তারা মাস্টার্স পাশ করে ভাবে আমাকে দিয়ে ছোট কাজ মানায় না

আমিনুল ইসলাম

তারা মাস্টার্স পাশ করে ভাবে আমাকে দিয়ে ছোট কাজ মানায় না

বছর দুয়েক আগের কথা। এক মা আমাকে টেক্সট পাঠিয়েছন। সেই মেসেজ এসছে আমার আদার বক্সে।  

আমি মোটামুটি সব মেসেজ'ই পড়ি। হয়ত সেই অর্থে উত্তর দেয়া হয় না। তো, এই মা তার ছেলে'কে নিয়ে খুব'ই চিন্তিত। তিনি আমাকে লিখেছেন 

- আমার ছেলেটা মাস্টার্স পাশ করে তিন বছর ধরে বসে আছে। চাকরি হচ্ছে না। সব সময় কেমন ঝিম ধরে বসে থাকে। কখন কি করে বসে, সব সময় একটা ভয়ের মাঝে থাকি। আপনি কি আমার ছেলেটার সঙ্গে একটু কথা বলবেন? ও আপনাকে অনেক পছন্দ করে।

প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের আশ্বাসে নারীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ, ইউপি সদস্য ধরা

প্রথম ৫ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পর সবাই সুস্থ্য আছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে প্রথম করোনা টিকা নিলেন যে পাঁচজন

এসএসসির প্রকাশিত সিলেবাস বুধ ও বৃহস্পতিবারের মধ্যেই বাতিল

আমি নানান কাজে ব্যস্ত থাকি। সেই অর্থে সময় বের করাই আমার জন্য কঠিন। এরপরও আমি এই ভদ্রমহিলার মেসেজের উত্তর দিয়েছি এবং তার  ছেলের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। মাঝে মাঝেই টেক্সট দিতাম। দুই-একবার মেসেঞ্জারে কথাও বলেছি। 
যতটা সম্ভব চেষ্টা করেছি বিদেশে পড়তে যাবার ব্যাপার তথ্য এবং অন্যান্য বিষয় গুলোতে সাহায্য করার। ছেলেটা এখন বিদেশে পড়াশুনা করছে। কতোটা পড়াশুনা করছে, সেটা বলা মুশকিল। 

যা হয় আরকি। ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য'ই তো বেশিরভাগ মানুষ বিদেশে যায়। সেই হিসেবে ছেলেটা হোটেল-রেস্টুরেন্টে কাজ করে বিদেশে নিজের পড়াশুনার খরচ চালাতে পারছে। নিজের মতো চলতে পারছে। অন্তত ওই হতাশা টুকু নেই।

এই ছেলে সৌভাগ্যবান এই অর্থে- তার বাবা-মা দুইজন'ই চাকরি করে। ছেলের রেজাল্ট তেমন ভালো ছিল না। নিজের খরচেই পড়তে হতো বিদেশে। তারা বাবা-মা'র সামর্থ্য থাকাতে সে বিদেশে চলে আসতে পেরেছে। 

সবার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। বিশেষ করে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যে সব ছেলেমেয়েরা পড়ে, তাদের জন্য তো নিজ খরচে বিদেশে পড়তে যাওয়া খুবই কঠিন। 
তাহলে কেন বছর বছর নতুন করে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হচ্ছে ? 

শুনলাম গত মাসেই তিনটা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি দেয়া হয়েছে। প্রতিটা জেলায় এভাবে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করে আসলে ফায়দাটা কি হচ্ছে? 

মাস্টার্স পাশ করে যদি চাকরি না পেয়ে হতাশায় ভুগতে হয়; তাহলে এতো মাস্টার্স পাশ গ্রাজুয়েটের দরকার কেন? 
আমি গত সপ্তাহে'ই এই দেশের একটা কারিগরি স্কুলে এক্সটার্নাল হিসেবে গিয়েছিলাম। ইউনিভার্সিটি'তে পড়াতে পড়াতে হাঁপিয়ে উঠেছিলাম। একদম গ্রামের মাঝে কি চমৎকার কারিগরি স্কুল। 

আমার সব সময়'ই মনে হতো, এই দেশে তো পড়াশুনা ফ্রি; সেটা স্কুলে হোক কিংবা ইউনিভার্সিটি। তাহলে ছেলে-মেয়ে গুলো শুধু শুধু কেন কারিগরি স্কুলে গিয়ে পড়ে? 

এইবার সুযোগ হওয়াতে জিজ্ঞেস করেছি। ওরা উত্তরে বলেছে 

- শুধু  শুধু এতো পড়াশুনা কেন করবো? যাদের খুব বেশি জানার দরকার, তারা ইউনিভার্সিটিতে যাবে। আমাদের কাজ দরকার। এই জন্য টেকনিক্যাল বিষয় শিখছি। যাতে কম বয়েস থেকেই কাজে লেগে যেতে পারি।  

গিয়ে দেখি অনেক মজার সব সাবজেক্ট। কেউ গাড়ি মেরামত করা শিখছে। কেউ রান্না করা শিখছে। কেউ চুল কাঁটা শিখছে। ইত্যাদি আরও অনেক কিছু। 

এরা স্কুল পর্যায়েই এইসব শিখে। এরপর পাশ করে এইসব কাজে ঢুকে যায়। এরপর যদি কখনো মনে হয়- আরও বেশি পড়তে হবে; তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসে। 

আমাদের দেশে তো কোটি কোটি মানুষ। এদের অনেকেই মধ্যপ্রাচ্চে কাজের জন্য যায়। শুধু মধ্যপ্রাচ্য কেন, ইউরোপ-আমেরিকায় থাকা বাংলাদেশিদের ৮৫ ভাগ'ই তো এইসব কাজ করছে। 

দেশে যদি কেউ এইসব কাজ করতে নাও চায়; অন্তত বিদেশে এইসব কাজ সহজে পাওয়া যাবে; এই বিষয়টা মাথায় রেখেও তো স্কুল পর্যায় থেকেই এইসব শিক্ষা চালু করা উচিত। 

আর আমরা কিনা জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় খুলছি। 
এতো মাস্টার্স ডিগ্রী ধারী দিয়ে আপনারা কি করবেন? 

কিছু ভিসি তৈরি হয়। কেউ দশ টাকায় চপ খাওায়, কেউ আবার বলে বসে- তোমাদের কিন্তু বিয়ে হবে না! 

আর ছেলেপেলে গুলো মাস্টার্স পাশ করে ভাবে- আমি মাস্টার্স পাশ! আমাকে দিয়ে ছোট কাজ করা মানায় না! 

ছোট কাজ করলে দেখা যাবে আত্মীয়-স্বজন বলে বসবে- ছেলেটা মাস্টার্স পাশ করে এইসব করছে! পুরো পড়াশুনাটাই মাটি! 
কি দরকার তাহলে এতো এতো আত্মহত্যা প্রবণ মাস্টার্স পাশ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করার? 

এর চাইতে বরং একদম স্কুল পর্যায় থেকে হাতে-কলমে যেই শিক্ষা পেলে ভবিষ্যতে নিজের এবং দেশের লাভ হবে; সেই শিক্ষা দিন। এতে করে তারা প্রথম থেকেই জানবে- এটা তাদের পেশা হতে যাচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কাজ করতে গেলে অন্তত সঙ্কোচে ভুগবে না। 

ছেলেপেলে গুলো মাস্টার্স পাশ করে ভালো চাকরি না পেয়ে একটা পুরো জীবন হতাশায় কাটিয়ে দেয়। 

আপনারা মাস্টার্স ডিগ্রী দিচ্ছেন; সাথে দিয়ে দিচ্ছেন - ‘মাস্টার্স পাশ’ স্ট্যাটাস! সেই সাথে যে ‘বেকার’ স্ট্যাটাস এসেও ওদের কাঁধে জুড়ে বসছে, সেটা তো আর দেখছেন না। 

একটা আত্মহত্যা প্রবণ, হতাশাগ্রস্ত গ্র্যাজুয়েট জাতি তৈরি করার চাইতে কর্মক্ষম, স্বনির্ভর মানুষ তৈরি করুন।
যে কোনো কাজ করেও যে সফল হওয়া সম্ভব, এই কন্সেপ্ট'ই আমাদে নেই!

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

সমতা এক ভীষণ অসম এবং নি:সঙ্গ লড়াই

সাদিয়া নাসরিন

সমতা এক ভীষণ অসম এবং নি:সঙ্গ লড়াই

পুঁজিবাদের ঘাড় তাজা করা নারী দিবসের কোন গুরুত্ব আমার কাছে আর নেই। তবুও বছরের তিনশো পয়ষট্টি দিনই আমি নারীদের বলতে চাই, সমতার জন্য নারীকেই প্রস্তুত হতে হবে। কোন পুরুষ সমতা এনে নারীর হাতে তুলে দিয়ে বলবেনা,‘এই নাও’। 

এটা আপন যোগ্যতায়, সক্ষমতায়, সাহসে অর্জন করতে হয়। আরেকজনের পকেটে জীবন ঢুকিয়ে রেখে, স্বামীর গাড়ি বাড়িকে ‘আমার’ বলে, সেইফ জোনে বসে বা এসাইলামের ধান্ধা নিয়ে নিজের জন্য সমতার লড়াই করা যায়না। 

সমতা এক ভীষণ অসম এবং নি:সঙ্গ লড়াই। তার জন্য সবার আগে নিজের জীবনটা নিজের হাতে নিতে হয়। নিজের মুক্তির লড়াই নিজেকেই করতে হয়। লড়াই ছাড়া মুক্তি মেলেনা, সমতা আসেনা। "মুক্তি" নিরাপদ আরামে স্নান করার চৌবাচ্চা নয়। সে অপার সমুদ্র। এখানে আছে হাঙ্গর, কুমির আর উত্তাল ঢেউ। 

তবুও জীবন চাইলে প্রতিটি মেয়েকে নিজের যা আছে, যতটুকু আছে তাই দিয়েই এই মুক্তির লড়াই করে যেতেই হবে। সবার আগে লড়াই করতে হবে নিজের সাথে। তোতাপাখির মতো যেসব ন্যাকামো এতোদিন শিখেছে আগে তা ভুলতে হবে। ঘাড়ের উপর মাথাটা শক্ত করে বসাতে হবে। 


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


নিজের খাওয়া পরা সাচ্ছন্দ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভর করে কিভাবে সম মর্যাদা আশা করে মানুষ? দাতা গ্রহীতা কি কখনো এক হয় ? 

পুরুষকেও মুক্ত হতেই হবে। মানুষ হতে হবে। পুরুষকে ভুলে যেতে হবে সে নারীর অন্নদাতা, আশ্রয়দাতা, রক্ষাকর্তা...এসব ভুলে যেদিন পুরুষ নারীর সহযোদ্ধা হতে পারবে সেদিন আমরা একসাথে সত্যিকারের মানব দিবস পালন করবো।

সাদিয়া নাসরিন,উন্নয়ন কর্মী

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রতিটি দিনই অবহেলিত মানুষ দিবস

তসলিমা নাসরিন

প্রতিটি দিনই অবহেলিত মানুষ দিবস

নারী দিবসে আমার আজ আলাদা করে কিছু বলার দরকার নেই। আমার প্রতিটি দিনই নারী দিবস। প্রতিটি দিনই অবহেলিত মানুষ দিবস, প্রতিটি দিনই অবহেলিত পশু  দিবস, অবহেলিত শিশু দিবস, অবহেলিত প্রকৃতি দিবস, আমার প্রতিটি দিনই সত্যের জন্য, সুন্দরের জন্য জেগে ওঠার দিবস, আমার প্রতিটি দিনই অসত্য, অন্যায়, অত্যাচার, অনাচার, অসাম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের দিবস।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমাদের মুক্তির সংগ্রামে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল

শরিফুল হাসান

আমাদের মুক্তির সংগ্রামে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অর্জন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদানের কথা এলেই আমরা কেবল ধর্ষণ আর নিপীড়নের কথা বলি। 

কিন্তু এই ছবিগুলো বলছে আমাদের মুক্তির সংগ্রামে নারীদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। কিন্তু সেই ইতিহাসের কথা আমরা খুব বেশি বলি না। কেবল আন্তর্জাতিক নারী দিবসে না।

সারাবছরই এই ছবিগুলো নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। ‌আমাদের মুক্তির ইতিহাসে নারীর সাহসী এই ভূমিকাকে স্যালুট। জয় বাংলা।

শরিফুল হাসান, উন্নয়নকর্মী

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আজকের দিনটি আসলে পুরুষদের উদ্দেশ্যে

মাসুদা ভাট্টি

আজকের দিনটি আসলে পুরুষদের উদ্দেশ্যে

আজকের দিনটি নারী দিবস হিসেবে চিহ্নিত হলেও আসলে দিনটি পুরুষদের উদ্দেশ্যে এই কথাটিই জোর দিয়ে বলার জন্য যে, বন্ধুরা পৃথিবী থেকে আসুন বৈষম্য দূর করি, আর্ধেক আনন্দ নিয়ে বেঁচে থেকে কী লাভ বলুন? 

আসুন সবাই মিলে পূর্ণ আনন্দে বাঁচি। ভোগী আর ভোগ্যের বিভাজন থেকে বেরিয়ে সমতার পৃথিবীতে এসেই দেখুন, আপনার ভেতরকার অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হয়েই দেখুন, পৃথিবী আসলে সুন্দর। 

আপনি মনে মনে একথা জানেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে আপনি যাকে ক্ষমতায়/শক্তিতে/বৈষম্যে পরাজিত, পদানত, পর্দানত করতে চেয়েছেন তারা আপনাকে শত্রুজ্ঞান করেনি, তারা আপনার পাশে দাঁড়িয়ে, আপনার সংগে থেকে কাজ করতে চেয়েছে সমতার ভিত্তিতে, সমানতর সক্ষমতা নিয়ে। 

আজকের দিনে এসব কথাই আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই আমরা। দিনটি তাই কেবল আমাদের নয়, আপনারও, আমার প্রিয় পুরুষ বন্ধু-পিতা-ভাই-সহকর্মী-সহযাত্রী আপনাদেরও।


বিশ্ব নারী দিবস আজ

নারীর কর্মসংস্থান হলেও বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন

অস্তিত্ব রক্ষায় এখনো সংগ্রামী নারী, তবে আজো ন্যয্যতা আর নিরাপত্তা বঞ্চিত

সাইবার অপরাধের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী নারীরা


আজকের দিনটি নারী দিবস হিসেবে চিহ্নিত হলেও আসলে দিনটি পুরুষদের উদ্দেশ্যে এই কথাটিই জোর দিয়ে বলার জন্য যে, বন্ধুরা পৃথিবী থেকে আসুন বৈষম্য দূর করি, আধেক আনন্দ নিয়ে বেঁচে থেকে কী লাভ বলুন?

 
আসুন সবাই মিলে পূর্ণ আনন্দে বাঁচি। ভোগী আর ভোগ্যের বিভাজন থেকে বেরিয়ে সমতার পৃথিবীতে এসেই দেখুন, আপনার ভেতরকার অপরাধবোধ থেকে মুক্ত হয়েই দেখুন, পৃথিবী আসলে সুন্দর। 

আপনি মনে মনে একথা জানেন যে, সৃষ্টির শুরু থেকে আপনি যাকে ক্ষমতায়/শক্তিতে/বৈষম্যে পরাজিত, পদানত, পর্দানত করতে চেয়েছেন তারা আপনাকে শত্রুজ্ঞান করেনি, তারা আপনার পাশে দাঁড়িয়ে, আপনার সংগে থেকে কাজ করতে চেয়েছে সমতার ভিত্তিতে, সমানতর সক্ষমতা নিয়ে।
 
আজকের দিনে এসব কথাই আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই আমরা। দিনটি তাই কেবল আমাদের নয়, আপনারও, আমার প্রিয় পুরুষ বন্ধু-পিতা-ভাই-সহকর্মী-সহযাত্রী আপনাদেরও।

মাসুদা ভাট্টি, সাংবাদিক, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি 

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কর্ম, নেতৃত্ব, পরিবার, নারী পুরুষের সমান অধিকার

শরিফুল হাসান

কর্ম, নেতৃত্ব, পরিবার, নারী পুরুষের সমান অধিকার

এই তো গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আবারও প্রথম অবস্থানে উঠে এলো। এর মধ্যেই আজ শুনলাম শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি চার জন বিচারক নারী যাচ্ছেন। দারুণ খবর। 

এই চার বিচারকের মধ্যে তিন জন দক্ষিণ সুদানে এবং অন্যজন সোমালিয়ায় অবস্থিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (ইউএনএসওএম) যোগ দেবেন। আইন মন্ত্রণালয় বলছে, এই চার বিচারক জাস্টিস অ্যাডভাইজার হিসেবে বিচার ব্যবস্থার পুনর্গঠন ও উন্নয়নে কাজ করবেন।


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আফসানা আবেদীন, টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরিন মাহবুবাকে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন মানে ৮ মার্চ সকাল সাড়ে ১০ টায় দক্ষিণ সুদানের উদ্দেশে তাঁরা ঢাকা ত্যাগ করবেন। কক্সবাজার জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা জজ) জেবুন্নাহার আয়শা দক্ষিণ সুদান যাবেন আগামী ১৯ মার্চ। আর জামালপুরের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ লুবনা জাহান আগামী ১৫ মার্চ সোমালিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

আমি মনে করি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী বিচারকদের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। পাশাপাশি এ বছর ৮ মার্চের স্লোগান  কর্ম, নেতৃত্ব, পরিবার, নারী পুরুষের সমান অধিকার। আমি মনে করি এই স্লোগানটা অর্থবহ করে তুললেন আমাদের নারী বিচারকরা। কাজেই অভিনন্দন এই চার নারী বিচারককে। অভিনন্দন বাংলাদেশ। শুভ কামনা জগতের সব নারীদের জন্য।

(ফেসবুক থেকে)

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর