আবাদী জমিতে খাল খনন পরিকল্পনা : প্রতিবাদে কৃষকেরা

সরকার হায়দার পঞ্চগড় প্রতিনিধি

আবাদী জমিতে খাল খনন পরিকল্পনা : প্রতিবাদে কৃষকেরা

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া এলাকার কয়েকটি মৌজায় আবাদী জমিতে সরকারের খাল খনন পরিকল্পনার আপত্তি জানিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে কয়েকটি গ্রামের মানুষ। তারা তাদের পৈত্রিক মালিকানার জমিতে  খাল খনন করার বিরুদ্ধে গণ অভিযোগ , মানববন্ধন সহ প্রতিবাদী মিছিল করেছে। এলাকার কৃষকদের দাবি খাল খনন করা হলে অনেকেই জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে। 

এলাকার কয়েকটি গ্রামের অধিবাসীরা বলছেন উর্বর এবং খাঁড়ি জমিতে খাল খনন করা হলে অনেক কৃষক জমিহীন হবে। সেই সাথে পরিবেশেরও ক্ষতি হবে। তারা এই এলাকায় খাল খনন না করতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।  জানাগেছে ১৯৯৯ সালের পানি নীতি এবং ২০০১ সালের পানি ব্যবস্থাপনার আলোকে অংশিজনের অংশগ্রহণে সারাদেশে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় সাকোয়া এলাকার আরাজী শিকার পুর, নগর সাঁকোয়া, খারিজা কাঁটন হারি মৌজায় অবস্থিত সরকারি জমিতে খাল খনন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। কিন্তু এই পরিকল্পনার প্রতি আপত্তি জানিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে কয়েকটি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক অধিবাসী ও তাদের পরিবার। 

তারা বলছেন এই এলাকার ভূল্লি খাল নামক বিরাট এলাকাজুড়ে নাব্য পলিযুক্ত দোয়াশেঁ উর্বর জমিগুলো  বাপ দাদার আমল থেকেই তারা চাষাবাদ করে আসছেন। খারিজা কটনহারী গ্রামের মজিবর রহমান (৭৩) জানান, এখানে প্রতিবিঘা জমিতে বছরে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মণ ধান উতপাদন করেন তারা। প্রতিবছর ৫ থেকে ৬ টন দেশী মাছ উতপাদন হয়।  ঘরের ভাত খাওয়ার পাশাপাশি অন্য জেলাগুলোতেও রপ্তানী করেন তারা। দেশী মাছ নিজে খেয়ে বাজারে বিক্রী করে সংসারের চাহিদা মেটান।

ওবায়দুল কাদের পদের জন্য আত্মসমর্পণ করেছেন : মির্জা কাদের

করোনার মধ্যেও অ্যাপল রাজত্ব

পাঁচ সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন দীঘি

জীবন রক্ষাকারী টিকা নিয়ে গুজব ছড়াবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তিনি বলেন এখানে খাল খনন হলে আমরা নি:শ^ হয়ে যাবো। সাকোয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আসাদ আলী শিকদার জানান, ঘরের ধানের ভাত হয়, মাছ হয় । এই এলাকায় প্রচুর অতিথি পাখি আসে । বর্তমানে এই এলাকায় অত্যন্ত স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ ও সুখি জীবন বিরাজ করছে। তিনি বলেন সাকোয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের পরিবার এবং একটি কুচক্রী মহল ভূল্লি খাল পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে খাল খননের জন্য সম্প্রতি স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে মাইকিং করে বোরো চাষ করতে নিষেধ করে। ওই সমিতিতে খাল খনন এলাকার অধিবাসীরা সদস্য হওয়ার কথা। কিন্তু যাদের জমি তারাই এখনো বিষয়টি জানেনা।  স্থানীয় কৃষকদের দাবী এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দরীদ্র কৃষকেরা ভূমিহীন হয়ে পড়বে। তাদের খাদ্য সংকটও দেখা দেবে।

এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বলছে সিএস রেকর্ডের ম্যাপে দেখা যায় আরাজী শিকার পুর, নগর সাঁকোয়া, খারিজা কাঁটন হারি মৌজায় দুইশ বছর আগে ভূল্লি নদী প্রবাহমান ছিলো। আপ এবং ডাউন এলাকায় নদীটি এখনো প্রবাহমান। শুধু এই তিনটি মৌজার কয়েকটি নদীটি বিলীন হয়ে গেছে। সরকার পুরোনো নদী উদ্ধারের কাজ করছে। সরকার পুরোনো খাল উদ্ধার করে ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দরীদ্র জনগোষ্ঠীকে খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি  বৃদ্ধিতে সহায়তা করার উদ্যোগ নিয়েছে।  এই প্রকল্পের আওতায় সাকোয়ায় ৪ কিলোমিটারের ভূল্লি খাল পানি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বোদা উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর ।

বোদা উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম জানান, সিএস খতিয়ানে পুরো নদীটাই পাওয়া যায়। ৬২ সালের রেকর্ডে আপ এবং ডাউনে নদী থাকলেও মাঝখানে নদীটি নেই । তাহলে নদীটী গেলো কোথায়?  এই প্রকল্প সরকারি জমিতে উপকারভোগীদের নিয়ে একটি সমবায় সমিতির মাধ্যমে বাস্তবায়ন এবং পরিচালিত হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকার অর্ধেক টাকা ব্যায় করবে। বাকি অংশ ব্যায় করবে উপকারভোগীরা শ্রম মূল্যের ভিত্তিতে। 

দশটি শর্ত সাপেক্ষে স্থানীয় অধিবাসীদের নিয়ে সমিতি গঠন করা হয়েছে। সমিতির সদস্যরা খাল পরিচালনার দায়িত্ব পাবে। তারা মাছ চাষ করবে। স্ববজি, ধান সহ নানা ফশল উতপাদন করবে। এই এলাকায় খাল খনন করা হলে বন্যার পানি দ্রুত নি:স্কাশনের পাশাপাশি জীবন মান এবং পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে। সরকারি জমি না হলে খাল খনন হবেনা বলে জানান এই কর্মকর্তা ।     


  news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী করোনায় আক্রান্ত

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী করোনায় আক্রান্ত

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

শুক্রবার তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, শুক্রবারই করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার ফল পজেটিভ জানতে পেরেছি। এখন বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছি।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজক ও সমন্বয়ক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি মেহেরপুর মহকুমার প্রশাসক (এসডিও) ছিলেন। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেন। এ জন্য তাকে বীর বিক্রম খেতাব প্রদান করা হয়।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সুস্থতার জন্য তিনি সবার দোয়া কামনা করেছেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পুরুষশূন্য সালথার কয়েক গ্রাম

অনলাইন ডেস্ক

পুরুষশূন্য সালথার কয়েক গ্রাম

লকডাউন না মানাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরে ৫ মামলায় পুলিশি অভিযানের কারণে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আশেপাশের কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। শুক্রবার (০৯ এপ্রিল) ওই সব এলাকার বাড়ি-ঘরগুলোতে নারী আর শিশু ছাড়া কোনো সদস্য দেখা যায়নি। এ সময় বাড়ির নারী ও শিশুদের চোখে মুখে ভয়ের ছাপ দেখা গেছে। এলাকার পরিস্থিতি এখনও থমথমে। বাইরের মানুষ দেখলেই তারা ভয়ে দৌড়ে সরে যাচ্ছেন।

ফুকরা বাজার এলাকার করিমন বেগম জানান, সব সময় ভয়ে থাকি। আমাদের এখন পুলিশ দেখতে দেখতে সারাদিন কেটে যাচ্ছে। বাড়িতে কোন পুরুষ সদস্য নেই। সবাই পালিয়ে পালিয়ে রয়েছে।
  
নুরজাহান নামে একজন জানান, ওইদিন অন্য এলাকা থেকে লোকজন এসে হামলা করছে। আমাদের গ্রামের কোনো লোক  ওই তিনের হামলায় ছিল না। এখন তো কোনও পুরুষই এলাকায় নেই ভয়ে।

মনির নামে একজন জানান, বালিয়া গট্রি এলাকা ও উপজেলা কেন্দ্রীক এলাকার বাড়িগুলোতে কোনো পুরুষ সদস্য নেই। ঘটনার পর থেকে ওই সব এলাকার লোকজন পলাতক অবস্থায় রয়েছে। কখন কি হয় কেও বলতে পারে না। তাই সবাই ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আলিমুজ্জামান বলেন, সালথায় উপজেলা পরিষদ, এসিল্যান্ড অফিস ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার  পর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশ দিনরাত জোরদার অভিযান চালানো হচ্ছে। বেশির ভাগ এলাকায় পুলিশি অভিযানের কারনে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে এলাকাগুলো। তারপরও পুলিশ তাদের ধরতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় যে জড়িত থাকুক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা পুলিশ নেবে। 

গত ৫  এপ্রিল সালথার ঘটনায় এ পর্যন্ত মামলা হয়েছে পাঁচটি। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ২৬১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ হাজার জনকে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নতুন যে চারটি মামলা হয়েছে তার একটি করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মাতুব্বর। এ মামলায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৭০০ থেকে ৮০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আরেকটি মামলা করেছেন সালথা উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকতা (ইউএনও) মোহাম্মাদ হা‌সিব সরকা‌রের গাড়িচালক মো. হাশমত আলী। এই মামলায় ৫৮ জনের নাম উল্লেখ এবং ৩ থেকে ৪ হাজার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

অপর মামলাটি করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষী সমীর বিশ্বাস। এ মামলায় ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৩ থেকে ৪ হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

আরেকটি মামলাটি করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) গাড়িচালক মো. সাগর সিকদার। এ মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে তিন থেকে চার হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার সালথা থানার এস আই (উপ পরিদর্শক) মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ৮৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং প্রায় চার হাজার ব্যক্তিকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে থানায় হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে প্রথম মামলাটি করেন।

উল্লেখ্য, লকডাউন না মানাকে কেন্দ্র করে গত সোমবার বিকেলে সালথার ফুকরা বাজারে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এসিল্যান্ডের গাড়িতে থাকা সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের। এরপরই বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ সালথা উপজেলা পরিষদ, এসিল্যান্ড অফিস ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাওলানা মামুনুলের রিসোর্ট কাণ্ডে 'পুরুষশুন্য' কয়েক গ্রাম!

অনলাইন ডেস্ক

মাওলানা মামুনুলের রিসোর্ট কাণ্ডে 'পুরুষশুন্য' কয়েক গ্রাম!

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় রিসোর্টে মামুনুল হক এক নারীসহ অবরুদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তার সমর্থকরা সুনামগঞ্জের ছাতক থানায় হামলা ভাঙচুর এবং পাচঁ পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশুন্য রয়েছে উপজেলার কয়েকটি গ্রাম।ওই দিনের সেই ঘটনার পর গত রবিবার রাতে হামলার পর ৯৫ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ৯০০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়।

মামলার পর সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গনেশপুর, রহমতপুর, ছড়ারপাড়, বাহাদুরপুর, পৌর শহরের চরেরবন্দসহ কয়েকটি গ্রাম এখন পুরুষশুন্য। গ্রেফতারের ভয়ে এসব গ্রামের  গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে বসতভিটা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। গ্রেপ্তারের ভয়ে দিনের বেলায় হাতেগোনা কয়েকজন পুরুষকে দেখা গেলেও রাতে সে সংখ্যা নেমে আসে শূন্যের কোটায়। বর্তমানে গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িতে নারী ও শিশুরাই শুধু অবস্থান করছেন।

থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে এলাকাজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারের (ছাতক সার্কেল) নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য ছাতক পৌর শহরসহ গনেশপুর গ্রামে মহড়া দিতে দেখা গেছে। 

ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজিম উদ্দিন জানান, এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে। যারা দোষী নয় তারা গ্রামে আসতে বাঁধা নেই। এ ছাড়া কেউ যেন এসে গ্রামে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে সে জন্যে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার (৩ এপ্রিল) হেফাজতের নেতা মামুনুল হক এক নারীকে নিয়ে সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে যান। এর পরে সেখানে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সে খবর সুনামগঞ্জের ছাতককে ছড়িয়ে পরলে  তার সমর্থকরা মিছিল বের করে পরে মিছিল থেকে  ছাতক থানায় হামলা ভাঙচুর এবং পাচঁ পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনা ঘটে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

হাটহাজারীতে তাণ্ডবের ঘটনায় ৪ জন গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক

হাটহাজারীতে তাণ্ডবের ঘটনায় ৪ জন  গ্রেপ্তার

চট্রগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের নাম প্রাথমিকভাবে জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে এটা নিশ্চিত হওয়া গেছে ধরা পড়া চার জন কেউ হেফাজতের দায়িত্বশীল কেউ নন আর তারা হাটহাজারী মাদ্রাসার ছাত্রও নন।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) আফজারুল হক টুটুল এ বিষয়ে জানিয়েছেন,তাণ্ডবে জড়িত চারজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।

তিনি আরও বলেন, মামলার তদন্ত ও নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা কিছু তথ্য প্রকাশ করছি না।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মামুনুলের পক্ষে স্ট্যাটাস, পদ গেল আরেক ছাত্রলীগ নেতার

অনলাইন ডেস্ক

মামুনুলের পক্ষে স্ট্যাটাস, পদ গেল আরেক ছাত্রলীগ নেতার

মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে এবার রাঙামাটি পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবীর হাসানকে অব্যহাতি দেয়া হয়েছে সংগঠনটি থেকে। এর আগে একই  কারণে পদ হারান কাপ্তাই উপজেলার কাপ্তাই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুককে বহিষ্কার করে কাপ্তাই উপজেলা ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার রাঙামাটি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম আলাউদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক অপুশ্রীং লেপসা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শৃংখলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকায় পৌর ছাত্রলীগ থেকে তাকে স্থগিত করা হল। যদি সে কোনো অন্যায় কাজ করে থাকে, তবে তার দায় পৌর ছাত্রলীগ নেবে না।

রাঙামাটি পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এইচএম আলাউদ্দিন বলেন, আবীর এতদিন ছাত্রলীগ করত, এটাই আমাদের জন্য লজ্জার ও কষ্টের। একের পর এক সরকার ও দেশ বিরোধী স্ট্যাটাস, হেফাজত-মামুনুল-আজহারীর পক্ষে লেখালেখি, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিচ্ছিল সে। ছাত্রলীগ নেতা হয়েও এই ধরণের লেখালেখির কারণে আমরা বিব্রত।

তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের জন্য জেলা কমিটিকে সুপারিশ করেছেন বলেন তিনি।

এদিকে, মামুনুল হকের পক্ষ নিয়ে ‘স্ট্যাটাস’ দেওয়ার কথা স্বীকার করে আবীর হাসান দাবি বলেন, মামুনুল হকের সাথে যেটি হয়েছে আমি তার প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমি তো কারো বিরুদ্ধে কিছু বলিনি।

আবির হাসান বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে মিটার রিডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।


রিসোর্টে যাওয়া সমীচীন হয়নি : মাওলানা মামুনুল

আমি দ্বিতীয় বিয়ে করেছি, তাতে কার কী : মাওলানা মামুনুল হক

ভয়ে মামুনুল চট্টগ্রাম আসেনি: নওফেল


তবে রাঙামাটি বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ কান্তি মজুমদার জানিয়েছেন, আবীরের বিরুদ্ধে আগেই তারা কিছু অভিযোগ পেয়েছেন। তাই গতমাসেই তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সে আমাদের এখানে অস্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিল, এখন আর নেই।

আবীর হাসানের ফেইসবুক পোস্টে গিয়ে দেখা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই সরকার ও দেশবিরোধী নানান স্ট্যাটাস, হেফাজত নেতা মামুনুল হকের পক্ষে অবস্থান, সাংবাদিকদের বিষোদগার করে আসছিলেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর