করোনায় জার্মানিতে কুকুরের চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় জার্মানিতে কুকুরের চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ

জার্মানদের কুকুর প্রেম বিশ্বখ্যাত। কুকুরপ্রেমি জার্মানদের করোনায় পোষাপ্রাণীর চাহিদা আরো বেড়েছে। এজন্য কুকুরের দাম এখন আকাশচুম্বী। জার্মানভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ভেলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা যায়। 

কুকুর-বিড়ালের হঠাৎ এই চাহিদা মেটাতে প্রাণী আশ্রয়কেন্দ্র এবং প্রজননকারীরা এখন হিমশিম খাচ্ছে। ব্যার্নাডেটে ডিয়ার্কস মায়ারনামে এক জার্মান কুকুর বিক্রির ঘোষণা দিলে আগ্রহী ক্রেতাদের মধ্যে হুলস্থুল বেধে যায়।

তিনি ঘোষণা করেন ২০২১ সালের ১২ মার্চ তিনি কুকর বিক্রি করবেন। তিনি ভেবেছিলেন হয়ত ১০/১২ জন ক্রেতা আগ্রহ দেখাবে। কিন্তু সেখানে বহু ক্রেতা সাড়া দেয়। 

ক্রেতারা এমনই মরিয়া যে যে কুকুরে বাচ্চা এখনো জন্মায়নি তাকেও অগ্রিম বুকিং দিয়ে রাখছে। যদিও তার ফোন নাম্বার প্রকাশ করা হয়নি তাতেই এমন অবস্থা!


প্রেমিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল

আওয়ামী লীগ যেখানে কখনোই জয়ী হতে পারেনি

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন: নৌকা-ধানের শীষের লড়াই আজ

যে দুই সূরা পাঠ করলে সর্বপ্রকার অনিষ্ট হতে রক্ষা পাওয়া যাবে


ডয়েচে ভেলেকে এক টেলিফোন কলে ঐ ব্যক্তি জানান, কুকুর প্রজননকারীদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, তাদের কাছে পোষা প্রাণীর চাহিদা রয়েছে আরো অনেক বেশি।

জার্মানরা এমনিতেই পোষাপ্রাণী ভালোবাসেন, বিশেষ করে কুকুর এবং বিড়াল। জার্মানির অ্যাসোসিয়েশন ফর ডগস-এর তথ্য অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোর তুলনায় ২০২০ সালে শতকরা ২০ ভাগ বেশি কুকুর কিনেছে জার্মানরা।

করোনায় কুকুর কেনার প্রতি আগ্রহ বহুগুন বেড়েছে জার্মানদের।   

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সৃজনশীলদের সাফল্যের সূত্র

অনলাইন ডেস্ক

সৃজনশীলদের সাফল্যের সূত্র

সৃজনশীল কাজে সফলতা সবার কাছে ধরা দেয় না। এজন্য প্রয়োজন হয় বেশ কিছু গুণের। সৃজনশীলরা যখন এসব গুণ নিয়ে চর্চা করে তখন সাফল্য অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায়। সৃজনশীলতা নিয়ে আমাদের মধ্যে নানা ধরনের ভুল ধারণা আছে। কেউ ভাবেন, সৃজনশীলেরা বুঝি একদম শূন্য থেকে কোনো কিছু তৈরি করেন। আবার কেউ মনে করেন, সৃজনশীল হতে গেলে বুঝি সব জেনে-বুঝে অনেক জ্ঞান অর্জন করে তবেই শুরু করতে হয়।

লেখক, কবি, কপিরাইটার ও ওয়েব ডিজাইনার অস্টিন ক্লেয়নের লেখা বিখ্যাত বই—স্টিল লাইক অ্যান আর্টিস্ট পড়লে বিষয়গুলো আপনার কাছে অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে। বইটিতে লেখক বেশ সৃজনশীলভাবে সৃজনশীলতার কথা বলেছেন। তাঁর পরামর্শ বা ভাবনাগুলো পড়ে আপনার মনে হতে পারে—ইশ, আগে যদি জানতাম!

পৃথিবীতে কোনো কিছুই একদম শূন্য থেকে আসে না। প্রতিটি নতুন ধারণা বা আইডিয়াই আগের এক বা একাধিক আইডিয়ার সংমিশ্রণ। শিল্পী তাঁর চারপাশের পরিবেশ ও সমাজ থেকে ধারণা নেন। তবে তিনি যে চারপাশের সবকিছু নিয়ে নেন, ব্যাপারটা তেমন নয়। তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, সেরাটা বেছে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং নিজের মতো করে উপস্থাপন করেন। 

তাই যে কান বিষয় খুব ভাল করে পড়া এবং সব সময় সঙ্গে একটি নোটবুক রাখা। যেখানে টুকে রাখা যায় মাথায় আসা মাত্র। একজন শিল্পী অন্যদের চেয়ে বেশ সৃজনশীলতা নিয়ে কাজ করেন। তিনি যা করেন, তা কিন্তু প্লেজারিজম বা অন্যের কাজ নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া নয়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

রোনালদোর গোলেও হোঁচট খেল জুভেন্টাস


পৃথিবীর এই রঙ্গমঞ্চে আমরা সবাই অভিনেতা। যতক্ষণ না আপনি আপনার ক্ষেত্রে সফল হচ্ছেন, ততক্ষণ অভিনয় করা যেতেই পারে। ধরা যাক, আপনি একজন লেখক হতে চান। তাহলে বসে পড়ুন এক কাপ চা আর কাগজ-কলম নিয়ে! অনুশীলনের ক্ষেত্রে অন্যের কাজ কপি করা একটি ভালো উপায়। 

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হতে চান, তবে আপনার কাজ হবে বড় বড় ডিজাইনারদের কাজ দেখে ঠিক সে রকমটা আবার তৈরি করা। আশা করা যায়, এমনটা করতে করতেই আপনি একসময় নিজের স্টাইল বা ধরন তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

আপনি যে জিনিসটি চান, সেটিই তৈরি করুন। এমন ছবি আঁকুন, যা আপনি নিজে দেখতে ভালোবাসেন। এমন বই লিখুন, যা আপনি পড়তে চান। এমন পণ্য তৈরি করুন, যা আপনি ব্যবহার করতে চান। মোট কথা, আপনি যে জিনিসটি তৈরি অবস্থায় দেখতে চান, সেটি নিয়ে কাজ করুন।

অস্টিন ক্লেয়নের পরামর্শ—এমন কিছু করো, যা তোমাকে সত্যিকারের কিছু তৈরি করার স্বাদ দেয়। হাতে-কলমে আইডিয়া নিয়ে কাজ করে তারপর সেই আইডিয়াকে কম্পিউটারে তুলে ফেলা যেতে পারে। লেখক নিজের অফিসকে দুই ভাগে ভাগ করেন: অ্যানালগ ও ডিজিটাল। অ্যানালগ অংশে কাজ হয় শুধুই কাগজ-কলমে। আর ডিজিটাল অংশে তিনি কাজ করেন কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে।

লেখক মনে করেন, আপনি একসঙ্গে একাধিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে পারেন। এর ফলে যখন একটা প্রকল্পে আটকে যাবেন, কাজ এগোতে চাইবে না, তখন চাইলে অন্য একটি প্রকল্পে মন দিতে পারেন। আপনার একই সঙ্গে দু-তিনটা শখ বা প্যাশনের জায়গা থাকতেই পারে; একটাই মাত্র প্যাশন থাকতে হবে এমন চিন্তায় আটকে যাওয়া ঠিক হবে না।

শিল্প নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কোনো ক্ষেত্রে পা রাখা মাত্রই আপনি খ্যাতিমান হয়ে যাবেন না। কিন্তু এই খ্যাতি না থাকারও বেশ কিছু সুবিধা আছে। সেগুলোকে কাজে লাগান। আপনি কারও আতশি কাচের নিচে নেই। ফলে কে কী ভাবল, তা নিয়ে আপনাকে খুব বেশি মাথা ঘামাতে হচ্ছে না। নিয়মিত ভালো কাজ করে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন। আর এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে এই ‘শেয়ার’ করা তো বেশ সহজ হয়ে গেছে।

যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে দূরত্ব এখন আর কোনো বাধা নয়। ঘর ছেড়ে বের হোন, ভ্রমণ করুন। ভ্রমণের ফলে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে মেশা যায়। নতুন পরিস্থিতি আমাদের মস্তিষ্ককে স্বস্তি (কমফোর্ট জোন) থেকে বের করে আনে। ফলে আমরা নতুন করে পৃথিবীকে দেখতে শিখি।

সৃজনশীল বন্ধু তৈরি করুন। তাঁদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করুন। দেখুন তাঁরা কী নিয়ে কাজ করছেন; তাঁদের কাজ থেকে শেখার চেষ্টা করুন, বোঝার চেষ্টা করুন তাঁরা কী নিয়ে কথা বলছেন। প্রয়োজন প্রচুর কৌতূহল, ভালো স্বাস্থ্য ও উদারতা। আপনার কাজ সম্পর্কিত ইতিবাচক আলোচনাগুলো সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। যখন ভালো লাগবে না, তখন এসব দেখলে আপনি কাজের অনুপ্রেরণা পাবেন।

সৃজনশীল ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভ ব্লক বা সৃজনশীল কিছু তৈরি না করতে পারার সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় হতে পারে সীমিত আকারে কাজটি চালিয়ে যাওয়া।

মোটকথা আপনি কোন বিষয়ে যদি গভীর মনযোগ দেন এবং যত্নসহকারে কাজটি তেকে কিছু সৃষ্টিশীল করতে চান তাহলে অবশ্যই পারবেন। একটু সময় লাগবে এই যা। তবে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে পারলে সাফল্য নিশ্চিত। পৃথিবীতে যারাই সাফল্য পেয়েছে, দেখা গেছে তারা সবাই খুবই ধৈর্যশীল। সাফল্য না আসা পর্যন্ত চেষ্টা করে যাওয়া।  

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

১০ মিনিট ফোনে কথা বললেই দূর হবে একাকীত্ব

অনলাইন ডেস্ক

১০ মিনিট ফোনে কথা বললেই দূর হবে একাকীত্ব

বর্তমান যুগে একাকীত্ব একটি গভীর সমস্যা। করোনাভাইরাসের কালবেলা শুরু হওয়ার পর থেকে অবশ্য এই একাকীত্বের পরিমাণ আরও বেড়েছে বহু মানুষের। সারাদিন কাজের মধ্যে থেকেও যেহেতু ভাইরাসের ভয়ে এখনও বেশিরভাগই ঘরবন্দি, ফলে একাকীত্ব অজান্তেই জাঁকিয়ে বসছে মানুষের মনে।

তবে সম্প্রতি আমেরিকায় এক সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, আপনি যদি সপ্তাহে একাধিকবার অন্তত ১০ মিনিট টানা কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলতে পারেন, তবে আপনার একাকীত্ব অনেকটাই দূর হবে।

গত মঙ্গলবার জামা সাইকিয়াট্রি জার্নালে এই সমীক্ষাটি প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে ২৪০ জন অংশগ্রহণকারীর বক্তব্যকে মিলিয়ে দেখা গিয়েছে, তাদের ২০ শতাংশ একাকীত্ব কম মনে হচ্ছে। সমীক্ষার ভলান্টিয়ারেরাই অংশগ্রহণকারীদের ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ১০ মিনিট করে ফোন করতেন। প্রত্যেকের সঙ্গেই এমন বিষয়ে কথা বলা হত যাতে প্রশ্ন করার সুযোগ পাওয়া যায়।

প্রথম সপ্তাহে ১০ মিনিট টানা কথা বলা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের প্রতিদিনকার জীবন নিয়ে কথা বলেছেন এবং প্রশ্ন করেছেন সেই নিয়েই।


বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

সানি লিওনের জায়গা নিলেন আবিরা! (ভিডিও)

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও চালু হল গ্রিন কার্ড

গাড়িতে অগ্নিকান্ড, রেকর্ড সংখ্যক গাড়ি উঠিয়ে নিচ্ছে হুন্দাই


কথা বলার সুযোগ পেলে মানুষের মনের অসুখ অনেকটাই দূরে থাকে বলে এই গবেষণায় উঠে এসেছে। এছাড়া এর মধ্য দিয়ে উদ্বেগ ও অবসাদ থেকেও অনেকটা সুরাহা পান অনেকে।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, উদ্বেগ ও অবসাদের ক্ষেত্রেও প্রায় ৩০ শতাংশ সমস্যা দূর করতে পারা গিয়েছে। একাকীত্বের সমস্যার থেকেও এই সমস্যার ক্ষেত্রে ১০ মিনিটের ফোনের কথা অনেকটাই বেশি পরিমাণে কার্যকরী হয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গরমে অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

গরমে অতিরিক্ত ঘাম থেকে বাঁচার উপায়

শীত পেরিয়ে চলে এসেছে বসন্ত। সামনেই আসছে গ্রীষ্মকাল। আর গরমের সাথে সাথে শুধু আম-কাঠাল-লিচুর সুখই বয়ে আনে না, সাথে নিয়ে আসে বেশ কিছু সমস্যাও। তার মধ্যে অন্যতম হল ঘামের সমস্যা।

গরমের সময় আমাদের আন্ডার-আর্মস বা বগল ঘর্মাক্ত হয়। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া আমাদের ঘর্মাক্ত করে তোলে। ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন অনেকে। এ জন্য আমাদের সচেতন থাকতে হয়।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপনি যদি ঘাম ও দুর্গন্ধের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে আপনাকে কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। আসুন, আমরা ছয়টি পরামর্শ জেনে নিই—

গোসলের পর পোশাক পরতে সময় নিন

গোসলের সময় তাড়াহুড়ো করবেন না। পোশাক পরার ক্ষেত্রেও নয়। আপনি যদি এমন জায়গায় থাকেন, যেখানকার আবহাওয়া স্যাঁতস্যাঁতে ও গরম, তাহলে তা আরও গুরুত্বপূর্ণ। শরীর ভালোভাবে শীতল হওয়ার আগে যদি পোশাক পরেন, তাহলে আপনি অতিরিক্ত ঘর্মাক্ত হবেন। তাই, গোসলের পর পোশাক পরার আগে একটু অপেক্ষা করুন। শরীরকে সম্পূর্ণভাবে শীতল হতে দিন। এরপর পোশাক পরুন।

সীমিত ক্যাফেইন গ্রহণ

যখন আপনি কিছুতে মনোযোগ দিতে পারছেন না বা ঘুমঘুম ভাব হচ্ছে, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ খুব উপকারী। কিন্তু ঘামের ক্ষেত্রে এটি ভালো নয়। ক্যাফেইন হার্ট রেট বাড়ায় এবং ঘামের গ্রন্থিগুলো অতি-সক্রিয় করে। তাই, আপনি যদি কম ঘামতে চান, ক্যাফেইন গ্রহণ সীমিত করুন।

সুতির পোশাক পরুন

গরমকালে ত্বকের স্বস্তির জন্য পোশাক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সিনথেটিক কাপড় ত্বকের জন্য স্বচ্ছন্দ নয়, ঘাম বেশি শুষে নেয়; যা আপনাকে শুধু অস্বস্তিতেই ফেলে না, বগলকে আরও ঘর্মাক্ত করে। তাই এ সময় সুতির কাপড় পরুন এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরা উচিত। তাহলে আপনি কম ঘর্মাক্ত হবেন।

শেভ করুন

গরমে আপনার বগলকে কেশমুক্ত রাখুন। বগল কেশমুক্ত থাকলে আপনি কম ঘর্মাক্ত হবেন। ঘাম থেকে মুক্তির জন্য এটা দারুণ কার্যকর কৌশল। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী এটা উত্তম।


বাইডেনের নির্দেশে সিরিয়ায় বিমান হামলা

বস্তিবাসীকে না জানিয়েই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল

‘তুমি’ বলায় মারামারি, প্রাণ গেল একজনের

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি


খাদ্যাভ্যাস

বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন, খাবারের কারণেও অতিরিক্ত ঘাম হয়। আপনি যদি লক্ষ করেন, তবে দেখবেন, কিছু খাবার খাওয়ার পর ঘাম হয়। তাই এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কেমন খাবার সেগুলো? উষ্ণ ও মসলাযুক্ত খাবার এবং যেগুলোতে উচ্চমাত্রায় চর্বি থাকে। এসব খাবার শরীরকে উষ্ণ করে এবং ঘর্মাক্ত করে। তাই গরমকালে এসব খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।

পানি পান করুন

গরমকালে প্রচুর পানি পান করা দরকার। এটি শরীরকে শীতল রাখে এবং এভাবে শরীর থেকে ঘাম বের হওয়া রোধ করে। সব সময় সঙ্গে পানির বোতল রাখুন এবং প্রতিদিন অন্তত তিন-চার লিটার পানি পান করুন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

অনলাইন ডেস্ক

৭ সন্তান নিতে স্বেচ্ছায় দেড় লাখ ডলার জরিমানা গুনলেন চীনা দম্পতি

বর্তমানে চীনে কোন দম্পতি সর্বোচ্চ দুইটি সন্তান নিতে পারে। এর বেশি হলে নিয়মভঙ্গের দায়ে তাদেরকে জরিমানা দিতে হয়। সেই নিয়মে এক চীনা দম্পতি ৭ জন সন্তান নিয়ে স্বেচ্ছায় জরিমানা দিয়েছেন প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ডলার। খবর সাউথ চায়না মর্নিং পোষ্ট এর।

২০১৫ সাল পর্যন্ত চীনা দম্পতিরা একটি সন্তান নিতে পারতো। এর পর দুই সন্তান নীতি গ্রহণ করে তারা। এর বেশি সন্তান নিতে হলে ‘সোশ্যাল সাপোর্ট ফি’ নামে স্থানীয় সরকারকে জরিমানা প্রদান করতে হয়। এই জরিমানা না দেওয়া হলে দুইয়ের পর থেকে যে সন্তান হয় তারা দেশটির কোন সরকারি কাগজপত্র পায় না।

চীনের দক্ষিণে গুয়াংজং প্রদেশে বাস করেন এই দম্পতি। ঝ্যাং পেশায় স্কিনকেয়ার, গহনা ও কাপড়ের ব্যবসা করেন। তিনি মর্নিং পোষ্টকে বলেন, তাদের যেন একা থাকতে না হয় এ কারণে আগে থেকেই একাধিক সন্তান নেয়ার ইচ্ছে ছিল।

৫ জন পুত্র ও ২ কন্যা সন্তান নিয়ে পেশায় ব্যবসায়ী ঝ্যাং রংরং (৩৪) ও তার স্বামী (৩৯) মোট ৭ জন সন্তানের বাবা-মা। বাচ্চাদের সবার বয়সই এক থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।

ঝ্যাং আরও বলেন, “আমার স্বামী প্রায়ই বাইরে থাকে, তাছাড়া বড় বাচ্চাগুলোও পড়াশোনার জন্য বাইরে থাকে। এসময় আমার বাকি বাচ্চারা আমার কাছে থাকে… যখন আমি বৃদ্ধ হব, তখন তারা সবাই আমাকে দেখতে আসতে পারবে।”


ভূতের আছর থেকে বাঁচতে পৈশাচিক কান্ড

হৃদরোগে মৃত্যুর পরও ফাঁসিতে ঝুলানো হল নিথর দেহ

টিকা নেয়ার ১২ দিন পর করোনায় আক্রান্ত ত্রাণ সচিব

যমজ ভাই অস্ত্রোপচার করে পরিণত হলেন যমজ বোনে


তিনি আরও জানান, দুই বছর আগে তার স্বামী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করায় তারা আর কোন সন্তান নিবেন না। তাছাড়া তার সন্তানেরা যেন স্বচ্ছলভাবে থাকতে পারে তাই তারা তাদের ৭ম সন্তান নেয়ার আগেই নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সারাদেশ ঘুরে গাছের পেরেক তোলেন ওয়াহিদ সরদার

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশ ঘুরে গাছের পেরেক তোলেন ওয়াহিদ সরদার

আবদুল ওয়াহিদ সরদার। বাড়ি যশোর শহরে। ২০১৮ সাল থেকে সারাদেশে গাছের পেরেক তুলছেন। সারাদেশে ২০ হাজার গাছও লাগিয়েছেন তিনি। পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। শুনুন গাছপ্রেমী মানুষটির কথা৷

গাছ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১১ মন ২০ কেজি পেরেক তুলেছেন তিনি। পেরেক তোলার জন্য তার রয়েছে বিভিন্ন লোহার সরঞ্জাম। সাইকেলে করে ঘুরে বেড়িয়ে দেশের নানা প্রান্তের গাছের পেরেক তোলেন তিনি। পেরকে তোলার জন্য তিনি সারাদেশ ঘোরেন। তাই ঘুমানোর জায়গা নেই। যেখানে রাত হয় সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। 


যে শর্ত মানলে ইরানের পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ পাবে আইএইএ

যে সূরা নিয়মিত পাঠ করলে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না

বঙ্গবন্ধুর খুনিকে ফেরত চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আবারও অনুরোধ

নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল


তার সাইকেলের সামনে একটি সাইনবোর্ড আছে। ওই সাইনবোর্ডে লেখা "গাছ বাচঁলে আমরা সবাই বাচঁব"। দেশের সব জেলায যাওয়ার ইচ্ছে আছে তার। তিনি আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। তখন থেকেই তার গাছ আর প্রাণের প্রতি ভালবাসা। 

আবদুল ওয়াহিদ সরদার বলেন, গাছে পেরেক মারলে গাছের গ্রোথ মরে যায়। 

কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক। গাছ না থাকলে মানুষও বাচঁবে না। তাই গাছ রক্ষা করতে হবে। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর