পাপুলের মাধ্যমে সরকারের দুর্নীতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

পাপুলের মাধ্যমে সরকারের দুর্নীতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল: রিজভী

কুয়েতের আদালতে মানব ও অর্থপাচারের মামলায় লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের সাজার ঘটনায় সরকারের দুর্নীতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। 

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, সরকারের টনক না নড়লেও এটি দেশের জন্য লজ্জার। বর্তমান রাতের ভোটের সরকার এর দায় এড়াতে পারে না। তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া পাপুলের মতো এমপিরা বেপরোয়া দুর্নীতি করার সাহস পেতো না।

বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, পাপুলের স্ত্রী, কন্যা ও শ্যালিকার বিরুদ্ধেও শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হওয়ার পর দুদক ও সরকারের ভূমিকা কিছুদিন আগে জাতির কাছে পরিষ্কার হয়েছে। মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগে যেখানে বিরোধীদলের শীর্ষ নেতাদের জামিন দেয়া হয় না, নানাভাবে হয়রানি করা হয়। সেখানে সরকারের নির্দেশে নিম্ন আদালতেই তাদের জামিন দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


ঘরে বসেই এইচএসসির ফল পাবেন যেভাবে

এইচএসসির ফল আগামীকাল

আমাকে গ্রেপ্তার করা ‘সাজানো নাটক’ দাবি সাহেদের

সায়নী ঘোষকে ‘যৌনকর্মী’ বলে আক্রমণ সাংসদের


গতকালও টিআইবির রিপোর্ট বলা হয় দুর্নীতির ধারণা সূচকে আগের বছরের তুলনায় আরও দুই ধাপ নিচে নেমেছে বাংলাদেশ। এ তথ্য উল্লেখ করে রিজভী বলেন, আমরা আগেও বলেছি দুদক হলো বিরোধী দল নির্যাতনের হাতিয়ার আর সরকারি দলের দুর্নীতি ধোয়ার মেশিন। মূলত গণতন্ত্রহীনতার কারণেই বর্তমানে দেশে দুর্নীতি মহামারি আকার ধারণ করেছে।

রিজভী আরও বলেন,আসলে আওয়ামী নেতারা আত্মমুগ্ধ, চাটুকারদের প্রতি খুব বেশি সংবেদনশীল আর লোভ আছে অতি মাত্রায়। যে কারণে তারা চোখ থাকতেও অন্ধ হয়ে আছে শুধুমাত্র ক্ষমতার রুটির ভাগের জন্য।

কুয়েতের বহুল আলোচিত অর্থ ও মানবপাচার মামলায় লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। বৃহস্পতিবার দেশটির ফৌজদারি আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল ওসমান এ রায় ঘোষণা করেন।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আপনারা কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন?: পুলিশের উদ্দেশে নুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

আপনারা কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন?: পুলিশের উদ্দেশে নুর

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার হারুন অর রশীদকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক। 

তিনি বলেন, পুলিশকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কি ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগ? আওয়ামী লীগ-বিএনপি ক্ষমতায় আসবে-যাবে, সময়ের সঙ্গে অনেকে বিলীন হয়ে যাবে, কিন্তু আপনারা যেদিন চাকরিতে ঢুকেছেন, সেদিন থেকে অবসরের আগপর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আপনারা কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছেন?’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলসহ চার দফা দাবিতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। ছাত্র অধিকার পরিষদ আজ বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই সমাবেশের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার টিস্যুর মতো যখন যাকে প্রয়োজন ব্যবহার করবে, তারপর ছুড়ে ফেলে দেবে। অনেককেই তারা ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। বিনা ভোটের সরকারকে ক্ষমতায় রাখতে গিয়ে আপনারা নিজেদের কলঙ্কিত করছেন, স্বকীয়তা নষ্ট করছেন। দলীয়করণ করতে করতে এই সরকার রাষ্ট্রকাঠামোকে ভেঙে ফেলছে। অনেকেই বলছেন যে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ এখন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনে পরিণত হয়েছে। এই দায় বর্তমান বিনা ভোটের সরকার ও তাদের সুবিধাভোগী কিছু কুচক্রীর। এই সরকার যা করছে, তাতে তারা আর টিকতে পারবে না, গায়ের জোরেও টিকতে পারবে না। তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। জনগণ রাজপথে নেমে আসছে।

নুরুর সংগঠনের চার দফা দাবিগুলো হলো-শাহবাগে গত শুক্রবার মশাল মিছিল থেকে আটক সাতজন শিক্ষার্থী, রোববার টিএসসি থেকে আটক তিন শিক্ষার্থীসহ আটক সব শিক্ষার্থীর নিঃশর্ত মুক্তি; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, লেখক মুশতাক আহমেদ ‘হত্যার’ সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সব ধরনের পুলিশি হয়রানি বন্ধ করা, শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণ বাক্স্বাধীনতা ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করা।


পুলিশকে কেন প্রতিপক্ষ বানানো হয়, প্রশ্ন আইজিপির

আমাকে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে: সামিয়া রহমান

বিমা খাতে সচেতনতা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও প্রচার প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী

পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেললো বাংলাদেশ


সমাবেশ শেষে রাজু ভাস্কর্য থেকে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, টিএসসি ও শাহবাগ ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।

কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ও সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, কর্মী আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি: শামীম ওসমান

অনলাইন ডেস্ক

আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি: শামীম ওসমান

আওয়ামী লীগ এখন গাছের পাতায় পাতায় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

তিনি বলেছেন, এটা খুবই বিপদজনক ব্যাপার। এটা যদি রাজনীতিবিদদের হাতে থাকত তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু এটা যদি প্রফেশন হয়ে যায় তাহলে খুব মারাত্মক ব্যাপার।

‘আমি মনে করি প্রফেশনাল হিসেবে যারা আছেন তাদের সবচেয়ে বড় কাজ হচ্ছে আপনার প্রফেশনে আপনি সাকসেসফুল কিনা সেটা লক্ষ্য রাখা। আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী সেটা দেখার দরকার নেই। শুধু একটা জিনিস দেখতে হবে যে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কিনা।’

সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত পুলিশ মেমোরিয়াল ডে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শামীম ওসমান বলেন, আমি এই কথাগুলো বললাম কারণ আমার চলে যাওয়ার সময় এসেছে। আমি প্রতিদিন মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকি। যদিও আমার মৃত্যু আজ থেকে বিশ বছর আগে ১৬ জুন হয়ে গেছে। আমার ডানে বায়ে যারা ছিল সবাই মারা গেছে। আমি যে সাক্ষী দিয়েছি সে সাক্ষীও বদলে দেওয়া হয়েছে এবং সেটা আমার সরকারের আমলেই। আমি কোর্টে তা ডিনাই করে এসেছি।

আরও পড়ুন:


রাঙামাটিতে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক

৭৫০ মে.টন কয়লা নিয়ে জাহাজ ডুবি, শুরু হয়নি উদ্ধার কাজ

তিনি আরও বলেন, আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার। আমরা সবাই এখানে পরীক্ষা দিতে এসেছি পরীক্ষা দিচ্ছি। আমাদের রেজাল্ট দেখবেন আমাদের সৃষ্টিকর্তা। আমি পুলিশ ভাইদের বলতে চাই মানুষ আপনাদের কাছে অনেক কিছু আশা করে। তা পূরণ করবেন কী করবেন না আপনাদের ইচ্ছা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জীবনে কোনো কৈশর ও যৌবন নেই। গতকাল ষাট বছরে পা দিয়েছি। জীবনটা খুব ছোট। জীবন একবারের জন্যই আসে দুইবার আসে না। তো আমি এই জীবনটাতে কী করলাম। বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুই ধরনের মানুষ আছে। একধরনের মানুষ আবেগ দিয়ে রাজনীতি করে। আরেক ধরনের মানুষ তাদের মাথার বুদ্ধি দিয়ে। যারা আবেগ দিয়ে করে তাদের জন্য রাজনীতিটা খুব কঠিন হয়ে যায়। আবেগ না থাকলে কোনো মুক্তিযোদ্ধা কী যেত যুদ্ধ করতে। বাঁশ দা-কুড়াল নিয়ে পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিল তারা। আমি দেখেছি আমার বাবা যখন নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বল্লম দা নিয়ে তারা উদ্যত হয়েছিল। একজন বঙ্গবন্ধুর কারণেই এই বিষয়টা সম্ভব হয়েছে।

হাদীসের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, আমি যদি অবৈধ কাজ করি আমার ছেলে-মেয়েও হাশরের ময়দানে আমাকে চিনবে না। সুতরাং আমি এমপি গাজী ভাই মন্ত্রী আমাদের এ সম্মান আল্লাহ দিয়েছেন। সব ধর্মই ভালো কথা বলে কোনো ধর্ম খারাপ কথা শেখায় না। ভুল করার পর র‍্যে সংশোধন করে তাকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন। এখানে অনেকে আছেন যাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধ না করলেও বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে বাবা মা একসাথে যুদ্ধ করেছে আমার বড় ভাই নাসিম ওসমানের নেতৃত্বে।

‘আজকে দেশে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা আপনারা আমার চেয়ে কম জানেন না। এটা শুধু শেখ হাসিনার সরকারকে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র না। এটা হচ্ছে রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য। রাষ্ট্রের মূল কাঠামেগুলোকে দেশের বাইরে থেকে বসে প্রতিনিয়ত আঘাত করা হচ্ছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হচ্ছে এই রাষ্ট্রটাকে তালেবান রাষ্ট্র বানাতে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে কারণ আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশে থাকবে। আপনারা ভালো কাজ করবেন আপনাদের প্রশংসা করবো খারাপ কাজ করবেন আপনাদের বিরুদ্ধে কথা বলব। এখানে কোনো ছাড় হবে না। কারণ আল্লাহর কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

অনলাইন ডেস্ক

ইউপি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিএনপির

বর্তমান নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু কোনো নির্বাচনের যোগ্য নয় মন্তব্য করে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

গতকাল শনিবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চ্যুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস দেখিয়ে চরম প্রতিকূল অবস্থাতেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে, এই কমিশন কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের যোগ্য নয়।


গুলি ছুড়ে ইয়েমেনের ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করেছে সৌদি

জানা গেল আসল রহস্য, ১৩-১৪ বছরের দুই বোনের সঙ্গেই শরীরিক মেলামেশা ছিল তার

আবাহনীকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিল বসুন্ধরা কিংস

৬৬ নারীকে ধর্ষণ


বিএনপির মতে, এই সরকার অনির্বাচিত একটি সরকার এবং সরকারের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করাই কমিশনের প্রধান কাজ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে বলা হয়, অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সব সাংবিধানিক অধিকার হরণ করে বিভিন্ন কালাকানুন, বিশেষ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো একটি ভয়ংকর নির্যাতনমূলক আইনের মাধ্যমে জনগণের বাকস্বাধীনতা, লেখার স্বাধীনতা, সব সাংবিধানিক অধিকার, স্বাধীন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে চলেছে।

বিএনপির দাবি, এই আইনের আওতায় ইতিমধ্যে প্রায় ৭০০ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী, দৈনিক সংগ্রামের সম্পাদকসহ অসংখ্য সাংবাদিক, লেখক, পেশাজীবীকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বিনা বিচারে কারাগারে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে বলে মত প্রকাশ করা হয় সভায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির নেতা-কর্মীদের নির্বিচারে আটক এবং সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতে পুলিশ দিয়ে বাসমালিকদের ধর্মঘটে যেতে বাধ্য করা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কর্মীদের পুলিশি তল্লাশি ও বাধা প্রদান করা হয়।

news24bd.tv তৌহিদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

রাজধানীতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা। পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। আজ সকালে বেলা ১১টার দিকে প্রেসক্লাবের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। 

ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা প্রেস ক্লাবের ভিতরে দাঁড়িয়ে ছিল এবং বাইরে অবস্থান করছিল পুলিশ সদস্যরা। এর কিছুক্ষণ পর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় আসে। এসময় পুলিশের সাথে তাদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার সূচনা হয়।


ঋণ থেকে মুক্তির দু’টি দোয়া

মেসি ম্যাজিকে সহজেই জিতল বার্সা

দোয়া কবুলের উত্তম সময়

প্রবাসী স্বামীকে তালাক দিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন!


এসময় ছাত্রদলের কর্মীরা পুলিশকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশও তাদেরকে লাঠিচার্জ করে। এসময় ছাত্রদেলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

জিয়ার অবদান অস্বীকার করার অর্থই হল স্বাধীনতাকে অস্বীকার: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জিয়াউর রহমানের অবদানকে অস্বীকার করা মানে স্বাধীনতাকেই অস্বীকার করা। দেশের স্বাধীনতায় অবদান রাখা জাতীয় নেতাদের অবদানকে অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে। একইভাবে জিয়াউর রহমানের অবদানকেও স্বীকার করতে হবে।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গণমাধ্যমের সম্পাদক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে গুলশানে হোটেল লেকশোরে বিএনপির মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি। 

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কারও দয়ায় নয়, মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখার জন্যই খেতাব পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। তার খেতাব বাতিল করা হলে, জনগণ তা মেনে নেবে না।’

আরও পড়ুন:


সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়া: কাদের

বসুন্ধরা এলপি গ্যাসের রিটেইলার মিট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

খুলনায় বিএনপির অফিস ঘিরে রেখেছে পুলিশ, তীব্র উত্তেজনা

অবরুদ্ধ খুলনায় নৌপথেও পারাপার বন্ধ, ভোগান্তি চরমে


ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, স্বাধীনতা কোনো গোষ্ঠী, দল বা ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সম্পত্তি। ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব অস্বীকার করার কিছু নেই। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ঘোষণার গুরুত্বও স্বীকার করতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব অস্বীকার করার কিছু নেই। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ঘোষণার গুরুত্বও স্বীকার করতে হবে। 

অনুষ্ঠানে বিএনপির বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, কারো খেতাব বাতিল করার এখতিয়ার জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের নেই।

news24bd.tv আহমেদ

মন্তব্য

পরবর্তী খবর