়োজনে দিবসের কার্যক্রম সূচনা করে আলোচনায় সভায় যোগ দেন সিইসি, কমিশনার, সচিব ও মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা। সেখানে ভোটার দিবস নিয়ে নানা বক্তব্য দেন কমিশনের কর্মকর্তা ও তিন কমিশনার।

কিন্তু বির্তকের সূচনা হয় মাহবুব তালকুদারের বক্তব্যে। তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে অনিয়মের মডেল তৈরি হয়েছে, ভেঙে পড়েছে নির্বাচনী ব্যবস্থা।


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


এমন বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিইসি কেএম নুরুল হুদা। তিনি  বলেন, অভ্যাসগতভাবে মাহবুব তালুকদার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। সমালোচনার আগে কমিশনার হিসাবে তাকে নিজের দায়িত্ব পালনেরও পরামর্শ দেন সিইসি।

দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বির্তকে অস্বস্তিতে পড়েন কমিশনের কর্মকর্তারা। ভোটার দিবসে তথ্য দেয়া হয়, দেশে এখন পর্যন্ত মোট ভোটার সংখ্যা ১১ কোটি ১৭ লাখ ২০ হাজার ৬৬৯ জন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন সিইসি

(ছবি-বাঁদিক থেকে) সিইসি কেএম নুরুল হুদা, ইসি মাহবুব তালুকদার

নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সমালোচনা করে আসা নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

আজ ‘জাতীয় ভোটার দিবসের’ অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, ‘দেশের নির্বাচন কমিশনের স্বার্থে তিনি (মাহবুব তালুকদার) কাজ করেন না; ব্যক্তি স্বার্থে ও একটা উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য এ কমিশনকে অপদস্ত করার জন্য যতটুকু যা করা দরকার, যখন যতটুকু করা দরকার, ততটুকু করেছেন উনি।’

নূরুল হুদা অভিযোগ করে বলেন, ‘ মাহবুব তালুকদার সাহেব অভ্যাসগতভাবে সারাজীবন আমাদের এ নির্বাচনে যোগ দেওয়ার পরদিন থেকে যা কিছু ইসির নেগেটিভ দিক, তা পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে পাঠ করতেন। আজকে এর ব্যতিক্রম হয়নি।’

ভোটার দিবস উপলক্ষ্যেও মাহবুব তালুকদার ‘একটি রাজনৈতিক বক্তব্য’ দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন সিইসি।

নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে এ অনুষ্ঠানে সিইসি যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, মাহবুব তালুকদারসহ চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক তখন মঞ্চে বসা। আর নির্বাচন কমিশনের হাজার খানেক কর্মীর সঙ্গ সাংবাদিকরাও মিলনায়তনে উপস্থিত।

সবার শেষে বক্তব্য দিতে উঠে সিইসি যখন মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে কথা বলছিলেন, তখন এই নির্বাচন কমিশনারও পড়েন অস্বস্তিতে। তবে তিনি মঞ্চ ছেড়ে যাননি। 


রাজশাহীতে চলছে বিএনপির মহাসমাবেশ

করোনায় দেশে আরও ৭ জনের মৃত্যু

বিমানের মধ্যেই মৃত্যু, পাকিস্তানে ভারতীয় বিমানের জরুরি অবতরণ

কুয়েতে দিনার ছিটিয়ে ‘অশ্লীল নাচ’, ৪ বাংলাদেশিকে খুঁজছে দূতাবাস


তিনি বলেন, এ নির্বাচন কমিশনে যোগ দেওয়ার পর যতগুলো সভা হয়েছে, সব সময় মাহবুব তালুকদার ‘একই আচরণ’ করে আসছেন। এ কমিশনের আরও এক বছর মেয়াদ আছে, তিনি হয়ত তা চালিয়েই যাবেন।

সিইসির ঠিক আগেই অনুষ্ঠানে নিজের লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান মাহবুব তালুকদার। সেখানে তিনি বরাবরের মতোই দেশের নির্বাচন পরিস্থিতি এবং কমিশনের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

লিখিত বক্তব্যে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনেও হানাহানি, মারামারি, কেন্দ্র দখল, ইভিএম ভাঙচুর ইত্যাদি মিলে এখন অনিয়মের মডেল তৈরি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এককেন্দ্রিক স্থানীয় নির্বাচনের তেমন গুরুত্ব নেই। নির্বাচনে মনোনয়ন লাভই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।’

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর