চসিক নির্বাচন: দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, গোলাগুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক

চসিক নির্বাচন: দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, গোলাগুলি

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নগরীর আসাদগঞ্জে দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে ভোট শুরুর পরপরই এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড আসাদগঞ্জ ছোবাহানীয়া আলীয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। এতে দুজন আহত হয়েছে। এ সময় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে।

আরও পড়ুন:


নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পাবো: রেজাউল করিম

চসিক নির্বাচন: ভোট দিলেন সাবেক মেয়র নাসির

সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ পলাতক

নৌকা-ধানের শীষের ভোটের লড়াই শুরু

তবে বড় কোন ঘটনা নয় দবে দাবি করেছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি সকাল থেকে ভালো। এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তারপরও দেখছি।’

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রেসক্লাবে পুলিশ চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রেসক্লাবে পুলিশ চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, পুলিশ ওই সময় চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমি আধা ঘণ্টা সাংবাদিকদের প্রচারিত খবর ও ছবি দেখেছি। তাতে দেখা যাচ্ছিল, একজন পুলিশ সদস্য এক জায়গায় একা দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাকে বড় বড় লাঠি দিয়ে পেটানোর হচ্ছে। চরম ধৈর্যের সঙ্গে পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে।

আজ দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় গতকাল রোববার পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, পুলিশ ওই সময় চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রেসক্লাবে সচরাচর পুলিশ ঢোকে না। রোববার প্রেসক্লাবের ভেতর থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়ছিল। এতে দু’একজন পুলিশ হয়তো ঢুকেছে।

‘সেখানে পরিস্থিতি অতিমাত্রায় চলে যাওয়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ছুড়েছে পুলিশ। এটা একটা কৌশল। ’


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষকদের টিকা নিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিতরে যেন বহিরাগত কেউ প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয় প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব নিতে হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, প্রেসক্লাবতো আপনাদের। আপনারাই এ দায়িত্বটি নিশ্চিত করুন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত এবং কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির ছাত্রদল আয়োজিত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের সামনে অবন্থান নেয়। এতে পুলিশ সদস্যরা বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল ছোড়ে পুলিশ। বিক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রেসক্লাবের পাশের অস্থায়ী পুলিশ বক্সের জানালা ভাঙচুর করে। তারা প্রেসক্লাবের ভেতরে প্রবেশ করে। এতে পুলিশও প্রেসক্লাবের ভেতরে গিয়ে লাঠিচার্জ করে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, 
প্রশ্ন আইজিপির

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, পুলিশ তো জনগণের সেবক, কারও প্রতিপক্ষ নয়। তাহলে কেন সব সময় পুলিশকে প্রতিপক্ষ বানানো হয়? এই প্রশ্ন বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় মানুষের প্রতি।

আজ দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক পুলিশ সদস্যকে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। তারপরও পুলিশ সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রেখে কাজ করছে। পুলিশকে পেটানোর ঘটনায় কোনো রিফ্লেকশন হয়নি। এ বিষয়টি নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি।

তিনি বলেন, যারা দেশের ও পুলিশের সমালোচনা করে তাদের মুখে ছাই পড়ুক। দেশের মধ্যে যে একটা ছোট অংশ আছে সেটা দেখলেই বোঝা যায়। কারণ দেশের কোনও ভালো কিছুর প্রতি তাদের আগ্রহ নেই, দেশের কোনও অর্জনে তাদের কিছু আসে-যায় না, এ দেশের ভিন্ন সংস্কৃতির, ভিন্ন চেতনার মানুষগুলো আমাদের দেশের মানুষ হিসেবে দাবি করে। এই মানুষগুলোকে আমাদের দেশের বৃহত্তর জাতিসত্তা থেকে আলাদা করার সময় এসেছে। এরা আমাদের জাতির অংশ নয়।

তিনি বলেন, ওই ছোট একটা গ্রুপ যারা দেশের কোনো ভালো কিছু দেখেন না এবং সমালোচনা করেন তাদের এমনকি তারা পুলিশের সমালোচনা করেন তাদের মুখে ছাই পড়ুক। এ দেশের প্রকৃতিতে যারা বড় হয়ে ছুরি মারতে চায় তাদের মুখে আমরা দেশবাসী সবাই মিলে ছাই ছুড়ে দিতে চাই।

আইজিপি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ সম্মুখ সারিতে থেকে দায়িত্ব পালন করে। বাংলাদেশ পুলিশ তাদের দক্ষতা ও দৃঢ়তার যে সাক্ষ্য দিয়েছে তা দিয়ে তারা জনগণের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, করোনাকালে কৃষেকের ধানকাটাতেও সহায়তা করেছে পুলিশ সদস্যরা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইজিপি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই মেমোরিয়াল ডে’র সঙ্গে আরেকটি উৎসব উদযাপন করে সেটি হচ্ছে ‘ব্লু রেবন ডে’। মূলত ওই দিন দেশবাসী পুলিশের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ব্লু-রিবন পুলিশকে পরিয়ে দেয়, নিজেরা গাড়িতে, বাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নীল রঙে সাজায়। আগামী বছর থেকে এই অনুষ্ঠানটি চালু করতে চাই।


আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষকদের টিকা নিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী


আইজিপি আরও বলেন, কোনো দেশের সঙ্গে যুদ্ধ লাগলে তখন বিকল্প ফোর্স যুদ্ধ করে। আর যখন শান্তির সময় থাকে তখন দেশের মধ্যে দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে, বনশত্রুদের বিরুদ্ধে, রাষ্ট্রের শত্রুদের বিরুদ্ধে এবং রাষ্ট্রকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পুলিশ যুদ্ধ করে। এই যুদ্ধ ক্রমাগত, অবিরত ও অবিরাম। আর যুদ্ধ হলেই অবিরামভাবে আসে মৃত্যু। সে কারণে প্রতি বছর আমাদের ডজন ডজন সহকর্মীকে হারাই। এই করোনাকালেও পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ৮৫ জন সদস্যকে আমরা হারিয়েছি। সেই সঙ্গে করোনাকালে প্রায় ২১ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, সুস্থ হয়েছেন এবং আবার সুস্থ হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

করোনায় দেশে আরও ৮ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনায় দেশে আরও ৮ জনের মৃত্যু

মহামারি করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। আর শনাক্ত হয়েছেন ৫৮৫ জন।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আটজনকে নিয়ে এ পর্যন্ত করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৮ হাজার ৪১৬ জন।


বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


এই সময়ে নতুন ৫৮৫ জনকে নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮০১ জন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন সামিয়া রহমান

একাডেমিক গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির ঘটনায় শাস্তি হিসেবে পদাবনতি হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান বলেছেন, তাকে ষড়যন্ত্র করে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পাননি। 

তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেও আছেন।

আজ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

সামিয়া রহমান জানান, তার বিরুদ্ধে একটি মহল নানা রকমের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর ফলে তার ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক মর্যাদা নষ্ট হচ্ছে।

সহকারী অধ্যাপক সামিয়া রহমান তার যৌথ নামে লেখা হলেও কী কারণে তিনি নিরপরাধ বিষয়টি তুলে ধরেন সংবাদ সম্মেলনে। 

তিনি বলেন, আমি প্রশাসনের চাপে মুখ বন্ধ রেখেছিলাম গত চার বছর ধরে। যে লেখার কারণে আমাকে শাস্তি পেতে হলো এটা আমার লেখাই নয়। আমি শুধু আইডিয়া দিয়েছিলাম মারজানকে। আমি যে লেখা জমা দিয়েছি এটা ডিন অফিস, ট্রাইব্যুনাল প্রমাণ করতে পারেনি। এমনকি আমার কাছে রিভিউয়ের কপিও আসেনি। মারজান আমার ছাত্র ছিল। এরপর সহকর্মী হয়। 

মারজান তখন নতুন শিক্ষার্থী, সে আমার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে একটি প্রকাশনা বের করতে চেয়েছিল। আমি তাকে শুধু আইডিয়া দিয়েছিলাম। সে স্বীকার করেছে এটি তার অনভিজ্ঞতাবশত ও অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমার প্রশ্ন মারজান নিজে তদন্ত কমিটির কাছে জমা দেওয়া ও রিভিউ করার কথা বলার পরও কেন দালিলিক প্রমাণ অষ্পষ্ট বলে তদন্ত কমিটি? এ সংক্রান্ত প্রমাণস্বরূপ মারজানকে দেওয়া আমার মেইল পর্যন্ত তদন্ত কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল।

৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে তিনি মেইলটি পাঠান। সামিয়া আরও বলেন, ওই প্রতিবেদনে আমার কোন স্বাক্ষর নেই। আমার স্বাক্ষর ছাড়া কেন এটি ছাপানো হলো? ডিন অফিসে লেখা জমা দেওয়ার পর, সেটি সম্পাদনা পরিষদ যাচাই-বাছাই করেন, তারপর রিভিউয়ারে কাছে যায়, রিভিউয়ার সেটি বাতিল বা গ্রহণ করলে বা সংশোধনের সুপারিশ করলে সেটি আবার সম্পাদনা পরিষদ বরাবর লেখকের কাছে যায়। লেখকের সংশোধনের পর সেটি আবার সম্পাদনা পরিষদ যাচাই-বাছাই করে ছাপার যোগ্য মনে করলে লেখাটি প্রকাশ করেন। এই লেখাটি প্রকাশনার জন্য এডিটোরিয়াল বোর্ডে দাখিল থেকে প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত কোনো ধাপেই আমার কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ তারা দেখাতে পারেননি। 

এমনকি ট্রাইব্যুনাল পর্যন্ত বলছে ন্যায় বিচার হয়নি। অথচ প্রতিহিংসা আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজনীতির শিকার হলাম আমি। ২০১৭ সালে ৫ ফেব্রুয়ারি আমি ডিন অফিসে গিয়ে লেখাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানাই। যেটির কপিও তদন্ত কমিটির কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। সিন্ডিকেটে বিষয়টি তোলার জন্য তৎকালীন ভিসি ড. আরেফিন স্যার তাকে বারবার বলেন, আমি নিজেও ড. ফরিদ উদ্দীনকে বারবার সিন্ডিকেটে বিষয়টি তোলার অনুরোধ করলেও তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে রাখেন সাত মাস।

সামিয়া রহমান আরও বলেন, আমি এমনই রাজনীতির শিকার যে- ড. আরেফিন স্যারকে ভিসির পদ থেকে সরানোর দু’দিনের মাথায় আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, এবার তিনি বিষয়টি সিন্ডিকেটে তুলবেন। আর ড. আরেফিন স্যার নাকি তাকে ১০ মিনিটের মাথায় ডিন পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। মারজান তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। এসব কিছুর প্রতিশোধ হবে এটি।

তিনি বলেন, একটি অফলাইন জার্নাল শিকাগো ইউনিভার্সিটির কথিত অ্যালেক্স মার্টিনের কাছে চলে যায়? যার সম্পর্কে কোনো খোঁজ-খবর এমনকি কেউ তদন্ত কমিটিরও কেউ দেয়নি। আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি এই নামে কোন ব্যক্তি নেই সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে। ট্রাইব্যুনাল নিজেই স্বীকার করেছে বিষয়টি।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, কীভাবে ট্রাইব্যুনাল আর সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত ভিন্ন হয়? কেন ট্রাইব্যুনালের আহ্বায়ক নিজে গণমাধ্যমকে বলেন, ন্যায় বিচার হয়নি। প্লেজারিজম হয়নি। কেন আমাকে না দেখিয়ে আমার নামে লেখা প্রকাশ করে? কেন রিভিউয়ার ও এডিটরের শাস্তির সুপারিশ হওয়ার পরও বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়?

সামিয়া রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির সদস্য পরিবর্তনের অধিকার আমার ছিলো। এটি পরিবর্তনের জন্য ২০১৯ সালে চিঠি দেওয়া হলে বর্তমান ভিসি সেটি গ্রহণ করেননি। আর তদন্ত শেষ না করেই আমাকেই দোষী সাব্যস্ত করে কেন গণমাধ্যমে কথা বলেন তারা? এ পর্যন্ত অন্তত তিন বার রাইট টু ইনফরমেশন অ্যাক্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত, ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত, তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত চেয়েছি আদালতে যাওয়ার জন্য, এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো কিছুই দিচ্ছে না।


বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ

৩০ মার্চের মধ্যে শিক্ষকদের টিকা নিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সংসদ ভেঙে নির্বাচন পরামর্শ দেবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর!


তিনি আরও বলেন, আমি ২০১৬ সালে আমেরিকা যাচ্ছিলাম। এসময় ডিন অফিস থেকে আমাকে ফোন দেওয়া হয়। বলা হয়, আপনার পাঠানো লেখা হারিয়ে গেছে। আমি যাতে পুনরায় তা পাঠিয়ে দেই। কিন্তু আমি তখন জানাই আমি কোনো লেখা পাঠাইনি। আমি ফোন করে মারজানকে লেখাটি বন্ধ করতে বলি। মারজান জানায়, রিভিয়ার কমিটি এটি গ্রহণ করেছে। এডওয়ার্ড সাঈদ ও মিশেল ফুকোর উদ্ধৃতি দেওয়া তাই জানতে চাই সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছিলো কী-না? মারজান আমাকে আশ্বস্ত করে সব ঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে। আমি তাকে বলি, আমি আমেরিকা থেকে না আসা পর্যন্ত যেনো লেখাটি না ছাড়ে।

এছাড়াও যৌথভাবে ছাপানো লেখাটি দেখিয়ে তিনি বলেন, এই লেখায় দুই লেখকের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়। যদিও নিয়ম অনুযায়ী ফুট নোট দেওয়া উচিত ছিল। মারজান সেটি করেনি। যদিও লেখার শেষে রেফারেন্সে তাদের নাম দিয়েছে। একটি একটি গবেষণা প্রবন্ধে ফুটনোট দেওয়া অবশ্যই উচিত ছিল।

সামিয়া রহমান আরও বলেন, আমি ষড়যন্ত্রেরে শিকার। লেখাটি আমার না, আমি শুধু আইডিয়া দিয়েছি। আমাকে না জানিয়ে ছাপা হলো। আমি নিজেই তদন্ত কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য আবেদন করলাম, সেখানে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করা হলো। আমি রাজনীতির শিকার। এতোদিন তদন্ত চলায় আমি চুপ ছিলাম। এখন আমি আদালতে যাবো। আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে যা যা করা প্রয়োজন করব।

সামিয়া রহমানরা প্লেজারিজম করেননি: ট্রাইব্যুনাল চেয়ারম্যান

সামিয়া রহমান ও মারজানের লেখায় চৌর্যবৃত্তির প্রমাণ মেলেনি, ট্রাইব্যুনালের প্রতিবেদন (ভিডিও)

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিমা খাতের সুফল নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে দেশ এখনোও পিছিয়ে রয়েছে। বিমার ওপর মানুষের আস্থা তৈরিতে আরও প্রচার প্রয়োজন।

আজ সোমবার (১ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিমা দিবস-২০২১-এর আয়োজনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় বিমা খাতকে ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা জানান, দেশে স্বাস্থ্য বিমা আরো ব্যাপকভাবে চালু করা উচিত।


প্রেস ক্লাবের সামনে পুলিশ-ছাত্রদল সংঘর্ষ ঘটনায় মামলা

মাদক মামলা থেকেও ইরফান সেলিমকে অব্যহতি

ইয়াবার টাকা না পেয়ে কাঁচি দিয়ে মাকে হত্যা

৯৯৯ এ ফোন এক ঘন্টায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার


প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি যত বেশি আমাদের শক্তিশালী হবে, বিস্তৃত হবে মানুষের মধ্যে সচেতন হবে বিমার গুরুত্বটাও কিন্তু ততটা বাড়বে। আর এ বিমা থেকে সুফলটা পেতে পারে মানুষ এ সম্পর্কে সচেতনার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আমি আশা করি আপনারা যারা বিমার সঙ্গে জড়িত তারা উদ্যোগ নিবেন মানুষের মাঝে সচেতনাটা বৃদ্ধি করা। 

তিনি বলেন, এখন তো আধুনিক প্রযুক্তি এসে গেছে তাছাড়া ডিজিটাল বাংলাদেশ, ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন বিমা সেবার দেওয়ার জন্য, যেটা মানুষকে আরো সহজ করে দিবে। তবে আমাদের স্বাস্থ্য বিমাটা আরো ব্যাপকভাবে চালু করা একান্তভাবে প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমার দেশের মানুষ সচেতন না, করোনা ভাইরাসের পরে আমি মনে করি মানুষের মধ্যে সেই সচেতনা সৃষ্টি হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর