প্রবাস ফেরতদের প্রায় ৭০ শতাংশই জীবিকাহীন : আইওএম

অনলাইন ডেস্ক

প্রবাস ফেরতদের প্রায় ৭০ শতাংশই জীবিকাহীন : আইওএম

গত বছর ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে প্রবাস ফেরতদের প্রায় ৭০ শতাংশই জীবিকাহীন বলে জানায় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা- আইওএম।

ব্র্যাকের হিসেব অনুযায়ী লকডাউনের আগে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশের বাইরে থেকে সাড়ে চার লাখ বাংলাদেশি ফিরে এসেছেন। এরমধ্যে দেড় থেকে দুই লাখ প্রবাসী শ্রমিক। তাদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে ৪১ হাজার, আরব আমিরাত থেকে ৩৮ হাজার। মালয়েশিয়া থেকে ১৯ হাজার ফিরে এসেছেন।

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে উপার্জন ব্যবস্থা, সামাজিক সেবা ও স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক সহায়তার নেটওয়ার্কের অভাবে হাজারো অভিবাসী কর্মী প্রবাসে যে দেশে কাজ করছিলেন, সেখান থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ গড়ে একেকজন প্রবাসী তার পরিবারের তিনজন সদস্যকে সহায়তা করে থাকেন।

ওবায়দুল কাদের পদের জন্য আত্মসমর্পণ করেছেন : মির্জা কাদের

করোনার মধ্যেও অ্যাপল রাজত্ব

নতুন প্রেমে মজেছেন ক্যাটরিনা

করোনাভাইরাসের কারণে দেশে ফিরে আসা প্রবাসীরা দেশেও কোনো কাজ করতে পারছেন না। পরিবার নিয়ে চরম অর্থকষ্টে দিনানিপাত করছেন রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। তাদের কেউ কেউ এখন বাধ্য হয়ে পরিবার চালাতে রাজমিস্ত্রি কেউবা মাটি কাটার কাজ করছেন। 

মঈনুল ইসলাম মৌলভীবাজার জেলার বাসিন্দা। দীর্ঘ দুই দশক ধরে আছেন ইংল্যান্ডে। থাকেন সেন্ট্রাল লন্ডন। তিন সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে তাদের পাঁচ জনের সংসার। এই দুই দশকে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে দেশে এসেছেন কয়েকবার। কিন্তু অন্যবারের চেয়ে এবার সম্পুর্ণ আলাদা। করোনা মহামারীর কারণে যেতে সমস্যা হচ্ছে তাদের।

মইনুল ইসলাম জানান, করোনায় সব উলট পালট হয়ে যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিন সপ্তাহের জন্য এসেছিলাম, এখন হয়ে যাচ্ছে প্রায় দুই মাস। ইংল্যান্ডের অবস্থা খারাপ এজন্য টিকেট পিছিয়েছি। আগামী মাসে চেষ্টা করছি যাওয়ার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তত তিন লাখ মানুষ ইউরোপ-আমেরিকাসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকেন। তাদের রক্ত-ঘামে অর্জিত টাকা দিয়েই দেশে পরিবার চলে। কিন্তু এই মানুষগুলোই এখন নিজ দেশে এসে কষ্টে জীবনযাপন করছেন।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকেই কয়েক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরে আসেন। তাদের কেউ কেউ বিদেশে চাকরি হারিয়ে একেবারে চলে এসেছেন, আবার কেউ কেউ ছুটিতে এসে করোনাভাইরাসের কারণে আর ফিরে যেতে পারেননি। প্রবাসে জীবিকার একমাত্র উৎসটুকু হারিয়ে দেশে এসে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের।

জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি- বায়রা মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী  বলেন, ‘ফেরত আসা শ্রমিকদের পুনর্বাসনে দক্ষতা অনুযায়ী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোয় কাজের সুযোগ দিতে হবে। তারা যদি উদ্যোক্তা হতে চান তা হলে তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।’

গত বছরের জুলাইয়ে প্রবাসফেরতদের নিয়ে করা ব্র্যাকের একটি সমীক্ষা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ৫৫৮ জন কর্মীর ওপর পরিচালিত ব্র্যাকের ওই জরিপ বলছে, জরিপে অংশ নেওয়া ৯১ শতাংশ বলেছেন তারা এখনো কোনো সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা পাননি। ৮৭ ভাগ বলেছেন তাদের অন্যকোনো আয়ের উৎস নেই। ৬০ ভাগ বলেছেন তারা যে জমানো টাকা নিয়ে এসেছেন তা খরচ হয়ে গেছে। ৭৪ শতাংশ তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

জনশক্তি রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি- বায়রার মতে, করোনার কারণে দেশে ফিরে চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন অধিকাংশ প্রবাসী শ্রমিক।

গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদ ভবনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে দেশে ফেরা প্রবাসী শ্রমিকদের মানবেতর জীবনযাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির একাধিক সদস্য তাদেরকে আর্থিক প্রণোদনা দেয়াসহ বিকল্প উপায়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার জন্য তাগিদ দেন।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ায় ১৯১ বাংলাদেশি আটক

অনলাইন ডেস্ক

বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ায় ১৯১ বাংলাদেশি আটক

বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ায়  রাজধানী কুয়ালালামপুরের স্তেপাকের নির্মাণাধীন একটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে ২৬৯ বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন পুলিশ। তাদের মধ্যে ১৯১ জন বাংলাদেশি, ইন্দোনেশিয়ান ৪৪ পুরুষ ও ১৩ নারী, মিয়ানমারের ১৮ পুরুষ ও একজন নারী। এ ছাড়া ভিয়েতনামের দুজন নারী রয়েছেন। তাদের বেশির ভাগই ওই নির্মাণস্থলে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় সময় বুধবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ অভিযানে পুলিশ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, সিভিল ডিফেন্স ফোর্স এবং শ্রম বিভাগের প্রায় ১২০ জন কর্মকর্তা ও কর্মী এ সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনা করেন।

আটকদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৬(১)(গ) এবং ১৫(১)(গ) এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩ এর রেগুলেশন ৩৯(বি) এর অধীনে তদন্ত করা হবে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

টেক্সাসেই দাফন হবে পুরো পরিবারের লাশ

অনলাইন ডেস্ক

টেক্সাসেই দাফন হবে পুরো পরিবারের লাশ

৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহরের উপকণ্ঠের একটি বাড়ি থেকে একই পরিবারের ৬ বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অ্যালেন শহরে সেই বাংলাদেশি পরিবারের ৬ সদস্যের লাশ আগামীকাল বৃহস্পতিবার দাফন করা হতে পারে। বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ টেক্সাস ছয়জনের লাশ দাফনের ব্যবস্থা করছে। 

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- যমজ ভাই-বোন ফারহান তৌহিদ ও ফারবিন তৌহিদ, বড় ভাই তানভীর তৌহিদ, মা আইরিন ইসলাম, বাবা তৌহিদুল ইসলাম, তানভীর তৌহিদের নানি আলতাফুন্নেসা। বাবা-মা, বোন ও নানিকে হত্যার পর দুই ভাই আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

ছয়জনের মধ্যে দুজনের মরদেহ স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে অ্যালেন নগরীর পুলিশ। বাকি চারজনের মরদেহ সব প্রক্রিয়া শেষ করে আজ বুধবার হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। 


‘শিশু বক্তা’ কে মুক্তি না দিলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

'শিশুবক্তা' রফিকুল ইসলাম আটক

'শিশুবক্তা' রফিকুল ইসলামের মুক্তির দাবি জানাল মাওলানা মামুনুল হক

নিষ্কৃতি দেওয়ায় আমি সত্যিই আনন্দিত


 

অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ টেক্সাস এর প্রেসিডেন্ট হাশমত মোবীন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিহত তৌহিদুল ইসলামের ভাই ও আইরিন ইসলামের ভাই টেক্সাসে এসেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় জানাজা ও দাফনের সময়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী, অ্যালেন শহরের যে মসজিদে পরিবারটির সদস্যরা যেতেন, সেখানেই তাদের জানাজা হবে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর ছয়জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পার্শ্ববর্তী ডেন্টন শহরের মুসলিম কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।

জানা গেছে নিহতদের সবার বাড়ি পাবনা জেলার দোহারপাড়ায়।এমন ঘটনায় গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনরা কিছুতেই এ অস্বাভাবিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না।

নিহতদের স্বজনরা বাংলাদেশের সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, অন্ততপক্ষে নিহতদের দাফন যেন দেশের মাটিতে করার ব্যবস্থা করা হয়।তবে এ প্রক্রিয়ার সেটি সম্ভব নাও হতে পারে।

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বইয়ের পাতায় হার না মানা মালয়েশিয়া প্রবাসী পাভেল

অনলাইন ডেস্ক

বইয়ের পাতায় হার না মানা মালয়েশিয়া প্রবাসী পাভেল

‘হার না মানা ১০০ তরুণের গল্প’ বইয়ে স্থান পেলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী পাভেল সারওয়ার। এছাড়া তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিন চৌধুরীর গল্পও প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তি ও সামাজিক উদ্যোক্তা পাভেল সারওয়ারের গল্পে ফুটে উঠেছে কীভাবে ময়মনসিংহের অজপাড়া গাঁয়ে জন্ম ও বেড়ে উঠে আজ বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করছেন। কীভাবে তার তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সমাধানের উদ্ভাবন দিয়ে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের একজন পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।

উদ্যমী তরুণদের জীবনের গল্প নিয়ে লেখক মাহবুব নাহিদের সম্পাদনায় ‘হার না মানা ১০০ তরুণের গল্প’ বইটি প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশ করেছে দাঁড়িকমা প্রকাশনী।

আরও পড়ুন


নড়াইলে কৃষকলীগ নেতাকে গুলি, অস্ত্রসহ আটক ২ তরুণ

ভাসানটেকে উদ্ধার লাশ নারী যৌনকর্মীর

সাধারণ রোগীদের জায়গা নেই সরকারি হাসপাতালে

ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের পুঁজিবাজার


যারা বিভিন্ন সংগঠক, উদ্যোক্তা, শিক্ষা উদ্যোক্তা, স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা, কর্পোরেট উদ্যোক্তা, পত্রিকার সম্পাদক বা সাংবাদিকতা কিংবা লেখালেখিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন, কঠিন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে নিজের বলার মতো একটা গল্প তৈরি করেছেন, যে গল্প অনুপ্রাণিত করবে, সাহস দিবে, নতুনদের চলার পথের উপজীব্য হয়ে উঠবে এমন ১০০ জন তরুণের গল্প বইটিতে স্থান পেয়েছে। ২ এপ্রিল বইমেলায় এর মোড়ক উন্মোচিত হয়।

বইমেলায় দাঁড়িকমা প্রকাশনীর স্টলের পাশাপাশি রকমারি ডট কম থেকেও বইটি পাওয়া যাচ্ছে।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

কানাডায় করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি, মৃত্যু ২৩ হাজার ছাড়ালো

লায়লা নুসরাত, কানাডা থেকে

কানাডায় করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি, মৃত্যু ২৩ হাজার ছাড়ালো

কানাডাতেও আবারও নতুন করে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ গেছে ২৩ হাজার ১৪১ জনের। 

কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ ব্রিটিশ কলম্বিয়া, অন্টারিও, মন্টিয়ল এবং আলবার্টাতেও নতুন করে করোনা ভাইরাস বৃদ্ধির খবর পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নতুন করে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিধিনিষেধ মেনে চলার জন্য গুরুত্বসহকারে পরামর্শ দিয়েছেন।

অন্যদিকে, একাধিক সূত্র কানাডার স্থানীয় গণমাধ্যম সিটিভি নিউজ টরন্টোকে নিশ্চিত করেছে যে, অন্টারিও সরকার একটি স্টে-অ্যাট-হোম অর্ডার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে, তবে আদেশটি প্রদেশব্যাপী জারি করা হবে বা অঞ্চলগতভাবে কার্যকর হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়।

অন্টারিওতে গত পাঁচ দিনে প্রায় ১৫ হাজার নতুন কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে এবং আইসইউতেও নতুন রোগীদের চাপ বাড়ছে।

মঙ্গলবার অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ফোর্ড বলেন, আমরা খুব দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার জন্য আরও বিধিনিষেধ আনতে যাচ্ছি। এবং আবারও আমরা টরন্টোর তিনটি অঞ্চল, ইয়র্ক, পিল, কোভিডের ক্ষেত্রে যেখানে ৬০ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে সেখানে আমাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে হবে।


ভাসানটেকে উদ্ধার লাশ নারী যৌনকর্মীর

ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের পুঁজিবাজার

করোনায় মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

সাধারণ রোগীদের জায়গা নেই সরকারি হাসপাতালে


অন্যদিকে, কানাডায় ভ্যাকসিন সরবরাহ নিয়ে ফেডারেল সরকারের প্রতি আবারও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড। গত সপ্তাহে ভ্যাকসিন সরবরাহে আবারও বিলম্ব হওয়ার খবর শোনার পর তিনি একে তামাশা বলে মন্তব্য করেন। সরবরাহ বিলম্বের বিষয়টি ফেডারেল এমপিদের জানাতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান ডগ ফোর্ড। 

উল্লেখ্য, গতবছর কানাডায় সর্বপ্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ২০ হাজার ৮ শত ৯৩ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩ হাজার ১৪১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৩৭ হাজার ৪৫৬ জন। 

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জেদ্দার নতুন কনসাল জেনারেল নাজমুল হক

মোহাম্মদ আল-আমীন, সৌদি আরব থেকে

জেদ্দার নতুন কনসাল জেনারেল নাজমুল হক

মোহাম্মদ নাজমুল হক

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটে নতুন কনসাল জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মদ নাজমুল হক। বর্তমানে তিনি বার্মিংহামে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখান থেকে আগামী ১১ এপ্রিল তিনি জেদ্দায় কনসাল জেনারেল হিসেবে যোগ দেবেন।

মোহাম্মদ নাজমুল হক গণমাধ্যমকে জানান, নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে আগামী ১০ এপ্রিল তিনি বার্মিংহাম থেকে সৌদি আরবের জেদ্দায় পৌঁছাবেন।

আড়াই বছর ধরে বার্মিংহামে সহকারী হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন নাজমুল হক। এর আগে তিনি ওয়াশিংটন, মেক্সিকো সিটি ও ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিশনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন। এবারে তিনি কনসাল জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করবেন সৌদি আরবের জেদ্দায়।


ভাসানটেকে উদ্ধার লাশ নারী যৌনকর্মীর

ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে দেশের পুঁজিবাজার

করোনায় মারা গেলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী ইন্দ্রমোহন রাজবংশী

সাধারণ রোগীদের জায়গা নেই সরকারি হাসপাতালে


মোহাম্মদ নাজমুল হকের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বানছারামপুর উপজেলায়। তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। নাজমুল হকের স্ত্রী রাশেদা রওনক খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর