৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসছে আজ

অনলাইন ডেস্ক

৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসছে আজ

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভাইরাসের ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আসছে আজ। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী বেক্সিমকো ফার্মার মাধ্যমে এই টিকা আসছে। সকাল ৮টায় টিকা নিয়ে ভারত থেকে বিশেষ ফ্লাইট যাত্রা শুরু করবে। বেলা সাড়ে ১১টায় তা ঢাকায় এসে পৌঁছাবে। 

বিমানবন্দর থেকে টিকা নিয়ে রাখা হবে টঙ্গিতে বেক্সিমকোর ওয়্যার হাউজে। গতকাল রাতে বেক্সিমকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন এমপি এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভ্যাকসিন দেশে আসার পর ল্যাব টেস্টের পর স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী সময়মতো দেশের ৬৪ জেলায় পৌঁছে দেয়া হবে।

ভারত সরকার যে দামে ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশও একই দামে পাচ্ছে উল্লেখ করে পাপন বলেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশই সবচেয়ে কম দামে ভ্যাকসিন পাচ্ছে।


আরও পড়ুন: মহানবী (সা.) এর বাণীকে সত্য প্রমাণ করল বিজ্ঞান

অ্যামচেম ফ্রন্টলাইন জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড পেলেন বাংলানিউজের শাহেদ

কারাবন্দীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটানো কে এই আসমা?

দল থেকে বহিস্কার হলেন নেপাল প্রধানমন্ত্রী


ভারত সরকার এখন তিন ডলার মূল্যে ভ্যাকসিন নিচ্ছে। বাংলাদেশও হয়তো এই দামে পাবে। যদিও চুক্তিতে চার ডলার উল্লেখ আছে। এছাড়া যদি চার ডলারের বেশি দামে ভারত নেয় তবে বাংলাদেশকে কিন্তু বেশি দিতে হবে না। চুক্তিতে তাই বলা আছে। 

তিনি বলেন, সিরাম থেকে বেক্সিমকো কোনো কমিশন পাবে না। বেক্সিমকো সরকারকে ভ্যাকসিন দিচ্ছে। সরকার থেকে কমিশন নেবে। তবে ভ্যাকসিন এনে বেক্সিমকো লাভবান হচ্ছে এটি বলা যাবে না। কারণ ক্ষতিও হতে পারে। কারণ চুক্তি অনুযায়ী সরকারকে তিন কোটি ডোজ টিকা বুঝিয়ে দিতে হবে। সরকার এই তিন কোটির মূল্য পরিশোধ করবে। কিন্তু যে টিকা নষ্ট হবে বা বাতিল হবে তার দায় বেক্সিমকো নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে পাপন বলেন, অক্সফোর্ডের টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব একটা নেই। টিকা নেয়ার পর কোথাও কেউ হাসপাতালে গেছে এমন তথ্য নেই। তবে যেহেতু সরকার বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিচ্ছে তাই কারো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে সেই দায় সরকার নেবে। এজন্য সরকারি ব্যবস্থাপনা রয়েছে।

পাপন জানান, এই মুহূর্তে বেক্সিমকো বাণিজ্যিকভাবে কোনো টিকা আনছে না। কয়েকদিনের মধ্যে আরো ১০ লাখ ভ্যাকসিন আসবে। যা শুধুমাত্র স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে জড়িতদের দেয়া হবে। ওষুধ শিল্প সমিতির মাধ্যমে এগুলো দেয়া হবে। তা বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।

পাপন বলেন, সরকার আমাদের ৬৪ জেলার করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়ার কথা বলেছে। আমরা প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জনের কাছে ভ্যাকসিন হস্তান্তর করবো। সরকার যেখানেই বলবে আমরা সেখানেই ভ্যাকসিন পৌঁছে দেব। সরকারের করোনার টিকা পাওয়ার অগ্রাধিকারের তালিকায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের নাম নেই। কিন্তু যারা ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করে তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। কারণ করোনাকালে আমরা একদিনও কারখানা বন্ধ রাখতে পারিনি। উৎপাদিত ওষুধ বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিতে হচ্ছে। তাই করোনার টিকা পাওয়ার অগ্রাধিকারের তালিকায় প্রতিনিধিদের নাম রাখার পক্ষে তিনি।

তিনি নিজে ভ্যাকসিন নেবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনিও ভ্যাকসিন নিতে চান। স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ভ্যাকসিন নেবেন। পাপন বলেন, বেক্সিমকোর আনা করোনার ভ্যাকসিন বাণিজ্যিক নয়। এই ভ্যাকসিন বাইরে কিনতে পাওয়া যাবে না।

আজ দেশে ভ্যাকসিন আসার পর আগামীকাল থেকে শুরু হতে পারে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে এই ভ্যাকসিন নিতে হবে। আগামী বুধবার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে একজন নার্সকে টিকা দেয়ার মাধ্যমে টিকাদান শুরু হবে। এদিন আরও ২৪ জনকে টিকা দেয়া হবে। 

এরপর ২৮ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা ৫০০ শয্যা হাসপাতাল, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে প্রাথমিকভাবে করোনা টিকা দেয়া হবে। ৮ই ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে সারা দেশে টিকাদান শুরু হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। সূত্র: মানবজমিন।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অনলাইন ডেস্ক

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকাল ৭টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি। 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার স্থপতি জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতার ছোট কন্যা এবং প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও দলের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সভাপতির শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

আরও পড়ুন:


মেসি ঝড়ে বার্সার জয়, অ্যাতলেটিকোর সঙ্গে ব্যবধান কমলো

এবার অনলাইনে প্রতারণার শিকার মিমি চক্রবর্তী

ভালো ছেলে পেলে তৃতীয় বিয়ে করবেন মুনমুন

রবিবার যেসব এলাকা বন্ধ থাকবে


এদিকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিনটি উদযাপনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ রোববার। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা গৌরবের এক অনন্য দিন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

অনলাইন ডেস্ক

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যুগান্তকারী ভাষণের স্মারক হিসেবে দিনটি অবিস্মরণীয় হয়ে আছে।

১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানের (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমাবেশে দেওয়া ওই ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

একাত্তরের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিক-নির্দেশনা। এরপরই দেশের মুক্তিকামী মানুষ ঘরে ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। বঙ্গবন্ধুর এই বজ্রনিনাদে আসন্ন মহামুক্তির আনন্দে বাঙালি জাতি উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। যুগ যুগ ধরে শোষিত-বঞ্চিত বাঙালি ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় কাঙ্ক্ষিত মুক্তির লক্ষ্যে।

মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণ। এই স্বল্প সময়ে তিনি ইতিহাসের পুরো ক্যানভাসই তুলে ধরেন। তিনি তাঁর ভাষণে সামরিক আইন প্রত্যাহার, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর, গোলাগুলি ও হত্যা বন্ধ করে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া এবং বিভিন্ন স্থানের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের এই ভাষণকে ইতোমধ্যে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। এ ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের গৌরব সম্মান আরেকবার আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।


ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপনে ব্যাপক আয়োজনের ঘোষণা

মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেন। ৭ মার্চকে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসাবে উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। 

অন্যদিকে-আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের- বিএনপির ৭ মার্চের কর্মসূচি পালনকে ভন্ডামি হিসেবে দেখছেন। আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা। 

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালনকে নিয়ে ভিন্নভাবে ভাবছে সরকার। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঢাবির শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যায়ন বিভাগের গবেষণা

ভাসানচর পুরোপুরি নিরাপদ ও বাসযোগ্য এক দ্বীপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেঁগে ওঠা ভাসানচর পুরোপুরি নিরাপদ ও বাসযোগ্য এক দ্বীপ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যায়ন বিভাগের গবেষণায় উঠে এসেছে এমন চিত্র। এ সময় বক্তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের উপর চাপ অব্যাহত রাখার আহবান জানান। 

রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আনুষ্ঠনিকভাবে গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন ‘শান্তি ও সংঘর্ষ‘ অধ্যায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. রফিকুল ইসলাম।

সেমিনারে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভাসানচর নিয়ে অযৌক্তিকভাবেই দেশে-বিদেশে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

চীন ভারতের মতো বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো মানবিক সহয়তা দিলেও প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে তাদের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সাদেকা হালিম।

বাংলাদেশের মতো পৃথিবীর অন্য কোথাও বাস্তুচ্যুতদের জন্য এতো সুযোগ সুবিধা সরবরাহ করা হয়নি বলে মন্তব্য করেন সেমিনারের আয়োজক সেন্ট্রাল ফাউন্ডেশন ফর ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ এর চেয়ারম্যান।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মাকসুদ কামালের মতে, বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। আর তাই মিয়ানমারের উপর চাপ অব্যাহত রাখার পরামর্শ তার।

গবেষণায় দ্বীপটিকে আরো টেকশই করতে সুপেয় পানি সরবরাহ ও কুটির শিল্প গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ করেছেন গবেষক দল।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আশঙ্কার চেয়েও কঠিনভাবে প্রয়োগ হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: সম্পাদক পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আশঙ্কার চেয়েও কঠিনভাবে প্রয়োগ হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: সম্পাদক পরিষদ

‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগে সংবাদকর্মী ও মুক্তমত প্রকাশকারী ব্যক্তিরা ক্রমাগতভাবে নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এমন আশঙ্কা আমরা আইনটি তৈরির সময়ই করেছিলাম। এ কথা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমাদের আশঙ্কার চেয়েও আরও কঠিনভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। একজন মুক্তমনা লেখক মুশতাক আহমেদকে জীবন দিয়ে তা প্রমাণ করে যেতে হলো।’

আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন মন্তব্য করেছে সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ। পরিষদের সভাপতি ও ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১০ মাস কারাবন্দি থাকার পর কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরকে জামিন দেয়ায় আমরা আদালতকে ধন্যবাদ জানাই। তবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদকর্মী ও লেখকদের গ্রেফতার করে তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে নির্দয় আচরণ করছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত।

সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম কাজলের ‘নিখোঁজ’ হওয়া এবং পরে দীর্ঘ কারাবাস সম্পর্কে উদ্বেগ জানিয়ে সম্পাদক পরিষদ বলেছে, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি লেখা শেয়ার দেওয়ার কারণে সাংবাদিক কাজলকে দীর্ঘদিন নিখোঁজ ও কারাগারে থাকতে হয়েছে। পরে জামিন পেলেও তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো চলমান রয়েছে। আর্থিক, শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত কাজলকে মামলা মোকাবিলা করতে হচ্ছে।’
যুক্তরাজ্যভিত্তিক মিডিয়া ওয়াচডগ বডি আর্টিকেল ১৯-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১৯৮টি মামলায় ৪৫৭ জনকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে ও গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ৪৫৭ জনের মধ্যে ৭৫ জন সাংবাদিক। তাদের মধ্যে ৩২ জনকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে।

ঘটনাক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সম্প্রতি বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আইনটি পর্যালোচনা করা হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে তদন্তের আগেই যেন গ্রেফতার করা না হয়, এমন ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে অনতিবিলম্বে অধ্যাদেশ জারি করে একে আইনগতভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ।

পরিষদ আরও বলেছে, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া তৈরি, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন, সংসদে বিল উত্থাপন ও রাষ্ট্রপতির সইয়ের আগে ও পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সম্পাদক পরিষদ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা আপত্তি তুলেছিল। সরকারের পক্ষ থেকে কয়েকজন মন্ত্রী ও সংসদীয় কমিটির সদস্যরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করে আপত্তিগুলো শুনেছিলেন। শেষে দেখা যায়, আমাদের দাবিগুলো পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়েছে। এমনকি এই আইন প্রণয়নের সময় সংসদে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বক্তব্য এবং সংসদীয় কমিটির পেশকৃত প্রতিবেদন সম্পর্কে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে আলোচনায় অংশগ্রহণকারী গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আপত্তিকর ধারাগুলো সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা সেগুলো সংশোধনের সুপারিশ করেছিলেন। সম্পাদক পরিষদ মনে করে, সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া হলে আজকের এ পরিস্থিতি হয়তো উদ্ভব হতো না।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আমরা কেন উদ্বিগ্ন, তা সম্পাদক পরিষদ ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছিল। ব্যাখ্যায় আইনটির ৯টি ধারা (৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩) নিয়ে সম্পাদক পরিষদ তাদের উদ্বেগ তুলে ধরেছিল। ধারাগুলো বিশ্লেষণ করে সম্পাদক পরিষদ যেসব মৌলিক ত্রুটি চিহ্নিত করেছিল, সেগুলো হচ্ছে:

১. ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটন প্রতিহত করা এবং ডিজিটাল অঙ্গনে নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে একটি আইন প্রণয়নের চেষ্টা করতে গিয়ে এমন একটি আইন করা হয়েছে, যা সংবাদমাধ্যমের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি ও বিষয়বস্তুর ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবে। এই আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩২ ধারা সংবিধানপ্রদত্ত সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই ধারাগুলো নাগরিকদের বাক্‌ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণেরও সুযোগ সৃষ্টি করবে।

যেমন ৮ ধারায় উল্লেখ আছে, যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে প্রতীয়মান হয় যে, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের বা তার কোনো অংশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জনশৃঙ্খলা ক্ষুণ্ন করে, বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণার সঞ্চার করে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওইসব তথ্য-উপাত্ত অপসারণ বা ব্লক করার জন্য বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারবে।

২১ ধারা বলছে, যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার প্রোপাগান্ডা ও প্রচারণা চালান বা তাতে মদদ দেন, তাহলে ওই ব্যক্তির সেটা অপরাধ হবে।

২৫ ধারায় আছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে, এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ করেন, যা আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক অথবা মিথ্যা বলে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তিকে বিরক্ত, অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করার অভিপ্রায়ে কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ন করার বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশে, বা কোনো তথ্য সম্পূর্ণ বা আংশিক বিকৃত আকারে প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করতে সহায়তা করেন, তাহলে ওই ব্যক্তির এ কাজটি হবে অপরাধ।

২৮ ধারা বলছে, যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করার বা উসকানি দেওয়ার অভিপ্রায়ে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যা ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর আঘাত করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তির এ কাজ হবে একটি অপরাধ।

৩১ ধারায় উল্লেখ আছে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন বা করান, যা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বা অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অথবা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় বা ঘটানোর উপক্রম হয়, তাহলে সেটা হবে অপরাধ।

৩২ ধারা বলছে, যদি কোনো ব্যক্তি অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট এর আওতাভুক্ত কোনো অপরাধ কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটন করেন বা করতে সহায়তা করেন, তাহলে তিনি অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এমন এক আতঙ্ক ও ভীতির পরিবেশ তৈরি করবে, যেখানে সাংবাদিকতা, বিশেষত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।

৩. এই আইন সংবাদমাধ্যমের কর্মী ছাড়াও কম্পিউটার ও কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ব্যবহারকারী সব ব্যক্তির মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করবে।


মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


৪. এই আইনের ৪৩ ধারা পুলিশকে বাসাবাড়িতে প্রবেশ, অফিসে তল্লাশি, লোকজনের দেহ তল্লাশি এবং কম্পিউটার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, সার্ভার ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম-সংক্রান্ত সবকিছু জব্দ করার ক্ষেত্রে সীমাহীন ক্ষমতা দিয়েছে। পুলিশ এ আইনে দেওয়া ক্ষমতাবলে পরোয়ানা ছাড়াই সন্দেহবশত যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের কোনো কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

৫. এই আইনে অস্পষ্টতা আছে এবং এতে এমন অনেক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যার ভুল ব্যাখ্যা হতে পারে এবং সহজেই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যেতে পারে।

সম্পাদক পরিষদের দৃষ্টিতে উদ্বেগের আরেকটি বিষয় হলো, এ আইনের অপরাধ ও শাস্তিসংক্রান্ত প্রায় ২০টি ধারার মধ্যে ১৪টি জামিন অযোগ্য, পাঁচটি জামিনযোগ্য এবং একটি সমঝোতাসাপেক্ষ। এর ফলে অনিবার্যভাবে একটা ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে সাংবাদিকতার স্বাভাবিক অনুশীলন আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করবে তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু, কৌশলে তা যেন গণমাধ্যম ও মুক্তমনের লেখকদের ওপর প্রয়োগ করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে আইনটির সংশোধন করতে হবে।

সরকারের সুবিবেচনা প্রত্যাশা করে সম্পাদক পরিষদের দাবি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সংবাদকর্মীদের নামে যতগুলো মামলা হয়েছে, যতজন সংবাদকর্মী ও মুক্তমনা লেখক গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন, তাদের সবাইকে অবিলম্বে মুক্তি এবং মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়া হোক।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপনে ব্যাপক আয়োজনের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে প্রথমবারের মতো জাতীয় দিবস হিসাবে উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অন্যদিকে-আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের- বিএনপি-র ৭ মার্চের কর্মসূচি পালনকে ভন্ডামি হিসেবে দেখছেন। আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা। 

স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তীর বছরে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালনকে নিয়ে ভিন্নভাবে ভাবছে সরকার। এই দিবস উদযাপনকে কেন্দ্র করে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি-আয়োজন।

শনিবার সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে এক সংসবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বলেন-প্রথমবারের মত ৭ মার্চ পালন হবে জাতীয় দিবস হিসেবে।

এরইমধ্যে বিএনপিরও- ৭ মার্চ পালনের ঘোষনা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক বলছেন- স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি লোক দেখানো-ভন্ডামি।শনিবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ৭ মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের এক যৌথসভায় ওবায়দুল কাদের এসব মন্তব্য করেন।


মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


অন্যদিকে-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জানিয়েছেন- তদন্ত সাপেক্ষে বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর