দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১২তম

অনলাইন ডেস্ক

দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১২তম

সারা বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় সর্বনিন্ম দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। আগের বছর এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ১ নম্বরে আছে যৌথভাবে দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়া। আর কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকার শীর্ষে আছে ডেনমার্ক।

বৃহস্পতিবার বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) কর্তৃক পরিচালিত 'দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২০' এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থান হতাশাব্যাঞ্জক বলে উল্লেখ করেছেন ইফতেখারুজ্জামান। এই স্কোর অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা এখনো উদ্বেগজনক বলেও জানান তিনি।


ওবায়দুল কাদের পদের জন্য আত্মসমর্পণ করেছেন : মির্জা কাদের

করোনার মধ্যেও অ্যাপল রাজত্ব

পাঁচ সিনেমা থেকে বাদ পড়লেন দীঘি

জীবন রক্ষাকারী টিকা নিয়ে গুজব ছড়াবেন না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


সিপিআই ২০২০ অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার নীচের দিক থেকে বাংলাদেশ ১২তম অবস্থানে আছে। যেটা সিপিআই-২০১৯ এর তুলনায় দুই ধাপ নীচে নেমেছে বলে উল্লেখ করা হয়।

১০০ এর মধ্যে ৪৩ স্কোরকে গড় স্কোর হিসেবে বিবেচনায় সিপিআই ২০২০ অনুযায়ী বাংলাদেশের স্কোর ২৬। যা সিপিআই ২০১৮ ও ২০১৯ এর তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া সর্বোচ্চ থেকে গণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম। এক্ষেত্রেও ২০১৯ এর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৩১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ সর্বনিম্ন অবস্থানে এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে একমাত্র আফগানিস্তানই বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত।

সূচক অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ভুটান, দেশটির স্কোর ৬৮। ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার ওপর থেকে এই দেশটির অবস্থান ২৪তম।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। দেশটির স্কোর ৪০। তালিকার ওপর থেকে দেশটির অবস্থান ৮৬তম। ২০১৯ সালের তুলনায় ভারতের অবস্থান ৬ ধাপ এগিয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের ঠিক আগেই পাকিস্তানের অবস্থান। দেশটির অবস্থান ২০১৯ সালের চাইতে এক ধাপ পিছিয়েছে। দেশটির স্কোর ৩১। তালিকার ওপর থেকে দেশটির অবস্থান ১২৪ তম।

মূলত দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে শুধুমাত্র ভুটান ও মালদ্বীপ গড় স্কোর করেছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে মালদ্বীপ। দেশটি ৫৫ ধাপ উন্নতি করেছে। অর্থাৎ ১৩০তম অবস্থান থেকে ৭৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে রাজধানীর  মোহাম্মদপুর থেকে রাত বারোটার পর সাদা পোশাকধারী বাহিনী তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন হেফাজতের ঢাকা মহানগরীর সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং  বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব।

বিস্তারিত আসছে..

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পাহাড়ে বন্য ভাল্লুকের আক্রমণে আহত কৃষক

অনলাইন ডেস্ক

পাহাড়ে বন্য ভাল্লুকের আক্রমণে আহত কৃষক

পাহাড়ে জুম ক্ষেতে কাজ করে ফেরার সময় কৃষক তংতং ম্রো (৩৫) নামে এক কৃষক বন্য ভাল্লুকের আক্রমণে আহত হয়েছে।

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার রুমা উপজেলার গ্যালেংগা ইউনিয়নের আবুপাড়া এলাকায় পাহাড়ে জুম ক্ষেতে কাজ করে ফেরার সময় কৃষক তংতং ম্রো (৩৫) বন্য ভাল্লুকের আক্রমণের শিকার হন। ভাল্লুকের আক্রমণের খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আহত তংতং ম্রো গ্যালেংগা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আবুপাড়ার বাসিন্দা রিতু ম্রোর ছেলে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেনাবাহিনী তাঁকে রুমা থেকে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাসেম জানান, বন্য ভাল্লুকের আক্রমণে এক কৃষক আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহত কৃষককে রাতে বান্দরবান পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রিমান্ড শেষে কারাগারে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল

অনলাইন ডেস্ক

রিমান্ড শেষে কারাগারে ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল

রাষ্ট্রবিরোধী, উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে 'শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীকে দুই দিনের পুলিশি রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গাছা থানা থেকে প্রিজন ভ্যানে করে তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ পাঠানো হয়েছে।

কারাগারের জেলার মো. আবু সায়েম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলার জানান, দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়ার পর পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাবাদের জন্য রোববার দুপুরে রফিকুল ইসলামকে কারগার থেকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন সিটির গাছা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে ১৩ এপ্রিল গাছা  পুলিশ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গাজীপুর আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ওইদিন বিচারক ১৫ এগ্রিল রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন। পরে গাজীপুর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার দু’দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, রাষ্ট্রবিরোধী ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে র‌্যাবের করা মামলায় ৮ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ৭ এপ্রিল রফিকুল ইসলামকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে আটক করে র‌্যাব। পরের দিন গাজীপুরের গাছা থানায় মামলা হয়।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এবার আদালতের সম্মুখে আইনজীবী-পুলিশের বাগবিতণ্ডা (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

এবার আদালতের সম্মুখে আইনজীবী-পুলিশের বাগবিতণ্ডা (ভিডিও)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহযোগী অধ্যাপকের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তার বাকবিতণ্ডা ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এবার এক আইনজীবীর সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। জানা যায়, ওই আইনজীবীর নাম নার্গিস পারভীন মুক্তি। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য তিনি। 

গতকাল সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) প্রবেশের সময় মূল ফটকের সামনে ওই আইনজীবী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার এ বাগবিতণ্ডা হয়।

ঘটনাটির ১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। বাগবিতণ্ডার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা আইনজীবী সমিতি।

ওই ভিডিওতে দেখা যায়, গলায় আইডি কার্ড ঝুলানো ওই আইনজীবীকে এক পুলিশ কর্মকর্তা তার পরিচয় দিতে বলছেন। ওই আইনজীবী আইডি কার্ড দেখালেও তিনি তাকে মুখে পরিচয় দিতে বলছেন।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, ওই নারী আইনজীবী কিছুটা উত্তেজিত হয়ে যান। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ মানুষ। সারা রাস্তা কষ্ট করতে করতে আসছি। আমার গলায় আইডি কার্ড দেখেও পুলিশ পরিচয় দিতে বলছে। এ সময় আশপাশ থেকে দায়িত্বরত কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও কয়েকজন আইনজীবী পরিস্থিতি সামাল দেন।

পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিও অনেক আইনজীবী শেয়ার করেছেন। তারা আদালত এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে একজন আইনজীবীর সঙ্গে পুলিশের এমন ব্যবহারে বিচার চেয়েছেন।

পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার প্রসঙ্গে আইনজীবী নার্গিস পারভীন মুক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি সোমবার ভার্চুয়াল কোর্টে শুনানির জন্য বাসা থেকে বের হই। আমাকে একবার পোস্তগোলা ব্রিজের সামনে পুলিশ সিএনজি থেকে নামিয়ে দেয়। তারপর আমি অনেক পথ হেঁটে রিকশা নিয়ে রায় সাহেব বাজারের সামনে এলে আবারও রিকশা থেকে নামিয়ে দেয় পুলিশ। এরপর হেঁটে সিএমএম আদালতের মেইন গেটের সামনে আসি। তখন আমাকে ভেতরে ঢুকতে দেয় না পুলিশ। জিজ্ঞেস করে আমি কে? অথচ আমার গলায় আইনজীবীর আইডি কার্ড। আমি ওই পুলিশকে বারবার বললাম আমি আইনজীবী, আমার গলায় আইডি কার্ড রয়েছে। তাছাড়া আমি অসুস্থ, অনেক পথ হেঁটে এসেছি। তারপরও আমাকে এভাবে তর্কে জড়ালেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, আমি ভিডিওটি দেখিনি। কী ঘটনা ঘটেছে বা ওই সময় কোন পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্বে ছিলেন তা আমি বলতে পারছি না।

এদিকে ঢাকা আইনজীবী সমিতি এক বিবৃতিতে আইনজীবী মুক্তির সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছে। 

মঙ্গলবার সমিতির সভাপতি আবদুল বাতেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. খন্দকার হজরত আলীর যৌথ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক কার্যকরী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট নার্গিস আক্তার মুক্তি, যার সদস্য নং-১০২৮০। গত ১৯/০৪/২০২০১ ইং তারিখে তিনি বিজ্ঞ সিএমএম আদালতে প্রবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে পরিচয়পত্র দেখানো সত্ত্বেও তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। ঢাকা আইনজীবী সমিতি উক্ত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে বিজ্ঞ আইনজীবীগণ উক্তরূপ বিরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন না হন, এ ব্যাপারে সমিতির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এর আগে, গত রোববার দুপুরে রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় পুলিশ সদস্য ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন এক নারী চিকিৎসক। বাকবিতণ্ডার সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

বাকবিতণ্ডার সেই ভিডিও

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

যে কারণে পুলিশের সাথে ‍যুবকের হাতাহাতি (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে পুলিশের সাথে ‍যুবকের হাতাহাতি (ভিডিও)

করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত চলমান সর্বাত্মক লকডাইনে ফেনিতে মাস্কবিহীন রাস্তায় বের হওয়ায় রিকশা থেকে নামতে বলায় পুলিশের সঙ্গে  শহিদুল ইসলাম নামে এক যুবকের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।  রিকশা থেকে না নামায় শার্টের কলার ধরে যুবককে নামানোর কারণে পুলিশের সঙ্গে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। 

রোববার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ফেনী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বিকেলে শহিদুল ইসলামকে লকডাউন চলাকালীন রাস্তায় বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে পুলিশের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় তিনি পুলিশকে প্রশ্ন করেন এটাকি পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে গেছে নাকি? একপর্যায়ে পুলিশ তাকে মারতে গেলে তিনিও পুলিশকে মারধর করতে থাকেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, ফেনী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে রিকশায় বসে থাকা এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন একাধিক পুলিশ সদস্য। চলমান লকডাউনে মাস্ক পরা ও বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে চলাচল করতে বাধা প্রদান করছিলেন তারা। এসময় ওই যাত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় এবং তাকে রিকশা থেকে নামতে বলেন পুলিশ সদস্যরা। একপর্যায়ে ওই ব্যক্তি উচ্চস্বরে দায়িত্বরত পুলিশদের উদ্দেশে বলে ওঠেন, ‘এই দেশে পুলিশের অনেক ক্ষমতা, না!

এসময় এক পুলিশ সদস্য তাকে জোর করে রিকশা থেকে নামাতে চাইলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একাধারে তিনি পুলিশদের গালাগালি করতে থাকেন। একপর্যায়ে রিকশায় থাকা ওই যাত্রী আক্রমণাত্মক হয়ে উঠলে পুলিশ সদস্যরা তাকে আঘাত করেন। এসময় ওই ব্যক্তিও পুলিশদের পাল্টা আঘাত করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় একাধিক পুলিশ সদস্য তাকে ঝাপটে ধরে হ্যান্ডকাপ পরানোর চেষ্টা করেন।

এসময় তিনি হ্যান্ডকাপ পরতে অস্বীকৃতি জানান এবং গালাগালিসহ এলোপাতাড়ি হাত-পা ছুড়তে থাকেন। একই সময় তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে চিৎকার করে ভিডিও করতে বলেন।

একপর্যায়ে চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্য তাকে হ্যান্ডকাপ পরানোর জন্য জোরপূর্বক মাটিতে ফেলে চাপ প্রয়োগ করেন। এসময় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে তারা আবার ওই ব্যক্তিকে ধরে উঠান এবং হ্যান্ডকাপ পরান। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, পুলিশের সঙ্গে মারামারিতে লিপ্ত হওয়া ওই যুবকের নাম শহিদ। তিনি ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।

ফেনীর পুলিশ সুপার নুরুনবী জানান, এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে একজন উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক ও একজন কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীও ব্যবস্থা নেওয়া হবে

ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ওমর হায়দার বলেন, রোববার মডেল স্কুলের সামনে থেকে শহীদকে আটক করা হয়েছিল। তার মানসিক সমস্যা আছে। তাকে আটক করে হাজতে নেওয়ার সময় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এটাকি পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে গেছে নাকি

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর