শীতে সুস্থ থাকতে খেতে পারেন ৭ খাবার

অনলাইন ডেস্ক

শীতে সুস্থ থাকতে খেতে পারেন ৭ খাবার

চলছে শীতকাল। আর এসময় সুস্থ থাকতে খেতে পারেন সাতটি খাবার। আসুন জেনে নেই খাবারগুলোর নাম:

১. রসুন, পেঁয়াজ, মূলা, গাজর, আলু-এসব সবজি খেতে পারেন।  এসব খাবার হজমে সাহায্য করে, শরীরে তাপ সৃষ্টি করে ও শরীর গরম রাখে। 

২. এ সময় নিয়মিত খেতে পারেন মধু। সকালে গরম পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। অথবা অন্য খাবার বা সালাদের ড্রেসিংয়েও মধু যোগ করতে পারেন। মধুতে প্রচুর পুষ্টিগুণ আছে। এছাড়া এটি আমাদের শরীর অনেকক্ষণ গরম রাখে।

৩.  আদা, লবঙ্গ, দারুচিনি, এলাচ খাবারের সঙ্গে যোগ করুন। এতে শরীর গরম থাকবে। এসব মসলা দিয়ে চা বানিয়েও পান করতে পারেন।

৪. খেতে পারেন শুকনো ফল। শুকনো ফলে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগাবে প্রচুর। তাই খেজুর ও এ জাতীয় শুকনো ফল খেতে পারেন।  


চাচী-ভাতিজার পরকীয়া প্রেম; জানাজানির ভয়ে দু'জনেরই আত্মহত্যা

দেশের সব খাতেই উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

কলারোয়ায় বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন

নলছিটি পৌরসভায় বিএনপি ও আ.লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন


৫. ঘি দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পারেন। রান্নার তেলের বদলে ঘি ব্যবহার করতে পারেন। ঘিয়ে যে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে তা শরীর গরম রাখে প্রাকৃতিকভাবে। ঘি আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রমতেও একটি উপকারী খাবার। 

তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগী বা যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন ঘি।

৬. শীতে পর্যাপ্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মুরগি, চর্বি ছাড়া মাংস, মাছ, ডিম এসব খাবার তালিকায় রাখুন সব সময়। এসব খাবার শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে ও শরীর সুস্থ রাখতে খুব সহায়ক।

৭. রাতে ঘুমানোর আগে গরম দুধ পান করতে পারেন। দুধ আপনার প্রোটিনের  চাহিদা পূরণ করবে ও শরীরে শুক্ত যোগাবে। তথ্যসূত্র: পিংকভিলা ডট কম  

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পায়ের যত্নে ৪টি প্যাক

অনলাইন ডেস্ক

পায়ের যত্নে ৪টি প্যাক

পায়ের ত্বকে রুক্ষতা, ফাটা ইত্যাদি সমস্যা সবারই কম-বেশি রয়েছে।  প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে পায়ের ত্বকের সুরক্ষা নেবেন সেই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছে রূপচর্চাবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ডাই হেলথ রেমিডি ডট কম’। 

চলুন একনজর দেখে আসি।

পদ্ধতি  ১:

উপাদান

দই

হলুদ গুঁড়ো

প্রস্তুত প্রণালি

রোদে ত্বক পোড়ার সমস্যা বা অতিরিক্ত ধুলার কারণে পায়ের ত্বকে কালচে দাগ পড়ে। ত্বকের স্বাভাবিক রং ফিরিয়ে আনতে ঘরে বসেই নিতে পারেন একটু পরিচর্যা। একটি পাত্রে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ দই এবং দুই টেবিল চামচ হলুদ গুঁড়ো নিয়ে ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। পেস্টটি পায়ের তালুতে ম্যাসাজ করে ১০-১৫ মিনিট রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ দূর করতে প্যাকটি খুবই কার্যকর।

পদ্ধতি ২:

উপাদান

লেবুর রস

মধু

প্রস্তুত প্রণালি

একটি কনটেইনারে এক টেবিল চামচ মধু নিন। এর মধ্যে সম্পূর্ণ একটি লেবুর রস দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি প্রতিদিন পায়ে ম্যাসাজ করুন। লেবুর রস ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে সাহায্য করে। আর মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে।

পদ্ধতি  ৩:

উপাদান

চিনাবাদাম

গোলাপ জল

প্রস্তুত প্রণালি:

পা ফাটা ও রুক্ষ ত্বকের সমস্যা সমাধানে চিনাবাদাম খুবই কার্যকর। এক মুঠো চিনাবাদাম পানিতে ভিজিয়ে নিন। থেঁতলে পেস্ট করে তাতে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। পায়ে ম্যাসাজ করে আধা ঘণ্টার জন্য রেখে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে পায়ের ত্বক মসৃণ ও কোমল হয়ে উঠবে।

পদ্ধতি ৪:

উপাদান

শসার রস

মুলতানি মাটি

প্রস্তুত প্রণালি:

একটি শসা থেঁতলে তার রস বের করে পাত্রে নিন। সঙ্গে মেশান দুই টেবিল চামচ মুলতানি মাটি। এই পেস্টটি পায়ের ওপরে ও নিচে লাগিয়ে শুকানোর জন্য রেখে দিন। সবশেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে পা ধুয়ে মুছে ফেলুন।

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে যা যা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে যা যা খাবেন

মানুষের শরীরে ক্যালসিয়ামের গুরুত্ব অপিরসীম। ক্যালসিয়ামের অভাবে নানাবিধ রোগব্যাধি হতে পারে। তাই ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খেয়ে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সামুদ্রিক মাছ সবচেয়ে বেশি কার্যকর। কড মাছের তেল, স্যামন মাছ, রুপচাঁদাসহ সামুদ্রিক প্রায় সব মাছেই রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম। 

ক্যালসিয়ামের উৎস বলতে সবার আগে দুধের নামই আসে। গরুর দুধ এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রচলিত। এক কাপ দুধে রয়েছে ২৮০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। দেহের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে দুধ যথেষ্ট কার্যকর। খুব ছোট শিশুদের মায়ের দুধ থেকেই এ চাহিদা পূরণ হবে। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরুর দুধ দেওয়া যেতে পারে।

অনেকেই কমলার ক্যালসিয়ামের কথা জানেন না। এই ফলে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। একটি মাঝারি আকৃতির কমলায় প্রায় ৬০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম মিলবে।


ভাইরাল পাকিস্তানি ‘স্ট্রবিরিয়ানি’

যুক্তরাজ্য মুরগির মাংস খেয়ে মৃত ৫, অসুস্থ কয়েকশ

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলা, ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ নিহত তিন

স্কুলের খাদ্য তালিকা থেকে মাংস বাদ দিয়ে বিপাকে মেয়র


সয়া থেকে তৈরি হয় সয়া দুধ। যাঁরা অ্যালার্জিসহ নানা কারণে গরুর দুধ খেতে পারেন না তাঁরা সয়া দুধ খেতে পারেন। এতে ক্যালসিয়াম ছাড়াও আছে ভিটামিন ডি।

কাজুবাদামে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। মাত্র এক কাপ কাজুবাদামেই মিলবে প্রায় ৪৫৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিনসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে।

বাজারে যেসব মাংস পাওয়া যায় তার সব কটিতেই ক্যালসিয়াম রয়েছে। এর মধ্যে গরু, খাসি ও মুরগির মাংস, ডিম, কলিজা এবং ছোট মাছের কাঁটাতেও রয়েছে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। মলা, কাচকি, মাগুর, শিং, কই, কোরাল এবং সামুদ্রিক মাছে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

পালং শাক, বাঁধাকপি, শালগম, লেটুস পাতা, মাশরুমসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজিতে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে। তাই শাকসবজি কোনো অবস্থাতেই খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

পেটের গ্যাসের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

পেটের গ্যাসের সমস্যার প্রাকৃতিক সমাধান

খাবার খেলে এটি আমাদের পেটে গিয়ে গ্যাসের সৃষ্টি করে। সব খাবারেই কমবেশি গ্যাসের সৃষ্টি হয়। তবে কিছু খাবার আছে যেগুলো আবার গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। গ্যাস্ট্রিকের জন্য ওষুধ খেলেও কিছু প্রাকৃতিক খাবার খেলেওেএ সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। আজ এমন কিছু খাবারে কার্যাবলি দেওয়া হল। 

শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।


২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

স্বামী রণবীরের ছবিতে স্ত্রী দীপিকা আইটেম গার্ল

দেশেই যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির সঙ্গে বৈঠকে বসতে সময় দিয়েছেন আইজিপি


পাকস্থলির গ্যাসট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে।

দারুচিনি হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।

জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে অত্যন্ত ফলপ্রদ। জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা আখের গুড়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ১০ গ্রাম করে পাঁচটি বড়ি তৈরি করতে হবে। দিনে তিনবার এর একটি করে বড়ি খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর সেরে যাবে।

২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।

লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়ো খেলে অম্বল দূরে থাকে।

এক কাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না।

এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন। সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে। নজর রাখতে হবে নিজের খাওয়া-দাওয়ার প্রতি। জেনে নিতে হবে কোনটি খাওয়া উচিত হবে কোনটি হবে না।

news24bd.tv আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

জিভের কালো দাগ দূর করার পাঁচ ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

জিভের কালো দাগ দূর করার পাঁচ ঘরোয়া উপায়

জিভে কালো দাগ থাকলে বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাই এটি দূর করাটা জরুটি। তবে তার কারণটা জানতে হবে। নানা কারণে জিভে কালো দাগ পড়তে পারে।

মৃত ব্যাকটেরিয়ার কারণে জিহ্বায় কালো দাগ দেখা যেতে পারে। পেপটো বিসমল ওষুধ সেবন করলে জিহ্বা কালো হয়ে যেতে পারে। তবে মাড়ির পাশে যদি কালো দাগ দেখা যায় তাহলে গাম বা মাড়ির ক্যান্সারের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাবে না। ক্রমাগত ছত্রাক সংক্রমণের কারণেও জিহ্বায় কালো দাগ দেখা যেতে পারে। অনিয়মিত বা ভুল অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের কারণেও এমনটি হতে পারে। ক্লোরোহেক্সিডিনজাতীয়মাউথওয়াশও জিহ্বায় কালো দাগ ফেলতে পারে।


জিহ্বার কালো দাগ যে কারণেই হোক না কেন তা গুরুত্বসহ বিবেচনায় আনতে হবে। পিগমেন্ট রিডিউসিং কমপ্লেক্স যথার্থ প্রয়োগের মাধ্যমে জিহ্বার কালো দাগ দূর করা যায়। এছাড়া গ্যানোডার্মা লুসিডাম প্রজাতির মাশরুম বিশেষ পদ্ধতিতে প্রয়োগ করে রোগ নিরাময় করা সম্ভব। 

চলুন জেনে নেয়া যাক জিভের কালো দাগ দূর করার পাঁচ ঘরোয়া উপায়-

নরম টুথব্রাশ:

দিনে দুবার নরম টুথব্রাশ দিয়ে হালকাভাবে জিভে ঘষুন। এটি করলে জিভে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও মৃত ত্বকের কোষ দূর হবে। প্রতিবার খাওয়ার পর জিভ ও দাঁত ব্রাশ করা প্রয়োজন।

আনারস:

আনারসে ব্রোমেলিন থাকে, যা কালো দাগ দূর করে এবং জিভকে মৃত ত্বকের কোষ থেকে মুক্তি দেয়। প্রতিদিন আনারস খেলে জিভের কালো দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

অ্যালোভেরা জেল:

অ্যালোভেরা কোলাজেন কাঠামোর উন্নতি করে দাগ দ্রুত নিরাময় করতে সহায়তা করে। জিভের কালো দাগে অ্যালোভেরা জেল লাগালে দাগ ধীরে ধীরে চলে যাবে। এছাড়া অ্যালোভেরা জুসও খেতে পারেন।


নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া

সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যায় মামলা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

করোনায় দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু বাড়লো


দারুচিনি ও লবঙ্গ:

দারুচিনি ও লবঙ্গ জিভের কালো দাগ দূর করতে কার্যকর। দুই টুকরো দারুচিনি ও চারটি লবঙ্গ নিন। এক গ্লাস পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করুন। তারপর সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। দিনে দুবার করলে জিভের কালো দাগ দূর হবে।

নিম:

নিম ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি প্রাকৃতিকভাবে দাগ দূর করতে সহায়ক। কয়েকটি নিমপাতা এক কাপ পানিতে ভালো করে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে মুখ ধুলে জিভের দাগ চলে যাবে। দিনে দুবার কুলকুচি করুন। ভালো ফল মিলবে।

news24bd.tv নাজিম

মন্তব্য

পরবর্তী খবর

ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধে প্রাকৃতিক উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধে প্রাকৃতিক উপায়

শীতে আমদের ঠোঁট ফাটে বেশি। সবারই কমবেশি ঠোঁট ফাটে এসময়। ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধ করতে কিছু প্রাকৃতিক উপায় আমরা অবলম্বন করতে পারি। ঠোঁট হচ্ছে আমাদের মুখের সৌন্দর্যের অন্যতম বিষয়। ঠোঁট ফেটে গেলে দেখতে অসুন্দর লাগে এবং এটা যন্ত্রনাদায়কও বটে। তাই ঠোঁট ফাটা প্রতিরোধে করণীয়।

খুব তাড়াতাড়ি ঠোঁট ফাটা কমায় এবং তাকে করে তোলে নরম ও পেলব । এক চা চামচ মধু ও এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন । ঠোঁটে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন । তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । দিনে অন্তত চারবার এই মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগানোর চেষ্টা করুন ।

দিনে অন্তত দুবার জোজোবা তেল ঠোঁটে লাগান । ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । ঠোঁট ফাটা তো কমবেই তার সঙ্গে ঠোঁটের লালচে আভা আবার ফিরে আসবে ।

অনেকেই জানেন না গ্রিন টি ব্যাগ খুব ভালো ময়শ্চারাইজারের কাজ করে । এবং খুব সহজেই এটা ব্যবহার ও করতে পারবেন । একটা ব্যবহৃত টি ব্যাগ নিন এবং ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরুন । এইভাবে চার মিনিট রেখে দিন । দিনে একবার করে করলেই হবে ।

নরম ও পেলব ঠোঁট খুব সহজেই পাবেন লেবুর রস লাগিয়ে এছাড়া নিয়মিত লেবুর রস লাগালে ঠোঁটের বয়েস বাড়বে না । এছাড়াও কালো ছোপ ও মিটে যাবে । এক চা চামচ দুধের সর ও তিন ফোঁটা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন । মিশ্রণটা ফ্রিজে রেখে দিন । রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটা লাগিয়ে নিন । সুফল পাওয়ার জন্য অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করুন ।


ইউনাটেড ৭৭৭ মডেলের সব বিমান চলাচল বন্ধ

উনকে নিজের প্লেনে করে বাড়ি পৌছেঁ দিতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প

মিয়ানমারে নিহত তরুণীর শেষকৃত্যে হাজার হাজার মানুষ

কঙ্কালের গায়ে লেগে থাকা শার্ট দেখে লাশ সনাক্ত করলেন স্ত্রী


মিল্ক ক্রিম বা দুধের সর লাগালেও খুব সহজে ঠোঁট ফাটা সেরে যায় । তাজা দুধের সর নিয়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন । এরপর হাল্কা গরম জলে তুলো ভিজিয়ে নিন এবং আলতো করে ঠোঁট মুছে নিন ।

প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার ছাড়াও ব্যথা দূর করে অ্যালোভেরা । অ্যালোভেরা জেল বা সরাসরি অ্যালোভেরা পাতা সরাসরি ঠোঁটের ওপর লাগাতে পারেন । একটুকরো অ্যালোভেরা পাতা নিন । পাতা থেকে রস চিপে তা ঠোঁটের ওপর লাগিয়ে নিন । শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন ।

এক টুকরো শশা নিয়ে ভালো করে তা ঠোঁটের ওপর হাল্কা করে ঘষুন । ১৫ থেকে ২০ মিনিট শশার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন । দিনে যতবার খুশি শশার রস লাগাতে পারেন ।

ঠোঁট ফাটা খুব সহজেই নারকেল তেল লাগালে সেরে যায় । কয়েক ফোঁটা তেল ঠোঁটের ওপর লাগিয়ে নিন । নারকেল তেলের বদলে অলিভ অয়েল ও লাগাতে পারেন ।

ঠোঁটের শুকনো চামড়া চিনির সাহায্যে এক্সফলিয়েট করে তুলে ফেলুন । নিয়মিত এক্সফলিয়েট করলে ঠোঁট নরম হবে । সামান্য চিনি আর অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন । এরপর হাল্কা করে ঠোঁটের ওপর ঘষতে থাকুন । ১০ মিনিট করার পর হাল্কা গরম জল দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন ।

news24bd.tv/আয়শা

মন্তব্য

পরবর্তী খবর