সমালোচনার জবাবে নায়ক রিয়াজের দীর্ঘ স্ট্যাটাস

অনলাইন ডেস্ক

সমালোচনার জবাবে নায়ক রিয়াজের দীর্ঘ স্ট্যাটাস

চট্টগ্রামের রাস্তাঘাটকে ইউরোপের সঙ্গে তুলনা করে বক্তব্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রলের শিকার হয়েছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিমের পক্ষে প্রচারে যান রিয়াজ।

সেদিন রিয়াজ চট্টগ্রামের সড়ক দেখিয়ে বলেছিলেন– এটি বাংলাদেশের নয়, ইউরোপের কোনো রাস্তা। এ বক্তব্যের পর পরই তাকে নিয়ে নানা সমালোচনা, ট্রল ও মিমে মেতে ওঠেন কিছু ফেসবুক ব্যবহারকারীরা।

বিমানে উড়ে গিয়ে চট্টগ্রামের রাস্তার উন্নয়নের কথা কী করে বলছেন রিয়াজ- সে প্রশ্ন তোলেন নেটিজেনরা। এরপর কিছু অনলাইন গণমাধ্যমেও রিয়াজের বক্তব্য নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

যদিও রিয়াজের দাবি– তার এই বক্তব্য ফেসবুক ও কিছু অনলাইন পোর্টাল বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভাইরাল করা হয়েছে। যে কারণে ট্রল ও অশালীন ভাষায় আক্রমণের শিকার হয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় হতবাক ও হতাশ হয়েছেন রিয়াজ।

তার মতে, যারা একজন রাজাকারকে চাঁদে দেখতে পায়, তারাই ফেসবুকে এই অশ্লীল আক্রমণ করছেন। 

২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাস দেন রিয়াজ। সেখানে তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের পুরোটাকে ইউরোপের রাস্তা বলেননি। মেরিন ড্রাইভটিকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেছিলেন।


সঙ্গমে রাজি নয় ষষ্ঠ স্ত্রী, সপ্তম বিয়ের জন্য কনে খোঁজছে ৬৩ বছরের বৃদ্ধ

এমপি পাপুলের চার বছরের সাজা কুয়েতের আদালতে

সাতক্ষীরায় দুই মামলায় রিজেন্ট সাহেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন


রিয়াজের সেই স্ট্যাটাস পাঠকের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো– 

 ‘গত রোববার আমি আমার কিছু সতীর্থ তারকার সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী ভাইয়ের নির্বাচনী প্রচারণাতে অংশ নিতে যাই। এয়ারপোর্ট থেকে নেমে মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে আসার সময় মনে হয়, এত বাংলাদেশের নয়; ইউরোপের কোনো রাস্তা। অত্যন্ত হর্ষ ও গর্ববোধ করি এ নিয়ে। এর পর সারাদিন ধরে চলে উৎসবমুখর এবং স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনী প্রচারণা। আর সবসময়ের মতোই চট্টগ্রামের মানুষের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হই। চট্টগ্রামের মানুষের হৃদয় অনেক বড় ও তারা মানুষকে অনেক সম্মান করেন। সারাদিনের প্রচারণা শেষে ঢাকা এসে আমি ক্লান্ত হয়ে দুদিন বিশ্রাম নিই। বিশ্রাম শেষে ফেসবুক তথা সামাজিক গণমাধ্যমে এসে দেখি তুঘলকী কাণ্ড!’

‘কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে বলা হয়েছে, আমি নাকি বলেছি– আমার কাছে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার ‘পুরো রাস্তাটাই’ ইউরোপের রাস্তা বলে মনে হয়েছে। ভুঁইফোড় অনলাইন মিডিয়াগুলোর প্রধান কাজই মানুষের বক্তব্যকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে কিছু ক্লিক কামানো– এটিই তাদের রুজিরুটি। প্রথমত আমি প্রশ্ন করতে চাই– আমার এই বক্তব্যের ভিডিও সবখানে আছে, আমাকে দেখাতে পারবেন সেই ভিডিওতে আমি কোথায় বলেছি যে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে ‘পুরো রাস্তাটাই’  ইউরোপের রাস্তা বলে মনে হয়েছে?’

রিয়াজ আরও লেখেন, ‘আমি একটি নির্বাচনী প্রচারণার মাঝখানে ছিলাম, প্রচণ্ড ব্যস্ত ছিলাম, একটি উৎসবমুখর পরিবেশের উত্তেজনাতে ছিলাম। সেখানে একটি ঝটিকা স্পট ইন্টারভিউতে তো আমার এত ডিটেইলস বলা সম্ভব নয় যে- এয়ারপোর্ট থেকে নেমে মূল শহরে আমি চট্টগ্রাম মেরিন ড্রাইভ রোড করে আসি এবং সেই রাস্তাটিকে আমার উন্নত বিশ্বের রাস্তার মতোই মনে হয়। আপনাদের এই ধরনের কাজে আমি আসলেই হতবাক। আমার কিছুই বলার নেই। কিন্তু এই সুযোগটিকে কাজে লাগায় একটি বিশেষ মহল। তারা আমার নিউজটিকে নিয়ে শুরু করে অশালীন এবং অসভ্য ভাষার আক্রমণ। 

একটি সংঘবদ্ধ চক্র এটিকে ভাইরালও করে। অন্য কোনো সময় হলে কিংবা অন্য কেউ হলে আমার আসলেই হয়তো অনেক রাগ উঠত। কিন্তু আমার এই মুহূর্তে খুব হাসি পাচ্ছে। হাসি পাচ্ছে কারণ– যারা এই অশ্লীল আক্রমণগুলো করছেন, তাদের সিংহভাগই হলো সেই কুচক্রী মহলের লোক, যারা নাকি একজন রাজাকারকে চাঁদে দেখতে পায়। এরা রাজাকারকে চাঁদে দেখার গুজব ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ান, স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় থেকে আজ অবধি এরা বাংলার সহজ-সরল মানুষগুলোকে বিভ্রান্তি এবং গুমরাহির মাঝে ফেলে দিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করে চলেছেন। দেশকে প্রতিনিয়ত পেছনের দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলোকে এরা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। যারা দেশের এতবড় সর্বনাশে লিপ্ত, তাদের গুজবের ব্রহ্মাস্ত্রের কাছে আমি রিয়াজ এক তুচ্ছ বলি। তাই সত্যিকার অর্থে আমি চিন্তিত আমাকে নিয়ে নই, দেশের সরল মানুষগুলোকে নিয়ে।’

এর পর রিয়াজ প্রশ্ন ছুড়েন, ‘আমি নেটিজেনদের কাছেও একটি প্রশ্ন রাখতে চাই। বাংলাদেশকে কি আপনারা এখনও এতই ফেলনা মনে করেন? আপনাদের কি মনে হয় বাংলাদেশে আসলেই এমন কোনো সড়ক কিংবা স্থাপনা নেই, যা উন্নত বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে? নিজ দেশের প্রতি আপনাদের কি এতটুকুও আস্থা নেই? এই আপনাদের দেশপ্রেম কি এতই নড়বড়ে যে, কিছু কুচক্রী গুজববাজের কথা শুনে আপনারা বিভ্রান্ত হবেন? না ভাই, বাংলাদেশ এখন আর সেই তলাবিহীন ঝুড়ি নেই। 

রিয়াজের অনুরোধ– ‘এসব গুজববাজের কথায় কান দেবেন না। এরা দেশের শত্রু, এরা আপনার শত্রু। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দিক, মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের প্রিয় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে রক্ষা করুক এসব গুজববাজের হাত থেকে। আর উন্নয়নের মহাসড়কে দেশ এভাবেই এগিয়ে যাক বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে। জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!’

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে গডজিলা-কংয়ের লড়াই

অনলাইন ডেস্ক

বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে গডজিলা-কংয়ের লড়াই

করোনাভাইরাসের ঝড়ে আক্রান্ত বৈশ্বিক অর্থনীতি। এর আঁচ লেগেছে বড়পর্দার জগতেও। অনেকেই এই মহামারিতে পিছিয়ে দিচ্ছেন ছবি মুক্তির দিনক্ষণ। তবে এই মহামারির মধ্যেও হলিউডে ঝড় তুলেছে ‘গডজিলা ভার্সেস কং’ ছবিটি।

অ্যাডাম উইংগার্ড পরিচালিত সায়েন্সফিকশন ও অ্যাকশন চলচ্চিত্র 'গডজিলা বনাম কং'। কিং কং ফ্র্যাঞ্চাইজির ১২তম সিনেমাটি মুক্তির প্রথম পাঁচ দিনেই আয় করে নিয়েছে ৪৮.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

শ্রেঠত্বের লড়াইয়ে জেতার যুদ্ধে বিশালাকার দুইটি প্রাণীর এই সিনেমাটি পুরো দুনিয়াজুড়ে এখন পর্যন্ত আয় করেছে ২৮৫.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে চীন থেকে ৪৪.২ মিলিয়ন ডলার।


আরও পড়ুনঃ


শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের নিয়েই হবে প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্য

বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ


ফ্র্যাঞ্চাইজ এন্টারটেইনমেন্ট রিসার্চ পরামর্শদাতা ডেভিড এ গ্রস গণমাধ্যমকে জানান, 'করোনার এই সময়েও সিনেমাটি প্রথম দিন থেকেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশেরও বেশি প্রেক্ষাগৃহ খুলে দেওয়ার পেছনেও বেশ বড় ভূমিকা রেখেছে এই সিনেমা। যদিও নিউইয়র্ক সিটি এবং লস অ্যাঞ্জেলেসসহ অনেকগুলো জায়গাতেই স্বাস্থ্যবিধির নানা জটিলতায় অনেক প্রেক্ষাগৃহ এখনো খোলা সম্ভব হয়নি৷ তাহলে লাভের পরিমাণটা আরও বড় হতো।'

করোনা পরবর্তী সময়ে মুক্তি প্রাপ্ত 'ওয়ান্ডার ওম্যান ১৯৮৪'-কেও পেছনে ফেলেছে ছবিটি। বর্তমানে বক্স অফিস তালিকার শীর্ষে রয়েছে ছবিটি।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মা–বাবার পাশে দাফন করা হলো মিতা হককে

অনলাইন ডেস্ক

মা–বাবার পাশে দাফন করা হলো মিতা হককে

স্বনামধন্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হককে কেরানীগঞ্জের বড় মনোহারিয়ায় জানাজা শেষে মা–বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। আজ রোববার জোহরের নামাজের পর তাকে দাফন করা হয়।

বেলা ১১টায় তাঁর মরদেহ নেওয়া হয় ছায়ানট সংস্কৃতি–ভবনে। সেখানে ফুল দিয়ে মিতা হককে শেষ শ্রদ্ধা জানান তাঁর সহকর্মী, স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহীরা।

মিতা হক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

চার দিন আগে করোনার নমুনা পরীক্ষা করিয়ে দেখা যায়, তিনি করোনামুক্ত।


খালেদা জিয়াসহ ফিরোজা বাসভবনের সবাই করোনায় আক্রান্ত, চলছে চিকিৎসা

ভ্যাকসিন নিয়ে পাইলট-কেবিন ক্রুরা ৪৮ ঘণ্টা ফ্লাইটে যেতে পারবেন না

মাদরাসা ও মসজিদ লকডাউনের আওতামুক্ত রাখার দাবি


তাঁকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অসুস্থতা বোধ করলে তাঁকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়। আজ ভোর ৬টা ২০ মিনিটে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

রাষ্ট্রপতি আজ এক শোকবার্তায় মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

রাষ্ট্রপতি বার্তায় বলেন, বাংলাদেশে রবীন্দ্রচর্চা ও রবীন্দ্রসংগীত সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মিতা হকের প্রচেষ্টা মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই

করোনা পরবর্তী শারীরিক জটিলতায় মারা গেলেন দেশের জনপ্রিয় বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

মিতা হকের জামাতা অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন বিষয়টি নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, মিতা হক সকাল ৬.২০ এ চলে গেলেন। চলেই গেলেন। সবাই ভালোবাসা আর প্রার্থনায় রাখবেন।

মিতা হকের ননদাই শিল্পী সোহরাব উদ্দিন জানান, গত ২৫ মার্চ মিতা হকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এ কয়েকদিন তিনি বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন। গত ৩১ মার্চ তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসার পর করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসে। পরে তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি কিডনির রোগী হওয়ার কারণে তা‌কে ডায়লাইসিস করতে হতো। 

শনিবার ডায়লাইসিসের সময় তার প্রেশার ফল করে। এরপর তাকে বাসায় নেওয়ার পরও প্রেশার ফল করে। সে সময় হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকরা জানান, মিতা হক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। অবস্থার অবনতি দেখে মিতা হককে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। কিন্তু তবুও শেষ রক্ষা হলো না। সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন তিনি।

আরও পড়ুন


ভূমিকম্পে ইন্দোনেশিয়ায় শতাধিক ভবন ধস, নিহত ৮

ইউক্রেন সীমান্তে ‘ইস্কান্দার’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে রাশিয়া

কি এমন দোয়া যা বিপদে পড়লেও করতে নিষেধ করেছেন প্রিয় নবী

রমজানুল মোবারক শুরুর আগে যে ১১ প্রস্তুতি নেয়া জরুরি


মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে। তিনি বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

তিনি সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীত প্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকে হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

মিথিলার আইরাকে নিয়ে সৃজিত লিখেছেন, ‘প্রাউড আব্বু’

অনলাইন ডেস্ক

মিথিলার আইরাকে নিয়ে সৃজিত লিখেছেন, ‘প্রাউড আব্বু’

আইরা মিথিলা ও তাহসান দম্পতির একমাত্র মেয়ে। বর্তমানে পড়াশোনা করছে কলকাতার একটি স্কুলে। তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং সৃজিত মুখার্জিকে বিয়ের পর সৃজিত-মিথিলার সঙ্গেই থাকে আয়রা। 

সৃজিত তার ইনস্টাগ্রামে দুটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে দুটি সার্টিফিকেট এবং দুটি পুরস্কার দেখা গেছে। এগুলো আইরা পেয়েছে তার স্কুলের প্রতিযোগিতা থেকে। বাবা হিসেবে আয়রাকে নিয়ে বেশ গর্ব করছেন সৃজিত। ছবির ক্যাপশনে তাই লিখেছেন, ‘প্রাউড আব্বু’।

আইরা কখনো বাংলাদেশ, কখনো ভারত, এই করে দিন কাটাচ্ছে। মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশ বেড়াতে আসে। কিন্তু মেয়ের ভবিষ্যতের ব্যাপারে এক বিন্দু ছাড় দিতে চান না এ দম্পতি। তাইতো মেয়েকে ভর্তি করিয়েছেন কলকাতার একটি নামিদামি স্কুলে। 

আরও পড়ুন


ইতিহাসের সত্য না বলা অপরাধ: মির্জা ফখরুল

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে আরও এক মামলা

শরণখোলায় ডায়রিয়ার প্রকোপ, শতাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি


আইরা নিজের পছন্দে বেড়ে উঠুক, এটাই চাওয়া সৃজিতের। তাই তার ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দিতে চান না তিনি। 

এদিকে অমর একুশে গ্রন্থ মেলায় প্রকাশ হয়েছে মিথিলা ও আইরার ভ্রমণ বিষয়ক বই। ‘আইরা আর মায়ের অভিযান’ শিরোনামের বইটি প্র্রকাশ করেছে ‘লাইট অব হোপ’ নামের একটি সংস্থা। বইটিতে মা-মেয়ের ভ্রমণকাহিনি তুলে ধরা হয়েছে গল্পের আকারে। 

news24bd.tv / কামরুল

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আক্রান্ত তপন চৌধুরী, চিকিৎসা নিচ্ছেন বাসায়

অনলাইন ডেস্ক

আক্রান্ত তপন চৌধুরী, চিকিৎসা নিচ্ছেন বাসায়

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দেশের স্বনামধন্য গায়ক তপন চৌধুরী। গতকাল শুক্রবার (৯ এপ্রিল) করোনা পরীক্ষার ফলাফল পজিটিভ এসেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আজ শনিবার গণমাধ্যমকে তপন চৌধুরী জানান, ‘আমি বাসা থেকে চিকিৎসা নিচ্ছি। আমাকে নিয়ে পরিবারের সবাই দুশ্চিন্তা করছে। আমি কীভাবে সংক্রমিত হয়েছি জানি না। তবে, আমি ভালো আছি। আমাকে আপনাদের ভালোবাসায় রাখবেন।’

তপন চৌধুরী কানাডায় প্রবাস যাপন করলেও গানের টানে, শিল্পের টানে বছরের অনেকটা সময় দেশে ছুটে আসেন। এবারে এই করোনা মহামারির দাপটে পরিবারসহ সবার সুরক্ষার কথা চিন্তা করেই কানাডাতে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে গাওয়ানোর আমন্ত্রণ পেয়ে দেশে এসেছিলেন।

আরও পড়ুন


মৃত্যুই যখন একমাত্র খবর

কবরীর পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে বুঝতে আরও দু’দিন লাগবে বলছেন চিকিৎসকরা

ঝিনাইদহে ২৫০ শয্যা হাসপাতালের উদ্বোধন

লালমনিরহাটে আ.লীগ নেতার বোনের বাড়িতে হামলা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া


ভেবেছিলেন দেশের এই স্মরণীয় সময়টাতে নিজের গান নিয়ে হাজির থাকবেন মঞ্চে। অথচ দেশে এসে গান গাওয়ার সুযোগ পাননি।

আক্রান্ত হলেন করোনায়। অভিমান নিয়ে তিনি জানালেন, বর্তমানে বাসায় বসেই করোনা থেকে মুক্তির চিকিৎসা নিচ্ছেন তপন চৌধুরী।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর