আমি অগ্রাধিকারের টিকা নেব না: রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক

আমি অগ্রাধিকারের টিকা নেব না: রুমিন ফারহানা

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে সাংবাদিকদের ফোন। আপা নাকি টিকা নিয়েছেন? প্রথমে আকাশ থেকে পড়লেও নিজেকে সামলে নিলাম দ্রুত। কারণ রাজনীতি করতে এসে এ ধরণের নোংরা অভিজ্ঞতা নতুন না। ব্যক্তিগত আক্রমণ (এড হোমিনাম), এক বিষয়ে কথা বলার মধ্যে অপরপক্ষ অন্য বিষয়ে চলে যাওয়া (স্ট্র ম্যান ফ্যালাসি) এর সাথে পথ চলতে হয় প্রতিদিন।

ফটোশপ, গলাকাটা, সুপার এডিটিং নানা ধরনের কুৎসিত কর্মকাণ্ডের পর এইবার ভিন্ন এক ব্যক্তিকে আমি বলে চালিয়ে দেয়ার বিষয়ে সত্যি বলতে প্রথমে খানিকটা বিরক্ত হলেও পরে মজাই লাগছিল। ঈর্ষা, বিদ্বেষ, ক্ষোভ মানুষকে কতোটা অসহায় করে তোলে! বিষয়টা আমি এড়িয়েই যেতাম, যেভাবে অতীতে এ ধরনের বিষয় কখনোই নূন্যতম গুরুত্ব দেইনি। একা নারী যখন পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রের অনিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি তখন মানসিক প্রস্তুতি নিয়েই দাঁড়িয়েছি। কিন্তু যখন দেখলাম প্রতিষ্ঠিত জাতীয় দৈনিকগুলো থেকে ফোন পাচ্ছি তখন মনে হলো ফেসবুকে একটি বাক্য লিখে বিষয়টা শেষ করাই ভাল হবে। জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি টিকা নেইনি।

এখন প্রশ্ন হলো, আমি কি টিকা নেব? নিলে কবে নেব? এখন নয় কেন? কারো কারো মনে পড়তে পারে আমার করোনা আক্রান্ত হবার কথা, ভাবতে পারেন আমার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে, তাই হয়ত আমি টিকা নিতে চাই না।

আরও পড়ুন


পরপুরুষের সঙ্গে যে নারী মদের আড্ডায় বসে সে ভালো হতে পারে না: কাদের মির্জা

ওবায়দুল কাদের ও মির্জা কাদেরকে এবার চ্যালেঞ্জ ছড়ে দিল ভাগিনা

অনুশীলনে যায়নি সাকিব

আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড় হতে যাচ্ছেন স্টার্ক!


এটা একেবারেই ঠিক নয়। আমরা এর মধ্যেই জানি, করোনা আক্রান্ত হলেই আবার করোনা হওয়া রোধ করার মতো পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় কিনা, হলে সেটা কতদিন থাকে সেটা নিয়ে নানা সংশয় আছে বিজ্ঞানের লেভেলেই। তবে এটা অনেকটা নিশ্চিতভাবে জানা যায়, করোনা সংক্রমণের প্রথম ৯০ দিনের মধ্যে আবার আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা খুব কম, এর পর আবার আক্রান্ত হবার ঝুঁকি থাকে। আমার ক্ষেত্রে এই সময়ের প্রায় দ্বিগুন পেড়িয়ে গেছে, তাই আমার টিকা নিয়ে নেয়াই উচিৎ। 

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত টিকা এসেছে সরকারি ভাবে ৭০ লাখ। এর মধ্যে কারা পাবেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে। বাংলাদেশে টিকার অগ্রাধিকার তালিকা সম্পর্কে জানার আগে জেনে নেয়া যাক এই ব্যাপারে বৃটেনের অগ্রাধিকারের কথা।

সেখানে সবার প্রথম টিকা পাবে বৃদ্ধাশ্রমে বাস করা মানুষজন এবং তাদেরকে যারা সেবা দিচ্ছেন তারা। তারপর পাবেন ৮০ বছরের বেশি যে কোনো মানুষ এবং যারা ফ্রন্টলাইন হেলথ কেয়ার সার্ভিস দিচ্ছেন (ডাক্তার, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ান)। এরপর পাবেন ক্রমান্বয়ে যাদের বয়স ৭৫ এর বেশি এবং ৭০ এর বেশি তারা। তারপরের প্রাধিকার হচ্ছে ১৬ বছরের বেশি যে কোনো মানুষ যারা ভয়ঙ্কর কোনো অসুস্থতায় আক্রান্ত (যেমন ক্যান্সার, ফুসফুসের মারাত্মক কোনো রোগ, অঙ্গ প্রতিস্থাপন)। এরপর ৬৫ বছরের বেশি মানুষ এবং ১৬ থেকে ৬৫ বছর বয়সের যে কোন মানুষ যাদের কোনো কঠিন রোগ আছে। এরপর ক্রমান্বয়ে ৬০, ৫৫ এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সের মানুষ।

বাংলাদেশে অগ্রাধিকারের তালিকায় আছেন কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চার লাখ ৫২ হাজার ২৭ স্বাস্থ্যকর্মী, অনুমোদিত ছয় লাখ বেসরকারি ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকর্মী, দুই লাখ ১০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার ৬২০ সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর তিন লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ সদস্য আগে টিকা পাবেন।

অগ্রাধিকারের তালিকায় আরও আছেন রাষ্ট্র পরিচালনায় অপরিহার্য ৫০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী, ৫০ হাজার গণমাধ্যমকর্মী, এক লাখ ৭৮ হাজার ২৯৮ জনপ্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার দেড় লাখ কর্মচারী, পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ধর্মীয় প্রতিনিধি, মৃতদেহ সৎকারে নিয়োজিত ৭৫ হাজার ব্যক্তি, জরুরি সেবার (পানি, গ্যাস, পয়ঃনিষ্কাশন, বিদ্যুৎ, ফায়ার সার্ভিস, পরিবহনকর্মী) চার লাখ কর্মী, স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরের দেড় লাখ কর্মী, এক লাখ ২০ হাজার প্রবাসী অদক্ষ শ্রমিক। জেলা উপজেলায় কর্মরত চার লাখ জরুরি সেবার সরকারি কর্মচারী, এক লাখ ৯৭ হাজার ৬২১ জন ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বল্প রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার (যক্ষ্মা, এইডস, ক্যান্সার) ছয় লাখ ২৫ হাজার জনগোষ্ঠী, ৬৪ থেকে ৭৯ বছর বয়সী এক কোটি তিন লাখ ২৬ হাজার ৬৫৮ ব্যক্তি, ৮০ বছর ও তদূর্ধ্ব ১৩ লাখ ১২ হাজার ৯৭৩ জনগোষ্ঠী, জাতীয় দলের খেলোয়াড় ২১ হাজার ৮৬৩ জন আগে টিকা পাবেন। 

টিকার প্রায়োরিটির তালিকায় আছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ কর্মী, বিভিন্ন ধাপের তথাকথিত জনপ্রতিনিধি, যারা আসলে সরকারের অবৈধ ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখে। টিকা দেয়া জায়েজ করার জন্য এদের সবাইকে ‘সন্মুখসারির যোদ্ধা’ নাম দেয়া হয়েছে। অথচ বৃটেনে শুধুমাত্র হাসপাতালে সেবা দেয় এমন মানুষদেরই ‘সন্মুখসারির যোদ্ধা’ তকমা দেয়া হয়েছে। সরকারের নানা প্রতিষ্ঠানে যারা বয়স কিংবা অন্য রোগের কারণে ঝুঁকির মধ্যে আছেন তারা টিকা পাবার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পেতেই পারেন। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য মানুষ আছেন যাদের বয়স অনেক কম, সাথে ঝুঁকি তৈরির মতো অসুস্থতা নেই, তাদের করোনা হলেও সেটা মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করবে না। কিন্তু এদের সকলকে টিকা দিতে গিয়ে আমরা টিকা থেকে বঞ্চিত রাখছি এমন মানুষদের যাদের করোনা হলে অনেকেরই মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, টিকা দেবার ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুসরণ করা হয়েছে। তাহলে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, বৃটেন কি সেটা জানে না? তারা কেন গণহারে সব সরকারি লোকজনকে টিকা দেয়নি? বৃটেনের মতো অগ্রাধিকার তালিকা করলে কি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা লাঠি হাতে তেড়ে আসতো?

ক্যান্সার, যক্ষ্মার মতো মারাত্মক রোগে আক্রান্ত মানুষ করোনা আক্রান্ত হলে সেটা জটিল হবার ঝুঁকি অনেক বেশি। বাংলাদেশে ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা কমপক্ষে ২০ লক্ষ আর যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কমপক্ষে ৪০ লক্ষ। সরকারের করা অগ্রাধিকার তালিকায় যক্ষ্মা, ক্যান্সার, এইডস আক্রান্ত সোয়া ৬ লক্ষ মানুষকে রাখা হয়েছে,যা মোট সংখ্যার মাত্র দশ শতাংশ। একই কথা প্রযোজ্য বয়স্ক মানুষকে টিকা দেবার ক্ষেত্রেও।

টিকা দেয়ার উদ্দেশ্য দু'টো। ৭০ শতাংশ বা তার বেশি মানুষকে টিকা দিয়ে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি করা যাতে কমিউনিটিতেই আর এই রোগ না হয়। আরেকটা উদ্দেশ্য হচ্ছে ভালনারেবল মানুষকে টিকা দেয়া যাতে তাদের রক্ষা করা যায়; বাকিরা সেই রোগে আক্রান্ত হলেও স্বল্প বা মাঝারি উপসর্গে ভুগে সেরে উঠবে। সারা বিশ্ব এখন করোনা ভ্যাক্সিনের পেছনে দৌড়াচ্ছে তাই হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের জন্য দ্রুত ২৫ কোটির মতো টিকা পাওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, সেটা আমি বুঝি। কোভ্যাক্স প্রোগ্রামের অধীনে আমরা বড় সংখ্যার টিকা পাব, কিন্তু সেটা আসতে কয়েক মাস সময় লেগে যাবে। তাহলে আমাদের হাতে যে ৩ কোটি ২০ লক্ষ টিকা আগামী ৬ মাসের মধ্যে থাকবে (যা দিয়ে ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষকে ভ্যাক্সিনেট করা যাবে) সেটা অনেক ভেবেচিন্তে ব্যবহার করার কথা ছিল।

কিন্তু আমরা এই সামান্য সংখ্যার টিকা থেকে অপচয় করছি লক্ষ লক্ষ টিকা। হ্যাঁ, করোনা হলে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি, এমন মানুষকে বাদ দিয়ে সুস্থ, কম বয়স্ক মানুষকে এই মুহূর্তে টিকা দেয়াটাকে আমি স্রেফ অপচয় বলেই মনে করি। তাদের টিকা লাগবে না, তা নয়, তাদের ঝুঁকি অনেক কম বলে যখন কোভ্যাক্স এর ভ্যাক্সিন আসবে তখন সেটা নিতে পারতেন।

আমার বাসায় বয়স্ক মা। বয়স এবং অসুস্থতার কারণে কখনোই বাইরে যান না তিনি। কিন্তু আমাকে বেরোতে হয়, নানা প্রয়োজনে বাইরের মানুষকে বাসায় আসতে দিতে হয়। টিকা প্রয়োজন তার মতো আরও অসংখ্য বাবা-মায়ের। এই রাষ্ট্রের কম বয়স্ক সুস্থ সন্তানরা টিকা নিতে গিয়ে বাবা-মা দের মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করছেন। রাষ্ট্র টিকার ব্যাপারে ইনসাফ করেনি। কিন্তু একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি আমারঅগ্রাধিকারের টিকা না নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টিকার সত্যিকার প্রয়োজন যাদের, তাদের টিকা দেয়া হয়ে যাবার পরে আমি টিকা নিতে চাই।

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি : আ.লীগের হুংকার, ক্ষমা চাইলেন মিনু

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীকে হুমকি : আ.লীগের হুংকার, ক্ষমা চাইলেন মিনু

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবজ্ঞা ও তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘হত্যার’ ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুকে ক্ষমা চাইতে বলেছিল আওয়ামী লীগ। এ জন্য তাকে ৭২ ঘণ্টার সময়ও বেধে দেয়া হয়। সেই সময় শনিবার সন্ধ্যায় শেষ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষমা না চাইলেও পরদিন তিনি দুঃখ প্রকাশ করলেন। যোগাযোগ করা হলে মিজানুর রহমান মিনু এই বিবৃতিটি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

রোববার (৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন রাজশাহী নগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হক ডিকেন। এদিন দুপুরে তিনি এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠিয়েছেন।

বিবৃতিতে মিনু উল্লেখ করেছেন, ‘আমার বক্তব্যের জন্য যারা ব্যথিত হয়েছেন, মর্মাহত হয়েছেন, আমি তাদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করছি।’

মিনু আরও বলেন, আমি এই মহানগরীতে জন্মগ্রহণ করে দীর্ঘদিন রাজশাহীবাসীকে নিয়ে রাজনৈতিক নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছি। স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ সকল আন্দোলনে পাশে পেয়েছি। সুতরাং কোন ব্যক্তি বিশেষ বা গোষ্ঠী বিশেষকে উদ্দেশ্য করে আক্রোশমূলক বক্তব্য প্রদান করা আমার স্বভাববহির্ভূত। তাই সকলকে আমার বক্তব্যে ষড়যন্ত্র না খোঁজার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।


অভাব দুর হবে, বাড়বে ধন-সম্পদ যে আমলে

সংবাদ উপস্থাপনায় ও নাটকে রূপান্তরিত দুই নারী

করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে বাধা নেই ইসলামে

কমেন্টের কারণ নিয়ে যা বললেন কবীর চৌধুরী তন্ময়


এর আগে গত মঙ্গলবার বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আজ রাত, কাল আর সকাল নাও হতে পারে। ৭৫ মনে নাই?’ সেই সমাবেশে মিনু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকেও কটাক্ষ করে বক্তব্য দেন। এর প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে নগর আওয়ামী লীগ। পরদিনই বিক্ষোভ-সমাবেশ করে দলটি। সেই সমাবেশ থেকে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন মিনুকে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।

লিটন ঘোষণা দেন, এই সময়ের মধ্যে মিনু ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। আর বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা এক প্রতিবাদলিপিতে মিনুর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। নগর ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে মিনুকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ এবং আরেকটি ১৫ আগস্টের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। গত শুক্র ও শনিবার বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলেন। মিনু এত সাহস কোথায় পেলেন সেই প্রশ্নও তোলেন ওবায়দুল কাদের। অবশেষে মিজানুর রহমান মিনু গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে এ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন।

মিনুর দুঃখ প্রকাশ নিয়ে আওয়ামী লীগ কী ভাবছে জানতে চাইলে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার  বলেন, ‘সেটা আবার আলোচনার বিষয়। আমরা আবার একটু আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাব।’

এদিকে মিনুর বিবৃতি প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘এটা মিজানুর রহমান মিনুর একান্তই ব্যক্তিগত বক্তব্য। এ ব্যাপারে বিএনপি কী বলছে আমরা সেটা শুনতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘মিজানুর রহমান মিনু অতীতে জঙ্গিবাদে মদদ দিয়েছেন। সেটা প্রমাণিত। তাই অতীতের মতো এখনও তিনি জঙ্গিবাদ কিংবা ষড়যন্ত্রের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কিনা সে ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।’

news24bd.tv/আলী

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ওবায়দুল কাদের আজকে দিশেহারা: কাদের মির্জা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

ওবায়দুল কাদের আজকে দিশেহারা: কাদের মির্জা

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের সাহেব আজকে দিশেহারা। 

আজকে কিছু ষড়যন্ত্রকারীর খপ্পরে পড়ে আজকে তার উস্কানিতে তাঁর মদদে আজকে এখানে তারা সমাবেশ করছে। অথচ আমাদের দল সমাবেশ বন্ধ করেছে। 


সালমান খানের তোয়ালে পরা ছবি ভাইরাল

দেব-মিমি-নুসরাত যে কারণে প্রার্থীদের তালিকায় নেই

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা

রণবীরের সঙ্গে ক্যাটরিনার খোলামেলা ছবি বিশ্বাস হয়নি সালমানের


রোববার (৭মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় বসুরহাট জিরো পয়েন্টের বঙ্গবন্ধু চত্তরে অগ্নিঝরা ৭মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমার অপরাধ আমি কেন শেখ হাসিনার সাথে ডাইরেক্ট যোগাযোগ করি। এটাই হচ্ছে আমার অপরাধ। উনি বরদাস্ত করতেছে না। আমিতো নেত্রীর সাথে প্রথম থেকে যোগাযোগ করে নির্বাচনও করতেছি, সবকিছু করতেছি। আমি এটা থেকে সরতে পারব না। আমাদের শেষ ঠিকানা হচ্ছে নেত্রী। আজকে আমরা তাঁর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। 

news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

একদিন পরই সুর পাল্টালেন এমপি একরাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

একদিন পরই সুর পাল্টালেন এমপি একরাম

একরামুল করিম চৌধুরী

‘নোয়াখালী আমি চালাই’ বলার একদিন পরই সুর পাল্টালেন নোয়াখালী-৪ আসনের (সদর ও সুবর্ণচর) সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী।

শুক্রবার (৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘গত ছয় দিন আমি ঢাকাতে ছিলাম। আমি নেত্রীকে কতগুলো ম্যাসেজ (বার্তা) পাঠিয়েছি, উনি ম্যাসেজগুলো দেখেছেন। ঢাকায় নেত্রীর সঙ্গে যিনি সব সময় থাকেন, তিনি আমার কাছে জানতে চান, নোয়াখালী চালায় কে? আমি বলি, নোয়াখালী চালাই আমি।’

বক্তব্যটি দেওয়ার একদিন পরই শনিবার (৬ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভে আসেন তিনি। 

এসময় একরাম চৌধুরী বলেন, ‘নোয়াখালী আওয়ামী লীগ এক, অভিন্ন। আমাদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ নাই। কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য আওয়ামী লীগ নয়। কোনো ব্যক্তিবিশেষ লাইভে কিছু বললেই ক্ষতি হবে, এটা সেই আওয়ামী লীগ না। নোয়াখালী আওয়ামী লীগ অনেক শক্তিশালী আওয়ামী লীগ।’

প্রায় দুই মিনিটের লাইভে একরামুল করিম চৌধুরী৭ মার্চ উপলক্ষে রোববার বিকেলে সোনাপুর কলেজ মাঠে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দিতে নেতা–কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। 


মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


তিনি বলেন, ‘যারা মুজিব প্রেমিক, শেখ হাসিনার সৈনিক, আমি সকলকে অনুরোধ করব আপনারা যে যেখানে থাকেন; আপনারা যদি আপনাদের এমপিকে ভালোবাসেন, আগামীকাল বিকেল ৩টার প্রোগ্রামে যে যেখান থেকে পারেন ছুটে আসবেন। কারণ, নোয়াখালী আওয়ামী লীগ নিয়ে একটা চক্রান্ত চলছে। আমরা একটু বুঝিয়ে দিতে চাই, আমরা নোয়াখালী আওয়ামী লীগ এক, অভিন্ন।’

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ মির্জা ফখরুলের

মারুফা রহমান

ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ মির্জা ফখরুলের

সরকারের আড়ালে থেকে একটি ভয়ংকর শক্তি বিরোধীদের নিশ্চিহ্ন করতে  ভিন্নমতের ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সভা থেকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে, এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সরকার কোন ধরনের সমালোচনা সহ্য করতে পারে না, যারাই সরকারের খারাপ কাজের সমালোচনা করে তাদেরই হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এছাড়া বিরোধী মত দমনে এই সরকার নির্যাতনের সব রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে বলে দাবি করেন তিনি।


মশা মারতে গিয়ে পুড়ে গেলেন মা ও দুই মেয়ে

আস্থা ভোটে জিতলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

চিকিৎসাপত্র ছাড়াই ওষুধ কিনছেন ক্রেতারা, রোগী দেখছেন ফার্মেসি মালিকরা

দেশে বাজারে আবারও কমছে স্বর্ণের দাম


এদিকে, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ সমাবেশে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি নেতারা। এসময় নেতাকর্মীদের সাহস সঞ্চয় করে সরকারকে রুখে দেয়ার কথা বলেন তারা।

সমাবেশের মাঝে নিজেদের ভেতর কয়েকদফা গন্ডগোল করে, বিএনপি নেতা-কর্মীরা।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: ড. কামাল

অনলাইন ডেস্ক

জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: ড. কামাল

গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, জনগণের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এখন সামনে অগ্রসর হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের প্রতিবাদে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে দেশ এখন দুঃশাসন ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। 

আজ শনিবার (৬ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলেন লিখিত বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ নিজেদের নির্বাচিত দাবি করে দেশ শাসন করছে অভিযোগ করে ড. কামাল বলেন, তাদের প্রতি জনগণের আস্থা-বিশ্বাস ও সমর্থন নেই। 

জনবিচ্ছিন্ন এ সরকার জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার অপকৌশল হিসেবে বিভিন্ন কালাকানুন জারি করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তারই অংশ বিশেষ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোকাব্বির খান এমপি, দলপির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আ হ ম শফিকুল্লাহ, গণফোরাম নেতা মোশতাক আহমেদ, জানে আলম, সুরাইয়া বেগম প্রমুখ।


কুমিরের পেট থেকে বের করা হচ্ছে আস্ত মানুষ (ভিডিও)

প্রেমের বিয়ের ৪ মাসের মাথায় নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

বাক্‌স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আহ্বান

চুম্বনের দৃশ্যের আগে ফালতু কথা বলতো ইমরান : বিদ্যা


news24bd.tv / কামরুল 

মন্তব্য

পরবর্তী খবর