নিজের সঠিক ওজন বুঝবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

নিজের সঠিক ওজন বুঝবেন যেভাবে

সুস্থ শরীর এবং প্রশান্ত মন স্বাস্থ্যকর জীবনের চাবিকাঠি। আর এজন্য নিজের ওজন ঠিক রাখাটাও জরুরি।

অনেকেই নিজের ওজন সম্পর্কে সচেতন না এবং না বুঝেই ওজন বাড়ানো-কমানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে যান। স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে সঠিক ওজন সম্পর্কে জানা ও তা বজায় রাখার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

পেটের মেদ ও কোমড়ের মাপ আপনার শারীরিক সুস্থতার অনেকটাই নির্দেশ করে। এর মধ্যদিয়ে স্থূলতা, হৃদরোগ ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন: টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সম্পর্কে জানা যায়।

কোমড়ের মাপ পুরুষের জন্য ৪০ ইঞ্চির কম ও নারীদের জন্য ৩৫ ইঞ্চির কম আদর্শ।

সঠিক ওজন বজায় রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ এবং সঠিক খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। এই জীবনধারা মেনে চলতে থাকেন তাহলে প্রাকৃতিকভাবেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

সুস্থ থাকা মানে কেবল ওজন কমানো নয়, অনেকসময় পেশির কারণেও ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে। তারমানে এই নয় যে, আপনি স্থূলকায় বা অযোগ্য।

আপনার ওজন যদি স্থিতিশীল থাকলে এবং এই ওজন দীর্ঘদিন ধরে স্থির ও আপনি বেশ সুস্থবোধও করেন। তাহলে বুঝে নেবেন আপনার আদর্শ ওজন আপনি অর্জন করেছেন।

ওজন স্থির হওয়ার পরে তা আর কমানো বা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা প্রচেষ্টা চালানোর দরকার নেই।  


পোল্যান্ডে গর্ভপাত নিষিদ্ধ, দেশজুড়ে বিক্ষোভ

শরীয়াহ আইনে সমকামিতার শাস্তি কার্যকর, প্রকাশ্যে সাজা পেল দুই যুবক

শুটিং সেটেই ঘুমিয়ে পড়লেন নায়িকা (ভিডিও)

রাতে কলা খেলে ঘুম ভালো হয়


গবেষকদের মতে, সঠিক ওজন মানুষের শরীর ও মন ভালো রাখে। তাই বিএমআই অনুযায়ী নিজের সঠিক ওজন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া ও তা বজায় রাখা প্রয়োজন।

news24bd.tv / নকিব

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রতিটি দিনই হোক নারীর

অনলাইন ডেস্ক

প্রতিটি দিনই হোক নারীর

আজ ৮ মার্চ, আন্তজাতিক নারী দিবস। আজ নারী দিবসকে সামনে রেখে নানা আয়োজন করেছে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। তবে নারীরা আসলেই কি স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠতে পারছে? এই প্রশ্ন আসলে থেকেই যায়। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আদি নাম ছিল আন্তর্জাতিক কর্মজীবী নারী দিবস। 

প্রতি বছর ৮ মার্চ নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বব্যাপী নারীরা এই দিবস উদযাপন করে থাকেন। প্রত্যেক দেশের নারী দিবসে নানা আনুষ্ঠানিকতা থাকে। কোথাও কোথাও নারীদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর বিষয়টি মুখ্য হয়ে ওঠে। আবার কোথাও নারীদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে।

এই দিবসটি উদযাপনের পিছনে রয়েছে নারী শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের এক দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে মজুরি বৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় নেমেছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকরা। সেই মিছিলে চলে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনীর দমন পীড়ন। 

১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে নিউইয়র্কেও সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশ জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হয়। এরপর ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেন হোগেনে আনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বছর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। 


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


সিদ্ধান্ত হয়, ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দিনটি পালিত হবে। আমাদের দেশেও এই দিবসটি নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে। বরাবরের মতো এবারও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। দেশের সব মিডিয়া দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য জনগণের সামনে তুলে ধরেছে নানা আঙ্গিকে।

এবারের প্রতিপাদ্য ”করোনাকালে নারী নেতৃত্ব; গড়বে সমতার বিশ্ব”। বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি নানা আয়োজনে দিবসটি উদযাপন হচ্ছে। তবে-এখনও বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে নারীরা। ১২ বছরেও রাজনীতিতে নারীর ৩৩ শতাংশ অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে পারেনি দলগুলো।

আবার কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বাড়লেও বৈষম্য কমেনি। বেড়েছে নির্যাতন নিপীড়ন। আজ যারা নারী দিবসের স্লোগানে মুখর তাদের ঘরেই নারীরা কি কোন বৈষম্যের শিকার হচ্ছে না? 

সর্বত্র গড়ে উঠুক নারীবান্ধব পরিবেশ। যেখানে তারা স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠতে পারে, হতে পারে তাদের স্বাভাবিক মানসিক বিকাশ। কোনো কলুষতা যেন নারীদের ছুঁতে না পারে। নারী নির্যাতনের কলঙ্কমুক্ত হয়ে গড়ে উঠুক আধুনিক রাষ্ট্র যেখানে নারী-পুরুষ সমানভাবে কাজ করবে দেশের জন্য।
  
আসলে প্রতিটি দিনই হোক নারীর। কোন একটা দিবসে নারীর প্রতি সম্মান দেখালে হবে না। নারীর প্রতি সম্মান ও সমানাধিকার বজায় রাখতে হবে সারা বছর। প্রতিটি নারীই যেন বৈষম্যমুক্ত একটা পৃথিবী পায়।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

দুর্গম চরে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য

কাজী শাহেদ, রাজশাহী:

দুর্গম চর। বাহন বলতে এতদিন ছিল শুধু গরু-মহিষের গাড়ি। তবে গেল কয়েক বছর ধরে এই চরে মানুষের বাহনের অন্যতম ভরসা ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল। চোরাচালান ছেড়ে যুবকরা মোটরসাইকেল ভাড়ায় চালিয়ে সৎ পথে চালাচ্ছেন তাদের সংসার। 

রাজশাহী নগরী থেকে বিশাল জলরাশি পাড়ি দিয়ে ওপারে উঠতেই চোখে পড়বে বিস্তীর্ণ চর। কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ চরের পর মাঝারদিয়াঢ় গ্রাম। যেখানে বাস প্রায় ১৩ হাজার মানুষের।


পশ্চিমবঙ্গের কাছে পর্যাপ্ত পানি থাকবে তখন তিস্তা চুক্তি: মমতা

যে দোয়া পড়লে বিশ্ব নবীর সঙ্গে জান্নাতে যাওয়া যাবে!

খুলনায় সওজ কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি, ক্ষোভ

৭ই মার্চের অনুষ্ঠান থেকে বেড়িয়ে গেলেন অথিতিরা


তাদের যাতায়াতের জন্য কিছুদিন আগেও ছিল না কোনো যানবাহন। গ্রামের উদ্যমী যুবকরা এগিয়ে এসেছেন। এখন আর পায়ে হাঁটতে হয় না। নদী তীর থেকে চর পাড়ি দিচ্ছেন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে চেপে। 

 চরে আয় রোজগারের তেমন সুযোগ নেই। তাই কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনে সারাদিন ভাড়ায় চালান এই যুবকরা। তবে পাকা সড়ক না থাকায় এখনো পিছু ছাড়েনি দুর্ভোগ। আছে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও। 

এক সময় এখানকার অধিকাংশ যুবক চোরাচালানে যুক্ত ছিলেন। এখন সেই পথ ছেড়ে নিজেরাই আয়ের নতুন পথ বের করেছেন। তবে ধুলাবালির এই রাস্তায় চলতে গিয়ে তারা আছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।  বজলে রেজবি আল হাসান মুঞ্জিল, চেয়ারম্যান, হরিপুর ইউপি
 
দুর্গম চরে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল এনেছে কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য। এখন তারা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি চান।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভবিষ্যতে কাজের ধরণ বদলে যাবে যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক

ভবিষ্যতে কাজের ধরণ বদলে যাবে যেভাবে

করোনা আমাদের অনেক কিছুই শিখিয়ে দিয়েছে। আমরা তাবৎ দুনিয়ার কাজ যে ঘরে বসেই করতে পারি সেটা করোনা হাতে কলমে করে বুঝিয়ে দিয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক নামি দামি প্রতিষ্ঠান এখন ঘরে বসেই চলে। অফিস যে সব কাজের জন্য দরকার নেই সেটা এখন আমাদের আর বুঝতে বাকি নেই। 

করোনাকাল শেষেও পৃথিবীর অনেক প্রতিষ্ঠান হয়তো আর কখনোই অফিসে ফিরে যাবে না। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ পদ্ধতিতে বাড়িতে বসেই যে কাজ করা যায়, সেটা করোনাকালে আমাদের জানা হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এমন আরও বেশ কিছু পরিবর্তন আসছে কাজের ধরনে। মূলত প্রযুক্তির উন্নয়নই এর পেছনের কারণ।

কোনো প্রতিষ্ঠান হয়তো একটু আগেভাগেই ‘প্রযুক্তিময়’ হবে, কেউবা একটু দেরিতে। তবে পরিবর্তনের ধাক্কা যে অনিবার্য, সেটা করোনাকালে আরও স্পষ্ট হয়েছে। পরিবর্তন বা নতুন নতুন পেশার আগমনের পর নিজেকে তৈরি করার চেয়ে, আগে থেকেই নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য তৈরি হতে হবে। কী কী পরিবর্তন আসতে পারে, সে সম্পর্কেও একটা ধারণা দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।

ভবিষ্যতে যেকোনো জায়গা থেকেই কর্মীদের কাজ, প্রকল্প জমা দেওয়ার চল আরও বাড়বে। এক দশক আগেও কাজের জন্য অফিস-টেবিল-মিটিংরুমের প্রয়োজন ছিল ব্যাপকভাবে। বিশ্বব্যাপী স্বাধীন পেশাজীবীর সংখ্যা বাড়ার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান স্থায়ী কর্মীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে। 


ওমান সাগরে তৈরি হবে ইরানের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাই ঘুম হয়নি শ্রাবন্তীর

ট্রাকচাপায় চবি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্রের মৃত্যু

শতকোটি টাকার মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার


এখন শহর বা দেশনির্ভর বিশেষ বিশেষ কাজ বা পেশার বিকাশ ঘটতে দেখা যায়। ভবিষ্যতে আরও বড় আকারে বিভিন্ন অঞ্চল বা এলাকার পরিবেশ ও জনগোষ্ঠীর দক্ষতার ওপর নির্ভর করে কাজ ও পেশার বিকাশ ঘটবে। যুক্তরাষ্ট্রে আমাজনের মতো প্রতিষ্ঠান এ রকম এলাকাভিত্তিক কর্মীদের কাজের সুযোগ তৈরি করছে। 

মুক্ত পেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সাররা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বড় বড় কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। স্বল্পমেয়াদি কাজ, অন ডিমান্ড পজিশনের জন্য কর্মী নিয়োগ বাড়বে আরও। এভাবে কাজের কারণে কর্মীরা নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী কাজ বাছাইয়ের সুযোগ পাবেন। প্রতিষ্ঠানগুলোও কাজের পরিমাণ ও দক্ষতা অনুসারে কর্মী নিয়োগের সুযোগ পাবে। অ্যাডোবি, উবার, ডেলের মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে এমন ধরনের কাজের সুযোগ ধীরে ধীরে বাড়ছে।

ভবিষ্যতে নানা ধরনের ‘স্মার্ট’ কাজের সংখ্যা ও পরিধি বাড়বে। একদিকে যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর কাজের ধরন বাড়বে, তেমনি মানুষ ও যন্ত্রের সংযোগে নতুন নতুন কাজ তৈরি হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্বাহী ও কর্মীদের আরও বেশি সৃজনশীল কাজে যুক্ত করবে। রোবটিকস ও অটোমেশনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে মানুষের অংশগ্রহণ কমে আসবে।

পশ্চিমা দুনিয়ায় অনেক দিন ধরেই কাজ ও জীবনের মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কর্মী ও পরিবেশের কথা বিবেচনা করে কাজের প্রকৃতিতে পরিবর্তন আনবে প্রতিষ্ঠানগুলো। জলবায়ু পরিবর্তন, সাম্য-বৈষম্যহীন সমাজের ধারণা কর্মস্থলের পরিবেশ ও কাজের ধরনে পরিবর্তন আনবে। ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য যেমন সততা, দায়িত্বশীলতা, অন্য দেশ, জাতি-বর্ণের মানুষের প্রতি সম্মান, প্রতিষ্ঠানের তথ্যের নিরাপত্তা-গোপনীয়তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিশীল আচরণ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হবে নিয়োগের ক্ষেত্রে।

ভবিষ্যতে কাজের ধরণ পুরোপুরি পাল্টে যাবে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষ অনেক জটিল কাজও ঘরে বসে সহজেই করে ফেরতে পারবে। আবার আরামদায়ক কাজের পরিবেশ, কর্মীবান্ধব কাজ, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং স্মার্ট কাজের ধরণ হবে। এরপর হয়ত মানুষ আর নয়টা পাঁচটা অফিস করবে না। 

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্যাঙ্গারু ইঁদুর: জীবনেও পানি খায় না যে প্রাণী

হারুন আল নাসিফ

ক্যাঙ্গারু ইঁদুর: জীবনেও পানি খায় না যে প্রাণী

প্রাণ ধারণের জন্য প্রাণী মাত্রই পানির ওপর নির্ভরশীল। সব প্রাণীই কমবেশি পানি পান করে বেঁচে থাকে। তাই তো পানির অপর নাম জীবন। মরুভূমিতে পানি সহজলভ্য নয়। তাই মরুভূমির প্রাণীদের স্বল্প পানি খেয়ে বাঁচতে হয়। ওরা সেভাবেই অভিযোজিত হয়। বিশেষ করে উট পানি না খেয়ে দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে। 

কিন্তু তাই বলে একবারে পানি না খেয়ে জীবন পার করে দেওয়া- এও কি সম্ভব? উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ। ক্যাঙ্গারু ইঁদুর নামের প্রাণীটি একদম পানি না খেয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়। এদের বাস আমেরিকা বা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিম মরু অঞ্চলে। মরু অঞ্চলে থাকার কারণে ওরা সারা জীবন কখনো পানির দেখা পায় না! 

এদের পা ও লেজ অনেকটা ক্যাঙ্গারুর মতো লম্বা এবং ক্যাঙ্গারুর মতো লাফিয়ে চলে বলেই এদের এমন নাম। এদের ক্যাঙ্গারুর মতো একটা থলেও আছে, তবে সেটা পেটে নয় মুখের বাইরে। আর তারা এটিকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত খাদ্য বহন করে বাসস্থানে বা গর্তে নিয়ে যাওয়ার কাজে। প্রশ্ন হলো পানি পান না করে কিভাবে এরা বেঁচে থাকে?


ওমান সাগরে তৈরি হবে ইরানের সর্ববৃহৎ সমুদ্রবন্দর

নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে তাই ঘুম হয়নি শ্রাবন্তীর

ট্রাকচাপায় চবি আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্রের মৃত্যু

শতকোটি টাকার মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন শমী কায়সার


মরু অঞ্চলের প্রাণী ও উদ্ভিদের শরীরবৃত্তীয় গঠন প্রণালী এমনভাবে সৃষ্টি যে তাদের বেঁচে থাকার জন্য খুবই সামান্য পরিমাণ পানির দরকার হয়। ঠিক একই ব্যাপার ক্যাঙ্গারু ইঁদুরের বেলায়ও প্রযোজ্য। জীবন ধারণের জন্য যে অতি সামান্য পরিমাণ পানি এদের দরকার তা এরা পেয়ে যায় এদের খাবার মরু উদ্ভিদের বীজ ও তার মূল থেকে। এগুলোতে যে অল্প পরিমাণ পানি থাকে তাই ওদের বেঁচে থাকার জন্য যথেষ্ট। 

এদের দেহে কোনো স্বেদগ্রন্থি না থাকায় ঘামের আকারে কোনো পানিকণা এদের শরীর থেকে বের হতে পারে না। নিঃশ্বাস ফেলার সময় পানিকণাকে ঠাণ্ডা করে ঘনীভূত করার মাধ্যমে দেহের মধ্যে জমা রাখা এবং একই সঙ্গে প্রায় পানিবিহীন মলত্যাগ করার মতো চমৎকার ব্যবস্থাও এদের রয়েছে। তাই পানি পান না করেই ক্যাঙ্গারু ইঁদুর তার জীবন পার করে দিতে পারে।

এদের পাগুলো দেহের বাকি অংশের তুলনায় বেশ লম্বা। এরা এই পা দিয়ে ৯ ফুট পর্যন্ত লাফ দিতে পারে। যখন দুটি ক্যাঙ্গারু ইঁদুর মারামারি করে, তখন মনে হয় যেন লাঠি দিয়ে মারামারি করছে। সাধারণত ঝোপঝাড়ের কাছে মাটিতে গর্ত খুঁড়ে এরা বাস করে। নিশাচর জীবনযাপন তাদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। এরা সারাদিন গর্তে ঘুমিয়ে কাটায় আর রাতে খাবারের খোঁজে বের হয়।

ক্যাঙ্গারু ইঁদুর মূলত তৃণভোজী। তবে কিছু প্রজাতি গুবরেপোকাসহ কিছু ছোট ছোট পোকামাকড়ও খেয়ে থাকে। এরা খুব বেশীদিন বাঁচে না। বন্য পরিবেশে এদের গড় আয়ু মাত্র ২ থেকে ৫ বছর। জাত ভেদে এদের আকার সাধারণত ৩.৫ থেকে ৫.৫ ইঞ্চি হয়, আর গড় ওজন হয় ৩৮ গ্রাম থেকে ১৭০ গ্রাম পর্যন্ত। বর্তমানে পৃথিবীজুড়ে এদের ২২টির মতো প্রজাতি রয়েছে।
হারুন আল নাসিফ, সাংবাদিক

news24bd.tv আয়শা

 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে

অনলাইন ডেস্ক

গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে

পানির অপর নাম জীবন। পানি আমাদের জীবন রক্ষা করে। বিশেষ করে উদ্ভিদের অনেক পানির প্রয়োজন হয়। সে কারণে হামবুর্গের বোট্যানিকাল গার্ডেনে পানির বিশাল চাহিদা রয়েছে। সেখানে কর্মরত জীববিজ্ঞানীরা পানির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। যেমন কার্স্টেন শিরারেন্ড। তিনি বলেন, ‘‘পানি এমন এক সর্বব্যাপী পদার্থ, যা প্রাণী ও উদ্ভিদের মূল উপাদান। পানি ছাড়া আমরা কেউ বেশিদিন বাঁচতে পারি না।

মায়ের গর্ভে পানির মধ্যেই আমাদের জীবন শুরু হয়। জীববিদ্যার ক্ষেত্রে পানিই সর্বব্যাপী দ্রাবক ও এজেন্ট। শরীর ও কোষ সর্বত্রই পানি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।’’

শুনতে সাধারণ মনে হলেও পানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হলো সেটি সর্বব্যাপী সলভেন্ট বা দ্রাবক। শুধু ময়লা নয়, পানি উদ্ভিদের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিও দ্রবিভূত করে। যেমন অনেক গাছ বেশ কয়েক মিটার উপরে শাখাপ্রশাখা ও পাতায় মূল্যবান পানি পাঠাতে পারে। তার জন্য কোনো পাম্পের প্রয়োজন হয় না। পানির দুটি বৈশিষ্ট্য কাজে লাগিয়ে সেটা সম্ভব হয়।


নারীর সঙ্গে সময় কাটানো সেই তুষার এখনো কাশিমপুর কারাগারেই

জিয়ার খেতাব বাতিলের বিষয়ে যা বললেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

পরমাণু সমঝোতায় আমেরিকার অবস্থান জানতে জরুরী বৈঠকে বসার আহ্বান

মিয়ানমারে গণতন্ত্র ফেরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান


ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে থাকে নানা ধরনের ফার্নিচার, পর্দা, জুতো, বিভিন্ন উপাদানের তৈরি পোশাক ইত্যাদি। আরও থাকে কেমিকেলযুক্ত বিভিন্ন জিনিসপত্র। সেইসাথে বাইরের দূষিত বাতাসতো আছেই। সেসবের প্রভাব পড়ে শরীরে। দেখা দেয় অ্যালার্জি, মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা স্নায়ুরোগের মতো নানান সমস্যা।

প্রথমত পানির একটা আঠালো গুণ রয়েছে। মসৃণ পৃষ্ঠে পানি আটকে থাকে। টেস্ট টিউবের দেয়াল বেয়ে সেটি কিছুটা উপরে উঠে যায়। মাঝের অংশের তুলনায় ধারের পানির স্তর কিছুটা উঁচু হয়। পানির দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো কোহেশন, অর্থাৎ পানির অণুগুলির মধ্যে সংযোগ।

সে কারণে দুই সেন্টের ছোট কয়েন বা পয়সার উপর প্রায় ৩০টি পানির বিন্দু অনায়াসে ধরে যায়। মাধ্যাকর্ষণ শক্তি জয় করে পানি তখন ধার উপচে কিছুটা বেরিয়ে থাকে।

তাই গাছ মধ্যাকর্ষণের বিপরীতে কাজ করতে পারে। গাঠ উপরের দিকে সহজেই পানি তুলতে পারে। কিন্তু আমরা যে কোন জিনিস উপরে তুলতে গেলে মধ্যাকর্ষণের বাধার সম্মুখীন হই। বাধাহীন ভাবে গাছই উপরে পানি তুলতে পারে।  

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর